এক দেশে এক রাজ ছিল, তাহার অনেক বড় রাজ্য সভা ছিল, সৌভাগ্য ক্রমে সেই দেশের রাজার সকল সভাসদ বর্গ ছিল চুরামণি ঋষি, তাহারা দেখিল দেশের গেরস্ত সকল ইদানিং কেমন জানি চুর ধরিবার জন্য বিভিন্ন ফাঁদ পাতিতে উঠিয়া পড়িয়া লাগিয়াছে। তখন তাহারা রাজার কাছে প্রস্তাব লইয়া গেল যে, আমরা যদি ধরা পড়ি রাজা মহাশয় তখনত আপনিও কিঞ্চিত বাজিয়া যাইবেন, কারন আমাদিগের সকল সু কর্মে যে আপনার ইন্দন বাবু রহিয়াছে।
রাজা তখন অনেক ভাবিয়া তাহার রাজ্যের আইন মন্ত্রীকে বলিলেন, যাও -- এমন আইন বানাও যেন আইনের ব্যাবচ্ছেদে আমার সকল রাজন্যবর্গ শান্তিতে চৌয্যবৃত্তি করিয়া বেড়াইতে পারে।
মন্ত্রি আইন করিলেন,
১। কোন রাজন্য বর্গ যদি, কোন প্রকার উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট মানের চুরিয়াতি করে এবং ইয়া যদি কোন সাধারণ প্রজা বা কোন দেশ হিতৈশি কারো কাছে বলে তবে তাহাকে সুলে চড়ানো হবে।
২। গেরস্ত বাড়িতে কোন পাহাদার রাখা যাইবেনা।
৩। ঘরের দরজা খুলিয়া ঘুমাইতে হইবে।
৪। আলমিরার চাবি দরজায় ঝুলাইয়া রাখিতে হইবে। আলমারিতে টাকা গহনা ইত্যাদি রাখিতে হইবে।
৫। চৌর্য্যবৃত্তি চলাকালিন সময় কেহ সজাক হইতে পাড়িবেনা। যদি সজাগ হইয়াও যায় তবে তাহার মৃত্যুর জন্য কেহ দায়ীনা, এবং এর জন্য রাজ্যের কেহ কাজির কাছে যাইতে পরিবেনা। কাজি হইবে পাজি কিসিমের লোক।
৬। কজি রাজার অনুমতি বেতিত কাহারো বিচার করিতে পানিবেনা।
৭। রাজার এই আইন অমান্য কারির বিরুধ্যে কঠিন সাজার ব্যবস্থার কথা যেন কেহ ভুলিয়া না যায়।
ইত্যাদি ইত্যাদি
রাজা আইন দেখিয়া যার পড়নাই খুশি হইলেন।
দুখি হইলেন প্রজারা।
কিন্তু আইনের ১ আর ৭ নম্বর ধারার ভয়ে কেহই কিছু বলিলনা।
শুধু বলিল
**** জয় বাংলা ****

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


