০০১

১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩০

শেয়ারঃ
0 0 0

কৈবর্তর কি দুষ, সেত শুধু ধরে
নিকিরিও বেচেদেয় বাজারে।

রক্তে যে নাচন ছিল
কৈবর্ত ট্রলারেই সেত মিঠেগেল ।
আত্নার অনুভূতি ? সেত গিয়ে সাহেবের কিচেনে-
কাচাঁমরিছের ঝালে আর
টেবিল চামচে দেয়া মসলায়, গণগণে গ্যাসের আগুনো।
সেখানেই সমাধির শেষ নয়-----------

ধন্যবাদ নাজনিন আপা। ভাল আছেনত ?

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

কত কাল কত অবহেলা
কত কত ব্যথা বোকে , মনে কত জ্বালা।
কত বন ফুল মোরা,
কত ঝর বয়ে যায় মাথার উপর-
কত বয়ে যায় খরা।

কত সারা দিন' আমায়-
কত মৌমাছি এসে ছুয়ে ছূয়ে যায়
কত গুন গুন ,
কত হাও য়া দেয় দোল
কত পাখি গায় গান,
কত গুঞ্জন আর
কত জুনাকি ভাঙ্গে রাতের আধার।

আমার পরিনতি তবু
ঝরে ঝরে হই কাবু
আমার হয়না স্থান
সভাসদ টেবিলে ফুলদানি মাঝে কভু।

বোকে টিক টিক করে ভয়
স্রষ্টাই দিল আমার কপাল খরা
আমার পরিনতি অবশেষে
ঝরে ঝরে হায় পড়া।




 

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
প্রথম বাংলা বলেছেন: তালপাতার সেপাই একটা প্রসংগ ধরিয়ে দিল
পে পথ ধরেই বলার সুযোগ সেপাই করে দিল
বলছি কথা নর্তকীদের, বলছি গীতের তাদের
তাদের নৃত্য যেন- নাচন কুঁদন, স্বর বিষাক্ত তাদের
আমরা জানি তাঁদের নাচন!
এর মাঝেই দেশের মরণ!!
কিন্তু মোদের নীতির দূরণ
তাঁদরে দিল পুষ্পাবরণ,
তাঁদের' বট বৃক্ষ করে, দল বেঁধেছি সকল চুরে
তাঁড়া বাছলে চুর বাছিবে, নইলে হবে চুরের মরণ।
ঘরে ঘরে কৃষক মরে, সারের তরে, পানির তরে,
তাইত পরে গরিব মরে- "ধানের দরে, চালের দরে"।
সংসারে তার ফাটল ধরে, ফৌজধারীতে জেলের ঘরে।


আপাও জেলে চাচিও জেলে, ছিলেন সুখেই রাজ মহলে।
ভাইয়াদেরে এসেষ্ট করে, আইন পড়িল যাতা কলে।

হাই অপমান! নাইরে সমান, সবার বেলা আইন।
সন্ত্রাসীতে পাবেই সাজা শুভ্রত বাইন

আইন টা বড়ই কঠিন
শোধ করিতে পারেনাসে প্রনেতাদের ঋণ।

আমরা সবি বুঝি
খাচার মাঝেই তবু মোরা সুখ পাখিটা খুঁজি।
মোরাই তাদের নাচাই,
রুচিবোধের অভাব মোদের
তালেল নাচ না চাই।
দুই মায়াকে পূঁজি করে,
দূর নীতির এক আখরা গড়ে
মোদের তরে, দুই জনেরে বাচাই।

২. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৯
প্রথম বাংলা বলেছেন: বয়েচলে সময়
সমতল তাঁর গতি
কে রয়েছে সাথে, কে পিচনে পড়েরয়-
সময় নির্বিকার আমাদের প্রতি।

সময়রে সাথে সাথে বয়ে চলে
আমাদে কত প্রবাহ,
কত রং কত ঢং কত সহ-
কত আবহ, আর কত দূর্বিসহ
গতিময়।

সময়ের সাথে বদলায় কত শত
শুধু এক'ই থাকি আমি
আর যে যে আমাদের মত,
শুধু শুধু নাচি' গাই- অবিরত।

চোরে চোরে কত গলাগলি, কত গলাবাজী
আমাদের বড়ঘরে, কত নীতি হয় পাস
কত সাধু হয় বলি- পড়ে সে নীতির ফাঁস।
এরপড় ও আছে, মিথ্যে কথার অনাবিল আশ্বাস।

জঞ্জালে ভরা আমাদের চারপাশ
আমাদের সংসার, আমাদের রাজনীতি পরিবার।
আমাদের বিশ্বাস, ভেঙ্গে পড়ে বার বার।
স্বপ্নসোনাবঙ্গ প্রতি- আমাদের রাজনীতি যেন খাদের আধাঁর।

না' সাবাস বাংলাদেশ
কাঁপেনাত আর পদ্মার উচ্ছাসে
হিমালয় থেকে সুন্দরবন---
বহেনা সে আর কল্যানের আশ্বসে

এখন সে কাঁপন লেগেছে অন্যখানে
প্রাণে প্রাণে নয় লেগেছে অকল্যানে।

ঢিলে ঢালা নির্বোধ রাজনীত- বাজনীতি
কাঁপন দিয়েছে আমাদের পাঠশালে।
ঘোষিল সে শিক্ষার ১২ টা,
চিরগোলামির জীন বেঁধে দিল আমাদের ভালে।

এখন বদলের দিন তাই-
তাই কবিতাও পাল্টে যায়।
"সাবাস ছাত্রলীগ কেঁপেকেঁপে উঠে উলঙ্গ উচ্ছাসে"
ডিজিটাল স্বপ্ন শেষতক জানি কেমনে মোদের গ্রাসে।



৩. ২৫ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১
প্রথম বাংলা বলেছেন: কারার ঐ লৌহ কপাট-
ভেঙ্গে ফেল, করলে লোপাট
রক্ত জামাট শিকল পূঁজোর পাষান বেধী।

নজরুল ডেকেছিল আমাদের
গত হয়ে যায় কত কাল
আমি আর আমাদের ভাঙ্গেনা খেয়াল
সাড়া আজও পাড়িনাই দিতে সে ডাকের

নাতিশীতুষ্ণ

৪. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:০৩
প্রথম বাংলা বলেছেন: বোঝতে পারিনি মানে শিকল পূঁজার
জড়ায়ে রয়েছে মো'গে আজো বেধি তাঁর
জং ধরা লৌহের কপাট চেতনায়
জরায়ে রয়েছে দেখি আজো আমাদের।

আমাদের মুখে মুখে মুক্তির গান
মুখে মুখে জানি' মানি' আমরা স্বাধীন,
এটা শুধু গোলামির পরিনতি,
বোঝিনাই অন্তরে গোলামির জিন
আজো করছি ধারণ।

এলিটের পদানত আজো তুমি, আমি-
কজন মজুতদারে করছি গুলামি,
কত স্বাধীনতাকামী বিদ্রোহী বির-
বুদ্ধির জাতাকলে পড়ে হয় সন্ত্রাস নামি।

আজো আমাদের ভাংলনা ধ্যান
আমাদের চিত্ত
শক্তি পুজায় মত্তযে কেন।
০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: আমরা কেবলি জনতা,
আমরাও মানুষ, শুধু জনগন ভাবা
আমাদের দিনতা।

জাগো জাগো হে মানুষ
এখনো রয়েছে সময়।
আমাদের দিন আমাদেরি হবে
করতে সুখন ময়।

৫. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫২
প্রথম বাংলা বলেছেন: ধুঁয়ার কুন্ডলি দেখ উড়ে উড়ে যা য়
রাখালেরা দিযেছে আগুন' কুচরি পানা য়,
এর মাঝে আলু আছে নিশ্চ য়,
কৃষকের ক্ষেত থেকে চুরি করা সঞ্চ য়।

আমারোত মনে পড়ে যা য়
শৈশবে এমনিত কাটিয়ে সম য়।

শিকারী বালক দেখ, হাতে ছাদিয়া ল
দৃষ্টিতে উড়ে যাওয়া বলাকার পা ল,
মেটো পথ ধরে দেখ মুষেদের দ ল
মহিষের পিঠে দুটো দুষ্ট রাখা ল।

আমারত ছিল সেই এমনি বিকে ল
এক দল ছেলে মেয়ে আর কত খে ল।

উত্তরসূরি দেখ অপু দুর্গা র
খালের স্রোতের মুখে কাঁটছে সাঁতা র।
দুষ্ট বালিকা দেখ- যেন সে বাঁদ র,
ঝুলে ঝুলে পাড়াপাড় খালের সাঁকু র।

আমারত আছে সে দিনে র
সেদিনের সৃতিগুলি কতনা সুখে র।

এখন সে দিনগুরি শুধুই সৃতি
এখনের জীবনটা খালি পণোতি।
মিছে জীবনের গতি অস্থরাগের প্রতি,
হতাসায় ছেয়ে দেখা সময়ের গতি।

জল হযে ঝরে গালে চোখের যূতি
হাস শিশু! তুমারেও কাঁদাবে সৃতি!

যৌবন পেরোলেই বন্দি জীবন
এখানেই হবে তোর প্রথম মরণ,
মধ্য জবিনে তোর দেখবি স্বপন-
মহাকার চুপি চুপি করেছে হরণ।

বয়সটা বাড়বেনা, কমবে তখন
ভেতরে বাজবে তোর চাঁপা ক্রন্দন।

শুনবে দূরের থেকে কেযেন ডাকে
আর আটকাবে পদজোড়া চক্রবাকে।
আর সড়া দেবে? সে সাহস থাকবেনা বুকে-
সৃতির রোমন্তন নিঃসার হযে খুঁজিবে যে কাকে।
৬. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাহ সবগুলোই তো দারুন! নিজের পোস্টে নিজের কমেন্ট!
০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন:
এখানে আমি ড্রাফট করি।

গোপনে এসে আমার পোষ্টে ঘুরে যাবার জন্য ধন্যবাদ।

০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনিকি বিদেশে থকেন?

৮. ০৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: "সাবাস ছাত্রলীগ কেঁপেকেঁপে উঠে উলঙ্গ উচ্ছাসে"
ডিজিটাল স্বপ্ন শেষতক জানি কেমনে মোদের গ্রাসে।


অসাধারন.....আমার সত্যি কিছু বলার নেই আপনাকে। দুজনকে এখন মনে হচ্ছে কবিতা ছন্দের বরপূত্র এই ব্লগে। একজন আপনি আরেকজন হারুন আল নাসিফ।

চালিয়ে যান, আর কেউ না হোক তীর্থের কাকের মতো বসে থাকবো আপনাদের জন্য!
৯. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
প্রথম বাংলা বলেছেন: কত রাত করি খেলা
কত যোগেলের তিলে তিলে নিঃশেষ থেকে
আজি বসিছে প্রাণের মেলা
পৃথীবির বুকে।
পুষ্পের কানে ভ্রমরের গুঞ্জন
চুপি চুপি কথোপকথন,
"এস সখি মোরা যোগলে বধিয়া মন
জাগাইব নব প্রাণ" ।
আমারেদ করি নিঃশেষ বলিদান।
এ প্রাণের ও হবে নিশ্চয়-
এ পথেই তিলে তিলে ক্ষয়।
তাঁর পরও চীরায়ত এ কথা-
আমাদের নিঃশেষ ক্ষয় নিশ্চুপ নিবরতা
তাঁরি মাঝে লিন চিরদিন সফলতা।

১০. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৮
প্রথম বাংলা বলেছেন: তুমি জান-
রাতের আকালশ তারা আছে কত!
কত নক্ষত্র - ছড়ায়ে ছিটায়ে আছে কত
আরো আছে কত কিছু
বিরাজমান ?

আমি জানি
রাতের কোন আকাশ নেই,
পৃথীবির এইপাশে আধার এখন,
ঐ পাশ ভরা আছে আলোই আলোই।
আলো আর কাল নিয়ে আমরা বরং-
তারার আকাশে ধাবমান।

তারার আকাশ বিরাজে
মহাকাশ মাঝে,
মহাকাশ লয়ে লয়ে মহা বিশ্ব
মহাকালে ধাবমান সীমানার খুঁজে।

মহাকাল বহুরূপি
তুমি তারে যেবাবেই ভাব
সে আছে আপন মাঝে ছুপি,

১১. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:০৪
প্রথম বাংলা বলেছেন: মধুমিতা
তুমি দিয়ে ছিলে মোরে
পিতার পড়ে' নারীর মনের ঘরে
যে পুরুষ করে বিচরণ,
তাহার শিংহাসন।

আমি সেথা বসেছিনু শুধু
তোমার দেহ দেশ করিনি শাসন
আমি বুঝিনাই, তোমার অধর বানী
তোমার আশার ছহনী,
তখনোযে মোর মনে শাসক বাঁধেনি আসন।

তুমি দিলে সাজা সেই অপরাধে
আমি ছিনু রাজা,
পথমাঝে এনু পদেপদে।

তুমি ছোটে গেলে পথ মাঝখানে
নতুন শাসকের সন্ধানে
কত ধরি কত ছাড়ি, অবশেষে একজন
যারে তুমি করেদিলে দান
হৃদয় সিংহাসন।
সে তোমারে দিয়েছেকি সুখ
কলঙ্ক আছে হেথা তবু
দেখা নাহিযায়, চেয়ে দেখি সুর্য্যের মুখ।

আমারে যা দিতেছিলে তুমি
সেই স্বপ্নের দেশ
আজ ধূসর মরু ভুমি।

তোমার সেই লাজ মাখা হাসি
আলোর ঝিলিক হয়ে মহাকাশে ভাসি
অতিত হয়েছে সেই নক্ষত্র মাঝে।
তুবও মনের গতি,
আলো থেকে বেশি তার দ্যূতি-
ভুলেগিয়েও মাঝে মাঝে তোমার খুজে,
নক্ষত্র লোকে উড়ে উড়ে যায়
নাদিতে পাড়া সেই চুম্বন সৃতি
স্বরনীকাপটে ধরাদেয়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৩৩১৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এর পর পথ হবে শেষ
পথ শেষে সস্যের ক্ষেত,
কোন কৃষ্ণ চুড়ার বন,
ছয়া সুনিবিড় সেখানে
রচিব মোদের ঘর নির্জণ।
শেষ হবে আমাদের নির্বাসন।
চির প্রেমে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই