আমি তেমন ভাল কোন লেখক না।তাই তেমন কিছু লিখতে পারলাম না।তাও লিখতে হল।কারন অবস্থা যে দিকে যাচ্ছে ভবিষ্যতে কি হয় বলা দুস্কর...চট্টগ্রামে উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র ছাত্রিরা এখন কলেজে পড়ে না...তারা এখন "কুচিং" এ পড়ে...আর সেখানে পড়ায় কোচার রা...হায়রে দুনিয়া।পড়ার জন্য ভর্তি হয় কলেজে।কিন্তু আসল পড়া হয় কোচিং এ...হিসাব করে দেখলাম প্রায় সব ছাত্র-ছাত্রীরাই কমপক্ষে ৫ টা স্যারের কাছে পড়ে।স্যারগুলোও হাতেগোনা কয়েকজন।প্রায় সবাই চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ,মহসিন কলেজ,সিটি কলেজের শিক্ষক...এবং ওইসব কলেজের সব ছাত্র ছাত্রীরাও তাদের কাছে পরে...এখন কথা হল তারা কলেজে কি করে??আঙ্গুল চোষে???তাদের সরকার বেতন দিয়ে রাখছে কেন?শিক্ষকের দায়িত্ব হল ছাত্র-ছাত্রীদের সবটুকু দিয়ে পড়ানো...কিন্তু তারা তা না করে নেমেছে টাকা ইনকামের পথে...।ধিক,সেই সব শিক্ষকদের প্রতি...।
ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি একটা কথা সব বিষয় যদি স্যারেরা পড়ায় তাহলে পড়ালেখার কি দরকার?নিজের বুদ্ধিকে কিছুটা হলেও ব্যাবহার করতে শিখ।
সবাই যদি বাইরে ব্যাচে ৫ টা বিষয়ে পড়ে তাহলে সরকারের কলেজের পিছনে এত টাকা খরচ করার কি দরকার??সরকার এমন নিয়ম করে দিক যেখানে যে যার মত পড়বে,বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা নেয়া হবে।এবং সবাই সেখানে পরীক্ষা দেবে...ব্যাস,হিসেব মিটে গেল...এত ঝামেলা করে কলেজের কি দরকার... শুধু শুধু টাকা নষ্ট......এম্নেই ঋণের
বোঝা দেশের মাথার উপর...এটা হলে অনেক টাকা বাচত।
সবার শেষে মহামান্য শিক্ষকদের প্রতি একটা আবেদন,প্লিজ দয়া করে এই বাণিজ্য বন্ধ করুন...।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

