আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন বুনে স্বপ্ন বানাই মানবজমিনে অনেক চাষ চাই

জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন

৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

শেয়ারঃ
0 0 0

সময়টা ১৯৯৯ সাল। একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমি প্রথমবারের মতো মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে যাই। আমরা ৬০ থেকে ৭০ জন। এক ঘরে দেখতে পাই সেই বিখ্যাত ঘোষণাটির রেকর্ড। আমরা সেই রেকর্ডটা বাজিয়ে শোনাতে বলি। তারা শোনায়। শুনি আর পূর্বের সেই ধারণা ভেঙ্গে যায়। এতকাল শুনে এসেছি, তিনি স্বাধীনতার ঘোষক। তখন বুঝি আসলে তিনি ঘোষক নন, তিনি একজন পাঠক মাত্র। অন্য জনের পক্ষ থেকে তিনি ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। তার আগেই আরেক জন এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান। যদি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠকারী বলে কাউকে স্বীকৃতি দিতে হয় তবে তা এম এ হান্নানের প্রাপ্য। আর স্বাধীনতার মূল ঘোষণাকারী শেখ মুজিবুর রহমান।
অন্য দিকে ১০ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে যেই অস্থায়ী সরকার সৃষ্টি হয়, সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। সেই সরকারের প্রধান ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। সুতরাং স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শেখ মুজিব ও জাতীয় চার নেতা জড়িত। জিয়ার ঘোষণাপত্র পাঠ করাটা একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। সেই সময়ের চট্টগ্রাম কালুরঘাট স্টেশনে যেই ব্যক্তিটি জিয়াউর রহমানকে ডেকে আনেন, সেই বেলাল মোহাম্মদ অসংখ্য সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, তিনি প্রত্যেকবারই বলেছেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।
যারা এখনও মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে যান নি, তাদের অনুরোধ করব কমপক্ষে জিয়াউর রহমানের এই রেকর্ড শোনার জন্য মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে যান। সেই ঘোষণায় জিয়াউর রহমান পরিষ্কার বলেছেন, তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা করছেন। তাহলে তিনি কিভাবে স্বাধীনতার ঘোষক হন ? তিনি তো কেবলমাত্র বঙ্গবন্ধুর আহবানটা পাঠ করেছেন।
বিএনপির মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা জামায়াত বা রাজাকারপন্থী লোকজন শেখ মুজিবুর রহমানকে অপমান করার জন্য এবং বিতর্ক ও বিভক্তি সৃষ্টি করার জন্য স্বাধীনতার ঘোষক বানালেন জিয়াউর রহমানকে। তিনি বেঁচে থাকতে কোনদিনও এরকম দাবি করেন নি। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর এই থিউরি আবিষ্কৃত হয়।
গতকালও সংসদে এই স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক হয়েছে। আমরা মনে করি, আমরা এই সব বিতর্ক করে সময় নষ্ট না করে প্রকৃত সত্যটা জানি। তবে কেউ কেউ বিশেষত যারা '৭১ এ রাজাকার ছিলেন, তারা এই বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন এবং তারা চান এই বিতর্ক চলতে থাকুক। তাতে করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের যে জনদাবি উঠেছে, সেটা চোখের আড়ালে চলে যাবে। এই বিতর্কে আসলে তাদেরই লাভ। ক্ষতি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তির। তাই অনর্থক বিতর্ক না করে সত্যকে মেনে নেয়া উচিত।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
গৌতম রায় বলেছেন: ঘোষক ও পাঠক শব্দগুলোর মানে জানা থাকলে আজকে আর এই বিপত্তিটা ঘটতো না। আব্দুল হান্নান বা জিয়াউর রহমান কেউ ঘোষক নন, উভয়েই বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক।

জিয়াউর রহমানের আগেই আব্দুল হান্নান ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। এটা ঐতিহাসিক সত্য। তবে জিয়াউর রহমানের ঘোষণাপত্র পাঠের গুরুত্ব অন্যখানে। একজন সাধারণ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঘোষণা পাঠ জনমানুষের কাছে সে সময় যতোটা গুরুত্ব পেয়েছিলো, একজন মেজরের ঘোষণাপত্র পাঠ মানুষকে তার চেয়ে অনেক বেশি উদ্দীপ্ত করেছিলো। জিয়াউর রহমানের কৃতিত্বটা এখানেই। এর চেয়ে বেশি কিছু নয়।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত।

২. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
নীলকমল বাংলাদেশ বলেছেন: ঐ ঘোষণাটি বিএনপি বিভিন্ন সমাবেশে মাঝে মধ্যে বাজাতেও শুনেছি।বিভিন্ন দিবস উপলক্ষ্যে। সেখানে "অন বিহাফ অব শেখ মুজিবুর রহমান" কথাগুলিও তিনি উচ্চারণ করেছিলেন।
জিয়াউর রহমানকে দিয়ে ঘোষণাটি পাঠ করানো হয় ২৭ মার্চ।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: যদি আমি বলি, ‌অন বিহাফ অফ নীলকমল বাংলাদেশ' সেক্ষেত্রে আমি যা বলছি, তা কি আপনার কথা নাকি আমার কথা ? নিঃসন্দেহে সেটা আপনার কথা, আমার নয়।

৩. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: ওই সময় মুজিব ছাড়া মানুষের কাছে কোন নেতা ছিল না । জিয়া শুনেছি প্রথম বার স্বাধীনতার ঘোষনা তে নিজেকে নেতা দাবী করে একবার পাঠ করেছিল । এর পর আশপাশের ঝাড়ি খাওয়ার পর ঠিক করে ২৭ তারিখ মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করে । এর মধ্যে হান্নান নামে আরেকজন এটি পাঠ করে ।

মুজিব কে ৭১ এর পরবর্তী সময়ে অব্যবস্হা এবং দেশ পরিচালনার অদক্ষতার কারণে অভিযুক্ত করতে শুনেছি । ব্যক্তিগত ভাবে মুজিবকে খুব দক্ষ শাসক মনে হয় নি । ৭৫ এর পট পরিবর্তনের আগে জিয়া সেক্টর কমান্ডার ছাড়া বিশেষ কোন পরিচিত লোক ছিল না । জিয়া নিজেও মুজিবকে নেতা মেনেই অভ্যস্ত ছিলেন। সুতরাং জিয়াকে জাতে আনার জন্য এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসনের জন্য ইতিহাস বিকৃতির সুচনা হয়। জিয়াকে জিয়ার স্হানে রেখে দিলে তাতে বিএনপি দল হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পেতো । সময় পালটেছে । এখন এসব অডিও ভিডিও লুকিয়ে রাখার উপায় নেই । সত্য বেরিয়ে এসেছে অলরেডি ।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বানানো মিথ্যা প্রচারণাটা জামায়াতের জন্য খুব সাহায্যকারী হয়েছে। সম্ভবত এই থিউরি কোন রাজাকারের মাথা থেকে বের হয়েছে।

৪. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০০
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: ভাই, এই বিতর্কটি আর ভাল লাগেনা। অবাক লাগে যে, আমাদের সংসদে একটি ঐতিহাসিক সত্যকে নিয়ে অযথা বিতর্ক করে সময় নষ্ট করা হয়। অথচ সংসদটিকে চালানোর জন্য প্রতি মিনিটে গড়ে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়।

যারা নিজ দেশের ইতিহাস সম্পর্কে সামান্যতম সচেতন, তারাও জানেন যে বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার ঘোষক, জিয়াউর রহমান একজন পাঠক মাত্র। শুধু তা-ই নয়, জিয়াউর রহমান হলেন নবম পাঠক।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় সংসদের মূল্যবান সময় কোন অনর্থক বিষয় নিয়ে বিতর্ক করে নষ্ট করা উচিত নয়। জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় যেই সংসদ চলে, তাদের উচিত জনগণের জন্য সময় ব্যয় করা।

৫. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০২
জইন বলেছেন: @গৌতম রায় এর সাথে সহমত, আর এই বিষয়টাতো উদ্দেশ্যমূলক, তাই যতই তাদের সামনে বাজিয়ে শোনানো হোক না কেন, তারা কিন্তু মিথ্যাটা বলেই যাবে, এর ফলে লাভ হবে কি: কিছু সংখ্যক নতুন প্রজন্ম ভুল মিথ্যা ইতিহাস লালন করে পরবর্তিতে তাদের পরের প্রজন্মকে দিয়ে যাবে,আর এভাবেই মিথ্যা ইতিহাস আজ প্রতিষ্ঠিত।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: এই মিথ্যা ইতিহাসটা থামাতে হবে এক্ষুণি।
একবার এক বিএনপি নেতা আমাকে বললেন, জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম জিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন কবে ?
তিনি বললেন, ২৭ মার্চ ১৯৭১।
আমি বিনীতভাবে জিজ্ঞাসা করলাম, তাহলে আমরা ২৭ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন না করে একদিন আগে অর্থাৎ ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করি কেন ?
তিনি আমার এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন নি।

৬. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৪
রোহান বলেছেন: বিএনপি এর শাসনআমলে বিটিভি তে একটা নাটক দেখছিলাম মনে পড়ে। স্বাধীনতা অথবা বিজয় দিবসের নাটক। সেখানে জিয়ার ভাষন শোনানো হচ্ছিলো। বলছিলো-- I Major Jia... তারপর অনেক ঘড়ঘড় শব্দ... do hereby declare... (মাঝের noise যোগ করেছে শুধু on behalf of লাইনটা বাদ দেবার জন্য)। সেই ছোট্ট বেলাতেই যে কি লজ্জা লেগেছিলো ইতিহাসের বিকৃতি দেখে।

একটা জাতির স্বাধীনতা ঘোষনা দেওয়া এত সহজ কাজ নয়। এমন না যে আমি অথবা আপনি হটাৎ রেডিওতে গিয়ে বললেন আমি স্বাধীনতা ঘোষনা করলাম, আর দেশের মানুষ লাফাতে লাফাতে যুদ্ধে চলে গেলো। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনার অধিকার শুধু শেখ মুজিবেরই ছিলো, আর সবাই শুধু তার পক্ষে তার ঘোষনা সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচার করেছে। বাঙালীর দূর্ভাগ্য যে শুধুমাত্র কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের সুবিধার জন্য এতদিন ধরে এই সহজ বিষয়টা আমরা এত জটিল করে রেখেছি।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: সেই স্বার্থান্বেষী মহলটি হল জামায়াতের মধ্যে লুকিয়ে থাকা রাজাকার তথা যুদ্ধাপরাধী। এই চক্রান্তের সাথে তারা জড়িত বলে আমার ধারণা।

৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: কোন রাজাকারের বাচ্চা মাইনাস দিয়া গেছে।

৮. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২০
সু্মিত বলেছেন: এই তর্ক করে জিয়ার মান মর্যাদা কমানো ছাড়া কেউ কিছু করে নাই।

Click This Link
৯. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪
সত্যদীপ বলেছেন: কে ঘোষক আর কে পাঠক বিষয়টি নিয়ে এ্যতো ঘাটাঘাটি না করে , আমরা দেশকে কিভাবে উন্নতির দিকে নিয়ে যাব এ বিষয়টি নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে ।
১০. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
জইন বলেছেন: যারা মাইনাস দিতে পারে..... Click This Link
১১. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: এটা নিয়ে এত বিতর্কের কি আছে? হান্নান বা জিয়া যেই ঘোষনা দিয়ে থাকুন না কেন? তাদের ঘোষনাতেই একটা যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল? আর শেখ মুজিব সহ তার অনুসারী নেতারা এতদিন ধরে সংগ্রাম করে আসলেন, তাতে কিছুই হল না? আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর কবে বোধদয় হবে?
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬

লেখক বলেছেন: আমাদের বোধোদয় হলেই ওদের বোধোদয় হত।

১২. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
সজল বলছি বলেছেন: সাবাই যদি ব্যপারটা বৃঝতো!
১৩. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
মাহবুবুল ইসলাম (সুমন) বলেছেন: এটা তার্ই বুঝবে না যারা রাজাকার.... আল্লাহ তাদের হেদায়েত করুক....
১৪. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৩
শামায়েল বলেছেন: আমরাতো ক্লাস ফোর কি ফাইভে ইতিহাসে পেয়েছিলাম পুরাটা। তখন এরশাদের শেষ দিকে ৮৯/৯০ এ।
১৫. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ধন্যবাদ শামিম আপনার এই লেখাটার জন্য। স্বাধীনতার ঘোষক আর ঘোষণা পাঠকারী উভয়ের প্রতিই আমার শ্রদ্ধা খাকবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তো কত রাজনৈতিক নেতা আসলেন। শেরে বাংলা, সোহরোওয়ার্দি, ভাষানী কি কম বড় নেতা ছিলেন ? কখনই না। কিন্তু ৭০-৭১ সালে মুজিবের যে অবস্থান সেটাকে কিন্তু কেউ ছুতে পারেনি, পারা সম্ভব ও না। ৭০ এর নির্বাচনের পর বাংলাদেশে আর কোন নেতা ছিলেন বলে মনে হয় না, ৭ই মার্চের ভাষণের পর কোন বাঙ্গালীর মনে আর কোন প্রশ্ন ছিল না আমরা আসলে কার নেতৃত্বে অগ্রসর হচ্ছি। ২৫শে মার্চের গণহত্যার পর পূরো জাতি যখন জানলো মেজর জিয়া নামের একজন তরুণ সেনা অফিসার মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছে রেডিওতে, তখন গণহত্যার প্রাথমিক শংকা কাটিয়ে উঠে যুদ্ধে শামিল হতে থাকে।

এখানে বলে রাখা ভাল যে প্রথমে কিন্তু জিয়া নিজেকে দেশের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেটা বৃহত্তর জনগোষ্ঠি শুনতে পায় নাই বলে জানা যায়। আর গ্রেফতার হওয়ার আগেই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি ইপিআরের গোপন বেতার বার্তায় চট্রগ্রামে চলে আসে এবং জিয়ার আগেই আওয়ামী লীগের নেতা জনাব হান্নান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাটি পাঠ করেছিলেন।

জিয়া নিজে কিন্তু কখনই দাবী করেন নাই যে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক।
১৬. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন: সবাই জানে এবং বুঝে কোনটা সত্য। শুধু ধান্দাবাজরা এ নিয়ে তর্কা-তর্কি সৃষ্টি করায় সচেষ্ট থাকে।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: ধান্দাবাজদের প্রতি সহজ প্রশ্ন
জিয়া যদি ২৭ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে থাকেন, তবে আমরা কেন তার একদিন আগে অর্থাৎ ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করি ?
পারলে তারা এই প্রশ্নের উত্তর দিক।

১৭. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: ৭১-এর পরাজিত শক্তি এদেশের স্বাধীনতা সার্বভোমত্ব নিয়ে সব সময়ই চক্রান্ত করে যাচ্ছে, যার ফলশ্রুতিতে আমরা দেখতে পেরেছি অত্যন্ত ঘুনীতভাবে ইতিহাসের বিকৃতি। বিএনপির মেজর জিয়াও ছিলো ৭১-এর পরাজিত নরপশুদের সাথে, যার ফলশ্রুতিতে দেখিছে ৭৫এর পরবর্তীতে মেজর জিয়া ৭১এর পরাজিত নরপশুদের বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকারী এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যাতে না হয় সেই ব্যবস্থাই করেছেন। খুব কষ্ট হয় যখন দেখি জাতীর সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট বাঙালী জাতীর জনকের সাথে মেজর জিয়ার তুলনা করা হয়। ৭১-এর পরাজিত শক্তিই আজ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত। তারাতো চাইবেই একের পর এক ষড়যন্ত্র ও বিতর্ক ছড়িয়ে পার পেয়ে যেতে।

তাই অতিদ্রুত নরপশু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রর করার মাধ্যমে ৭১এর পরাজিত শক্তিকে নির্মূল করতে হবে।
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: জিয়া ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে রাজাকারদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কাজ করে গেছেন। জামায়াতকে রাজনীতি করার সুযোগ সেই প্রচেষ্টার প্রথম ধাপ। সম্ভবত তিনি মুক্তিযোদ্ধা হলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ভোল পাল্টেছিলেন।

১৮. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আপনার কি মনে হয় বিএনপির যারা বলে জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক, তারা "ঘোষক" আর "পাঠকে"র মধ্যে পার্থক্য জানে না ? .... তারা জাইনা বুইঝাই এই অপপ্রচারটা চালায় জিয়াকে মহৎ বানানোর জন্য আর ম্যাডামের আচলের নিচে জায়গা পাওয়ার জন্য .......আর পরবর্তীতে টেন্ডার বা ব্যাবসা ধরার জন্য ...... সবই হলো ব্যাক্তি স্বার্থ ..... আর কিছু না ......
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: এইটা হইল আসল কথা।

১৯. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
স্বাধীনতার ঘোষণা তো দেয়া হয় ৭ই মার্চে। কে বলেছিলেন, এবারের সংগ্রাম.......?
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: তাছাড়া ২৫ মার্চ রাতেই বঙ্গবন্ধু ইপিআরের ওয়্যারলেস ম্যাসেজের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। সেই কপিটাও মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে আছে।

২০. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২
রহমানপন্ডিত বলেছেন: বিএনপির এর উচু দরের প্রথম শ্রেণীর নেতা বলেছিরেন -" জিয়াউর রহমান নাকি ড্রামের উপর দাড়িয়ে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন" আবার অন্যরা বলেন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। এখানেও দুটি তথ্য ঠিক জন্মদিনের তারিখের মত। আসলে কয়েকদিন পরে হয়ত নতুনভাবে আরও কিছু শোনা যাবে।
হায়রে রাজনীতি -- আজকে জিয়াউর রহমান সাহেব যদি বেচেঁ থাকতেন তবে আমি নিশ্চিত তিনি লজ্জিত হয়ে এই সকল আগাছা-পরগাছাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করতেন।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন: দুঃখজনক হলেও সত্য, এই ঘোষক বিতর্ক সাধারণ মানুষ ভীষণভাবে বিশ্বাস করে। কেউ আসল সত্যটা জানতে চায় না। আমার তো মনে হয়, প্রতিটি নাগরিকের উচিত ঢাকা শহরের সবগুলো জাদুঘর পরিদর্শন করা উচিত।

২১. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৯
রায়হান(তন্ময়) বলেছেন: আপনার সাথে পুরোপুরি একমত। ডয়েচে ভেলে এর একটা অনুষ্ঠান ডাউনলোড করে পুরোটা শুনেছিলাম। ওখানেই পরিস্কার বলা আছে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষনা করেছেন।
২২. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
রশিক রশীদ বলেছেন: সবার মন্তব্যই পড়লাম একটা বিষয় ভাল লাগল এতজন মন্তব্যকারীর মধ্যে কারও মনেই বিষয়টি নিয়ে কোন কনফিউশন নাই। আমার বিশ্বাস এভাবেই সত্য প্রতিষ্টিত হবে। কিছু দিন পর বিএনপি নেতারা তাদের ছেলে মেয়েদেরকেও বিশ্বাস করাতে পারেব না জিয়া স্বধীনতার ঘোষক।
৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন।

২৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আমার কাছে জিয়ার ঘোষনার তাৎপর্য অন্য খানে। আচমকা আক্রমনে বাঙ্গালী তখন বিপর্যস্ত, বঙ্গবন্ধু আটক পাকিস্থানীদের হাতে। সেই সময় প্রশিক্ষিত একজন সেনা অফিসার যখন বলে স্বাধীনতার যুদ্ধে তারাও সামিল, সেটা অন্য রকম ব্যঞ্জনা দেয়।
৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: আপনার এই মন্তব্যের সাথে ১০০০% একমত।

২৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮
কাজল রশীদ বলেছেন:
সময় উপযোগী লেখা ধন্যবাদ আপনাকে।
somewhereinblog.net/blog/kazalrocks/28955321
৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩

লেখক বলেছেন: লেখাটা অনেক আগের। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

২৫. ৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০
বেকার বলেছেন: ইতিহাস আমাদের শিক্ষার জন্য, বিকৃত করবার জন্য নয়। সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট বাঙালী শেখ মজিবুর রহমান-এর সাথে কাউকে তুলনা করা একেবারেই বোকামি ছাড়া কিছু নয়। আমি ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বের ১নং রাজনৈতিক ভাষণ বলে মনে করি। এতে দূরদর্শিতা-কর্মপ্রণালী সবই বলা আছে। আর জিয়াউর রহমানের অবস্থান হওয়া উচিত তারই অবস্থানে। তাকেও ছোট করে দেখবার কিছু আছে বলে মনে করি না, যুদ্ধের ময়দানে তারও ভুমিকা ছিল।

তবে, এরা দু'জনই মানুষ। সুতরাং ভুল-ভ্রান্তি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। আর সেই ভুলে যদি দেশ-জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে তারও মুল্যায়ন জনগন করবে।

আমার বিশ্বাস ব্লগে যতজন আছে তারা সবাই খুব ভালো করে বুঝে পাঠক আর ঘোষকের পার্থক্য। এ বিষয় নিয়ে নতুন করে বলবার কিছু আছে বলে মনে হয় না।

এবার আসি ভিন্ন প্রসঙ্গে, গত কয়েক দিন থেকে ব্লগে একটা লেখা চালাচালি হচ্ছে- তা হলো "জাতীয় পতাকা ছিড়ে ২ টুকরা করে মন্ত্রী মহদয়ের ছবি উন্মোচন!"

প্রতাশ্যা ছিল এ বিষয়ে আপনার কোন মন্তব্য। কিন্তু কোন লেখায় পেলাম না (যে কটা আমি ঘুরেছি)। কিন্তু আজ জিয়াউর রহমানের মৃতু বার্ষিকীতে আপনি প্রকাশ করলেন "জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন"।

বাহ্ ! কি চমৎকার জাতি আমরা। সাবাস দেশ সাবাস। এগিয়ে যাও....
৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: এইটা অনেক পুরোনো লেখা। দয়া করে তারিখটা দেখেন।

২৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
প্রবাসী মন বলেছেন: আপনি এক জায়গায় বলেছেন, তাহলে আমরা ২৭ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন না করে একদিন আগে অর্থাৎ ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করি কেন ?

আর একটু ঘাটাঘাটি করলে জানতে পারবেন যে, জিয়াউর রহমান ২৬শে মার্চ যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, সেটি উনি নিজের নামে দিয়েছিলেন ... " কিন্তু সেটাও ছিল স্বাধীনতার ঘোষণা। পরে সেটাকে মোডিফাই করে শেখ মুজিবের নামে দেওয়া হয় ২৭শে মার্চ।

জি্য়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন তার স্বীকৃতি তৎকালীন অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের দেওয়া প্রথম ভাষণেও ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সেনা বাহিনী প্রধান লেঃ জেঃ শফিউল্লাও সেটা বলেছেন। সত্যিকার ইতিহাস খুঁজুন, পে্যে যাবেন। কোন ডিজিটাল ইতিহাসে বা ডিজিটাল যাদুঘরে পাবেন না।

তবে এটাও সত্য যে শেখ মুজিবও কখনো দাবী করেননি যে তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছিলেন।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: নতুন করে ইতিহাসের বই পড়তে হবে মনে হচ্ছে। কোন কোন বই ?

২৭. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:১৩
চাণক্য বলেছেন: যাহারা বলে স্বাধীনতার ঘোষণা ২৫ মার্চের পরে দেওয়া হইয়াছে তাহাদের রাজাকার হিসাবে চিহ্নিত করা হউও। ৭ মার্চ যদি স্বাধীনতার ঘোষণা মুজিব দিয়াই দেয়, তবে ২৫/২৬ হান্নানের কি দদরকার।

৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা হইলে আবার ২৬ মার্চের কথা আওয়ামীগন তোলে কি করিয়া?
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: এইটা একটা অনর্থক তর্ক। ২৫ মার্চ রাতেই শেখ মুজির স্বাধীনতার ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন ।

২৮. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৮
বেকার বলেছেন: দুঃখীত, আমি আসলে ৩০ তারিখ ঠিক মতই দেখেছিলম কিন্তু এখনে যে মার্চ লেখা তা খেয়াল করে উঠতে পারিনি। তর্ক করার খাতিরে তর্ক করবো না, আপনাকে প্রশ্ন ও তীরস্কার করার উদ্দেশ্য ছিল শুধু মাত্র এই তারিখ জনিত ও একই সাথে সমসাময়িক "জাতীয় পতাকা ছিড়ে ২ টুকরা করে মন্ত্রী মহদয়ের ছবি উন্মোচন!" এ জাতীয় খবরেও কোন প্রকার মন্তব্য করতে না দেখে।

যাই হোক, আমি আবারো আমার ভুল স্বীকার করছি। কিন্তু আপনি কেন এখনো এ জাতীয় একটা খবরে কোন প্রকার মন্তব্য করেননি, একই সাথে তাও জানার ইচ্ছা প্রকাশ করছি।

ধন্যবাদ।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: আমার মন্তব্য কি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ?

২৯. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৪
রুবেল শাহ বলেছেন: খালেদা ভাবী শুনিলে গো্হা হইবেক কিন্তু................

ক্রস দিয়া ক্রস ফায়ারের জন্য চিহ্নিত করিয়া রাখিবেক........... কিন্তু,

আচ্ছা আর একটা কথা আমার একান্ত প্রশ্ন সেটা হইল: বর্তমানে যেটাকে জিয়ার কবর বলে জানি আমরা আসলে কি সেই কবরে জিয়ার লাশ.................. ?

যদি তাই হয় তাহইলে তো ভাবী নিজের কবর খানা ভাইডুর সাথেই করার ব্যবস্থা করতেন কিনা................ ?
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: দয়া করে অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা করে বিষয়টাকে ঘোলা করবেন না। আমি এটা ফান পোস্ট দেই নাই। দুঃখিত।

৩০. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৫
চাণক্য বলেছেন: ওহে নির্বোধ, তবে কেন লোকে বলে "এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" ইহাই স্বাধীনতার ঘোষণা।

তবে কি তুমি বলিতে চাও, মুজিব ৭ মার্চও ক্ষমতার জন্য অপেক্ষা করিতেছিল?

নির্বোধ স্বীকার করিয়া লও, স্বাধীনতার ঘোষণা হইয়াছিল ৭ মার্চ এবং বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম বিনা রক্তব্যয়ে শান্তিপূর্ণভাবে একটি রাষ্ট্র ভাঙ্গিয়া অন্য নতুন একটি রাষ্ট্র গড়িবার রেকর্ড করিবার জন্য মুজিব পাকিস্তানিদের সহিত আলোচনা করিতেছিল।
৩১. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১:০২
মিছে মন্ডল বলেছেন: @চাণক্য ওরফে অ্যামাপাঠা, পু*কীতে লাত্থি না পরলে ভাল লাগে না না, তাই না?
৩৩. ০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৩
নির্বাক হাসান বলেছেন: পাকিস্তানের কারাগারে আটক শেখ মুজিবকে পাকিস্তান সরকার রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে বিচারের প্রহসন করে হত্যার উদ্যোগ নিলে প্রধানমন্ত্রী গান্ধী মুজিবের পক্ষে জনসমর্থন সৃষ্টির লক্ষ্যে পৃথিবীর কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ রাজধানী সফরকালে ৬ নভেম্বর, ১৯৭১ তারিখে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তৃতায় বলেন:

The cry for independence arose after Sheikh Mujib was arrested and not before. He himself, so far as I know, has not ask for independence even now.


Ref. Bangladesh documents vol-II, page 275 Ministry of external affairs, Govt of India-1972


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৭ই মার্চের ভাষণের আইনগত দিক আগে পরীক্ষা করে নেয়া হয়েছিল যাতে শান্তিপুর্ন সমাধানের শেষ সুযোগটি থাকে। পলিটিক্যাল সলিউশন ব্যর্থ হলে পাকি আর্মি ঢাকাতে ক্রাক ডাঊন করে, এতে ইতিহাসের মোড় আরেক দিক নেয়। এমন রাজনৈতিকভাবে অচল ও সংকটপুর্ণ সময়েই বাংলাদেশের জনগন পাকি আর্মি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে ...ঐতিহাসিকভাবে সত্য, বেংগল রেজিমেন্ট প্রথমে বিদ্রোহ করে। যা স্বাধীনতার যুদ্ধের সুচনা করে।

এমন সংকটপুর্ণ সময়েই বাংলার আর্মি পারসোন মেজর জিয়া প্রথমে নিজের নামে, পরে মুজিবের নামে স্বলিখিত স্বাধীনতার ঘোষনা দেন। মেজর জিয়া মুজিবের পাঠানো ফ্যাক্স দেখে দেখে পত্র পাঠ করেন নি।
৩৪. ০৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:২১
অন্যরকম বলেছেন: আপনার লেখার সাথে কিছুটা একমত শামীম ভাই। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ যেমন এদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি এনে দিয়েছিল, এইটা একটা সত্যি, ২৫ শে মার্চে তাঁকে গ্রেফতারের পর এ দেশ নেতৃত্বশূণ্য হয়ে পড়েছিল এটাও একটি সত্যি, ঠিক তেমনি জিয়াউররহমান সহ আরও অনেকে (এম এ হান্নানের পর আরও একজনের নাম শোনেছিলাম, খেয়াল নেই) স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, এটাও সত্যি। এই সমস্ত সত্যি অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।

তবে আমার মতটা একটু ভিন্ন। স্বাধীনতা ঘোষণাটা ইনফ্যাক্ট একটা শক্তিশালী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ছিল যুদ্ধের ঘোষণা। আর এই ঘোষণার উদ্দেশ্য ছিল আপামর জনতার প্রতি তারা যেন সমবেত হয়ে এই শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করে। এবার আপনি পরিস্থিতি একটু চিন্তা করে দেখেন, আপনাকে যদি আমি বা আপনার এলাকার কোন নেতা বা সংসদ সদস্য দেশের জন্য যুদ্ধ করার আহবান জানায় এবং আপনি যদি পুরা নিশ্চিত না হন যে আসলেই পুরা দেশের মানুষ একত্রে যুদ্ধ শুরু করেছে কিনা, তাহলে কি আপনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবেন? জিয়া যদি শুধু জিয়া হিসেবে ঘোষণা দিতেন তাহলে হান্নানের সাথে তার ঘোষণার কোন পার্থক্য থাকত না। একটু খেয়াল করেন, জিয়া কিন্তু শুধু মাত্র একজন জিয়া হিসেবে ঘোষণা দেন নাই, তিনি ঘোষণা দিয়েছেন 'মেজর' জিয়া হিসেবে। মূল পার্থক্যটা এখানেই।

প্রেমের রাজ্যে কবিতা যেমন অপ্রতিদ্বন্দী, নির্বাচনের মাঠে নেতাদের ভাষণ ঠিক তেমনি যুদ্ধের ময়দানে এই 'মেজর'দের গুরুত্ব অপরিসীম। আবেগী ভাষণ দিয়ে মানুষকে যুদ্ধের মাঠে সমবেত করা যায়, কিন্তু যুদ্ধ হয় না। যুদ্ধ এবং এর রণকৌশলের জন্য 'মেজর'দেরই সবার আগে দরকার। এই ব্যাপারটা তখন নিশ্চয় আপামর জনতার মাথায় ছিল যার জন্য এম এ হান্নানের ঘোষণা যতটা না কার্যকর হয়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশী প্রভাব ফেলেছে মেজর জিয়ার ভাষণ, মানুষের মনে এই ধারণার উদয় হয়েছে যে বাঙালী সেনা অফিসাররা স্বাধীনতার পক্ষে লড়াইএ নেমেছে।

মেজর জিয়া অনন্য এখানেই যে তিনি অনেক বড় রিস্ক নিয়ে, গুরু দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন। কারণ এই ঘোষণা দেয়ার সাথে সাথেই তিনি শৃঙখলা ভঙ্গ করে তাঁর মূল সেনাবাহিনী (পাকি বাহিনী) এর চক্ষূশূলে পরিণত হয়েছেন। অর্থাৎ যদি তখন তিনি ধরা পড়তেন বা দেশের স্বাধীনতা বিলম্বিত হত, তাহলে তাঁর জন্য সেটা অনেক বড় স্যাক্রিফাইসের কারণ হয়ে দাঁড়াত।

স্বাধীনতার মূল আর্কিটেকচার বঙ্গবন্ধু এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষক, যেই ঘোষনার দায় দায়িত্ব জিয়া নিজেই কাঁধে নিয়েছিলেন, তাঁকে সেই সম্মানটুকু দেয়াতে আমাদের এত আপত্তি কেন বুঝতে পারছি না।

ধন্যবাদ!
০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। আরও আগেই আপনার মন্তব্যের জবাব দেয়া উচিত ছিল।

৩৫. ২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:১৯
তানহা তাবাসসুম বলেছেন: শেখ মুজিবুর রহমান ই স্বাধীনতার ঘোষক......... এটাই সত্য......... আমি মনে করি এটা নিয়ে না বিতর্ক করে সবার মেনে নেয়া উচিত......... সত্য সত্যই...... তা চিরকালই সত্য............
৩৬. ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
প্রগতিশীল বলেছেন:

হাস্যকর বিশ্লেষণ।

অন্যসময় এইডা নিয়া আলাপ অইব।

তয় আপনিও যে ঘাপটি মারা ভারতপন্থী রাজাকার হেইডা বোঝা গেল। অযথা নিরপেক্ষতার ভান ধরেন ক্যান?
৩৭. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৩
স.ম. বাবু বলেছেন: শাহজাহান শামীম ভাই,
লেখাটার জন্য ধন্যবাদ
৩৮. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৬
স.ম. বাবু বলেছেন: নিয়ম থাকলে আবার পোস্ট করার জন্য অনুরোধ করছি
৩৯. ২৪ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: শেখ মুজিব কাকে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠের নির্দেশ দিয়েছিলেন? যাকেই নির্দেশটা দিয়ে থাকুন না কেন, মানতেই হবে তিনি শেখ সাহেবের খুব কাছের মানুষ ছিলেন। আর শেখ সাহেব যেহেতু দক্ষ নেতা ছিলেন, তাই এটা মানতেই হবে যে তিনি অন্তত: এটুকু বুঝার ক্ষমতা রাখতেন যে এই ঘোষনাটা জনতার কাছে যেতে হবে বিশ্বস্ত কোন মুখ থেকে।

কারও কি জানা আছে কে সেই লোক? হান্নান? কেমন যেন মেলে না।
২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: যাদুঘরে গিয়া মিলায়া আসেন।

৪০. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৩
সরকার সেলিম বলেছেন: অনেক দিন পর বুঝলাম লেখক ঘাপটি মারা এক আওয়ামিপন্হী
২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: তাই নাকি ? আমিও বুঝলাম আপনে বিএনপিপন্থী। আপনারা আওয়ামী ও বিএনপির বাইরে এই দেশে কোন মানুষ থাকতে পারে তা মনে করেন না কেন ? এর বাইরেও একটা পৃথিবী আছে।
আমি আওয়ামীপন্থী হলে নিচের এই লেখাটা লিখতাম কি ? এটা তো পুরোপুরি এই সরকারের বিপক্ষে যায়। এখন কি বলবেন, আমি বিএনপিপন্থী ? এই দুই পন্থার বাইরেও সত্য ঘটনা বলে পৃথিবীতে অনেক কিছু ঘটে। অনেক ধরনের লোকও আছে।
একদিকে ক্রসফায়ার, অন্যদিকে দণ্ড মওকুফ - বিচার বিভাগের দরকার কী ?

৪১. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:০১
রিসাত বলেছেন: মামা হয়িছে আর না স্বাধীনতা জাহান্নামে যাক!!!!!!!

আপনাদের ব্লগে আসার দরকার কী???

চল্লিশ বছরেো জানি নাই!!! আর কী দরকার???

আমি বাইরে যাবো। ঈনাশাল্লা!!!!

৪২. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২৫
রিফাত হোসেন বলেছেন: ধুত জ্বালা

সত্যিকারের স্বাধীনতার ঘোষনা দেবার ইচ্ছা থাকলে ৭ই মার্চ পরিষ্কার ভাবে বলতে পারত ।

এত ঘুরিয়ে পেচিয়ে দফা রফা মেরে বলার দরকার ছিল না ।

বঙ্গবন্ধু একটি স্বাধীন রাষ্ট্র কিন্তু পাকিস্তানের অধীনে চেয়েছিল ।

এটা কি স্বাধীনতা নাকি?


আজাইরা প্যাচালঁ একটা ।

৪৩. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৪৬
রাহা বলেছেন: '৭১ এর শব্দসেনারা এই তথ্যচিকত্র টি দেখুন তবে কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র তথা স্বাধীনবাংলা বেতারকেন্দ্রের ইতিহাস জানতে পারবেন ।
৪৪. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:২৬
রিসাত বলেছেন: আমি একালের আমি ছেলে না মেয়ে, আমার মনের বয়স পনেরো
৪৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৪১
আলিফ মাহমুদ বলেছেন: অন্যরকম এর মন্তব্যে +। শামীম ভাইয়ের হিম্মত হয় নাই ঐ মন্তব্যের জবাব দিতে। তাই মাইনাস। শালা সুবিধাবাদী চামাচায় দেশ ভইরা গেছে। হাসিনা মরার পর দেখা যাইবো এইগুলি কই যায়।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: উনার সঙ্গে আমি একমত বলেই জবাব দেই নি।

৪৭. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:০৫
নেক্সাস বলেছেন: শামীম ভাই এই ব্লগের গুটি কয়েক শ্রদ্ধেয় ব্লগারের আপনি একজন।

আপনার প্রতি পরিপূর্ন শ্রদ্ধা রেখে একটা প্রশ্ন জানতে চাই,


৭মার্চ যদি স্বাধীনতা ঘোষিত হয় তাহলে ২৩ মর্চ এদেশে পাকিস্তান জাতীয় দিবস পালিত হল কিভাবে।সেদিন বঙ্গবন্ধুর বাড়ীতেও চাঁন-তারার পতাকা উড়েছিল।

তাহলে ৭মার্চ কে কি আমাদের চুড়ান্ত সেপারেশনের ঘোষনা বলা যায়?
০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: স্বাধীনতা দিবস কি ৭ই মার্চ ? ওটা তো ২৬ মার্চ। তাহলে স্বাধীনতা কিভাবে ৭ মার্চে ঘোষিত হয় ?

৪৮. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:২৮
নেক্সাস বলেছেন: একমত .:অন্যরকম..

এটাই হোক প্রকৃত সত্য ইতিহাস
০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: ব্লগার অন্যরকমের সাথে আমি একমত। এবার ওর মন্তব্যের জবাব দিয়ে সেটা প্রমাণিত করি।

৪৯. ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০২
কিপটে বলেছেন: হ জাতীর এই ক্লান্তি লগ্নে আপ্নেরাত দেখি বর্তমান সময়ের অতান্ত্য গুরুত্ব পূর্ণ হিস্যূ নিয়া ..............
৫০. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৩
সা-কি-ব বলেছেন: যেটা সত্যি সেটা মানতে আপত্তি থাকবে কেন।
৫১. ২৩ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১১:১৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ক্ষতি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তির। তাই অনর্থক বিতর্ক না করে সত্যকে মেনে নেয়া উচিত।













 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৩৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাতে চাই। তাই চারপাশে যা ঘটে তা ধরে রাখতে চাই কালো অক্ষরে।
ইচ্ছা করি, যত দিন স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ