ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা আগাইয়াছে। বড়ই মধুর! আমার যা আছিল তাই আছে। খাইদাই, ঘুমাই, ঘুরিফিরি-তয় ব্লগে বসি না ম্যালা দিন। ভালই কাটিচ্চিল দিন কাল। বৃষ্টি আর কদম ফুল দেখিয়া আমার আচানক মনে হইলো বুঝিবা বর্ষ আসিয়াছে। পেপার পত্রিকায়ও দেখিলাম-সত্যই বটে। ভাবিলাম, মারিয়ার খবর কী? বহু বহু কাল পূর্বে তাহার সাথে আমার শেষ কথোপোকথোন বিস্মৃত হই নাই। ভাবিলাম, এই বর্ষায় তাহার সাথে একটু জমাইবার চেষ্টা করিলে কেমন হয়। মুঠো ফোনে সেই চেষ্টা করা হইলো অবশেষে। কিঞ্চিৎ সফলতাও মিলিল। ন্যাকা করিয়া কইলাম, আম-কাঁঠাল সব গেল, নিমন্ত্রন তো দিলি নারে। সে কহিল, আমার বড় ভয়, তোকে নিমন্ত্রন দিলে তুই চলিয়া আসিবি। আমি মনের সমস্ত শক্তি একত্রে করিয়া চোখ-কান-নাক বুজিয়া কহিলাম, সে ভয় এখনো আছে। ভালো।
পৈতৃক বাড়ি গিয়া ছিলাম কিছু কাল পূর্বে। দেখিলাম আমার জ্যাঠাতো বৌদি প্রসবিনী হইয়াছে। আমাকে দেখিয়া লজ্জিত হইয়া বলিল, কখন আসিলি। আমি আড় চোখে তাকাইয়া বলিলাম, এইতো। এইবার বৌদি বলিল, শোন...আঁচল হইতে দশটাকার নোট বাহির করিয়া হাতে দিয়া বলিল...একটা সুই আনিয়া দেতো।
আমি অবাক হইয়া বলিলাম, সুই!
হ্যাঁ সুই, সোনামুখী সুই।
ছোটবেলায়...আমার দ্বিতীয় বোনের জন্মের সময় মায়ের কাছে দেখিয়াছিলাম বটে সোনামুখী সুই। সোনালী রঙের ছোট্ট সুই। বলিলাম, এখন তো পাওয়া যায় না বুঝি। বলিল, যাইতে পারে।
মারিয়া, আমি সোনামুখী সুই কিনিয়া আনিয়া দিয়াছিলাম। আর একটা কিনিতে চাই...নিজের জন্য...আর...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



