আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন বুনে স্বপ্ন বানাই মানবজমিনে অনেক চাষ চাই

সমকামিতার নামে বলাৎকার : স্বাভাবিকত্ব নাকি বিকৃতি ?

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৬

শেয়ারঃ
0 0 0

আমার এক আত্মীয় এক স্কুলের শিক্ষক। তার মুখে শোনা এই ঘটনাটি।
তার স্কুলটি মোটামুটি নামজাদা। স্কুলে হোস্টেলের ব্যবস্থা আছে। এক হুজুর শিক্ষকের থাকার জায়গা নাই বিধায় তাকে হোস্টেলে থাকতে দেয়া হয়েছিল। তিনি ছাত্রদের পড়াতেন এবং রাতে একটি ঘরে ঘুমাতেন।
কয়েক দিন আগে ক্লাশ সেভেনের এক ছাত্রকে বলাৎকার করলেন তিনি। ঘটনাটা চেপে যেত যদি না ছাত্রটির প্রচুর রক্তপাত হত। ছাত্রটিকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হল এবং হুজুর শিক্ষকটি পালিয়ে গেলেন স্কুল ছেড়ে। তারপর বেরিয়ে এল ভয়াবহ তথ্য। তিনি হোস্টেলে থাকার সময় অনেক ছাত্রের সাথেই এই কাজ করেছেন। কিন্তু ছাত্ররা ভয়ে ও লজ্জায় ব্যাপারটি চেপে গেছে।
ছাত্রটি বলাৎকারের শিকার হলেও এ ব্যাপারে কোন মামলা করতে রাজি হল না স্কুল কর্তৃপক্ষ বা ছাত্রটির অভিভাবক। ফলে আপাতত ঘটনাটি চাপা পড়ল।

সমকামিতার নামে বলাৎকার : স্বাভাবিকত্ব নাকি বিকৃতি ?
হোস্টেলগুলোতে এই সমস্যা ব্যাপকভাবে দেখা যায়। আবাসিক মাদ্রাসাগুলোও এ ঘটনা থেকে মুক্ত নয়। আমি নিজে মাদ্রাসার ছাত্র ছিলাম বিধায় আমার এ ধরনের ঘটনা শোনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে সব ছাত্র এড়িয়ে চললেও কেউ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করত না।
আর আমার বাড়ির পাশের এক হাইস্কুলের স্যার তো এ জন্য ছিলেন বিখ্যাত। তার নামের আগে আলু শব্দটি ব্যবহার করা হত। তার এই বদঅভ্যাস সম্পর্কে সব ছাত্রই জানত। কিন্তু কেউ এটা নিয়ে অভিযোগ করত না। বরং ওই শিক্ষককে দেখলে ছাত্ররা রসিকতা করত।
ধর্ষণের বিচার চাওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও কিশোরদের বলাৎকার করার কোন শাস্তি আছে কি না আমি জানি না। কিন্তু যে কিশোরটি এই ঘটনার শিকার হয়, তার মনের মধ্যে যৌনতা সম্পর্কে একটা ভীতি ঢুকে যায়। অনেকে পরবর্তী জীবনে আর স্বাভাবিক যৌন আচরণ করতে পারে না। অনেকের বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটে।

সমকামিতা : কেন বিকৃতি ?
সমকামিতা মানুষের মধ্যে আছে কিন্ত সেটা ব্যাপক মাত্রায় নাই। কিছু কিছু মানুষ সমকামী। কিন্তু সবচেয়ে ভয়াবহ হয়ে দাঁড়ায় তখনই যখন এই সমকামীটি ধর্ষকামীও হয়ে ওঠে। তারা বলাৎকাল করার জন্য কিশোর বয়সীদের বেছে নেয়। যাদের শিকার হিসেবে বেছে নেয় তারা কিন্তু সমকাম সম্পর্কে তো নয়ই, এমনকি তাদের তখন হয় তো যৌনতা সম্পর্কে কোন ধারণাই গড়ে ওঠেনি। ফলে পরিষ্কারভাবেই বলা যায়, তার যৌন সঙ্গীটির কোন সম্মতি নাই এবং এটা ধর্ষণের মতোই একটা অপরাধ।
অন্য দিকে কে সমকামী সেটা তার গায়ে লেখা থাকে না। ফলে সমকামী ব্যক্তিটি যে কোন ব্যক্তিকেই টার্গেট করে তার আচরণ প্রয়োগ করতে পারে। এই ধরনের আচরণ মানুষকে বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ করে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে তৈরি হয় নানা জটিলতা। যত দিন পর্যন্ত সমকামী ব্যক্তিটি আরেক জন সমকামী মানুষকে খুঁজে না পাবে, তত দিন পর্যন্ত সে অনেক মানুষকে বিরক্ত করতেই থাকবে। তাছাড়া সঙ্গী খুঁজে পেলেই যে সে থেমে যাবে, তারও কোন গ্যারান্টি নাই, সে সঙ্গী পাল্টানোর বা একাধিক সঙ্গী রাখার চেষ্টাও করতে পারে। নতুন নতুন সঙ্গীর খোঁজে তারা নতুন নতুন ঝামেলা তৈরি করতেই থাকবে।
আর যারা কিশোর বয়সীদের বলাৎকার করে, তারা কখনও একজন সঙ্গী নিয়ে তৃপ্ত হয় না।
এই চেহারার সমকামিতাকে বিকৃতি না বলে আর কি বলা যায় ?
মনেবিজ্ঞানে বিকৃত যৌনতা হিসেবে সমকামিতাকে গণ্য করা হয়েছে এবং মানসিক ব্যধি হিসেবে এর চিকিৎসা নেয়ার কথাও বলা আছে। এ সব বই কি ভুল ?

প্রকৃতি কি সমকামিতাকে সমর্থন করে ?
অনেকে বলেন, প্রকৃতি সমকামিতাকে সমর্থন করে। তারা অন্যান্য পশুপাখির উদাহরণ সামনে টেনে আনে। কিন্তু সেগুলো তো আসলে উদাহরণ নয়, ব্যতিক্রম। মানুষের মধ্যে সমকামিতা টিকে আছে ব্যতিক্রম হিসেবে। মানবপ্রজাতির খুব সামান্য অংশই সমকামী।
প্রকৃতি সমকামিতাকে সমর্থন করে না। মানুষের মধ্যে পুরুষ ও নারীর জন্মের অনুপাত ১১০: ১০০। তার মানে হল পুরুষ ও মহিলা প্রায় সমান জন্ম নেয়। অন্যান্য প্রাণীর ক্ষেত্রে এই অনুপাতটি খাটে।
পুরুষ ও নারীর সম্পর্কের মূল কারণ নিঃসন্দেহে বংশ বৃদ্ধি ও প্রজন্মের পর প্রজন্ম টিকে থাকা। পুরুষ যদি পুরুষ সঙ্গীতেই সন্তুষ্ট থাকে এবং নারী যদি নারীতে সন্তুষ্ট থাকে তবে বংশ বৃদ্ধি হবে কিভাবে ? প্রকৃতি চায় যে কোন প্রজাতি টিকে থাকুক, সেই অর্থে সমকামিতা প্রকৃতি সমর্থন করে না।

অধিকারের প্রশ্ন
০১) বলা হয় সমকামীদের বিয়ের অধিকার দিতে হবে। বিয়ে একটা ধর্মীয় ব্যাপার। কোন ধর্মই তো সমকামিতাকে সমর্থন করে না। তাহলে ধর্মীয় মতে তাদের বিয়ের কোন সুযোগ নাই। বরং তারা চুক্তিবদ্ধ হতে পারে যে, তারা সমকামী ও যৌনসঙ্গী। তারা চুক্তিবদ্ধ হতে পারে যে, তারা তাদের পারস্পরিক সম্পত্তির উপর অধিকার রাখে এবং তাদের সন্তানরাও তাদের উভয়ের সম্পত্তির উপর সমান অধিকার রাখে। এই বিষয়টাকে বিয়ে বলা যায় না।
০২) বলা হয়, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মতো সমকামীদেরও বেঁচে থাকার অধিকার আছে ? কেবল বেঁচে থাকা কেন সুন্দর জীবনযাপন করার অধিকারও তাদের আছে। কিন্তু সমকামিতা যদি একটা মানসিক ও শারীরিক ব্যধি হয়, তবে সেই ব্যধি চিকিৎসা করে সুস্থ করার দায়িত্বও তাদের নিতে হবে।
০৩) সমকামীরা সাধারণত বহুগামী হয়। তাদের এই বহুগামিতার ফলে বলাৎকারের ঘটনাকে কোনক্রমেই সমর্থন করা যায় না। বরং এটা একটা অপরাধ।
০৪) সমকামীদের সন্তান জন্মই প্রমাণ করে তারা সব সময় সমকামী থাকে না। তারা বিপরীত লিঙ্গের সাথে মিলিত না হলে সন্তানের জন্মই হত না। তার মানে হল, সমকামী সব সময় সমকামী থাকতে পারে না। এর ফলে বহুগামিতা ভয়াবহভাবে বাড়ে এবং যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে অস্থিরতা বাড়ে। পরকীয়া সম্পর্ক থেকে যেমন খুন-জখম, হানাহানি, মামলা মোকদ্দমা ইত্যাদি হয়, তেমনি এসব সম্পর্ক থেকেও সেই রকম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তাদের সন্তান উৎপাদন করার জন্য বহুগামিতার দায় দায়িত্ব কে নেবে ?
০৫) যদি দুই বাবার ওরশে (শব্দটা সঠিকভাবে লেখা যাচ্ছে না) যদি ২ সন্তান জন্ম নেয়, তাহলে তারা কি আপন ভাই হবে, নাকি সৎ ভাই ? তাদের বাবাও ভিন্ন, মাও ভিন্ন। ভাইদের মধ্যে সম্পর্ক বা সম্পত্তির বণ্টন কিভাবে হবে ? ব্যাপারগুলো কি অনেক জটিল নয় ?
০৬) আরেকটি সমস্যা থেকে যায়। তাদের সন্তানরা কি মানসিকভাবে কোন সমস্যায় ভুগবে না ? তারা তো আর স্বাভাবিক বাবা মায়ের সন্তান নয়। হয় তাদের দুটি বাবা, নয়তো দুটি মা। বাবা মায়ের প্রভাব সন্তানদের উপর পড়াই তো স্বাভাবিক। সেই ক্ষেত্রে তারা কি সমকামী হবে ? তাদের মানসিক অস্থিরতা কি তৈরি হবে না ?

সমকামিতা নতুন কিছু নয়
বিভিন্ন দেশের আদালত সমকামিতাকে বৈধ করে দিয়ে এমন একটা ভাব করা হচ্ছে যেন সেটা একটা নতুন বিষয়। আসলে মানব প্রজাতির মতোই পুরোনো বিষয় সমকামিতা। সব ধর্মেই সমকামিতা নিষিদ্ধ। কোন কোন দেশে নিষিদ্ধ। কোন কোন দেশে বৈধ।
কিন্তু নিষিদ্ধ ও বৈধতার ধার না ধেরে সব সমাজে সব সময় সমকামী ছিল এবং আছে। ভবিষ্যতেও তারা টিকে থাকবে। সেটা একটা সামান্য অংশ এবং কখনই সব মানুষ সমকামী হয়ে যাবে না।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সমকামিতাবলাৎকার ;
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: ধিক।

২. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
সানি জামান বলেছেন: আপনিতো দেখি সমকামীতা নিয়ে রীতিমত গবেষনা কইরা ফালাইছেন।

ভাল লিখেছেন.. Carry on
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: আমারে আবার সমকামী ভাইবেন না।

৩. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
কঁাকন বলেছেন: সমকামিতা - বিসমকামিতা কোন কিছুতেই তো ধর্ষন স্বাভাবিক না বিকৃতি এবং অপরাধ
আর ক্লাস সেভেনের ছেলে এর বিরুদ্ধেতো শিশু নির্যাতনের মামলা করা উচিৎ
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: বাস্তবে এসব ক্ষেত্রে কেউ মামলা করে না। বরং এটা নিয়ে আমাদের আইন আদালত একটা দায়সারা ভাব করে। পুলিশ তো রসিকতা করে। এটা যে একটা ভয়াবহ নির্যাতন সেটাই মনে করে না কেউ।

৪. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
সত্যাশ্রয়ী বলেছেন:
ভাল লেখা শামীম ভাই। যারা অধিকারের কথা বলে তারা নিগৃহিতদের অধিকারের কথা ভুলে যায়। সমকামিতার শিকার শিশুরাই বেশি হয়।

পোস্টে +
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: সবচেয়ে জঘন্য ব্যাপার হল, নিগৃহীত শিশুটির পাশে কেউ থাকে না। না পরিবার, না আইন আদালত।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
এহসান জুয়েল বলেছেন: চমৎকার লেখাটার জন্য ধণ্যবাদ ভাই।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৭. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: যথারীতির চাইতে একটু বেশী ভালো হৈছে।
স্কুল-মাদ্রাসার এইসব সমকামিতার কারণ নির্ধারণ করে প্রতিকার করা দরকার। এখানে ব্যাপারটা নিঃসঙ্গতাজনিত মানসিক রোগ বলেই আমার মনে হয়।
আর সর্বোপরি সমকামিতাকে আমার একটি মানসিক ব্যাধি বলেই মনে হয়।আইন-বিজ্ঞান দিয়ে এদের স্বীকৃতি দেবার চাইতে চিকিৎসাই বেশী প্রয়োজন বলে আমার মনে হয়!
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: আমার পরিচিত এক মানসিক চিকিৎসক পরিষ্কার বললেন, এটা একটা মানসিক রোগ। চিকিৎসা করলে সেরে যায়।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: হুমানো বাদ দেন। বাজে অভ্যাস।

৯. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮
কিউরিয়াস বলেছেন: আমার ২ টা কথা বলে যাই: আপনার বেশ কিছু কনফিুশন আছে বলে মনে হচ্ছে।

১। ধর্ষণ সমলিন্গে হলেও তা ধর্ষণ বলেই জানি, এবং আপনি যে উদাহরণ দিলেন, সেটা একই সাথে ধর্ষণ এবং ভয়নকর শিশু নির্যাতন।

২। আপনি বললেন "অন্য দিকে কে সমকামী সেটা তার গায়ে লেখা থাকে না। ফলে সমকামী ব্যক্তিটি যে কোন ব্যক্তিকেই টার্গেট করে তার আচরণ প্রয়োগ করতে পারে।....." এই পুরা প্যারাটাই খুব অর্থহীন ও "স্টিগমাটাইজড" হয়েছে। আপনার কথামত যদি ধরেও নেই ওরা অসুস্থ, এই রোগ তাদেরকে যৌন-পশু বানিয়ে ফেলেনা, যেমনটা আপনি দাবী করলেন।

৩।আপনি বললেন, "বরং তারা চুক্তিবদ্ধ হতে পারে যে, তারা সমকামী ও যৌনসঙ্গী"। বিয়েটাও কিন্তু একটা সামাজিক চুক্তি ছাড়া কিছু নয়, বিশেষত ইসলামে তো বটেই। এবং যদ্দুর জানি, এদেশে কোর্ট ম্যারেজ করা যায় ধর্মের অনুমতি ছাড়াই।

৪। সমকামীরা সাধারণত বহুগামী হয়।--সেই একই "স্টিগমাটাইজড" ধারণা।

৫। "সমকামীদের সন্তান জন্মই প্রমাণ করে তারা সব সময় সমকামী থাকে না। তারা বিপরীত লিঙ্গের সাথে মিলিত না হলে সন্তানের জন্মই হত না।"

কিছুই বুঝলামনা কি বলতে চাইলেন??? উদাহরণসহ বলবেন কি?

ধন্যবাদ।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: এক এক করে বলে যাই
০১) আপনার সাথে একমত।
০২) তারা নতুন নতুন সঙ্গীর খোঁজে না - তার সপক্ষে আপনি কি কোন গ্যারান্টি দিতে পারবেন ?
০৩) আপনার সাথে একমত।
০৪) আমি কয়েকজন সমকামীকে জানি - তারা বহুগামীও।
০৫) পুরুষ-পুরুষ কি সন্তান জন্ম দিতে পারে ? নারী-নারী কি সন্তান জন্ম দিতে পারে ? একজন পুরুষ এবং একজন নারীই কেবল সন্তান জন্ম দিতে পারে। সেই অর্থে সমকামী দম্পত্তির সন্তান মানে আসলে তাদের ২ জনের সন্তান নয়, অপর কোন পুরুষ বা নারীর সাহায্য তাদের দরকার হয়েছে।

১০. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০১
ব্ল্যাক মামবা বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমারে আবার সমকামী ভাইবেন না। :)
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: যেই ভাবে ঘবেষক বানাইয়া দিছিল, ক্লিয়ার না কইরা উপায় কি ?

১১. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮
নুশেরা বলেছেন: বলাৎকার মাত্রেই নৈতিক ও ফৌজদারী অপরাধ। বর্ণিত ঘটনাটি আমাদের দেশে আবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে একেবারে অচেনা কিছু না। হয় চেপে যাওয়া হয় নইলে কিছুদিনের মধ্যে পরিবারের পক্ষ থেকেই অভিযোগ তুলে নেয়া হয়।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: সমকামিতার সবচেয়ে নোংরা দিক হল শিশু বলাৎকার।

১৩. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২২
কালের শপথ বলেছেন: দুর্দান্ত। চমৎকার লিখেছেন.........মনুষ্যত্ব যখন পশুত্বকেও ছাড়িয়ে যায়, তখন শুরু হয় নানা বিকৃতি। সমকামিতা এমনই একটি বিকৃতি। আশা করি পাঠক নিচের লিঙ্কটি পড়ে দেখবেন।
Click This Link
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটা আমি আগেই পড়েছি এবং মন্তব্যও করেছি।

১৪. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
ছানাপোনা বলেছেন: লেখাটা বেশ ভাল লাগলো...সমকামিতা সম্পর্কে প‌্রায় সবকটা দিক ই তুলে ধরেছেন আপনার লেখায়....
সমকামিতা সম্পর্কে বাংলাদেশের আইনের ব্যাখ্যা ও শাস্তি জানার জন্য নিচের লিংক.... Click This Link
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: লিংকটার জন্য ধন্যবাদ।

১৫. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯
কাব্য বলেছেন: সবকিচুতে কমেন্ট করবার মন ছায় না :(
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: তারপরও কেন যে কমেন্ট হয়া যায়।

১৬. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
অপরিচিত_আবির বলেছেন: বাংরাদেশে কিন্তু সমকামী ধর্ষণের থেকে বিষমকামী ধর্ষণের ঘটনাই বেশি ঘটেছে। এবং কোন সমকামী তার প্রেমের প্রস্তাবে ব্যর্থ হয়ে কাউকে অ্যাসিড মেরেছে বলেও শুনি নি। কাজেই লেখাটা পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে গেল। আর এ বিষয় নিয়ে সামুতেই অনেক ভালো ভালো লেখা আছে তাই আর কথা বাড়ালাম না।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: কোন অপরাধ কম ঘটেছে বলে সেটা বৈধ - এটাও তো পক্ষপাতদুষ্ট মন্তব্য হয়ে গেল। আসলে কম ঘটছে, নাকি বিষয়টা সেভাবে প্রকাশ্যে আসছে না ?

সমকামীর প্রেমের প্রস্তাব !!! হা, হা, হা। অনেক মজা পাইলাম। তারা প্রেম চায় না, তারা চায় যৌনতা।

১৭. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
সমকামীর প্রেমের প্রস্তাব !!! হা, হা, হা। অনেক মজা পাইলাম। তারা প্রেম চায় না, তারা চায় যৌনতা।

-----------------------------------------------

এটা একটা ভূল ধারণা। আমি জানি না আপনি ব্যক্তিগতভাবে কোন সমকামীকে চেনেন কিনা। আমার এক ক্লাসমেট এরকম ছিল কাজেই আমি বলতে পারি যে সমকামীরা যৌনতাই চায় এটা একটা পুরোপুরি ভ্রান্ত ধারণা। এরকম ভুল ধারণাগুলোর জন্ম হচ্ছে কারণ মানষের ধারণা সমকামিতা একটা মানসিক ব্যাধি, এবং কিছু কিছু মানুষ হঠাৎ করেই সমকামী হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ব্যাপারটা পুরোপুরিই জেনেটিকাল এটা আপনার মাথায় রাখতে হবে। ধর্মেল কথা যেহেতু তুললেন তাই বলতে হয় যে খোদা যেমন কাউকে মেয়ে বা কাউকে ছেলে হিসেবে পাঠান, তেমনি কাউকে কাউকে সমকামী হিসেবেও পাঠান। কেউ সমকামী হবে কি হবে না এটা তার জন্মের আগেই অথবা ক্ষেত্র বিশেষে শৈশবের মাঝেই ডিসাইড হয়ে যায়। এবং সিদ্ধান্তটা নেওয়ার অধিকার অবশ্যই মানুষটার হাতে থাকে না।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে মনটা নরম হয়ে গেল। তাদের প্রতি সহানুভূতি আরও বেড়ে গেল। কিন্তু সমস্যা হল, তাদের সঙ্গী খুঁজে নেয়ার প্রক্রিয়াটা কি হবে সেটাই। সমকামী কে এবং কে সমকামী নয়, সেটাও তো তাদের বুঝতে হবে । কিন্তু তারা যদি জোর করে কাউকে সমকামী বানাতে যান সেটা কি সমর্থনযোগ্য ?

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: মানসিক ডাক্তাররা সমকামকে একটি মানসিক ব্যাধি বলে থাকেন। সেটা কি ভুল বা মিথ্যা ?

১৮. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
কিউরিয়াস বলেছেন: @লেখক, ধন্যবাদ মন্তব্যের উত্তরের জন্য।

পয়েন্ট ২ ও ৪ এর জবাবে জানাই, সমকামীদের এই দেশে বিয়ে করার অনুমতি তো নেই-ই, তাদের একসাথে বসবাস করার মত সামাজিক অবস্থাও নেই, আপনি তা জানেন। সামাজিক ভাবেই তাদের জন্য একগামী হওয়ার কোনই ব্যবস্থা নেই, সেটার দায় সমকামীদের শরীর/মানসের নয় কোনভাবেই।

পয়েন্ট ৫ এর জবাবে: আপনি ঠিক, বায়োলজিক্যালী শুধু তাদের পক্ষে সন্তান-ধারণ সম্ভব নয়। তাদের জন্য দত্তক সন্তানের আইন-ই প্রযোজ্য।

অন্য মন্তব্যকারীদের ধন্যবাদ এই বিষয়ের গুরু্ত্বপূর্ণ কিছু পোস্ট চেনানোর জন্য।
১৯. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
অপরিচিত_আবির বলেছেন: সমকামিতা প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রেই জেনেটিকাল বা শৈশবের পরিবেশের কারণে সৃষ্ট। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যেমন - জেল, আর্মি বা আমাদের মাদ্রাসাই ধরুন - এখানে যারা paedophille হয়ে উঠে তারা কিন্তু কেউই প্রকৃত সমকামী নয়, নারী সঙ্গের অভাবে তাদের চিন্তাধারা টুইস্টেড হয়ে যায়। আর জেল এবং আর্মিতে সাধারণত দেখা যায় সাময়িক যৌনক্ষুধা মেটাতে পুরুষরা পুরুষকে বা নারীরা নারীকে বেছে নেয় - এবং জেল জীবন শেষ হলে প্রত্যেকেই আবার নিজ নিজ জীবনে ফিরে যায়। তবে কেউ কেউ ফিরতে পারে না এটাই হলো সমস্যা। তাদেরকে আপনি মানসিক ব্যাধিগ্রস্থ বলতে পারেন অবশ্যই। আর paedophille যারা তারা তো বিকৃতকামী। তাদের অবশ্যই কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত, সমকামী বিষমকামী নির্বিশেষে।
২০. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
আকাশ_পাগলা বলেছেন: ++

এই রকম একগাদা পয়েন্ট আমিও অনেক গায়গায় কমেন্ট করে দিয়ে আসছি। যারা পক্ষে ছিল, তারা পক্ষেই রয়ে গেল। আসলে, খুব কম মানুষ নিজের মত পরিবর্তন করে। খুবই কম।
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: পয়েন্টগুলো আবারও বললে মনে হয় সুবিধা হত।

২৩. ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২৬
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: বিভিন্ন এতিমখানা গুলিতে এই চিত্র খুব বেশি দেখা যায়। আমাদের দেশে বিভিন্ন মওলানার মুখে শুনি এই বাচ্চাদের গেলমান নাকি গোলেমান কি যেন বলে। এটা খুবই ভহাবহ হিসাবে বেড়ে উঠছে আমাদের দেশে।গরীব আসহায় ছোট ছোট বাচ্চারা কিছু বলতে পারে না কাউকে বিচার দিতে পারে না। তাদের সেখান হয় এটা ইসলাম স্বীকৃত। আমরা বেহেশ্‌ত এর যে বর্ননা বিভিন্ন ওয়াজে শুনি তাতে শুনি যে বক্তা প্রচুর হুর পরিসহ গেল্মান দের কথাও বলে। এটা অবশ্যই শাস্তি যোগ্য অপরাধ।

এ আপরাধের শাস্তিও ধর্ষনের শাস্তির মতই। তবে সমস্যা ওই এক জায়গায় তা হলো প্রমান করা যায় না, সামাজিক আপে ভয়ে কেউ মূখ খুলে না।

যারা সমকামী গে তারাই বলাৎকার করে। সমকামী বলতে আমরা সাধারনত মেয়েদের ধরে নেই আসলে আমাদের দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গেদের দেখা যায় লেসবিয়ান খুব বেশি পাওয়া যায় না এর কারন এতিমখানা গুলিতে ওরা এই অস্বাভাবিক জীবন জাপন করে এসেছে।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনার তথ্য ভয়াবহ। এভাবে বাচ্চাদের শেখানো হয় তা আমার জানা নাই। যদি এভাবে শেখানো হয়ে থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। কিন্তু করবে কে ?

২৪. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
রাজন সান বলেছেন: ভালো লিখেছেন। ধন্যবাদ। মনটা খুব খারাপ আমার। আমি ভীষন ব্যাথিত।

৬ই জুলাই বিকালে "অভিভাবকহীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়"-এর উপর উপর ছোট্ট একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম। আপনি মন্তব্য করে এসছেন। খুব কি আক্রমনাত্মক ছিলো সেটি? ৫ মিনিটের মাথায় আপনাকে উত্তর দিতে গিয়ে দেখি আমার পোষ্টটি মডু ভাইয়েরা মুছে ফেলেছে।

শুধু তাই নয়, আমাকে "জেনারেল" বানিয়েছে। আমি গাধার মত চেয়ে চেয়ে দেখলাম। অথচ এ বিষয়ের উপর লেখা প্রায় সবকটি পত্রিকায় এসেছে।

আজতক আমার কি দোষ জানতে পারলাম না!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

এই যদি হয় অবস্থা, তাহলে ব্লগ লিখবো কি করে। সামহোয়্যারকে ভালোবাসি, ভালোবাসি ব্লগার ভাই-বোনদের, তাই এখানে আসি।

কিন্তু সামু কর্তৃপক্ষ আমার উপর চরম অবিচার করেছে, এটা কি কেউ জানে।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: আমার কাছে মনে মডারেশনের একটা ব্যাখ্যা সংশ্লিষ্ট ব্লগার পেলে তাকে আর এভাবে সবাইকে বলে বেড়াতে হয় না।

২৫. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
শয়তান বলেছেন: আগে বলুন স্বাভাবিক বলাৎকারকে আপনি কোন চোখে দেখেন ?স্বাভাবিকত্ব নাকি বিকৃতি ?
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: স্বাভাবিক বলাৎকার কোনটা ?

২৬. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
:) বলেছেন: ৯ নং কমেন্টের উত্তরে লেখক প্রশ্ন করেছেন

"০২) তারা নতুন নতুন সঙ্গীর খোঁজে না - তার সপক্ষে আপনি কি কোন গ্যারান্টি দিতে পারবেন ? "

সমকামী / বিসমকামী সবাই সমান, প্রেমে/বিয়েতে থিতু হওয়া বিসমকামীরা যে নতুন সঙ্গীর খোঁজে না - তার সপক্ষে আপনি কি কোন গ্যারান্টি দিতে পারবেন ?

প্রশ্নটায় বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ কতটুকু? কতটুকু ভুল ধারনা?

৭ নং কমেন্টে লেখক বলেছেন "আমার পরিচিত এক মানসিক চিকিৎসক পরিষ্কার বললেন, এটা একটা মানসিক রোগ। চিকিৎসা করলে সেরে যায়। "

আপনার "পরিচিত এক মানসিক চিকিৎসক" হতে আমেরিকান সাইকিয়াট্রিস্ট এসোসিয়েশান / ওয়ার্ল্ড হেলথ ওরগ.(WHO) বেশী বুঝদার, তাদের দাবী অনুযায়ী ইহা মানসিক রোগ নয়, পড়াশুনা না করে 'নিজের ধারনা' নিয়ে পোষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকাটাই মনে হয় ভালো!

http://simple.wikipedia.org/wiki/Homosexuality


১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: ক্ষেপে গেলেন কেন ?
আমি এই কথাই বলতে চেয়েছি। বিষমকামীদের মতো সমকামীরাও সঙ্গী বদলাতে পারে এবং বদলায়ও। বদলানোর ক্ষেত্রে বিষমকামীরা যেমন সহজেই সঙ্গী পেতে পারে তেমন সমকামীরা পেতে পারে না। তাদের খুঁজতে হয়। সেটা অনেক সময় সমস্যা সৃষ্টি করে।
আমার কিশোর বয়সের একটা অভিজ্ঞতা বলি। এক পুলিশ কনস্টেবল আমার এক বন্ধুর পিছনে লেগেছিল। সে আমার বন্ধুকে নানা রকম গিফট দেয় এবং তার যৌনাঙ্গ খুলে দেখায়। সে এই ঘটনা আমাদের অনেক বন্ধুর সাথেই করেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে সে যাদের সাথে এই আচরণ করেছিল, তারা কেউ সমকামী ছিল না।
আমরা বন্ধুরা মিলে একবার পরিকল্পনা করেছিলাম ওকে ফুসলিয়ে এনে মার দেব। কিন্তু ব্যাটা পুলিশে চাকুরি করে বলে পড়ে আমরা ভয় পেয়ে পিছিয়ে আসি।
আপনার লিংক অনুযায়ী পড়লাম। ওখানে লেখা একটি লাইন এ রকম ---
Doctors used to treat gay people as if they had mental illnesses.
ডাক্তাররা যদি কনফিউজ থাকে, আমার কি করার আছে ? আমি তো আর ডাক্তার নই।
আরেকটা কথা, ব্লগার হওয়ার জন্য অনেক পড়াশোনা করতে হয় এবং পড়াশোনা করা ব্লগাররাই কেবল পুস্ট দিবে এটাও আপনার ভুল ধারণা। আমি যে বিষয়টা কম জানি, তার প্রমাণ হেডিং এ প্রশ্ন দেখেই আপনার বুঝে নেয়া উচিত ছিল। আশা করি, কম জানা লোকদের বন্ধু ভাবতে আপনার কোন সমস্যা নাই।

২৭. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭
শয়তান বলেছেন: এমনি ধর্ষন যাকে বলা হয় ।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধর্ষণকে পৃথিবীর কোন ব্যক্তি স্বাভাবিকত্ব বলে না, ওটা বিকৃতি।

২৮. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭
ব্রাইট বলেছেন: সমকামিতা এক ধরনের মানসিক অসুস্থতা।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: ২৬ নং মন্তব্যের লিংকটা ধরে পড়াশোনা করে তারপর বলেন।

২৯. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮
অপ বাক বলেছেন: সম্ভবত সমকামীতা এবং বলৎকার সম্পর্কিত ধারণার অভাব আছে আপনার।

আবাসিক হোস্টেলে যেসব বলৎকারের ঘটনা ঘটে, সেগুলোর অধিকাংশ পাত্র-পাত্রীই ঠিক সে বিবেচনায় সমকামী নয়, বরং চাহিদা পুরণের বিকল্প হিসেবে পায়ুকামী বলা যায় তাদের।

যে মানুষটা শিশুসম্ভোগ করে সেটা তার যৌনবিকৃতি, সেটা মানসিক সমস্যা, সমকামীতা এখনও পর্যন্ত প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যাপার, একটা নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম করবার পরেও কেউ যদি বিপরীত লিঙ্গের কাউকে আকর্ষণীয় মনে না করে কিংবা যদি সে উপলব্ধি করে আদতে সে সমলিঙ্গের মানুষের সাথেই সম্পর্কিত হতে পছন্দ করবে সেটা নিজের ভেতরে স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত সে নিজেকে সমকামী ভাবে না।

আপনার ভেতরে সমকামীতার ধারণাও ঠিক সামাজিক পুরুষের পায়ুকামীতা। সমকামীতা আলোচনার সময় অন্য একটি পক্ষকে আমরা এড়িয়ে যাই সচেতন ভাবে। এটা আমাদের নিজস্ব মানসিক বিপর্যয়।

আপনি যেভাবে নিজের মনোভাব প্রকাশ করেছেন, আপনি নিজে মনে মনে কিছু স্থির ধারণা করে রেখেছেন- প্রকৃতি পছন্দ করে না, পরবর্তী প্রজন্ম , এইসব ধারণার গলদ হলো এই সব ধারণা ধরেই নেয় সমাজের ১০০ শতাংশ মানুষ সমকামী হবে- এমনটা তো সম্ভব না। হাজারে ২০ জন সমাকমী হলেও প্রকৃতিতে মহাবিপর্যয় ঘটে যাবে না।

আরও একটু সহনশীল এবং বিবেচক হয়ে লিখলে সবাই শান্তিমতো আলোচনা করতে পারতো। আর যদি সমকামীতাকে শিশু বলৎকারের সাথে সম্পর্কিত না করতেন তবে আরও ভালো হতো। দুটো দুই ধারার বিষয়।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩২

লেখক বলেছেন: আপনার পরামর্শ ভালো লেগেছে। আশা করি এ বিষয়ে আপনি লিখবেন এবং আমাকে তার লিংক দেবেন। আমি সব জানি, কখনও তা আমি মনে করি না। আমি যেন কখনও সবজান্তা না হই, সেই কামনা করি।

৩০. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০০
অপ বাক বলেছেন: আলোচনায় এই বিষয়টা উঠে এসেছে আগেই,

পেডোফেলিয়া কিংবা শিশুদের বলৎকারের হার রীতিমতো আতংকিত হওয়ার মতো। এবং সেটা মাদ্রাসার যৌনবুভুক্ষু আবাসিক শিক্ষক কিংবা হোস্টেলের একলৈঙ্গিক সামাজিক বসবাসের কারণে নয় বরং এই শিশুসম্ভোগ সবচেয়ে বেশী করছে শিশুর পরিচিত জন। তার বাবা-মা-ভাই-চাচা-মামা-পরিচারক এবং পরিচারিকা। যারাই শিশুর আশেপাশে থাকে তাদের হাতেই শিশু যৌননির্যাতিত হচ্ছে বেশী।

শুধুমাত্র সমকামী কিংবা যৌনবুভুক্ষু এমন ট্যাগিং করা সম্ভব হচ্ছে না সবার ক্ষেত্রে- কেনিয়ার সেই মানুষটার কথা একবার ভাবলে ভালো হয়, সে ৯জন শিশুকে ধর্ষণ করেছিলো, যাদের সবার বয়েস ৫এর নীচে। এবং প্রতিটা শিশুই বিপরীত লিঙ্গের ছিলো।

এটাও বলৎকার শুধু তাই নয় , এই মানুষের অত্যুগ্র যৌন কামনায় নিহত হয়েছে সবাই। সুতরাং সমাকামীরা এককভাবে এমন অপবাদ পেতে পারে না। স্বাভাবিক বিকৃত মানসকিতাসম্পন্ন বিষমকামী কিংবা তথাকথিত স্ট্রেইট মানুষদের ভেতরে এটার প্রকোপ বেশী।

পরিসংখ্যান সব সময় সমসয়ার ব্যাপকতা প্রকাশ করে না, বরং এটা কোন কোন প্রেক্ষিতে ঘটে সেটার একটা ধারণা দেয় মাত্র-

সাধারণের অনেক অদ্ভুত ধারণা আছে, এবং শিক্ষিত মানুষজনও এর ব্যতিক্রম নয়। একটা সাধারণ ধারণা প্রচলিত যারা ধর্ষণ করে তারা সবাই আসলে বৈধ উপায়ে যৌনচাহিদা পুরণ করতে পারে না বলেই ধর্ষণ করে। শহরে একটা গনিকালয় খুললে শহরে ধর্ষণের হার কমে যাবে- তবে ধর্ষকামীতা আদতে এক ধরণের মানসিক সমস্যা সেটার সাথে নিয়মিত যৌনচাহিদা পুরণের সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠ নয়। এমন কি ৬৮ শতাংশ কিংবা এরও বেশী প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ধর্ষিত হয় তাদের পরিচিত জনের হাতে এবং বিবাহিত মানুষের সংখ্যা এখানে অর্ধেকের বেশী।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: আপনার লেখার মতোই আপনার মন্তব্যও অসাধারণ।

৩১. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
ব্ল্যাক মামবা বলেছেন: ব্রাইট বলেছেন: সমকামিতা এক ধরনের মানসিক অসুস্থতা।

লেখক বলেছেন: ২৬ নং মন্তব্যের লিংকটা ধরে পড়াশোনা করে তারপর বলেন।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: সদুপদেশ তো ফ্রি ই দিতে হয়।

৩২. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৫
হিটলারের সাগরেদ বলেছেন: ধিক এসব নোংরা মানুষদের । আমাদের সমাজ যে কোথায় যাচ্ছে আল্লা্হই যানেন।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনি ধিক বললে তারা এক ফুৎকারে মিলিয়ে যাবে না। বাস্তবতা হল, তারা আছে এবং থাকবে।

১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: হুমানোর মতো কিছু কি ঘটছে ?

৩৪. ১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৫
ব্রাইট বলেছেন: http://simple.wikipedia.org/wiki/Homosexuality তন --


The causes of homosexuality and bisexuality are controversial (people do not agree on them). Many religions see homosexual or bisexual behavior as sin. Some religious people also see homosexuality and bisexuality as a choice that a person makes.

However, many modern scientists have shown that homosexuality is not a choice. The causes of homosexuality are not all understood, but genetics and the effects of prenatal hormones (when a baby is growing in its mother) and environment are sometimes thought to be causes. Scientists also show that homosexuality happens not only in humans. Most animals (like penguins, chimpanzees, and dolphins) often show homosexuality, some even for life-long periods as is the case with humans [1].
১০ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: পড়াশোনা তো ভালই করছেন দেখা যায়। তাই তো, পরীক্ষার খাতায় ভালো লিখতে পারলেন। যাক ১০ এ ১০ দিলাম।

৩৫. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০৮
সোনার বাংলা বলেছেন:

সমকামীরা সুস্হ্য মানুষ না। মানসিক এবং দৈহিক ভাবে তারা অসুস্হ্য। কিছু দিন পরে দাবী উঠবে পশু পাখির সাথে বিবাহ করিবার অধিকার চাই:(

সেটাও মানবিক হৈবেক।
৩৬. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪০
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: সমকামী বলতে কি 'হিজড়া'দের বুঝাচ্ছেন? আমার ধারণা মতে যৌবন প্রাপ্ত নারী হোক আর পুরুষ, হুজুর-হুজুরী হোক আর মিস্টার-মিস/মিসেস হোক তাদের মধ্যে যৌন ক্ষুদা থাকবেই। আর এই ক্ষুদা মিঠানোর আখাঙ্খা জাগেনা এমন দাবীদার ডাহা মিথ্যুক ছাড়া আর কিছু নয়। কতিপয় স্পেশাল কোয়ালিটির মানব-মানবী আছেন যারা প্রবল ক্ষুদার জ্বালা সহ্য করে নিজেদেরকে সামলিয়ে রাখেন। ওনাদের সংখ্যা খুব নগন্য। অধিকাংশই সুযোগ পেলে সদ্ব্যবহার! করতে দেড়ী করেন না।
এজন্য নিজ নিজ ধর্ম সঠিক ভাবে পালন করা জরুরী। অন্য ধর্মে এর প্রতিকারের কি ব্যাবস্থা আছে তা জানা না থাকলেও এটা নিশ্চিত যে অবৈধ যৌনাচারে কোন ধর্মের স্বীকৃতি থাকবেনা।
একটু ভেবে দেখুন ইসলাম বাচ্চাদের মায়ের স্তন পান করানোর বয়স পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। সঠিক পর্দা পালনের মাধ্যমে লফর প্রকৃতির শয়তানদের নিকট থেকে নিরাপদ থাকার বন্দোবস্ত করেছে। প্রাপ্ত বয়স্কদের বিছানা আলাদা করার নির্দেশ দিয়েছে। ছেলে-ছেলে এবং মেয়ে-মেয়ে ও এক বিছানায় ঘুমানো বারণ আছে।
শিশুদেরকে আদরের নামে অনেকে নোংরামী করে বসে। এজন্য পিতা-মাতার উচিৎ সর্বদা খেয়াল রাখা। আদরের সীমা অতিক্রম করতে যেন কেউ না পারে সেদিকে চোখ রাখতে হবে। বাচ্চারা একটু বড় হতে লাগলে তাদেকে কৌশলে সাবধান করতে হবে। গৃহ শিক্ষক, হুজুর, প্রতিবেশী এবং সন্ধেহ জনক আত্নীয়দের সাথে ও বাচ্চাদেরকে ছেড়ে না দেয়া। সাধারণ মা বাবারা এসব খুবই কম খেয়াল করেন। ঘটনার সুত্রপাত কিন্তু এখান থেকেই। শুধু বয়স্ক পুরুষেরা নয় বয়স্ক মহিলারাও শিশুদেরকে উত্তক্ত করতে পারে। অতএব সাবধান।

সম্মানিত লেখক কে এমন একটি গুরুত্বপুর্ণ পোস্ট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
৩৭. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: Click This Link

ভেবেছিলাম কমেন্ত করবো না ।
তবে এখন মনে হচ্ছে উপরের লিংকটা একটু ফলো করা উচিত আপনার ।

৩৮. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০০
জনৈক আরাফাত বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগলো! ধন্যবাদ। যুক্তিতর্কের আড়ালে অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। মূল্যবোধটা হারায় না!
৩৯. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৭
মইন বলেছেন: আপনার পোস্টে আবাসিক হোস্টেলে বা Click This Link এই পোস্টটিতে যাদের কথা উল্লেখ আছে, তাদেরকে কোনক্রমেই আপনি সমকামি বলতে পারেন না।
একজন শিক্ষক বা মাদ্রাসার হুজুর যখন এই কাজগুলো করে, তখন দেখবেন তাদের অধিকাংশের বাড়িতে বউ আছে বা বাচ্চা-কাচ্চা আছে।
তাদেরকে এককথায় বহুগামী বলতে হবে এবং তাদের আচরণ মানসিক অসুস্থতার পরিচায়ক।

ভারতে সমকামী বৈধ হওয়ার কয়েকদিন আগে ভারতের এক নায়িকার এক সাক্ষাৎকার পরেছিলাম সান্তাবান্তা.কম-এ এই বিষয়ে।
তারপর এ বিষয়টা নিয়ে একটু সময় দেওয়ার পর দেখতে পারলাম, পশ্চিমের দেশসমূহে বা ভারতে যারা স্বীকৃত সমকামী, বা যারা প্রকাশ্যে স্বীকার করে যে তারা সমকামী, তাদের মধ্যে বহুগামীতা কম এবং সমকামীদের মধ্যে বিয়ে নামক চুক্তিপত্রটি এই বহুগামীতা থেকে দূরে রাখে।

শিশুদের সাথে যে দেশেই যে খানেই এ ধরণের আচরণ করে যারা, তারা অবশ্যই সর্বোচ্চ শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।
৪১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
'লেনিন' বলেছেন: ব্যাপক গবেষণামূলক পোস্ট!

তবে লেখককে দু'একটি পয়েন্ট ধরিয়ে দিতে চাই। প্রকৃতি ১১০:১০০ পুরুষ:মহিলা জন্ম দিয়ে নীতি বা নিয়ম নির্ধারণ করে দেয়?

প্রকৃতি Binary Fission নামেও একটি বংশবিস্তার প্রক্রিয়া চালায়।

প্রকৃতিতে উভলিঙ্গ গাছ বা মানুষও দেখা যায়।

একই লোক বহুগামীও হয়।

একই নারীও বহুগামী হয়।

ইসলাম ধর্মে ৪টি বিয়ের বৈধতার সাপেক্ষে ১১০:১০০ অনুপাতটি কেমন?

তবে আমার ব্যক্তিগত মতে সমকামীতা অন্তত একটি পর্যায়ে হলেও বাই চয়েস হয়ে থাকে। সেই পর্যায়টিকে নিরুৎসাহিত করা উচিৎ।


১৭নং কমেন্ট পড়ে যা মনে হচ্ছে তা হলো... যেহেতু সমকামীতা স্বাভাবিক আচার্য নয়, তাই এই জাতীয় মানুষের দুর্ভোগ হবে সঙ্গী পেতে। আর তাই বংশলোপও হবে।

২৩নং কমেন্টে মিস সামছা যা বলেছেন তাও ভাববার বিষয়। গেলমান ব্যাপারটা।

PAGE3 নামে একটি হিন্দি মুভি দেখেছিলাম... তাতে বাচ্চাদের ধরে নিয়ে এধরণের একটি ব্যবসা করা হয় দেখানো হয়েছে।
৪২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
বাফড়া বলেছেন: আপনার পোস্ট টায় দুইটা সিরিয়াস ইস্যু নিয়া আলাপ করছেন.. সমকামিতা আর রেপ... দুইটা রে যেইভাবে মিল খাওয়াইছেন তাতে মনে হইছে আপনে মনে দেশে থাকেন না... যেই দেশে পুলাপানরা বিয়া করে ৩৩ বছর বয়েসে সেইদেশে কিছু অবুঝ শিশু কিশোরদের এইটার মুখোমুখি হতেই হবে!!!! (আী কোন পলিটিক্যালি কারেকৎ হওয়ার প্রসেসের মাঝ দিয়া না গিয়া স্রেফ একটা স্টেটমেন্ট ই দিলাম!!!)

আর মাদ্রাসার হুজুরের যেই ঘটনা বললেন সেইটা কতটা সমকামিতা আর কতটা আগু-পিছু করার সুযোগের অভাবজনিত সেইটা কি ভেবে দেখেছেন?

সমকামিতা বিকৃতি না কি জানিনা... তবে আমার মনে হয় লেট দেম লিভ... তবে আমি এখনো অতটা অভ্যস্ত হতে পারিনি তাই সবসময় আশা করি সমকামিরা যেন আমার সামনে অ্যমোরাস না হয়া যায়:)...

আপনার পোস্টের টাইটেলটাই বেশ কনফিউঝিং... মনে হয় যেন সমকামীরাই বাচ্চাদের উপর অ্যটাক করছে... আমার তো মনে হয় সমকামী-বিষমকামী নির্বিশেষে সবাই ই প্রপার প্লেস, স্কোপ এবং প্রপার পার্টনারের অভাবে এইসব বাচ্চাদের উপর এই নিপীড়ন চালাচ্ছে... মসাজবিগ্যানীরাই ভালো বলতে পারবেন...

আউলা পোস্টে মাইনাস দেয়া উচিত... কিন্তু আপনারে দিতে ইচ্চা করল না!!!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৪৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাতে চাই। তাই চারপাশে যা ঘটে তা ধরে রাখতে চাই কালো অক্ষরে।
ইচ্ছা করি, যত দিন স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ