যারা নিয়োমিত গ্রামীন ও সিটিসেলকে জুম গালাগালি বা বিজনেজ এক্সক্লুসিভ প্যাকেজ গালাগালি করে থাকেন তাদেরকে বলছি শুধু আমাদের দেশে নয় বিদেশেও মোবাইল কোম্পানীর অবস্থা একই রকম।
এ ব্যাপারে আমার এয়ারটেল বিষয়ক অভিগ্গতা বলছি।
কলকাতা এসে দেখলাম ৪৯ রুপির এয়ারটেল সিম ১৫০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, ভাবলাম ফুতপাতের পাশের দোকান থেকে না কিনে এয়ারটেলের কাস্টমার কেয়ার থেকে কিনলে ৪৯ টাকাতেই পাওয়া যাবে।
পরদিন গেলান এয়ারটেলের অফিসে, প্রথমেই বিশ্রী চেহারার এক বাট্টু মেয়ের হাতে পড়লাম, উনি আমাকে অপেক্ষা করতে বললেন। সেখানে ৭/৮টি ডেস্ক রয়েছে, কিন্ত ঐ মহিলা টোকেন না দিলে কোন ডেস্কেই কথা বলা যাবে না। কয়েকটি ডেস্ক খালি থাকলেও বিনা কারনে আমাকে ১০মিনিট বসিয়ে রাখা হলো। ১০মিনিট অপেক্ষা করার পর যখন আমাকে ডাকা হলো তখন বলা হলো আমার ফটো আই,ডি আছে কি না।
ওয়েব পেজ দেখে আমি আগেই জেনেছি যে নতুন সিম নিতে ফটো আই, ডি ও ছবি লাগে, অতএব সেগুলো সাথেই ছিল , তখন আমাকে জানানো হলো আমি যেহেতু ভারতীয় নই আমার স্থানীয় একজন গ্যারান্টার লাগবে!!!
একটি সিম কেনার জন্য এখন আমি গ্যারান্টার কোথায় পাই। অগত্যা বের হয়ে ফুটপাত থেকে ১০০ রুপী দিয়ে একটি সিম কিনে নিলাম।
এখানেই ভোগান্তির শেষ নয়। আমার সাথে এজ মোডেম ছিল, এজ মোডেম দিয়ে ল্যাপটপে ইন্টারনেট পেতে হলে দুটি জিনিস লাগে। সার্ভিস প্রভাইডাটের ডায়ালআপ নাম্বার ও এক্সেস পয়েন্টের নাম। এয়ারটেল হেল্প লাইনে ফোন করে আমি যখন অনেক কস্ট করে তাদেরকে বুঝালাম যে আমি এজ মোডেম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চাচ্ছি তারা খুব সুন্দর ভাবে জানালো যে তাদের কাছ থেকে মোডেম না কিনে থাকলে তারা এ সম্পর্কে কোন সাহায্য করতে পারবে না। আমি যখন সার্ভিস প্রভাইডাটের ডায়ালআপ নাম্বার ও এক্সেস পয়েন্টের নাম জানতে চাইলাম তখন সে না বুঝে আমাকে হোল্ড করতে বলে আরও কয়েকজরে কাছে জানতে চাইল পরিশেষে আমাকে জানালো যে এ সম্পর্কে তাদের কারোই কিছু জানা নেই।
সবশেষে মনে হলো যে, হয়ত শাহরুখ খান, সচিন, ধনি এরা এ্যড দেয় না তার পরও আমাদের গ্রামীন, বাংলালিংক , ওয়ারিদ ওদের মোবাইল কোম্পানী থেকে অনেক ভালো।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



