somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারীদের সাথে সাঈদীর ফোনালা যারা শুনতে পাননি তাদের পড়ার জন্য দিলাম। (কথপোকথন শুধুমাত্র পূর্ণবয়স্কদের জন্য)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইসলামী তাফসির মাহফিলের জন্য বিশ্বজুড়ে খ্যাত দেলেওয়ার হোসেন সাঈদীর সাথে তার স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজনের নারীর সাথে কথোপকথনের অডিও নিয়ে সমালোচনা চলছে। অনেকে এটা ডাউনলোড করতে পারেননি। এসব অডিওর মধ্যে দেলওয়ার হোসেন সাঈদীকে দাদু হিসেবে সম্বোধনকারী নারীর সাথে সাঈদীর কথপোকথন নিচে দেয়া হলো-



নারীকণ্ঠ : হ্যলো। স্লামুলাইকুম।
সাঈদী : ওয়ালাইকুম সালাম, খাওয়া দাওয়া হইছে।
নারীকণ্ঠ :না, খাই নাই।
সাঈদী : এখনো খাও নাও।
নারীকণ্ঠ : আপনি আসবেন বলছেন যে।
সাঈদী : ওহ, কি রান্না করছো।
নারীকণ্ঠ : হুম
সাঈদী : কি রান্না করছো।
নারীকণ্ঠ : লইট্টা ফিশ।
সাঈদী : কি
নারীকণ্ঠ : লইট্টা ফিশ।
সাঈদী : লইট্টা ফিশ, খুব ভালা।
নারীকণ্ঠ : দাদু।
সাঈদী : হুম, বলো।
নারীকণ্ঠ : কাজ শেষ করছেন।
সাঈদী : হুম করছি। তবে কেউ আসলে আমি হঠাত করেই বন্ধ করে দিব।
নারীকণ্ঠ : কেন?
সাঈদী : কেউ আসলে। এখন আমি একা আছি বলো।
নারীকণ্ঠ : তাই
সাঈদী : নামাজ পড়ছো এশা, এশা পড়ছো।
নারীকণ্ঠ : না পড়ি নাই।
সাঈদী : এরে আল্লাহ, এখনো এশার পড় নাই। কাপড় নষ্ট হয়ে যাবে তো।
নারীকণ্ঠ : হুম
সাঈদী : এখনো এশার পড়ো নাই তো, কাপড় নষ্ট হয়ে যাবে।
নারীকণ্ঠ : এতোক্ষন এশার নামাজ না পড়ে থাকে
সাঈদী : হ্যাঁ, তাই বলো।
নারীকণ্ঠ : এখানে যদি নামাজের সময় নামাজটা না পড়ি, এখন আর কোন কাজ হবে।
সাঈদী : তা তো ঠিকই।
নারীকণ্ঠ :হ্যালো
সাঈদী : হ্যালো।
নারীকণ্ঠ : দাদু
সাঈদী : শুনতাছি
নারীকণ্ঠ : শুনতাছেন।
সাঈদী : শুনতেছ তো
নারীকণ্ঠ : বারবার একই জবাব দিচ্ছেন। একেকবার একেক রকম দিতে পারেন না।
সাঈদী : সোনা পাখি,
নারীকণ্ঠ : জি
সাঈদী : ময়না টিয়া পাখি। কি করতাছো এখন।
নারীকণ্ঠ : কি করতাছি মানে, আজকে আমার নানুর বাসায় গেছি।
নারীকণ্ঠ : আমার নানুর বাসায় একটা পেপারে আপনার ছবি আছে।
সাঈদী : আচ্ছা।
নারীকণ্ঠ : ঐ ছবিটা আনতে গেছি।
সাঈদী : কি রকম ছবি ঐটা
নারীকণ্ঠ : আপনার হাফ ছবি।
সাঈদী : আচ্ছা, কবের কথা
নারীকণ্ঠ : ২০০৬, তারিখটা তো দেখি নাই। কালকে দেখে আনবে।
সাঈদী : এটা কি পত্রিকা।
নারীকণ্ঠ : তাও দেখি নাই। পেপারটা দেওয়ালে দিছে তো ঐখানে। ঐখান থেকে ছিড়ে নিয়ে আসছি।
নারীকণ্ঠ : দাদু।
সাঈদী : ময়না পাখি
নারীকণ্ঠ : জ্বি।
সাঈদী : সোনা পাখি, ডানা কাটা পরী।
নারীকণ্ঠ : আজকে আপনার ছবি পেয়ে গেছি। জি
সাঈদী : সোনার হরিণ
নারীকণ্ঠ : জি
সাঈদী : উড়ে আয়, উড়ে আসবি।
নারীকণ্ঠ : হুম
সাঈদী : উড়ে আয়
নারীকণ্ঠ : আপনি তো আমাকে.....যাচ্ছি না তো। ঐখানে ভাগাভাগিতো
সাঈদী : আলাদা রুমে নিয়ে নিব।
নারীকণ্ঠ : আলাদা রুমে তো নিবেন। তা আপনি যদি আমার কাছে আসেন, আরেকদিন আরেকজনের কাছে যেতে হবে।
সাঈদী : এখন কোথায় কি করতাছো তুমি।
নারীকণ্ঠ : আমি বাইরে দাড়িয়ে দাড়িয়ে আপনার সাথে কথা বলতাছি।
সাঈদী : ওহ, ঘরে টেবিল আছে না।
নারীকণ্ঠ : হ্যাঁ, আছে তো।
সাঈদী : ঘরের দরজা বন্ধ করে টেবিলের উপর শুয়ে পড়ো।
নারীকণ্ঠ : টেবিলের উপর কেন?
সাঈদী : টেবিলের উপর পা ঝুলায় দিয়ে তার পরে শুয়ে পড়ো। .........আরেক স্টাইল।
নারীকণ্ঠ : আরেক স্টাইল, তারপর আচ্ছা।
সাঈদী : টেবিলের উপর শুয়ে পা দুইটা ঝুলিয়ে রাইখা।
নারীকণ্ঠ : তারপর,
সাঈদী : তারপর, দুই পার মাঝখানো দাড়ানো।
নারীকণ্ঠ : দুই পায়ের মাঝখানে আপনি দাড়াবেন।
সাঈদী : দাড়িয়ে মেশিন চলবে।
নারীকণ্ঠ : মেশিন চলবে। হুম, ও তাই।
নারীকণ্ঠ : আপনি যে আমাকে বেশিক্ষন সময় দেন না।
সাঈদী : হাত দুটো থাকবে বুকের উপরে। আর পা দুটো ফাক করা থাকবে টেবিলের শোয়া।
নারীকণ্ঠ : আপনি দাড়িয়ে দাড়িয়ে
সাঈদী : হুম।
নারীকণ্ঠ : কোমর ওতো লম্বা, লম্বা হবে কোমর।
সাঈদী : হুম চলবে।
নারীকণ্ঠ : মনে হয় প্র্যাকটিক্যালি।
সাঈদী : হুম, আমি তো ছয় ফিট লম্বা।
নারীকণ্ঠ : তাই।
সাঈদী : হুম
নারীকণ্ঠ : আপনি যখন লম্ব আপনার জিনিসটাও লম্বা হবে।তাই না,
সাঈদী : ঐটা লম্বা আছে, সাড়ে সাত ইঞ্চি।
নারীকণ্ঠ : তাহলে তো কম না।
সাঈদী : আর মোটা আছে ওয়ান এন্ড হাফ।
নারীকণ্ঠ : তাই, ওহ এজন্য তো আমার দাদা বেশি সন্তুষ্ট করতে পারে।
সাঈদী : একটু পান খেয়ে নিই। আপনার সাথে পড়ে কথা বলি হ্যা।
নারীকণ্ঠ : কেন? পান খেতে চান
.........................
সাঈদী : হ্যালো
সাঈদী : একটু পান খেয়ে নিলাম।
নারীকণ্ঠ : পান খাচ্ছেন?
সাঈদী : হুম
নারীকণ্ঠ : এতো কম সময়ে? (হেসে হেসে)
সাঈদী : হুম
নারীকণ্ঠ : পান আনলো কে?
সাঈদী : একটা ছেলে কাজ করে সেই
সাঈদী : তুমি খাইবা, পান খাইবা
নারীকণ্ঠ : আপনি খাবেন পান, চাবানো শেষ হবে না, যখন একদম গুড়ি ছোট ছোট হয়ে যাবে পান আর সুপারি, তখন খাওয়াই দিবেন।
সাঈদী : ঠিক আছে, একদিকে পান চলবে আর একদিকে কাজ চলবে।
নারীকণ্ঠ : হুমমম, আর একদিকে কাজ চলবে.....। যাতে চাবাইয়া খেতে না হয়। একেবারে খেয়ে ফেলতে পারি মতোন।
সাঈদী : হুম
নারীকণ্ঠ : দাদু
সাঈদী : হুম, বল। মজা লাগতাছে
নারীকণ্ঠ : বেশি।
সাঈদী : শব্দ হচ্ছে।
নারীকণ্ঠ : হ্যাঁ।
নারীকণ্ঠ : দাদু
সাঈদী : হুম, বল।আজকে তোমার ঘুম ভালো হবে।
নারীকণ্ঠ : আমার। কেন?
সাঈদী : এ্যাঁ, ঐ যে টেবিলে নতুন করে একটা নতুন ডিজাইন এনে দিলাম তো।
নারীকণ্ঠ : ওহ....
সাঈদী : ঘুম ভালো হবে। কান্ত হয়ে পড়বা। ঘুম হবে ভালো।
নারীকণ্ঠ : হুম, ক্লান্ত হয়ে পড়লে কান্ত হবে আপনি। ক্লান্ত আমি না। .................................
সাঈদী : আচ্ছা।
নারীকণ্ঠ : দাদু, দুজনেই কি ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
সাঈদী : কি দুজন।
নারীকণ্ঠ : উভয়েই কি কান্ত হয়ে পড়ে নাকি।
সাঈদী : হুম। শেষ দিকে।
নারীকণ্ঠ : শেষ দিকে।
নারীকণ্ঠ : দাদু।
সাঈদী : পিঠ গলা ঘেমে যায়।
নারীকণ্ঠ : তাই
নারীকণ্ঠ : .....................................................
সাঈদী : তখন আঁচল দিয়ে মুছাই দিবা।
নারীকণ্ঠ : জি হ্যাঁ, আচল দিয়ে মুছাই দিব।
নারীকণ্ঠ : দাদু
সাঈদী : হুম
নারীকণ্ঠ : আই লাভ ইউ
সাঈদী : আই অলসো আই লাভ ইউ (হেসে হেসে ), আই মিস ইউ।
নারীকণ্ঠ : আই ফিল ইউ। দাদু
সাঈদী : হুম
নারীকণ্ঠ : আপনি আসবেন না।
সাঈদী : আসবো, আসবো।
নারীকণ্ঠ : কখন।
সাঈদী : গভীর রাতে।
নারীকণ্ঠ : গভীর রাতে
সাঈদী : চোখ বুজলে পাশে
নারীকণ্ঠ : গভীর রাতে আসলে, রাত কম হচ্ছে না। কম সময় পাবো।
সাঈদী : আরো গভীর।
নারীকণ্ঠ : না, যদি তাড়াতাড়ি আসেন বেশি সময় পাবো। আপনি গভীর রাত করে আসবেন তো, আবার রাত শেষ না হতেই চলে যাবেন।
সাঈদী : ...................................
নারীকণ্ঠ : হুম
সাঈদী : ঐটা।
নারীকণ্ঠ : তারপর
সাঈদী : দু হাত দিয়ে মুঠো করে ধরবা।
নারীকণ্ঠ : ধরে কি করবো। তারপর
সাঈদী : .............................................
নারীকণ্ঠ : ...........................................



রুমে কেউ ঢুকার শব্দ


সাঈদী : আব্বু কই, আব্বু ..আসো,,, হুম,,,,.হ্যালো
নারীকণ্ঠ : হ্যালো, চলে গেছে এটা কে?
সাঈদী : একজন একজন করে আসবে এখন?
নারীকণ্ঠ : নাতনী।
সাঈদী : ...................................................
নারীকণ্ঠ : মনে রাখিও কেমন।
নারীকণ্ঠ : হুম ঠিক আছে।
সাঈদী : আচ্ছা।


- গত ১৪ ডিসেম্বর আমেরিকা থেকেই ইউটিউবে বাংলা লিক্স ইউজার আইডিতেই সর্বপ্রথম এই ভিডিওটি আপলোড করা হয়। এই সিরিজের ১১টি পার্ট থাকলেও পর্ব ৪ ও ৫ ইউটিউবে আপলোড করা হয়নি। কেন আপলোড করা হয়নি তা এখনো জানা যায়নি।

স্ত্রীর সঙ্গে সাঈদীর ফোনালাপ ( যারা শুনতে পারেন নাই, তাদের পড়ার জন্য দিলাম)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:০৪
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×