আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন বুনে স্বপ্ন বানাই মানবজমিনে অনেক চাষ চাই

সংবিধানে বিসমিল্লাহ : হাফ প্যান্টের বুক পকেট

০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

শেয়ারঃ
0 6 0

আমার ছোটকালে আমাদের বাড়ির পাশে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী ওয়াজ করতে আসতেন। তার এক ওয়াজে তিনি বিসমিল্লাহ সংক্রান্ত একটি ঘটনা বলেছিলেন। বিসমিল্লাহ যে সব জায়গায় বলা যায় না, সেই উদাহরণ টানতে গিয়ে তিনি এই ঘটনাটি বলেছিলেন। ঘটনাটি এ রকম ------
একবার এক মাতালকে এক হুজুর উপদেশ দিলেন একজন মুসলমানের সকল কাজ শুরু করার পূর্বে বিসমিল্লাহ বলা উচিত। প্রতি কাজের আগে বিসমিল্লাহ বললে খুব সওয়াব। মাতালের কথাটা মনে ধরল। যদি শুধু বিসমিল্লাহ বলেই সওয়াব কামানো যায় তো মন্দ কী । সে রাতে মাতাল মদের গ্লাসে প্রতিবার চুমুক দেয়ার আগে বিসমিল্লাহ বলে নিল। সে মনে মনে খুশি -- মদ খেলেও তো সওয়াব পাওয়া যাচ্ছে।
পরের দিন হুজুরের সাথে দেখা। পুরো ঘটনা বলল মাতাল। হুজুর তো সব শুনে ক্ষেপে উঠলেন। বললেন, আরে ভুদাই, তুই করছিস কী ? একটা হারাম কাজের আগে বিসমিল্লাহ বলছিস ! তোর তো ঈমানই চইলা গেছে। তোকে আবারও কলেমা পড়ে মুসলমান হতে হবে।
আমাদের সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহ আছে। জিয়াউর রহমান সাহেব বিসমিল্লাহ সংযোজন করেছেন। তার নিচেই লেখা আছে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি। এই মূলনীতিগুলো হল ---
৮৷ ১[ (১) সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র অর্থাৎ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার-এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷
(১ক) সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসই হইবে যাবতীয় কার্যাবলীর ভিত্তি৷]
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

এই মূলনীতিতে একটা আজব খিচুড়ি আছে। গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র ইসলামসম্মত না হলেও বিসমিল্লাহ বলে এই জাতির ঘাড়ে এই দুটি অনৈসলামিক শাসন ব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। জাতীয়তাবাদও ইসলামসম্মত নয়। তাহলে আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা বলে যা করা হল, তা তো আল্লাহর তথা ইসলাম পরিপন্থী হল। তাহলে এই সংবিধানে বিসমিল্লাহ সংযোজন করে কী লাভ ?
মূল লাভটি হল, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি নিয়া খেলা করা। ধর্মভীরু মানুষের সহানুভূতি নিয়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পাওয়া। সেই কাজটি করেছিলেন জিয়াউর রহমান।
জিয়াউর রহমান যে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সংবিধানে বিসমিল্লাহ যোগ করেন নাই, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ শেখ মুজিবুর রহমান মদের লাইসেন্স দেয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন, আর জিয়া মদের লাইসেন্স দিয়ে ক্লাবে ক্লাবে মদ খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তাছাড়া সারা দেশে হাউজি, ভ্যারাইটি শো ইত্যাদির নামে নগ্ন নৃত্য চলত বেশুমার। তার সময়ে এই সব ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডকে কখনও বাধা দেয়া হয় নি। বরং রাষ্ট্রীয়ভাবে উৎসাহ দেয়া হত।
ইসলামের প্রতি যদি জিয়ার দরদ থাকত, তাহলে কেবল বিসমিল্লাহ দিয়ে থেমে থাকতেন না। পুরো রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায়ই ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা করতেন।
সংবিধানটি পুরো্টাই প্রচলিত আইনী কাঠামোর মধ্যে তৈরি। এসব আইনী কাঠামোর কোনটাই ইসলাম সমর্থন করে না। এর পূর্বে বিসমিল্লাহ দিলে মাতালের মদ খাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ বলার মতো হয় না কি ?
হাফ প্যান্টের বুক পকেটের মতো এই নাজায়েজ (ইসলামী মতে) সংবিধানের আগে বিসমিল্লাহ থাকলেই বা কি , না থাকলেই বা কি ? ওতে জিয়ার ফায়েদা হয়েছে। ইসলামেরও লাভ হয় নাই, সংবিধানেরও লাভ হয় নাই। আমাদের দেশের মানুষ ধর্মভীরু বলে এবং ভুদাই বলে রাজনীতিবিদরা ইসলামের নাম দিয়ে আমাদের বার বার ঠকিয়েছে।

আমাদের সংবিধান

খবর ১

খবর ২

 

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: এই ফালতু বিষয়টি নিয়ে এত বেশি জল ঘোলা করা হয় যে, না বলে পারলাম না

৩. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
শুভ৭৭ বলেছেন: "মানুষ ধর্মভীরু বলে এবং ভুদাই বলে রাজনীতিবিদরা ইসলামের নাম দিয়ে আমাদের বার বার ঠকিয়েছে। " একমত
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

লেখক বলেছেন: আপনে একমত হলে কী হবে, সবাই তো বোঝে না

৪. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭
ঝর্ণা চৌধূরী বলেছেন: বাংলাদেশে কেউ কাউকে ঠকাতে পারে না, নিজেরাই নিজেদের ঠকিয়েছেন আর দোষ দিচ্ছেন অন্যের। এরপরের নির্বাচনে বিএনপি জিতবে না এই গ্যারান্টি কিন্তু কেউ দিতে পারবে না। এবং তার পরের বার হয়তো আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু আমরা বরাবরই বলতে থাকব হাসিনা-খালেদা-এরশাদ আমাদেরকে ঠকিয়েছেন। সেলুকাসসসসসসসসসসস.....B-)
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: সেলুকাসের নাম বইলা আর কি হইব ? আবারও ঠকমু।

৬. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: হাহাহা..হাসতেই আচি..টাইটেল পৈড়া
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: হাইস্যা নেন।

০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: তিন বার পিলাচ ক্যান ?

৯. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: টাইটেলটা তো হেভি হইছে...


আমার ধারণা, যারা একটু সচেতন, তারা সবাই জানেন যে, জিয়া "বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম" সংযোজন করেছিলেন জনগণের আবেগ নিয়ে খেলা করা ও সস্তা জনপ্রিয়তা পাবার জন্য। এরশাদ সাহেব তো আরো এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি তার সৌদি বাপদের খুশি করার জন্য রাষ্ট্রধর্ম করলেন ইসলামকে। এদিকে জনগণকে জিয়ার ন্যায় আবারো উচ্চমার্গীয় ধোঁকা দিলেন...সেলুকাসসস....
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: সব কথা খালি সেলুকাসরে কন ক্যান ? আমাগো কইতে পারেন না ?

১০. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: লেখা ভালো হইচে, সেলুকাস ভাই।
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: সেলুকাস আপনের ভাই, আমার কেউ না। সবাই উনারে নিয়া পড়ল ক্যান ?

১১. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১
শুভ্র সকাল বলেছেন: খুব যুক্তিযুক্ত একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। এখন মাইনাস দেনেওয়ালাদের বক্তব্যটা জানতে চাই...
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: উনারা উনাদের কর্ম দিয়াই জবাব দিছেন।

১২. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২২
আনন্দ-উল্লাস বলেছেন: সহমত।

এভাবেই ইসলাম ধর্ম-কে রাষ্ট্রীয় ভাবে অবমাননা করা হচ্ছে। ৭২ এর সংবিধানের মুলনীতি-তে ইসলাম কে কোন ভাবে অবমাননা করা হ্য় নাই। অন্য ধর্ম-কে ও নয়।

৭২ এর সংবিধান ফিরিয়ে আনার দাবী জানাই।

চমতকার লেখা। ধন্যবাদ।
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত।

১৩. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮
সোজা কথা বলেছেন: হা হা ... হাফপ্যান্টের বুকপকেট । একদিকে ব্যাংকের সুদ থেকে অর্জন দেখাবে পৌনে আট লক্ষ টাকা , অন্যদিকে বিসমিল্লাহ গেল , ধর বন্ধু ধর আমারে বলে চিল্লবে। Click This Link
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন: সুদ ঘুষ প্রকটভাবেই চলছে, কেবল সংবিধানে বিসমিল্লাহ। হা ....... না সেলুকাসের নাম নিমু না।

১৪. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯
অতৃপ্ত আত্মা বলেছেন: আপনের টাইটেলডারে জম্মের ++++++++++++
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: জম্মের ধন্যবাদ।

১৫. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬
অরণ্যচারী বলেছেন: আমাদের দেশের মানুষ ধর্মভীরু বলে এবং ভুদাই বলে রাজনীতিবিদরা ইসলামের নাম দিয়ে আমাদের বার বার ঠকিয়েছে।

কঠিন সত্য।
০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: কঠ্ঠিন।

১৬. ০৬ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
রাফা বলেছেন: জিয়াউর রহমানের পুর্বে এই দেশে ইসলাম ছিল না।তাই তিনি ইসলামকে সচল করেছেন এদেশে।এ যেন আলখেল্লার নিচে পশ্চিমা সংস্কৃতি।ধন্যবাদ
১৯. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: কিন্তু এই দেশের মানুষ বাঙ্গালী বলে পরিচিত হবে, এটা তো মানতে পারছি না। এটা যুক্তি পুর্ন হতে পারে না। পশ্চিম বাংলার মানুষ আর আমাদের পরিচয় কি এক হতে পারে? তাছাড়া চাকমারা কি নিজেদের বাংগালী বলে পরিচয় দিতে রাজী হবে?
২০. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১৫
রোহান বলেছেন: চমৎকার লেখা। হাফপ্যান্টের বুক পকেট :)

আকাম কুকাম কইরা ভাসায় ফেলছে খালি বিসমিল্লাহ নিয়া মাথাব্যাথা। হে হে আল্লাহর উপরে ভরসা রাইখা জাতীয়তাবাদ লগে আবার সমাজতন্ত্র.. মজাক মজাক :)
০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: আরো মজাক কইরা বলতে চাইছিলাম জাঙ্গিয়ার বুক পকেট। কিন্তু মডুরা মাইন্ড খাইতে পারে। উনাদের মান সম্মানে দিকে তাকাইয়া ........

২২. ০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:২৬
জানজাবিদ বলেছেন: ৯১ অথবা ৯৬ সালে নির্বাচনের ঠিক আগে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেয়ার সময় খালেদা জিয়ার ঠিক পেছনে বিরাট এক ব্যানারে বিসমিল্লাহ লেখা ছিলো। ধর্মের নামে এই রকম নির্লজ্জ বেসাতি দেখে গা ঘিন ঘিন করে উঠেছিলো।

বড় বড় ভন্ড সবগুলা!
০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: এই পুরানা ভণ্ডামিগুলা বার বার সুফল দেয় উনাগো।

২৪. ০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৫২
ধীবর বলেছেন: শামিম ভাই, আপনার প্রতি পুর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি যে, জিয়াউর রহমানের শাসনামলে রাস্ট্রিয় পৃষ্ঠপোষকতায় মদ জুয়া হাউজি অশ্লিল নৃত্য, এসব অপকর্ম হতো না। যখন জিয়া ক্ষমতায় আসীন হন, তখন বঙ্গবন্ধুর চাটার দলের কল্যাণে বাংলাদেশের ভাড়ারের অবস্থা করূণ ছিল। ফলে ধণাড্য মধ্যপ্রাচ্য থেকে সাহায্য আনার মানসে, তাকে বিসমিল্লাহ সংযোজন করতে হয়েছিল। কেননা, ৭১ এর পরাজিত পাকিস্থানিরা, বাংলাদেশের প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির মনোভাব বৈরি করে ফেলেছিল। সেখান থেকে সাহায্য এনে, জিয়া দেশের কাজে ব্যায় করেছিলেন। নিজে খেয়ে ফেলেননি। তাই তাকে অশ্রদ্ধার কোন যুক্তি নেই। তার আমল থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রফতানির শক্ত ভিত তৈরি হয়েছিল। তাই জনগণকে বোকা বানানোর অপবাদ, সত্য নয়।

আর সংবিধান নিয়ে আমজনতার আদৌ কি কোন মাথা ব্যাথা আছে? শুধু কিছু স্বার্থানেষি মহলে, এ নিয়ে লম্ফ ঝম্ফ করে। ইসলামকে সংবিধানে যোগ করার পর, নাস্তিক মহল, ধর্মনীরপেক্ষতা গেল গেল রব তুলেছিল। এখন সেটা বাতিল করলে, কিছু মানুষ ইসলাম গেল গেল বলে রব তুলবে। তাতে সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কোন ক্ষতি বৃদ্ধি হবে কি?

নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবার পর, আঃ লিগের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই গুরুত্বপুর্ণ ইস্যুগুলি সরিয়ে রেখে তারা নন ইস্যু নিয়ে লাফালাফি করছে। তার মধ্যে ৭২ এর সংবিধান পুনর্বহাল একটি। অন্যান্য দেশ যখন সামনে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আঃ লিগ দেশটাকে পেছনে নিয়ে যাচ্ছে। আর হয়তো মনের অগোচরেই, শিক্ষিত সচেতন কিছু মানুষ শ্রেফ রাজনৈতিক অন্ধত্বের কারণেই এই বালখিল্যতাকে সমর্থন করে দেশ ও জাতির ক্ষতি করছেন। পোস্টে মাইনাস।
০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আমি শুধু একটা কথাই জিজ্ঞেস করতে চাই, যে সংবিধানের কোন বিধানই ইসলামসম্মত নয়, সেই সংবিধানে বিসমিল্লাহ যোগ করলে কি কোন ইসলামসম্মত কাজ হয় ?
ইসলামের প্রতি দরদ থাকলে এই সংবিধান বাদ দিয়া ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠা করতে পারতেন জেনারেল জিয়া। তাতে করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আরও বেশি সাহায্য আশার সম্ভাবনা ছিল। আমি তো আপনার কথা রেশ ধরে বলব, জিয়া একটি দারুণ সুযোগ মিস করেছেন।

২৫. ০৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
আনন্দ-উল্লাস বলেছেন: @ ধীবর ...... আপনি বলেছেনঃ জিয়া দেশকে বাচানোর জন্য সংবিধানে (যার জন্য আমজনতার এবং আপনার কোন মাথা ব্যাথা নাই) বিসমিল্লাহ সংযোজন করেতে বাধ্য হয়েছিলেন।

আপনার লেখা দেখে মনে হোল জিয়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলিকে দেখাতে চেয়েছিলেন যে আমরা আসলে মুসলমান জাতি, আমাদের সংবিধানে বিসমিল্লাহ আছে, আমাদের সংবিধানে ইসলাম আছে, আমরা তোমাদের ভাই আমাদের সাহায্য কর। তার মানে যেই সংবিধানে আমজনতার এবং আপনার কোন মাথা ব্যাথা নাই তা নিয়ে (ভোদাই) বিদেশীদের মাথা ব্যাথার শেষ নাই।

আপনার লেখা যেমন আপনার মতামত এবং আপনার চরিত্র কে উপস্থাপন করে, তেমনি একটি জাতির চরিত্র-কে উপস্থাপন করে তার সংবিধান। বাংলাদেশকে আপনি কিভাবে উপস্থাপন করতে চান তার সবচেয়ে বড় দলিল এই সংবিধান। তাই সংবিধান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ইস্যু। এটাকে পাশ কাটানোর কোন সুযোগ নাই।

৭২ এর সংবিধানের মুলনীতি-তে ইসলাম কে কোন ভাবে অবমাননা করা হ্য় নাই। অন্য ধর্ম-কে ও নয়।

৭২ এর সংবিধান ফিরিয়ে আনার দাবী জানাই।
০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: এটাই তো কথা। আমার সংবিধানে কি থাকবে সেটা নির্ধারণ করবে আরেক দেশের লোক। তাহলে আর স্বাধীন হয়া লাভ হইল কী ?

২৬. ০৭ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: @ধীবরের মতের সাথে একমত।

সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র অর্থাৎ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার-এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷
(১ক) সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসই হইবে যাবতীয় কার্যাবলীর ভিত্তি৷]সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র অর্থাৎ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার-এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷
(১ক) সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসই হইবে যাবতীয় কার্যাবলীর ভিত্তি৷]

------------- মানুষের তৈরি সংবিধান বা আইন এমনই হবে এটা স্বাভাবিক । কারন মানুষ মাত্রই লিমিটেড
০৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: এইটা লিমিটেড না, ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বোকা বানানো।

২৭. ০৯ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
রোহান বলেছেন: লেখক বলেছেন: এইটা লিমিটেড না, ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বোকা বানানো।

সহমত

তয় এখন আবার আইন মনতিরি কইছে বিসমিল্লাহরে বাদ দেওন হইবো না ;)
২৯. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৫
হাসান মাহবুব বলেছেন: এই পোস্ট এতদিন পড়িনাই ক্যা :-* কইষ্যা পেলাচ।
৩১. ০৯ ই মে, ২০১১ ভোর ৫:২৭
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: আমাদের দেশের মানুষ বিসমিল্লাহ সংযোজন ব্যাপারটা ধর্মীয় দিক থেকে না দেখে আবেগ দিয়ে দেখছে। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই বিসমিল্লাহ থাকার পক্ষে কারন তারা জন্মের পরে থেকে দেখে এসেছে সংবিধানে বিসমিল্লাহ,এখন যদি বিসমিল্লাহ উঠে যাই তাহলে আবেগজনিত কারনে খারাপ লাগবে। তবে কোন সরকার সম্ভবত বিসমিল্লাহ কে সরাবে না।

আর এই ব্যাপারটা সমন্ধে কম জানি তাও বলছি জিয়াউর রহমান সম্ভবত মদের লাইসেন্স দিয়েছিল বিদেশী পর্যটকের সুবিধার জন্য।
০৯ ই মে, ২০১১ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: জ্বি না, জিয়াউর রহমান বিদেশীদের জন্য মদের লাইসেন্স দেন নি। বিদেশী পর্যটকদের জন্য এই দেশে বহু আগে থেকে মদের লাইসেন্স ছিল।

৩২. ১৭ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:৪৪
সিস্টেম বলেছেন: এই পোস্ট এতদিন পড়িনাই ক্যা :-* কইষ্যা পেলাচ।
১৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৩. ১৭ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:৪৪
২২/৭ বলেছেন: সিস্টেম বলেছেন: এই পোস্ট এতদিন পড়িনাই ক্যা :-* কইষ্যা পেলাচ।
১৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯৮১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাতে চাই। তাই চারপাশে যা ঘটে তা ধরে রাখতে চাই কালো অক্ষরে।
ইচ্ছা করি, যত দিন স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ