somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই লোকটার নাকি ৩৯ টি বউ, ৯৪ টি সন্তান

০৩ রা মার্চ, ২০১১ রাত ১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জিওনা চানা নামের একটি লোকের ৩৯ স্ত্রী, ৯৪ সন্তান এবং ৩৩ জন নাতি-নাতনি। ১০০ কক্ষবিশিষ্ট চারতলা ভবনে তাঁদের সবার বসবাস। এটাই নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরিবার। ভারতের মিজোরামের বাকতওয়াং গ্রাম তাঁদের ঠিকানা।কানাডা থেকে প্রকাশিত একটি অনলাইন বাংলা সাপ্তাহিক এই খবরটি প্রকাশ করেছে।
ডেইলি মেইলকে সূত্র হিসেবে উল্লেখ করে পত্রিকাটি লিখেছে- জিওনা চানা বলেছেন, ‘নিজেকে ঈশ্বরের বিশেষ পুত্র বলে মনে হয়। তিনি অনেককে দেখাশোনার সুযোগ দিয়েছেন আমাকে। ৩৯ জন নারীর স্বামী হতে পেরে এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরিবারের কর্তা হওয়ায় নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে হয়।’
এত বড় হলেও চানার পরিবার সুশৃঙ্খল একটি বাহিনীর মতো পরিচালিত হচ্ছে। চানার প্রথম স্ত্রী জাথিয়াঙ্গির নির্দেশমতোই চলে বিশাল এ পরিবার। বাড়িঘর ধোয়া-মোছা, পোশাক-আশাক পরিষ্কার ও রান্নাবান্না করা—সবকিছুই ভাগ করে দেওয়া আছে। নিয়ম অনুযায়ী সবাই প্রতিদিনের কাজ শেষ করেন। ছোটখাটো একটা গ্রামের মতো হলেও বিশালাকায় এ পরিবারে কোনো ঝুট-ঝামেলা নেই।
প্রায় পৌনে ২০০ সদস্যের পরিবারটিতে খাবারের আয়োজনও রীতিমতো মহাযজ্ঞের মতো। রাতে খেতে বসলে ৩০টি মুরগির কমে তাঁদের হয় না। আলু লাগে অন্তত ১৩২ পাউন্ড। ২২০ পাউন্ড চালের এদিক-ওদিক হলেই হিসাবে লেগে যায় গন্ডগোল।
এক বছরে ১০টি বিয়ে করার রেকর্ডও আছে জিওনা চানার। বহু স্ত্রী থাকলেও তিনি কখনোই একই সময় একাধিক স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটান না। তবে সবচেয়ে ছোট স্ত্রীকে নিজের শোয়ার ঘরের কাছেই থাকার ব্যবস্থা করেছেন। তবে পর্যায়ক্রমে তিনি সব স্ত্রীর সঙ্গেই সময় কাটান।
রিঙ্কমিনি নামে চানার এক স্ত্রী বলেছেন, ‘গ্রামে আমাদের স্বামীই হচ্ছেন সবচেয়ে সুদর্শন ব্যক্তি। আমাদের পরিবারে তিনিই হচ্ছেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এ জন্য সব সময়ই আমরা তাঁর পাশে থাকার চেষ্টা করি।’ চানার সঙ্গে বিয়ের গল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১৮ বছর আগের কথা। একদিন প্রাতর্ভ্রমণের সময় চানা আমাকে দেখতে পান। পরে বাড়িতে গিয়ে আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।’
চানা যে ধর্মমতাবলম্বী সেই ধর্মের অনুসারীদের সংখ্যা মাত্র ৪০০ জন। এ জন্য তিনি এখনো নতুন বৌয়ের সন্ধানে আছেন। এ প্রসঙ্গে চানা বলেন, ‘ধর্মের প্রসার ঘটাতে বিয়ের জন্য প্রয়োজনে আমি সুদূর আমেরিকা পর্যন্ত যেতে রাজি।
এইবার আপনি বলেন, এই লোকটি কোন প্রডাক্টের মডেল হিসেবে যুতসই?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১১ রাত ১:৫৯
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×