আসুন জামায়াতের চরিত্র বিশ্লেষণ করি
১৯৭৬ সালের জানুয়ারীতে নতুন সামরিক সরকার এক অধ্যাদেশ জারি করে। এর ফলে দালাল আইনে যাদের শাস্তি হয়েছিল তাদের মা করে দেওয়া হয়। একই বছর জারি হয় রাজনৈতিক অধ্যাদেশ। এর মাধ্যমে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির পথ উš§ুক্ত করে দেন জিয়াউর রহমান। ১৯৭৭ সালে জিয়া রাষ্ট্রপতি হলে সে সময়ের ২১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫টি তাকে সমর্থন দিয়েছিল, এর মধ্যে ছিল মুসলীম লীগ, জামায়াত, ইসলঅমি ডেমোক্রেটিক লীগ, নেজাম-ই-ইসলাম ও খেলাফত রাব্বানি। আর এভাবেই জিয়া ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর পুনরুত্থান ঘটান।
তারপরেও জামায়াতের মতো দলগুলো অতীত ভুলে গিয়ে বাংলাদেশ মেনে নিয়েছিলেন তা কিন্তু বলা যাবে না। জামায়াত জিয়ার সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন। তখনও বিভিন্ন মহল থেকে পকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশন গঠনের চাপ ছিল।
জামায়াত ১৯৭৬ সালে সোহরাওয়ার্দী মাঠে এক ইসলামি জলসার নামে একটি রাজনৈতিক সমাবেশ করে। সেখানে আরো যোগ দেন সে সময়ের বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল মোহাম্মদ গোলাম তাওয়াব। এই সমাবেশ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামি রিপাবলিক গঠন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন, পতাকা পরিবর্তনের মতো বিভিন্ন দাবি তোলা হয়। তাদের দাবি ছিল পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশন গঠন। এর পর অবশ্য তওয়াবকে অবসর দিয়ে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয়। (সূত্র- বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির পুনরুত্থান, ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, বিচিত্রা, ৩০ নভেম্বর ১৯৮৪।)
তার আগের একটা ঘটনা বলি।
সময় ১৯৭৪। লন্ডনের একটি বাড়ি। বৈঠকে আছেন গোলাম আজম। বৈঠকে আরো ছিলেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তনের কয়েকজন নাগরিক। যেমন, এ টি সাদী, তোয়াহা বিন হাবিব, ব্যারিষ্টার আখতার, আলী হোসেন প্রমুখ। এই বৈঠকেই পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশন গঠনের কথা বিস্তারিত আলোচনা হয়, কর্মপদ্ধতি ঠিক করা হয়। তারই ধারবাহিকতায় ঢাকার ঐ ইসলামী জলসা।
স্বাধীনতা মেনে নিলেও বাংলাদেশ ও ধর্ম ভাঙ্গিয়ে অর্থ উপার্জনে কিন্তু জামাতীদের রুচির অভাব ছিল না। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে দুই ভাবে তারা অর্থ সংগ্রহ করে। একটি হচ্ছে যুদ্ধে ভারতীয় সৈন্যরা ব্যাপকভাবে মসজিদ ধ্বংস করে দিয়েছে-এই প্রচার চালিয়ে তারা বিপুল পরিমান অর্থ সংগ্রহ করে। দ্বিতীয়ত, রোহিঙ্গাদের নামে গ্রহণ করা হয় বিপুল পরিমান অর্থ এবং এর জন্য গঠন করা হয় রাবেতা ইসলামি। আর এই কাজে গোলাম আজমের পরে প্রধান ব্যক্তি ছিলো মীর কাসেম আলী।
বলা হয়, এই অর্থ দিয়েই লন্ডনের গোলাম আজম একটি বাড়ি কেনেন। বাড়িটি লন্ডনের ম্যানচেষ্টারে, যেটিতে দীর্ঘদিন ধরে থাকতো গোলাম আজমের ছেলে মেহেদী হাসান। (সূত্র-বিচিত্রা, ১৭ এপ্রিল সংখ্যা)।
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।