ব্যাপারটা বেশ জটিল। আইন করে বলে দেয়া হয়েছে কেউ দণ্ডিত হলে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন না। আবার বলা হচ্ছে, নিম্ন আদালতে দণ্ডিত হলেই কেউ অপরাধী হয়ে যায় না। বরং তিনি আপিল করে উচ্চ আদালত থেকে নির্দোষ হয়ে আসতেও পারেন। সেহেতু সে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য।
কিন্তু একটি কথা খুব পরিষ্কার। কেউ নিম্ন আদালতে দণ্ডিত হলে তার নিজেরই উচিত - যতদিন তিনি নির্দোষ প্রমাণিত না হচ্ছেন, ততদিন পর্যন্ত কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা। যিনি রাষ্ট্রের পক্ষে আইন প্রণয়ন করবেন, তিনি একটি আদালত কর্তৃক দণ্ডিত - এটা কি কোন নৈতিকতার মানদণ্ডে স্বীকৃত ? যিনি নিজে অপরাধী তিনি কিভাবে অন্য কোন অপরাধের বিরুদ্ধে আইন তৈরির প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারেন ? নৈতিকতার দিক থেকে এটা কখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
তাই পরিষ্কার করে বলা যায়, নিম্ন আদালত বা উচ্চ আদালত যে কোন আদালতেই যারা দণ্ডিত, তারা কোনক্রমেই নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে তাকে নির্দোষ প্রমাণিত হতে হবে। সেটা প্রমাণিত হবে আদালতে। কিন্তু উচ্চ আদালতে মামলা স্থগিত হলে কেউ নির্দোষ প্রমাণিত হন না।
আইনের ফাঁক গলে যদি কোন দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে যান, জনগণের উচিত হবে তাকে প্রত্যাখ্যান করা। ভোটার হিসেবে এটি আমাদের নৈতিক ও প্রধান দায়িত্ব। আমরা এমন কোন লোককে আমাদের পবিত্র সংসদে পাঠাতে পারি না, যিনি আসলে জেলখানায় থাকার যোগ্য।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



