দুটি কৌতুক(১৮+)……….
(ফেসবুকে এক বন্ধুর কাছ হতে পাওয়া, হাসি পেল তাই শেয়ার করছি, যদি কার কাছে খারাপ লেগে থাকে আমাকে নিজ গুনে ক্ষমা করবেন)
১) একটি ফলের দোকানে একটি লোক ফল
কিনছিল ; এমন সময় আর একটি লোক
এসে তার পাশে দাঁড়ালো এবং কোমর
দুলাতে দুলাতে বিভিন্ন ফলের দর
দাম জিজ্ঞেস করতে থাকলো।এতে প্রথম
ক্রেতা বিরক্ত হয়ে দ্বিতীয়
ক্রেতাকে প্রশ্ন
করলোঃ কি ব্যাপার ভাই আপনি এরকম
ডানে-বাঁয়ে দুলছেন কেন?
দ্বিতীয় ক্রেতা উত্তরে বলল:
ভাই কিছু মনে করবেন না, পাঁচ বছর
ধরে জাহাজে চাকরী করছিতো,
সাগরের ঢেউয়ের
তালে দুলতে দুলতে বদ অভ্যাস
হয়ে গেছে , তাই মাটিতে থাকলেও
ডানে-বাঁয়ে মাজা দুলতে থাকে।
একথা শুনে প্রথম ক্রেতা একটু
উত্তেজিত হয়ে বললঃ এইডা কোন
কথা হইলো ;
আমিতো মিঞা বিয়া করছি ২০ বছর
হইলো ; আমিকি সারাদিন
সামনে পিছনে মাজা দুলাই নাকি
২) বাবুর বড় বিপদ, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ
প্রত্যঙ্গ নিয়ে গাড্ডায়
পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক
খুশি করতে পারে না , আবার এই
আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও
নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক
সাধু বাবার আস্তানায়
ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার
কথা খুলে বলে কাকুতিমিনতি করে জানালো,
বাবা যদি কোনোভাবে ২৫
ইঞ্চি থেকে তাকে ১০ -এ
নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন
কৃতজ্ঞ থাকবে।দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ
বুঁজে ধ্যান করে বললেন , “এখান
থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর
পাঁচশ কদম
হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি।
...ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং ,
কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে।
তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায়
কি না। যদি উত্তরে না বলে , ৫
ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা।
বাবু ৫০০ কদম
এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো।
ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো , বাস্তব,
একটা ব্যাং বসে।
সে গলা খাঁকরে শুধালো,
“ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায়
বিয়ে করবে?”
গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”
বাবু টের পেলো, ২০-এ
নেমে গেছে সে। কিন্তু এতেও
অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস
করলো , “ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায়
বিয়ে করবে?”
আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো,
“না!”
বাবু ১৫-তে নেমে এলো।
উল্লসিত বাবু আবারো জিজ্ঞেস
করলো , “বলি ও ব্যাংকুমারী,
তুমি আমায় বিয়ে করবে?”
এবার উত্তর এলো, “এক কথা কতবার
বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা?
না, না, না!”

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


