আমার প্রিয় পোস্ট
- টংক আন্দোলনের নেত্রী কুমুদিনী হাজং ......... - আরিফুল
- অশ্রু : পৃথিবীর পথে চাঁদট গ্রামের মেয়ে-৩ - অনার্য তাপস
- অশ্রু : পৃথিবীর পথে চাঁদট গ্রামের মেয়ে - অনার্য তাপস
- কমু্নিস্ট দেশ সমূহ: অতীত ও র্বতমানে - সাহীল
- ধর্ম লিঙ্গাগ্রে ঝুলছে - রাসেল ( ........)
- আমু: ৮৪-এর শিখ দাঙ্গা সময়ের অসাধারণ এক ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- পুনশ্চ মারিয়া - অনার্য তাপস
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-১ - বিবর্তনবাদী
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-২ - বিবর্তনবাদী
- বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-৩ - বিবর্তনবাদী
- আমাদের আধুনিকতা বনাম পশ্চিমী আধুনিকতা-০৩ - অনার্য তাপস
- কৌশিক নামের ব্লগারটি তার বয়স ঢাকতে হেলমেট ব্যবহার করছে! - অনার্য তাপস
- চমস্কির সাক্ষাতকার: আমি কোণঠাসা নই, আমাকে চালিত করে সংগ্রামী আশাবাদ - ফারুক ওয়াসিফ
- একজন পিপড়া, একটা কবি এবং..... - মাঠশালা
- তুমি আমার পাশে বন্ধু হে বসিয়া থাকো, একটু বসিয়া থাকো... - অনার্য তাপস
- পবন তাঁতীঃ চা শ্রমিকের আলোর দিশারী, একাত্তরে শহীদ - ভাস্কর চৌধুরী
- কলিগ চিন্তিত তাইলে কি সে ভূমিকম্পই কইরা ফেলছে - কৌশিক
- মহাকবি সমুদ্র গুপ্তের কবিতা : প্রতিহিংসা - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- এই নিঃসঙ্গ জীবনে - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- থাকতে চাই প্রশ্নমুখর জীবনে… - জামাল ভাস্কর
- ক্লে বেনেটের কার্টুন - মাহবুব মোর্শেদ
- দৈনিক সমকাল এর একটি ভয়ঙ্কর সংবাদ - অনার্য তাপস
- ফুটবলের যাদুকর সামাদ - িনরুপমা.কম
- বাংলাদেশে তাঁর জন্ম। স্ব-ভূমে ফিরে আসতে চান বাসন্তী ওয়াদ্দেদার। - হাবীব ইমন
- প্রিয় মারিয়া - ০৩ - অনার্য তাপস
- প্রিয় মারিয়া-০২ - অনার্য তাপস
- প্রিয় মারিয়া, - অনার্য তাপস
- আহ ইয়াসমিন আহ - আনিসুজ্জামান উজ্জল
- ঢাকায় আছি-০১ - অনার্য তাপস
- [sbকাঁচ দূরত্বে পৃথক পৃথিবীর দৃশ্যরা বেকে দূরে চলে যায়, অধরায় - মাঠশালা
- সময়ের পেণ্ডুলাম - মাঠশালা
আসুন সবাই মিলে একটা কবিতা বানাই
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
চোখের তারায় সাঁঝবাতি গো
দৃষ্টি মুখে আগুন...
এই কবিতাটি পুরো করার দ্বায়িত্ব ব্লগারদের।
পুরো হলে সবার নামে এই কবিতাটি পোস্ট দেয়া হবে।
বিশ্বের সবচাইতে বৃহত কবিতা হিসেবে এবং সবচেয়ে বেশি কবির লেখা একটি কবিতা হিসেবে এই কবিতাটি ইতিহাসে স্থান পেতে পারে। সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। কবিতাটার লাইন পুরোন করুন। এক সপ্তাহের মধ্যে পুরোটা প্রকাশ করা হবে কবিদের নাম সহ। সেই সাথে সবাইকে কবিতাটির জন্য একটি ভালো নাম খোঁজার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফি। আপনার লাইন দুটো গৃহীত হল। তাহলে কবিতাটার চার লাইন দাঁড়ালো এরকম
চোখের তারায় সাঁঝবাতি গো
দৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন...
আরো লাইন চাই।
লেখক বলেছেন: দাদা আপনিও আইছেন। ভালো হইলো। আপনার লাইন দুটিও সাদরে গৃহীত হইলো। তাহলে কবিতাটা এপর্যন্ত দাঁড়ালো
চোখের তারায় সাঁঝবাতি গো
দৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন
মুখের কথায় সুর লাগে গো
পোড়ায় সুখের ফাগুন ...
অবশ্য প্রয়োজনে কিছুটা এডিট করা হবে।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
ফাগুন জাগে ফাগুন ঘুমায়আগুন জ্বলে নেভে,
ফাগুন মাঝে বৈশাখি সুখ
রাতের তারায়, মেঘে।
মেঘ ভেসে যায়
মেঘ ছুঁয়ে পায়
বর্ষা রোদের ছায়া...
লেখক বলেছেন: অসাধারণ। আপনাকে বন্দি করা হলো। ধন্যবাদ।
এপর্যন্ত কবিতাটি দাঁড়ালো এরকম
চোখের তারায় সাঁঝবাতি গো
দৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন
মুখের কথায় সুর লাগে গো
পোড়ায় সুখের ফাগুন
ফাগুন জাগে ফাগুন ঘুমায়
আগুন জ্বলে নেভে,
ফাগুন মাঝে বৈশাখি সুখ
রাতের তারায়, মেঘে।
মেঘ ভেসে যায়
মেঘ ছুঁয়ে পায়
বর্ষা রোদের ছায়া...
অনার্য তাপস বলেছেন:
অসাধারণ হতে যাচ্ছে কবিতাটি। আরো লাইন চাই।
কালপুরুষ বলেছেন:
মেঘ ভেসে যায়মেঘ ছুঁয়ে পায়
বর্ষা রোদের ছায়া
উষ্ণ শীতল
মিষ্টি কোমল
তোমার সকল মায়া।
সুখে থাকি
দুখে থাকি
তোমার আঁচল ধরে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
তোমায় মনে পড়ে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষ। আপনাকে সাদরে গ্রহণ করা হলো। কবিতাটি এখন পর্যন্ত দাঁড়ালো
চোখের তারায় সাঁঝবাতি গো
দৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন।
মুখের কথায় সুর লাগে গো
পোড়ায় সুখের ফাগুন
ফাগুন জাগে ফাগুন ঘুমায়
আগুন জ্বলে নেভে,
ফাগুন মাঝে বৈশাখি সুখ
রাতের তারায়, মেঘে।
মেঘ ভেসে যায়
মেঘ ছুঁয়ে পায়
বর্ষা রোদের ছায়া।
উষ্ণ শীতল
মিষ্টি কোমল
তোমার সকল মায়া।
সুখে থাকি
দুখে থাকি
তোমার আঁচল ধরে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
তোমায় মনে পড়ে।
লেখক বলেছেন: আন্দালীব, আপনাকেও ধন্যবাদ। লিখুন না দু'লাইন।
ইমরান মামা বলেছেন:
তাপসদা এটা কবিতার লাইন না- একটা গান বোধহয় সুমনের - মরব দেখে বিশ্ব জুড়ে যৌথখামার । অবশ্যই কবিতা চিরকাল কারো একার সম্পত্তি হতে পারে না। আইডিয়াটা জোস । আরো কোনো মাধ্যমে প্রকাশ করলে কেমন হয়?
লেখক বলেছেন: ভালো হয়। তুইতো আবার আজকাল আইডিয়াবাজ হয়ে গিয়েছিস। ভাবনা, কী করা যায়। আর একটা ভালো নাম জানাস। নামটা ভালো হওয়া দরকার।
কঁাকন বলেছেন:
চোখের তারায় সাঁঝবাতি গোদৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন।
মুখের কথায় সুর লাগে গো
পোড়ায় সুখের ফাগুন
ফাগুন জাগে ফাগুন ঘুমায়
আগুন জ্বলে নেভে,
ফাগুন মাঝে বৈশাখি সুখ
রাতের তারায়, মেঘে।
মেঘ ভেসে যায়
মেঘ ছুঁয়ে পায়
বর্ষা রোদের ছায়া।
উষ্ণ শীতল
মিষ্টি কোমল
তোমার সকল মায়া।
সুখে থাকি
দুখে থাকি
তোমার আঁচল ধরে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
তোমায় মনে পড়ে।
স্বপ্নে তুমি এসেছিলে
স্বপ্নে গেলে চলে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
চোখের তাঁরায় স্বপ্ন এঁকে
বৃষ্টি দিয়ে মন রাঙিয়ে
স্পর্শ দিয়ে ঘুম ভাঙিয়ে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমরা বেশ বড় হচ্ছি কী বলেন?
চোখের তারায় সাঁঝবাতি গো
দৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন।
মুখের কথায় সুর লাগে গো
পোড়ায় সুখের ফাগুন
ফাগুন জাগে ফাগুন ঘুমায়
আগুন জ্বলে নেভে,
ফাগুন মাঝে বৈশাখি সুখ
রাতের তারায়, মেঘে।
মেঘ ভেসে যায়
মেঘ ছুঁয়ে পায়
বর্ষা রোদের ছায়া।
উষ্ণ শীতল
মিষ্টি কোমল
তোমার সকল মায়া।
সুখে থাকি
দুখে থাকি
তোমার আঁচল ধরে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
তোমায় মনে পড়ে।
স্বপ্নে তুমি এসেছিলে
স্বপ্নে গেলে চলে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
চোখের তাঁরায় স্বপ্ন এঁকে
বৃষ্টি দিয়ে মন রাঙিয়ে
স্পর্শ দিয়ে ঘুম ভাঙিয়ে।
পথিক মানিক বলেছেন:
চোখের তাঁরায় স্বপ্ন এঁকেবৃষ্টি দিয়ে মন রাঙিয়ে
স্পর্শ দিয়ে ঘুম ভাঙিয়ে
সেই যে চলে গেলে
আর কি কভু হবে দেখা
পথের ধারে কিংবা
নদী যেথায় আঁকা-বাঁকা
শ্যামল- সবুজ প্রান্তরে
রাতে যেথায় জোনাক জ্বলে
আঁচলের ফাঁকে নিবু নিবু
প্রদিপ হাতে ঠাঁয় দাড়িয়ে
স্বপ্ন দেখি একমনে তে
বীরের বেশে আসবে তুমি
দেশটাকে স্বাধীন করে।
অনার্য তাপস বলেছেন:
আপনাকেও ধ:ন্যবাদ। চোখের তারায় সাঁঝবাতি গো
দৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন।
মুখের কথায় সুর লাগে গো
পোড়ায় সুখের ফাগুন
ফাগুন জাগে ফাগুন ঘুমায়
আগুন জ্বলে নেভে,
ফাগুন মাঝে বৈশাখি সুখ
রাতের তারায়, মেঘে।
মেঘ ভেসে যায়
মেঘ ছুঁয়ে পায়
বর্ষা রোদের ছায়া।
উষ্ণ শীতল
মিষ্টি কোমল
তোমার সকল মায়া।
সুখে থাকি
দুখে থাকি
তোমার আঁচল ধরে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
তোমায় মনে পড়ে।
স্বপ্নে তুমি এসেছিলে
স্বপ্নে গেলে চলে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
চোখের তাঁরায় স্বপ্ন এঁকে
বৃষ্টি দিয়ে মন রাঙিয়ে
স্পর্শ দিয়ে ঘুম ভাঙিয়ে।
সেই যে চলে গেলে
আর কি কভু হবে দেখা
পথের ধারে কিংবা
নদী যেথায় আঁকা-বাঁকা
শ্যামল- সবুজ প্রান্তরে
রাতে যেথায় জোনাক জ্বলে
আঁচলের ফাঁকে নিবু নিবু
প্রদিপ হাতে ঠাঁয় দাড়িয়ে
স্বপ্ন দেখি একমনে তে
বীরের বেশে আসবে তুমি
দেশটাকে স্বাধীন করে।
লেখক বলেছেন: আরে মুয়ীয, লিখ নাই কেন?
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
কৌশিক তোমার আননের আমার কবিতাটা দিয়া দিতে হইব দেখি।এই রকম একটা উদ্যগ আগে নিছিলাম..১২ পৃষ্টা পর্যন্ত গিয়েছিল। বেস্ট অফ লাক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি লিখলেন না কেন। আরো লাইন বারতো।
রাঙ্গা ধুলোর মেঘ উড়িয়ে
আসবে কবে সোনার ছেলে
সকল বিষাদ পিছে ফেলে।
লেখক বলেছেন: আপনার ফুটো দারুণ। ফুটো জন্য আপনাকেও লওয়া হইলো।
চোখের তারায় সাঁঝবাতি গো
দৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন।
মুখের কথায় সুর লাগে গো
পোড়ায় সুখের ফাগুন
ফাগুন জাগে ফাগুন ঘুমায়
আগুন জ্বলে নেভে,
ফাগুন মাঝে বৈশাখি সুখ
রাতের তারায়, মেঘে।
মেঘ ভেসে যায়
মেঘ ছুঁয়ে পায়
বর্ষা রোদের ছায়া।
উষ্ণ শীতল
মিষ্টি কোমল
তোমার সকল মায়া।
সুখে থাকি
দুখে থাকি
তোমার আঁচল ধরে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
তোমায় মনে পড়ে।
স্বপ্নে তুমি এসেছিলে
স্বপ্নে গেলে চলে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
চোখের তাঁরায় স্বপ্ন এঁকে
বৃষ্টি দিয়ে মন রাঙিয়ে
স্পর্শ দিয়ে ঘুম ভাঙিয়ে।
সেই যে চলে গেলে
আর কি কভু হবে দেখা
পথের ধারে কিংবা
নদী যেথায় আঁকা-বাঁকা
শ্যামল- সবুজ প্রান্তরে
রাতে যেথায় জোনাক জ্বলে
আঁচলের ফাঁকে নিবু নিবু
প্রদিপ হাতে ঠাঁয় দাড়িয়ে
স্বপ্ন দেখি একমনে তে
বীরের বেশে আসবে তুমি
দেশটাকে স্বাধীন করে।
ঝাপসা চোখে আছি চেয়ে
রাঙ্গা ধুলোর মেঘ উড়িয়ে
আসবে কবে সোনার ছেলে
সকল বিষাদ পিছে ফেলে।
মাঠশালা বলেছেন:
চলুক......
লেখক বলেছেন: ধুর মিয়া, লিখতে দুইটা লাইন।
কৌশিক বলেছেন:
শরৎ জলদি দাও। সেটা তো মনে হয় লুংগিকাব্য ছিল!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা। পাঠিয়ে দিন না।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
তাপস দা এটাকে কয়েক বার রিপোস্ট মারেন নইলে সবার চোখে পড়বে না...
লেখক বলেছেন: উপায় বাতলানোর জন্য ধন্যবাদ।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
আমার কমেন্ট কেন মোছা হল?
লেখক বলেছেন: মুছি নাই ভাই। ক্যামনে জানি কি হইয়া গ্যাছে। আর আমি কখনোই কমেন্ট মুছি না।
দুর্লভ বলেছেন:
ঝাপসা চোখে আছি চেয়েরাঙ্গা ধুলোর মেঘ উড়িয়ে
আসবে কবে সোনার ছেলে
সকল বিষাদ পিছে ফেলে।
বুকে ছিল যার দুর্নিবার প্রত্যয়
চোখে ছিল যার জ্বলনত উনুনের আচ
হাতে ছিল যার দৃঢ়তার মুঠো
আনবে যে নতুন বিশ্ব।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
মজারু
অনার্য তাপস বলেছেন:
চোখের তারায় সাঁঝবাতি গোদৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন।
মুখের কথায় সুর লাগে গো
পোড়ায় সুখের ফাগুন
ফাগুন জাগে ফাগুন ঘুমায়
আগুন জ্বলে নেভে,
ফাগুন মাঝে বৈশাখি সুখ
রাতের তারায়, মেঘে।
মেঘ ভেসে যায়
মেঘ ছুঁয়ে পায়
বর্ষা রোদের ছায়া।
উষ্ণ শীতল
মিষ্টি কোমল
তোমার সকল মায়া।
সুখে থাকি
দুখে থাকি
তোমার আঁচল ধরে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
তোমায় মনে পড়ে।
স্বপ্নে তুমি এসেছিলে
স্বপ্নে গেলে চলে
নিঝুম রাতে
মুখর প্রাতে
চোখের তাঁরায় স্বপ্ন এঁকে
বৃষ্টি দিয়ে মন রাঙিয়ে
স্পর্শ দিয়ে ঘুম ভাঙিয়ে।
সেই যে চলে গেলে
আর কি কভু হবে দেখা
পথের ধারে কিংবা
নদী যেথায় আঁকা-বাঁকা
শ্যামল- সবুজ প্রান্তরে
রাতে যেথায় জোনাক জ্বলে
আঁচলের ফাঁকে নিবু নিবু
প্রদিপ হাতে ঠাঁয় দাড়িয়ে
স্বপ্ন দেখি একমনে তে
বীরের বেশে আসবে তুমি
দেশটাকে স্বাধীন করে।
ঝাপসা চোখে আছি চেয়ে
রাঙ্গা ধুলোর মেঘ উড়িয়ে
আসবে কবে সোনার ছেলে
সকল বিষাদ পিছে ফেলে।
ঝাপসা চোখে আছি চেয়ে
রাঙ্গা ধুলোর মেঘ উড়িয়ে
আসবে কবে সোনার ছেলে
সকল বিষাদ পিছে ফেলে।
বুকে ছিল যার দুর্নিবার প্রত্যয়
চোখে ছিল যার জ্বলনত উনুনের আচ
হাতে ছিল যার দৃঢ়তার মুঠো
আনবে যে নতুন বিশ্ব।



















দৃষ্টি মুখে আগুন
ভোগের পাড়ায় আজ রাতই তো
বৃষ্টি সুখে ফাগুন