আমার প্রিয় পোস্ট

গল্পঃ রূপার কাঁকন

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪

শেয়ারঃ
0 0 0

১.
- ও ময়না! মেল টেরেন জাতিছে না কি রে! কিসের শব্দ হতিছে ভাল কইরে শুইনে দ্যাকদিনি!

চুলোতে শুকনো পাতা গুজে দিতে দিতে বলে চলে মমতা। লিচু গাছটার ছায়ায় বসে একমনে পুতুল খেলছে তাঁর চার বয়সী মেয়ে ময়না।
- দেকতি দেকতি কেমন কইরে দুটো বেঁইজে গেইল। কালের দিনে বেলা মেলা তাড়াতাড়ি ছুইটে যায়।

ময়না মায়ের দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাঁকায়।
-মা! আমারে কি ডাকিছেন?
-হ। তর কি বেশি খিদা লাগিছে? একনও তো ভাত ফুটে নাইরে মা!

ময়না আবার পুতুল খেলায় মনোযোগ দিয়েছে। রতন কাল মেলা থেকে নতুন পুতুল কিনে এনেছে বোনের জন্য। বোনটাকে খুব ভালোবাসে সে। কাল ছিল মেলার শেষদিন।গত ছয়দিন ধরে একটানা দোকানটায় গিয়েছে পুতুলটা কেউ কিনে নিল কিনা দেখার জন্য।পুতুলটার দাম দশ টাকা। ও মাত্র ক্লাস ফোরে পড়ে।এত টাকা কোথায় পাবে সে। তিন চারদিন টাকার জন্য বাবার কাছে ধরনা দিয়েছে।তার কাছেও টাকা নেই।অভাবের সংসার, দুই বেলা দু’মুঠো ভাতের চাল যোগার করাই যেখানে বড় দায়!ভিটে-বাড়ি বন্ধক রেখে হরিপদ মহাজনের কাছে থেকে যে টাকা এনেছিল, সবই তো গেছে সার, বীজ আর কীটনাশক কিনতে। এখন সেচের জন্য টাকা কোথা থেকে আসবে, তা চিন্তা করেই কূল কিনারা পাচ্ছে না।

মাকে খুব ভয় পায় রতন। মায়ের কাছে টাকা চাইতে সাহস পায় নি সে।টাকা চাইলেই পিঠে জুটতো দুইটার কুঞ্চির বাড়ি।মমতা ঘরে ষোলটা ডিম রেখেছিল মুরগীর বাচ্চা ফুটানোর জন্য।সেখান থেকে তিনটা চুরি করে বেচে দিয়ে কাল পুতুলটা কিনে এনেছে রতন।চুপি চুপি ময়নাকে ডেকে পুতুলটা দিয়ে সারাদিন এদিক ওদিক পালিয়েছিল।আহা বেচারা!রাতে ফিরতে হয়েছে নিতান্ত বাধ্য হয়েই।এতটুকু মানুষ, আর কোথায় যাবে রাতের বেলায়। পিঠে কুঞ্চির বাড়ি খাওয়ার নিয়তি তাই মেনে নিতে হয়েছে। তবুও তো ছোট্ট মানুষটার মলিন মুখে হাসির রেখা ফুটবে।বড়দের অনেক কিছুই রতন বুঝে না।কাল মা তাকে মারে নি, এমনকি কিছুই বলেনি, ব্যপারটা রতনের কাছে খুব আশ্চর্য ঠেকেছে।

-ময়না, মাঁচালির পাড় ছোট একটা হাড়ি দেকপি।ওয়ের মদ্দি চাল ভাজা রাখিছি।তুই খানিক খা, আর খানিক রতনের জন্যি রাইখে দিস।
-মা, ভাইজানের ইশকুল ছুটি হবেনে ককন?ভাইজান আলি পরে খাবানে?
-রতনের ইশকুল তো মেলা আগেই ছুটি হয়েছে। দেক কনে খেলতিছে?
-মা!তালি পরে কি আমি দেইকে আসপো? ভাইজানকে ডাইকে নিইয়ে আসপো?
মমতা মৃদু হাসে।যেমন ভাই, তেমন তার বোন!
-যা দেকগে! ছাওয়ালটা কনে কনে যে যায়! তুই কিন্তু আবার খুঁজপের জন্যি বেশি দূর যাবি না কতিছি।

২.
বাহির বাড়ি এসেই রতনকে খুঁজে পায় ময়না।উকি ঝুকি মেরে রান্না ঘরের দিকে তাকিয়ে মায়ের মন বুঝার চেষ্টা করছিল রতন। সারা গায়ে কাদা মাখামাখি, দেখে মনে হচ্ছে কাদার সাথে বড় একটা যুদ্ধ করে এসেছে।একবার ভাবছে বাড়ির ভিতরে ঢুকবে, কুঞ্চির বাড়ির ভয়ে আবার পিছিয়ে আসছে।ময়না অবশ্য ভাইকে এভাবে দেখে অভ্যস্ত।

-ভাইজান, আপনে একানে দাঁড়ায়ে রইছেন, মা খাতি ডাকতিছে আপনেরে।
হঠাৎ ভাইয়ের দিকে তাঁকিয়ে খুশিতে আত্নহারা হয়ে ময়না বলে,
-ও আল্লা! এত বড় কাতলা মাছ কনে পাইছেন ভাইজান?
বোনের খুশি দেখে রতনের মনটা আনন্দে ভরে ওঠে।মৃদু হেসে বলে,
-তুই বড় মাছ খাতি চাইছিলি না ওদিন? তাই ধইরে নিইয়ে আলাম।
-কনে থেকে ধরিছেন?
ময়নার বিস্ময় যেন কাটতে চায় না।
-তুই মাছটা নিইয়ে ভিতরে চইলে যা একন। পরে সব কবানে।
-আপনে একন যাবেননানে?
-হু, মা কি মারতি পারে?
-কতি পারি না, মারলিও মারতি পারে।
-তুই তালি পরে আগে যা, আমি আসতিছি।

রতনকে দেখেই মমতা রান্না ঘর থেকে বের হয়ে আসে।
-আয়িছিস! আয় আইজকে। আয়নার দিকে একবার তাকিয়ে দেকদিনি চেহারার কি ছিড়ি করিছিস?

রতন ভয় পেয়ে একটু পিছিয়ে যায়।তার গলা শুকিয়ে আসছে।আজ মনে হয় আর রক্ষা নাই।পালিয়ে যাবে কি না দ্রুত ভাবল রতন।মন কিছুতেই সায় দিল।রাতে তো ফিরতেই হবে, এখন যা শাস্তি হবার হয়ে যাক। তা না হলে রাতে দ্বিগুন শাস্তি পেতে হবে।
-কি রে পিছোয়ে যাচ্ছিস কি জন্যি? কাইলকে যে কান্ড ঘটাইয়েছিস, কিছু কলাম না দেইকে ভাবিছিস আইজকেও কিছু কবনানে?

রতন চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে।আশু শাস্তি বরণের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কি করার আছে তার?
-কি রে কথা কতিছিস না কি জন্যি? আর কত জ্বালাবী আমারে?কোতা থেইকে মাছ চুরি কইরে আনিছিস? যা তাড়াতাড়ি ফিরোয়ে দিয়ে আয়।

রত্ন মৃদুভাবে মায়ের কথার উত্তর দেবার চেষ্টা করে।
-মাছ চুরি কইরে আনি নাই মা। আমারে দেছে।
-কে তোরে মাছ দিল ক’দেকেনি?
-চৌধুরী সাবের পুকুরে পানি সেইচে জাইলেরা মাছ ধরতিছিল,তাগের সাথে গ্রামের মানুষরাও মাছ ধরিছে।আমিও কয়টা ধইরে দিছি।চৌধুরী সাবের বিবি খুশি হইয়ে আমারে এইটা দেছে।
-তুই মাছ ধরতে গেইলি কেন? সাপে কাটলে কী করতি?
-ময়না ওইদিন বড় মাছ খাতি চাইছিল। ওর কথা মনে পড়তিই নাইমে পড়িছি মাছ ধরতি।

ছেলের কথা শুনে মমতা হতভম্ব হয়ে যায়।অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে নিয়ে বলে,
-তোর বই খাতা কনে রাখিছিস?
-মামুনের কাছে রাখিছি। বৈকাল বেলা যাইয়ে নিইয়ে আসপানে।
-ঠিক আছে।একনি কল পাড়ে যা।আমি বাসনা সাবান নিইয়ে আসতিছি।

রতন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। এ যাত্রায় মনে হয় বেঁচে গেল সে।

মমতা নিজ হাতে সাবান ঘসে ঘসে ছেলেকে গোছল করায়।
-বাপজান! ইশকুলে আজ পড়া পারিছিস?
-পারিছি মা। অমল ছাড় কঠিন দেকে তিনটা অঙ্ক দিছিল। কেউ পারে নাই। আমি পারিছি দেকে ছাড় খুব খুশি হয়েছে।
-কী কল তোর ছাড়?
-ছাড় আমারে কাছে ডাইকে নিইয়ে অনেক আদর কইরে দেছে।আমার খুব ভালো লাগিছে মা।

মমতা ছেলের কথা শুনে মৃদু হাসে।
-বাপজান! মন দিইয়ে লেকাপড়া করবি।তালি পড়ে সপ সময় ছাড়গের দুয়া পাবি।
-ছাড় কল, আমি বড় হলি পরে নাকি ডাকা ইনভার্সিটি চানেস পাব।মা,ডাকা ইনভার্সিটি কি অনেক বড় ইশকুল?
-কী জানি বাপ, কতি পারি না, হবার পারে।
-মা! চৌধুরী সাবের বিবির দুই হাত ভরা সোনার চুড়ি।আমি বড় হলি পরে আপনের জন্যি সোনার চুড়ি কিনে আনবো।
রতন মায়ের দুই হাতের রূপার চুড়ি দুইটিতে হাত বুলায়।ছেলের পাগলামী দেখে মমতা হাসে।
-মা, রূপার চুড়ি হলি পরে কি হবি, আপনের হাত চৌধুরী সাবের বিবির চাতিও অনেক বেশি সুন্দর।

মমতার চোখে পানি চলে আসে।
-বাপ আমার! বাঁইচে থাক তুই।

৩.
বিকেলের দিকে হঠাৎ করেই রতনের জ্বর চলে আসে।মমতা বিকেল থেকেই মাথায় পানি ঢালছে, গা মুছিয়ে দিচ্ছে, মাথায় জলপট্টি দিচ্ছে।তবুও্ জ্বর কমার কোনো লক্ষণ নেই।পাল্লা দিয়ে জ্বর বেড়েই চলছে।

ঘরে একটা কানা-কড়িও নেই।এবাড়ি-ওবাড়ি করেও একটা পয়সা যোগার করতে পারে নি রতনের বাবা।ওদিকে ছেলেটা জ্বরের ঘোরে প্রলাপ বকে বকে ঘুমিয়ে পড়েছে।মমতা ছেলেকে বুকের কাছে নিয়ে ফুঁপিয়ে কাদছে।ময়না ভাইয়ের পা বারে বারে পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিচ্ছে।বাহির বাড়ির বেঞ্চিতে রতনের বাবা মন মরা হয়ে বসে আছে।নিজের চোখের সামনে ছেলেটা শেষ হয়ে যাচ্ছে, জ্বরে কাতরাচ্ছে, অথচ সে কিছুই করতে পারছে না।বুকটা ক্রমশ ভারী হয়ে ওঠছে কষ্টে।

মমতা রতনের বাবার পিছনে এসে দাঁড়ায়।স্বামীর পিঠে হাত রাখে।রতনের বাবা ফুঁপিয়ে কেদে ওঠে।
মমতা হাতের চুড়ি দুইটা খুলে দিয়ে রতনের বাবার সামনে ধরে আকুতি জানিয়ে বলে,
আপনে আমার ছাওয়ালরে বাঁচান।চুড়ি দুইটা বেইচে তাড়াতাড়ি ডাক্তর নিইয়ে আসেন।

রতনের বাবা ফ্যালফ্যাল করে তাঁকিয়ে থাকে মমতার দিকে।
-আপনে কথা কতিছেন না ক্যান? তাড়াতাড়ি যান, আমার ছাওয়ালরে বাঁচান। ওর কষ্ট আমি আর সইয্য করতি পারতিছি না।
-বউ, আমারে তুমি এই চুড়ি নিইয়ে যাতি কইয়ো না।এই চুড়ি আমাগের বংশের পেতিক।
-দোহাই আপনের, আপনি একনি যান। ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠে মমতা।
-আমার রতনরে বাঁচান।

এশার আযানের সময় রতনের ঘুম ভাঙে।অনেক কষ্টে চোখ খুলে মাকে ডাকে,
-মা, আমার খুব পানির তিয়াস পাতিছে। একটু পানি দিবেন?
দাঁড়া বাজান, আমি পানি দিতেছি।
মমতা রতনকে আধ-শোয়া করে পানি খাওয়ায়।
-মা, বাপজান কনে গেছে?
-তোর জন্যি ডাক্তর আনতি গেছে।
-মাছটা কি রান্না করিছেন?
-হ বাপ! তোর কি খিদা লাগিছে?ভাত নিইয়ে আসপো?
-বাপজান আসলি একসাথে খাবানে? মা! মাথাখান কিন্তু ময়নারে দিবেন।

মমতা অনেক কষ্টে হাসে।
-ঠিক আছে বাপজান।
মা! আপনের হাতখান একটু দেন, ধরতি ইচ্ছে করতিছে।

মমতা ছেলের দিকে হাতদুটি বাড়িয়ে ধরে।
-মা, আপনের চুড়ি কনে?
-খুইলে রাখিছি বাপ! মমতার চোখে জল চলে আসে।
-ভাইজান! বাপজান মার চুড়ি বেচতি নিইয়ে গেছে।বাপজানের কাছে আপনের ওষুদ কিনার টাকা ছিল না।
-ময়না তুই চুপ কইরবি।
মমতা ফুঁপিয়ে কাঁদে।ময়নাকে কে বুঝাবে, ওরা যে তার কাছে দুই দুইটা হিরার চুড়ি।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভেচ্ছা।

২. ২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫
সুরঞ্জনা বলেছেন: মায়ের মমতা। আন্চলিক ভাষার ব্যাবহারে লেখার সৌন্দর্য বেড়ে গেছে। এটাকি কুষ্টিয়ার ভাষা?
২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
আমি চেষ্টা করেছিলাম খুলনা অঞ্চলের ভাষা ব্যবহার করতে। জানি না, কতটুকু পেরেছি। শুভেচ্ছা।

৩. ২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০
রাত্রি২০১০ বলেছেন: সত্যি কেঁদে ফেললাম! খুব খুব খুব ভাল লিখেছেন। ভাল থাকুন।
২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা ভাই।
অনেক অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।

২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।শুভেচ্ছা।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।শুভেচ্ছা।

৬. ২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩
করবি বলেছেন:
ওদের ছোট ঘরে খাবার না থাকলেও ভালোবাসা মায়ামমতার কমতি নেই।

ভাষার জন্য আরো বেশী ভালো লাগলো গল্পটা।
২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
শুভেচ্ছা।

৭. ২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
১৬টা ডিম থেকে তিনটা ডিম বেচে বোনের জন্য পুতুল কেনার ভালোবাসা,
মায়ের কুঞ্চির বাড়ির ভয় উপেক্ষা করে বোনের জন্য বড়ো মাছ ধরার ভালোবাসা,এবং রূপোর চুড়ি বেচে সন্তানের জন্য ওষুধের ব্যবস্থা করা মায়ের ভালোবাসা... আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অভাবের সংসার কিন্তু অকৃত্রিম ভালোবাসার অভাব হয়না ।

আমাদের একেকটা গ্রামীন জীবন !
২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা শিপন ভাই।
শুভেচ্ছা।

৮. ২৭ শে মে, ২০১০ রাত ৮:০৮
শায়মা বলেছেন: সুন্দর লেখা। কষ্টের কাহিনী।
২৭ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ভাই।
শুভেচ্ছা।

৯. ২৭ শে মে, ২০১০ রাত ৯:০৫
""ফয়সল অভি "" বলেছেন: দাদা দ্রোহ এর দ্বিতীয় সংখ্যার জন্য আপনার উক্ত লেখাটি প্রকাশের অনুমতি চাইছি এবং আশা রাখি অনুমতি প্রাপ্ত হবো ।


দ্রোহ এর প্রথম সংখ্যার লিংক>>http://www.chittagongnews.org/droho/

আন্তরিক শুভ কামনা রইল ।
২৭ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: প্রিয় কবি, আমার এই লেখাটি আপনারা নির্বাচিত করেছেন দেখে, আমি খুবই কৃতজ্ঞ। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
দ্রোহ এর জন্য শুভ কামনা জানাচ্ছি।
আপনাদের পাশে আছি।

১০. ২৭ শে মে, ২০১০ রাত ১১:১৩
ইসতিয়াক আহমদ আদনান বলেছেন: অনেক ভাল হইছে ভাই। ভাষাটাও চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলছেন। পড়ে খুব ভাল লাগল। আরও লিখেন।
২৭ শে মে, ২০১০ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা আদনান ভাই।
শুভেচ্ছা।

২৮ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মাসুম ভাই।

১২. ২৮ শে মে, ২০১০ ভোর ৪:৪৫
হাসান মাহবুব বলেছেন: ভালো লাগলো গল্প। আর আঞ্চলিক ভাষার প্রয়োগটা পারফেক্ট হৈসে। এ ভাষার সাথে আমি অনেক পরিচিত। খুব আপন।
২৮ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা হাসান মাহবুব ভাই।
আপনার সার্টিফিকেট পেয়ে খুব আনন্দিত হয়েছি। সত্যি বলতে কি, খুলনা অঞ্চলের ভাষাটা আমি আমার বন্ধুদের মুখে শুনে শুনে শেখার চেষ্টা করেছি। অনেক অনুপ্রেরনা পেলাম ভাই। আবারো অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

২৮ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই।
শুভেচ্ছা।

২৮ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
শুভেচ্ছা।

১৫. ২৮ শে মে, ২০১০ রাত ৯:০৬
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
গল্পটা অনেক সুন্দর হয়েছে............
মন ছুঁয়ে গেলো।

শুভেচ্ছা ।
২৮ শে মে, ২০১০ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা আপা।
শুভেচ্ছা।

১৬. ২৯ শে মে, ২০১০ রাত ২:৩২
একরামুল হক শামীম বলেছেন: গল্পের শেষটা ভালো লেগেছে।

ভাষার ব্যবহার পছন্দ হইছে। :)
২৯ শে মে, ২০১০ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই।
শুভেচ্ছা !:#P !:#P

৩০ শে মে, ২০১০ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই।
শুভেচ্ছা।

০৩ রা জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা প্রিয় কবি।

১৯. ০৩ রা জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫৪
সকাল রয় বলেছেন:

আন্চলিক ভাষার গল্পগুলো আমার ভালো লাগে
তাছাড়া আপনার লেখার ষ্টাইলটা আমার ভালো লাগলো।


আমি ব্লগে এসেছি কিন্তু কারেন্ট চলে গেছে বেশ ক'বার

+++++++++++++++++++++++
০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা সকাল ভাই।

২০. ০৩ রা জুন, ২০১০ বিকাল ৫:১৯
শায়মা বলেছেন: একবার পড়েছিলাম। আবারও পড়লাম।
০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপা।
শুভেচ্ছা।

২১. ০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:০৬
মেহবুবা বলেছেন: একবার পড়ে সুরঞ্জনার মন্তব্যের জবাবে খুলনার ভাষা জেনে আবার পড়লাম । ভাল লেগেছে ।
বেঁইজে , খুঁজপে শব্দে চন্দ্রবিন্দুর ব্যবহার সঠিক কিনা মনে আসছে না ।
০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা আপা।
শুভেচ্ছা।

২২. ০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:২১
পারভেজ বলেছেন: অনেক সুন্দর, নিটোল একটা গল্প।
যান্ত্রিকতার ছাঁপ নেই।
খুব ভালো লাগলো।
০৫ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা ভাই।
ভালো থাকবেন।

২৩. ১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ৯:১১
হুপফূলফরইভার বলেছেন: রিয়েল্লি মন ছুইয়ে গেছে ? আঞ্চলিক ভাষায় লিখার কারনে এর আবেদন আরো বেশি ফুইটে উঠিছে! প্লাস দিয়ে গেলাম। এইরাম গল্পো আরো চাই!
১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই।
শুভেচ্ছা।

২৪. ২৪ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৩২
লালসালু বলেছেন: ফাটাফাটি। চালিয়ে যান।
২৪ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই।
শুভেচ্ছা।

২৫. ২৯ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:৫৯
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: আপনার আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার ঈর্ষনীয় রকম সুন্দর! একেবারে জীবন্ত । অনেক লিখুন।
৩০ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।

২৬. ৩০ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:১৩
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: থাইল্যান্ড ভ্রমনের উপর সামুতে আমার লেখা ব্লগটি কাল ভোরের কাগজের বেড়ানো পাতায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। বিস্তারিত এখানে দেখুনঃ
Click This Link
০২ রা জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: শুভ কামনা ভাই

০২ রা জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: থিসিস জমা দেওয়ার ডেট চলে আসায় কিছুটা ব্যস্ত হয়ে পড়েছি উপত্যকা ভাই। শিঘ্রই নতুন লেখা দিব।

অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা।

২০ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
শুভেচ্ছা।

২৯. ১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:০৮
লালসালু বলেছেন: আপনার লেখার হাত অনেক ভাল
২০ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা লালসালু ভাই।
শুভেচ্ছা।

২৪ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:২১

লেখক বলেছেন: মাসুম ভাই আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে আবার নিয়মিত হব :)

৩১. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৫
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: কেমন আছেন?
ব্যস্ততা কমে নাই?
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: shuveccha vai. sob kichu nostoder odhikare cole zacche. koyek jon loker durnitir karone ponero din dhore Halle net off. tai niomito hote parchi na. apni valo thakben. onek kritoggota.

১২ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনসুর ভাই :)

৩৩. ৩১ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৩১
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: আন্চলিক ভাষায় ব্লগে এমন সুন্দর গল্প খুব কমই পড়েছি। সহজবোধ্য ও সরল গল্প। গল্পের মূল মেসেজটি শেষ লাইনে খুব সুন্দর করে বলেছেন। ভাল লাগা জানই।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৩২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই
শুভেচ্ছা

৩৪. ০২ রা নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৭
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: কি বলবো।আমার এত ভাল লেগেছে,যে বুঝাইতে পারবনা।এত চমৎকার হয়েছে।আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ছে।আমার ভাইয়ের কথা।দুজন মিলে কত আকাম কুকাম যে করেছি।ভাইরে যে কতবার আম্মার হাতের মার খাওয়া থেকে বাঁচাইসি তার ইয়ত্তা নাই।

এস এস সি পরীক্ষার পর যখন ঢাকায় গেল কোচিং করতে,সারারাত কেঁদেছি,অথচ এমন কোনো দিন ছিল না যে সেদিন তার সাথে মারামারি হয় নাই।আমার নখ বড় থাকতো শুধু খামচি দিয়ে দিতাম।
এই গল্পটা এত আপন লাগছে,খুব কাছের মনে হচ্ছে।আমি দেখছি যেন....
যদিও বয়স হিসেবে রতনের কথাবার্তা অনেক পক্ক কোনো কোনো জায়গায়।তবে সব মিলিয়ে অসম্ভব ভাল লেগেছে।অনেক শুভকামনা........
০২ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: কি বলে কৃতজ্ঞতা জানাবো আপা, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। আমি খুব আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েছি। গুছিয়ে বলতে পারছি না, তবে এর আগে এত সুন্দর মন্তব্য আমি আর পাই নি।

অশেষ কৃতজ্ঞতা ও শুভ কামনা।

৩৫. ০২ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫৩
চতুষ্কোণ বলেছেন: এমন গল্প কেন মিস করে যাই! পুওর মি!
০২ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি আপনার বিনয় হিসেবেই ধরে নিচ্ছি চতুষ্কোণ ভাই। অশেষ কৃতজ্ঞতা ও শুভ কামনা।

৩৬. ০২ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২৭
চতুষ্কোণ বলেছেন: এমন গল্পের ব্যাপারে কি বলা যায়। সহজ সরল জীবনের গল্প, মাটির গল্প, অনেক কষ্টের ভিতরে জীবন- যাপন করা সুখী মানুষের গল্প। আঞ্চলিক ভাষার প্রয়োগটা চমৎকার হয়েছে। প্রিয়তে তুলে রাখলাম।
০২ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: আবারো অনেক কৃতজ্ঞা ভাই। ভালো থাকবেন।

৩৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০৫
জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় আমিনুল ইসলাম, আজ খুঁজে খুঁজে আপনার মোট তিনটি লেখা পড়েছি। এই গল্পটা পড়ে মুগ্ধ হয়ে গেলাম!

খুলনা-যশোর অঞ্চলের সাথে আমার একটা আত্মীক সম্পর্ক আছে-তা হচ্ছে আমি ক্লাস থ্রী থেকে সিক্স পর্যন্ত খুলনা সেন্ট যোশেফ স্কুলের ছাত্র ছিলাম এবং ক্লাস সেভেন থেকে এইচ এস সি পর্যন্ত ঝিনেদাহ ক্যাডেট কলেজের ছাত্র থাকায় ঐ অঞ্চলের আঞ্চলিকতা সম্পর্কে কিছুটা ধারনা আছে। গল্পে আপনি অত্যন্ত সুন্দর করে তা উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন। সেই সংগে দীর্ঘ দিন পর সেই ভাষার গল্পে কথোপথোনে নস্টালজিক হয়ে গিয়েছি।

পোস্টে প্লাস।
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, কি পরিমান খুশি হয়েছি, ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। এই লেখাটা আমার খুব প্রিয়। কেউ যদি আমার লেখার কোনো একটি লিংক চায়, তবে আমি এটিই দেই :)

আপনি যে বছর আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষ করেছেন, তার পরের বছর আমি পৃথিবীর আলো দেখেছি। আপনি যদি আমাকে তুমি করে বলেন, খুব খুশি হব জুল ভার্ন ভাই।

অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও শুভ কামনা :)

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক পুরনো একটা লেখা খুঁজে বের করে পড়েছেন দেখে খুব খুশি হয়েছি। অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই। শুভেচ্ছা :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.২১৪৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ