ইউরোপীয়ান
১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:০৭
ইউরোপীয়ানদের নিয়ে কেন জানি ছোটবেলায় খুব উদ্ভট ধারণা ছিলো, ওদেরকে ভিন গ্রহের মানুষ মনে হতো। আস্তে আস্তে টের পাচ্ছি ওরা মানুষই বটে। আর ওদের মধ্যে আমাদের মতোই ভালো, খারাপ, নাক-উঁচু-বিনয়ী-বেয়াদব স....ব আছে। ওইদিন রাস্তা হারিয়ে ঘন্টা তিনেক হাঁটবার পরে এক নরওয়েজিয়ান ভদ্রমহিলা আমাকে রাস্তা চিনিয়ে দিলেন আর গাল টিপে আদরও করে দিলেন (বাচ্চা ভেবেছেন নাকি কে জানে?) আমাদের অফিসে পর্তুগীজ একটা ছেলে আছে, সারাদিন ক্রমাগত বকবক করতে থাকে... কিছু জিজ্ঞাসা করলেই হাসিমুখে জবাব দেয় আর মাথা নেড়ে বলতে থাকে..."ইট'স রিয়েলি কুল"... কোনটারে যে কুল বলে কে জানে, আমার প্রশ্ন না ওর জবাব? আরো মজার হলো... প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলেই আমারে উল্টা থ্যাংকু দেয় আর বলে ওই প্রশ্ন করে আমি নাকি ব্যাপক উপকার করছি। যাই হোক ওর কাজ-কারবার খুব মজার।
আজকে সোনিয়া নামের একটা মেয়ের সাথে ব্যাপক আলাপ হলো... মেয়েটা আমাদের নরওয়ের অফিসের একটা কলিগের বোন। বেশ কিউট দেখতে দুই বোনই... হড়বড় করে রাজ্যের কথা বলে ফেললো। খুব মজা লাগলো.... বিশাল লম্বা বাসের রাস্তা ঠুস করে পার হয়ে গেলো কেমনে জানি। কতো কি যে আলাপ হলো... ওদের দেশের কথা, আমাদের দেশের কথা, ক্যারিয়ার, পড়াশুনা, ওয়েদার, গ্লোবাল ওয়ার্মিং.... ইত্যাদি ইত্যাদি.... । আর মেয়েটা একেবারেই স্নব ছিলোনা... এক্কেরে সাদামাটা... ভিওলেটার মতোই... কেন জানি নরওয়েজিয়ানদের প্রতি একটু চাপা ক্ষোভ ছিলো... নরওয়েজিয়ানরা কি নিজেদেরকে একটু বেশি আর্য মনে করে? কে জানে? আদুন,এরিক রেইসু বা আমাদের পের ম্যাগনাস এর সাথে কথা বলে অবশ্য ঠিক বোঝা যায়না। যাউকগা... যে যেমনই হোক তাতে আমার কি... ইউরোপীয়ানরা অ্যালিয়েন গোত্রীয় হোক বা না হোক আমার কিছু যায়-আসে না।
লেখক বলেছেন: রাইত বাজে একটা, এখনও অফিসে আমি আর মইন্যা... সারারাত কামলা দিমু... ভ্রমণ করলে না তার কাহিনী আইবো... কাইলকা কই জানি নিয়া যাইবো... যদি ভালো লাগে লিখুম নে।
নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন:
আপনি কি নরওয়েতে আছেন?
লেখক বলেছেন: হুমম...
লেখক বলেছেন: বিস্কুট? কার বিস্কুট... আমি আর মইন্যা মিইল্যা তো এট্টু আগে অফিস কিচিনের যাবতীয় বিস্কুট খাইয়া ফেলছি... আর নিজের চেহারা তো রোজই দেখি আয়নায়।
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
কাইলকা যেন ভ্রমনকাহিনী পাই
জানা বলেছেন:
পোলাপাইন, সব দ্যাখতাসি কইলাম
আইজ তারা তোমগো কৈ বেরাইতে নিবো? খিয়াল কৈরা ফটুক উঠায়্যা রাইখো কৈলাম। আমিও আসতাসি। জব্বর ফুত্তি অইবো কি কও?
লেখক বলেছেন: হি হি হি... কাম করতে করতে বিরক্ত হইয়াই আমরা ডিসিশান নিছিলাম ওদের কাম যখন করাই লাগতেছে, ওদের বিস্কুটে আমাদের এন্তার অধিকার.....
ফ্রুটুস অফিসে যতোক্ষণ থাকে ততোক্ষণ খাই, কিন্তু ওইটা এট্টু তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়। হুমম...আজকেই বেড়াইতে নিয়ে যাবার কথা। আর এক ঘন্টা.... তারপরে ছুট্টি....
ভাল দিক মন্দ দিক দুটোই বর্ণনা করলে ভাল হয়। জেনালেল ওয়েতে না একটু স্পেসিফিক।
যেমন - ষ্টকহোমে গিয়ে আমার মনে হয়েছিল এরা খূবই ভাল, কিন্তু একটু রেসিষ্ট। তবে রেসিষ্ট হলেও আবার যৃদ্ধংদেহী না। রাশ আওয়ারে বাসে বা ট্রেনে উঠলে অনেক সময়ই দেখতাম লোকজন দাড়িয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আমার পাশে বা সামনের খালি সিটে বসছে না। আবার এমন ঘটনাও ঘটেছে বাস বা ট্রেনে কামরা ধরতে গেলে পূরাই খালি, কেউ একজন এসে পাশে বসে সবিনয়ে আমার সম্পর্কে আমার দেশ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: আমার যা যা চোখে পড়েছে তাই বললাম...
নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন:
আপনার ভ্রমন কাহিনী পড়ার সুযোগ হলো না। সম্ভবত ডিলিট করে ফেলেছেন। অন্তত আমি মাত্র দুটো পোস্ট ছাড়া আর কোন পোস্ট দেখতে পাচ্ছি না। পরবর্তিতে পোস্ট করলে পড়ার ইচ্ছে রইলো।



















ভ্রমন কাহিনি কই?