আমার প্রিয় পোস্ট

...

নারী-পুরুষ সম্পর্ক, অবাধ মেলামেশা, পর্দা ইত্যাদি কিছু ব্যাপারে......

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬

শেয়ারঃ
0 4 0

আজকাল সারা বিশ্বসহ আমাদের দেশেও নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার সুযোগ বাড়ছে এবং ভবিষ্যতেও বাড়বে।পরিবারের গন্ডির ভিতরে তো বটেই, বিশেষ করে কলেজ পর্যায় থেকে সহশিক্ষা ব্যবস্থার কারণে এই মেলামেশার সুযোগ আরো বেশী বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুনেছি আগে নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেরা মেয়েরা কেউ কারো সাথে কথা বলতে চাইলে শিক্ষকের অনুমতি নিতে হত। এখন তো সে অবস্থা নেই-ই, বরঞ্চ প্রতিনিয়তই ছেলে-মেয়েতে দু'জনা বা বহুজনা গ্রুপিং বন্ধুত্ব গড়ে উঠছে।

ছেলে-মেয়েরা একসাথে পড়াশোনা করার বেশকিছু সুবিধা আছে। ছেলেদের যেহেতু মেয়েদের তুলনায় ঘরের বাইরে চলাফেরা করার সুযোগ বেশী, তাই তাদের জানার পরিধিও বেশী। ফলে তাদের সাথে বিভিন্ন গল্পগুজব, আড্ডা ইত্যাদির মাধ্যমে মেয়েরা অনেক রকমের তথ্য জানতে পারে। বিভিন্ন সচেতনমুলক, সেবামূলক কাজে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও অংশগ্রহণ করতে পারছে, যেটা শুধু মেয়েদের নিয়ে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনেক সীমিত।

কিন্তু অসুবিধা হলো অবাধ মেলামেশার ফলে অনেক সময় অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে বা নিজেদের সম্মতিতে অনেক কিছু ছেলে-মেয়েরা নিজেরাই করে। বন্ধুত্ব বা প্রেমের সূত্র ধরে হাত ধরা থেকে শুরু করে চরম পর্যায়ের প্রাক বিবাহপূর্ব শারীরিক সম্পর্কও গড়ে উঠে। কোন এক কবির ভাষায়, "A look, then a smile, then a nod of the head, Then a talk, then a promise, then the warmth of a bed."

অনেকেই হয়তো বলবেন নিজেদের সম্মতিতে যা হয়, তাতে আপত্তি কেন? আমি বলবো, হ্যাঁ, আপত্তি আছে। কারণ, এ ধরণের অবাধ সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত সামাজিক অস্থিরতা তৈরী করে, এটা নৈতিক অবক্ষয়ও বটে, ধর্মীয়ভাবে তো পুরোপুরিই নিষিদ্ধ। বিভিন্ন সময়ে দেখা যায় পরবর্তীতে ঐ প্রেমিক ছেলেটিই আর সেই মেয়েটিকে বিয়ে করতে রাজী হয় না, অবিশ্বাস করে। এতে করে অবশেষে মেয়েটিই শারীরিকভাবে ,মানসিকভাবে, সামাজিকভাবে চরম অপমান আর যন্ত্রণার শিকার হয়। অথচ এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে ছেলেটি অনায়াসেই পার পেয়ে যায়। আর যদি তাদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়ও, তবুও ধর্মীয় দিক থেকে এ ধরণের প্রাক বিবাহপূর্বক সম্পর্ক গ্রহণযোগ্য নয়। বর্তমানে ঢাকাসহ অন্যান্য জেলাশহরগুলোতে স্কুল-পালানো জুটির সংখ্যাও বিভিন্ন পার্ক, লেকের পাড়, ফাস্টফুডের দোকানগুলোতে আশংকাজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

কেউ কেউ উচ্চতর পর্যায়ে ছেলেদের-মেয়েদের আলাদা ক্যাম্পাসের কথা বলেন। কিন্তু আমার মতো সাধারণের কাছে এ মতটি গ্রহণযোগ্য মনে হয় না। ১৮ বছর বয়সী একটি ছেলে বা মেয়েকে এতোটা অনির্ভরযোগ্য মনে করা বোধ হয় সঠিক নয়। কারণ, এদের কিছুটা ম্যাচিউরিটি থাকে। এ সময়টা ব্যাক্তিত্ব গড়ে ওঠার বয়স। আর নারী-পুরুষের পরস্পরের আচরণ, মনস্তত্ব, প্রকৃতি ইত্যাদি বোঝা দরকার উভয়কেই এবং সে সুযোগটাও থাকে। তার চেয়ে আমরা তাদের বিবেককে জাগ্রত করতে পারি, সচেতন করতে পারি। কিছু নিয়ম-কানুন, বিধি-নিষেধ মেনে চলতে উৎসাহিত করতে পারি।

প্রথমেই ৮৫% ভাগ মুসলিমের এ দেশে যে কথাটি আসে সেটি হলো পর্দা। পর্দা বা হিজাবের কথা মনে হলেই আমাদের চোখে যে চিত্রটি ভেসে উঠে সেটা হলো বোরকা-নেকাব পরা নারী। আসলে যাঁরা যুগ যুগ ধরে ধর্ম প্রচার করেছে, তাঁরা বেশীর ভাগই পুরুষ ছিলেন, আছেন। যত ধর্মীয় বই লেখা হয়েছে, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, ওয়াজ-মাহফিল হয়েছে বেশীর ভাগই পরিচালনা করেছেন পুরুষেরা। তাই নারীর পর্দা নিয়ে যত বেশী আলোচনা হয়েছে, সে তুলনায় পুরুষের পর্দা নিয়ে আলোচনা হয়েছে খুব কমই।

পর্দা সাধারণতঃ তিন রকম--- চোখের পর্দা, দেহের পর্দা ও মনের পর্দা।

পবিত্র কুরআন শরীফে পর্দা প্রসঙ্গে প্রথমেই চোখের পর্দার কথা বলা হয়েছে এবং পুরুষদের ব্যাপারেই আগে বলা হয়েছে (২৪-৩০) । এরপর লজ্জাস্থান হেফাজতের কথা বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে রাসূল (সাঃ) আলী (রাঃ)কে বলেছিলেনঃ "Ali, do not let a second look follow the first. The first look is allowed to you but not the second.''(Reported by Ahmad, Abu Daoud, and al-Tirmidhi.)

একই ভাবে পরবর্তী আয়াতে নারীর চোখের পর্দা, লজ্জাস্থান হেফাজতের কথা, তারপর পোশাকের ব্যাপারে বলা হয়েছে(২৪-৩১)। নারীর হিজাব যে শুধু বোরকাই হতে হবে তা নয়, যে কোন বড় চাদর বা ওড়না দিয়েও তা হতে পারে। আর আমাদের দেশের পোশাক এক্ষেত্রে অনেক বেশী উপযোগী। Click This Link

এ প্রসঙ্গে বলে রাখি অনেকেই পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়েন, সবগুলো রোযা রাখেন, নফল ইবাদতও অনেক করেন, কিন্তু পর্দা (মাথা ও বুক ঢাকা) এটাও যে অন্য ফরযগুলোর মতোই ফরয, তা বুঝতে পারেন না। কোরআনের কোন আয়াতই অপর কোন আয়াত থেকে শ্রেষ্ঠ নয়, সব আয়াতের সমান মর্যাদা, অবশ্য পালনীয়। এছাড়া এটা মুসলিম মেয়েদের আইডেন্টিটি (৩৩-৫৯)। মেয়েদের গলার স্বরের ব্যাপারেও কোরআনে নির্দেশ দেয়া আছে (৩৩-৩২) [যদিও এটি নবীপত্নীদেরকে উদ্দেশ্য করে বলা, তবে এটা অন্যদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে]।

এরপর আসে মনের পর্দা, যেটা অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হয় চোখ এবং দেহের পর্দা দিয়ে। তবুও আমাদের নফস্‌কে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যেটা তাকওয়ার অন্তর্ভুক্ত।

প্রয়োজনসাপেক্ষে ছেলে-মেয়েতে কথা হবে, তথ্য আদান-প্রদান হবে, আলোচনা হবে, এতে কোন বাধা নেই। কিন্তু নিজের ব্যাক্তিত্ব, আত্মমর্যাদাকে দূরে রেখে নয়। আর সঠিক পর্দা নারী-পুরুষ উভয়কেই সম্মানিত করে, মর্যাদাবান করে।

আল্লাহ্‌ তাআলা আমাদেরকে সঠিকভাবে বোঝার ক্ষমতা দিক।

*** পুরুষদের সতরের ব্যাপারে কোন হাদীস আমি খুঁজে পাচ্ছি না, মনে হয় সেটা ইজমা, কিয়াস দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। আমার ভুলও হতে পারে। দয়া করে কেউ যদি এই ব্যাপারে বলেন, কৃতজ্ঞ থাকবো।

*** আমাদের দেশে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও আছেন। সব ধর্মেই বিভিন্ন বিধি-নিষেধ আছে। তারা তাদেরগুলো মেনে চলতে পারেন। এ ব্যাপারে আমার তেমন কোন পড়াশোনা নেই। তবে আমাদের সমাজ সাধারণভাবেই কিছুটা রক্ষণশীল, তা সে যে ধর্মই হোক।


তথ্যসূত্রঃ

আয়াতঃ
১। Tell the believing men that they should lower their gazes and guard their sexual organs; that is purer for them. Indeed, Allah is well-acquainted with what they do. And tell the believing women that they should lower their gazes and guard their sexual organs, and not display their adornment, except that which is apparent of it; and that they should draw their head-coverings over their bosoms, and not display their adornment except to their husbands or their fathers or their husbands' fathers, or their sons or their husbands' sons, or their brothers or their brothers' sons or their sisters' sons, or their women, or those whom their right hands possess, or male servants who lack sexual desire, or children who are not aware of women's nakedness; and that they should not strike their feet in order to make known what they hide of their adornment.... (24:30-31)

২। ...Then do not be too pleasant of speech, lest one in whose heart there is a disease should feel desire (for you).... (33:32)

৩। O Prophet! Tell thy wives and daughters and the believing women that they should put on their outer garments (jalabeebihinna); (That is, whenever they are outside the home or inside it when non-mahrem men are present. (Trans.)) that is most convenient in order that they may be recognized (as Muslims) and not be molested.... (33:59)

হাদীসঃ
১। A man should not look at the 'awrah of another man, nor a woman of a woman, nor should a man go under one cloth with another man, nor a woman with another woman. (Reported by Muslim, Abu Daoud, and al-Tirmidhi. Scholars have inferred from this that two men, or two women, should not lie under the same covering so that parts of their bodies touch)

২। "The eyes also commit zina, and their zina is the lustful look." (Reported by al-Bukhari and others.)

৩। Whoever believes in Allah and the Last Day must never be in privacy with woman without there being a mahrem (of hers) with her, for otherwise Satan will be the third person (with them). (Reported by Ahmad on the authority of 'Amir ibn Rabi'ah.)

৪। It is better for one of you to be pricked in the head with an iron pick than to touch a woman whom it is unlawful to touch (Al-Mondhari says, "It (this hadith) is reported by al-Tabarani and al-Bayhaqi, and al-Tabarani's transmitters are authentic and sound.)

বইঃ

১। The Lawful and Prohibited in Islam, By Yusuf Al-Karadawi

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নারী-পুরুষপর্দাসম্পর্ক ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ধর্মনারী ও সমাজ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
দূর্ভাষী বলেছেন: তথ্যবহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি সুস্থ হয়েছেন?

২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
মো: মোফাচ্ছির হোসেন বলেছেন: বিভিন্ন সময়ে দেখা যায় পরবর্তীতে ঐ প্রেমিক ছেলেটিই আর সেই মেয়েটিকে বিয়ে করতে রাজী হয় না, অবিশ্বাস করে। এতে করে অবশেষে মেয়েটিই শারীরিকভাবে ,মানসিকভাবে, সামাজিকভাবে চরম অপমান আর যন্ত্রণার শিকার হয়। অথচ এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে ছেলেটি অনায়াসেই পার পেয়ে যায়।

...............................................................................................


রুঢ় একটি বাস্তবতা।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: সেটাই। একজন নারী যদি তার প্রেমিক পুরুষকে ছেরে চলে যায়, তাহলে তার শুধু মানসিক ক্ষতি হয়, শারীরিক ক্ষতি বোঝার উপায় নেই। সামাজিক তো নয়ই।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: *ছেড়ে।

৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২০
মানুষ বলেছেন: আপনি নারী হলে এই পোষ্টে আমার কমেন্ট করা মনে হয় ঠিক হবে না।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: না, ভুল বলেছেন। ভালো আলোচনা চলতে পারে।

৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২২
সুদিপ্ত বলেছেন: আপনার আপেলোড করা ছবির সাথে লেখার কোন মিল নেই। এই বিষয়ে অনেক বিতর্ক থাকবে।

ছেলে মেয়েদের মেলামেশার মধ্যে আপনি শারীরিক বিষয়সহ যে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন তা কিছুটা একপেশে, কোন বিশেষ গোষ্ঠী বা মতাদর্শের আলোতে।

জ্ঞানকান্ডের আলোচনা হিসেবে, আপনাকে আগে ভেবে দেখতে হবে, যে সব ছেলেমেয়েরা একসাথে মিশছে, তারা তাদের নূণ্যতম শারিরিক, মানসিক, সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে জানে কি না?

বাবা -মা, পরিবার থেকে কিশোর-কিশোরীরা তাদের বয়ো:সন্ধিকালিন কি কোন তথ্য পায়? এটা কি কোন ধর্মীয় বা সামাজিক নিষেধ এর আওতায় পড়ে?

আগে তো ভালো মন্দ জানাটা দরকার, আমরা কি পারিবারিক বা সামাজিকভাবে এই বিষয়ে তথ্য নিশ্চিত করতে পেরেছি?
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: পর্দা ব্যাপারে বিভিন্ন মত থাকতেই পারে। তবে সামথিং ইস বেটার দেন নাথিং। কেউ যদি আরো বেশী করে করতে পারে, সেটা আরো ভালো।

কোনটা একপেশে হলো এটা একটু বললে বুঝতে পারতাম।


'যে সব ছেলেমেয়েরা একসাথে মিশছে, তারা তাদের নূণ্যতম শারিরিক, মানসিক, সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে জানে কি না?' --- এ কথাটা ঠিক বুঝতে পারিনি।

আর পরিবারেরই প্রথম দায়িত্ব ছেলেমেয়েদের ভাল-মন্দ শেখানো। ধর্মীয় বা সামাজিক নিষেধের আওতায় পড়ার কথা না, কারণ রাসূল(সাঃ)-এর কাছে নারী-পুরুষ সবাই সরাসরি সব জানতে চাইতেন, কোনোরকম রাখঢাক ছাড়া।

৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২২
মো: মোফাচ্ছির হোসেন বলেছেন: "Ali, do not let a second look follow the first. The first look is allowed to you but not the second."

..................................................................................................

এখানে প্রথমবারের দৃষ্টি বৈধ বলতে অনিচ্ছাকৃত দৃষ্টিকে বুঝানো হয়েছ যা চলাফেরার সময় প্রায়ই ঘটে থাকে। ইচ্ছাকৃতভাবে প্রথমবারের দৃষ্টিও বৈধ নয়। অনেকের মনে উক্ত অংশটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে তাই এ কথাটুকু লিখা জরুরী মনে করলাম। কিছু মনে করবেন না আশা করি। তথ্যবহুল ও চমৎকার লেখার জন্য + এবং ধন্যবাদ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন, ধন্যবাদ।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
হেমায়েতপুরী বলেছেন: ভুত নলেজ সমৃদ্ধ লেখা।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
কাব্য বলেছেন:
বালেগ হইয়া গেলে বিয়া দিয়া দিলে এইরুম ফরবলেম কইমা যাইবো :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: তা তো কমতো!! কিন্তু বৌ খাওয়ানো-পরানোর টাকা কে দিবে?? সে ব্যাপারে আলোচনা দরকার। :) যৌতুকের ব্যাপার - স্যাপার যেন না আসে।

৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
তারেক হাসান বলেছেন:

কুরআনের পর্দার বিষয়টাকে বিকৃত করা হয়েছে মোল্লা মৌলভীদের দ্বারা। তারা নারীদের পর্দার বিষয়ে যতটা না চিৎকার করে পুরুষদের পর্দার ব্যাপারে ততটা নয়। হয়তো জানে না পুরুষদেরও পর্দা আছে।

বাঙ্গালী মহিলারা যে শাড়ী পরে, অথবা মেয়েদের স্বাভাবিক পোষাক তাই কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী যথার্থ। এমনকি মাথায় ওড়না বা কাপড় দেওয়া পর্দার বিধানের অন্তভূর্ক্ত নয়।

অযথা নারীদেরকে বোরকা নামের এক আজব ও অদ্ভূত পোষাকে বন্দী রাখার চেষ্টা।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: এটা দেখুনঃ 'that they should draw their head-coverings over their bosoms,'

১০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার লেখায় ভিন্নমত থাকতে পারে।
তবে, সুন্দর করে লিখেছেন; সেজন্য ধন্যবাদ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ, ভিন্নমতগুলো জানতে পারলে আমিও কিছু শিখতাম। :)

১১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: ভাই, যা রোধ করা সম্ভব নয়, সেটা নিয়ে কথা বলাও বৃথা।
একটা পূর্ণবয়স্ক মেয়ে যদি পূর্ণবয়স্ক একটা ছেলের সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে, সেখানে বাধা দেবে কে? তাছাড়া কোন অধিকারে এবং কিভাবেই বা অন্যরা বাধা দেবে?

শুধু ছেলেদের কথা বললেন, এমনভাবে বললেন যেন মেয়েরা কত অসহায়, মেয়েরা ছেলেদের সাথে শারীরিক সম্পর্কে যায় বাধ্য হয়ে। ব্যপারটা একদমই সেই রকম না। মেয়েরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে যে কাজটা করে সেটা হলো একজনের সাথে চলমান প্রেমের মাঝখানে অন্য একজনকে বিয়ে করে ফেলে। আর মুখে বলে পারিবারিক চাপে এই কাজ করছে।
আর একটা কথা, আজকালকার মেয়েরা সেক্স করার পর, সেই পুরুষকেই বিয়ে করার জন্যে ব্যকুল থাকে না। বিয়ের পরও স্বামী যদি সুখী করতে না পারে, তাহলে অনত্র সুখের অনুসন্ধান করে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আজকাল নারী-পুরুষ উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন রকম অন্যায় হচ্ছে, এবং এটা দিনে দিনে আরো প্রকট হতে পারে যদি না এখন থেকে আমরা সচেতন করার ব্যবস্থা করতে না পারি।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

লেখক বলেছেন: আর একজন নারী যদি তার প্রেমিক পুরুষকে ছেড়ে চলে যায়, তাহলে তার শুধু মানসিক ক্ষতি হয়, শারীরিক ক্ষতি বোঝার উপায় নেই। সামাজিক তো নয়ই।

আর স্ত্রী সুখী করতে না পারলে যে পুরুষেরা আবার বিয়ে করে, সেটা একটা মেয়ে চোখের সামনে কি করে সহ্য করে? পুরুষদের তো আর সতীন পুরুষ চোখের সামনে দেখতে হয় না। :)

১২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
আহমেদ রাকিব বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্ট। অনেক কষ্ট করে লিখেছেন। নিজের মতামত শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপলোড কৃত ছবিটা মনে হয় অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেল। আর পোষ্টের বক্তব্যের সারমর্ম বিবেচনা করলে আরেকটা ধন্যবাদ দেয়া যায় আপনাকে। তবে এই বিষয়ে মনোবৃত্তির উন্নতিটা সামাজিক ভাবে হওয়া যতটা সম্ভব, তার চেয়ে ব্যক্তিগত মানসিকতার পরিবর্ত্ন আনা অনেক সহজ হবে বলেই আমি মনে করি।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: ওহ্‌, কোন ছবিতো আমি এখানে আপলোড করিনি, আগের পোস্টের ছবি চলে এসেছে। ধন্যবাদ ব্যাপারটা ধরিয়ে দেবার জন্য। হ্যাঁ, ব্যক্তিসমষ্টি নিয়েই সমাজ। ব্যক্তিগত, সমাজগত দুইভাবে সচেতন করা এবং হওয়া যেতে পারে।

১৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩
জাতি জানতে চায় বলেছেন: লেখার উদ্দেশ্য চমৎকার। কিন্তু কিছু জায়গায় বেশ সরলীকরণ হয়ে গেছে।
যেমন "এতে করে অবশেষে মেয়েটিই শারীরিকভাবে ,মানসিকভাবে, সামাজিকভাবে চরম অপমান আর যন্ত্রণার শিকার হয়। অথচ এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে ছেলেটি অনায়াসেই পার পেয়ে যায়।" এটা ঠিক না। যে বয়সে তারা এটা করে সেটা ম্যাচুরিটির বয়স। আর তারা এর ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ফলাফল না জেনেই করেছে বলে মনে হয় না। সেক্ষেত্রে কে পার পেল আর কে পেলনা সেটাকে এক পেশে দেখে লাভ নাই। যাই হোক সময় নিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: ম্যাচিউরড্‌ বয়সে করলেও ছেলেটা আর শেষ পর্যন্ত ম্যাচিউরড্‌ থাকে না, ইমম্যাচিউরড্‌ হয়ে যায়, বেঈমানী করে, সমস্যা সেখানেই। :)

ধর্মীয়ভাবে তো উভয়ই দোষী।

১৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
নুভান বলেছেন: আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিতে বিবাহপূর্ব শারীরিক সম্পর্ক বিষয়ক ট্যাবু আছে, আর এটা থাকাই ভালো, কিন্তু ইসলামী বিশ্ব নিয়ে চিন্তা করলে আবার সমস্যা, কারন এই কোরিয়াতে উজবেক-কাজাখ সহ অনেক মুসলিম ছেলে-মেয়েদেরই তো দেখি সয়ং কোরিয়ানদের চেয়ে অনেক ফাস্ট আর সপ্তাহে সপ্তাহে বয়ফ্রেন্ড চেঞ্জ করে।

অফটপিকঃ আপু আপনার ক্লাস শুরু হবে কবে? আমাদের তো সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু, কি মজা :D
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: তাই নাকি?? এ রকম তো নাকি আজকাল বাংলাদেশে ডিজুস ছেলেমেয়েরাও করছে। এই ব্লগেই কারো কারো পোস্টে বা কমেন্টে দেখেছি।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: আমারও ক্লাশ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু। আমি ভ্যাকেশানে বাংলাদেশ থেকে বেড়িয়ে এসেছি :)

ঈদের আগাম দাওয়াত রইলো। সময়-সুযোগ করতে পারলে বেড়িয়ে যাবেন, আমরা এখানে অনেক বাংলাদেশী, থাকার সমস্যা হবে না :)

১৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১
ওরাকল বলেছেন: চমত্কার ও সময়োপযোগী পোষ্ট....ধন্যবাদ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে এই পোস্ট পড়ার জন্য। :)

১৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: নারীদের ঢেকে না রেখে বরং পুরুষদের ঘরের ভেতর বোরকা পরিয়ে রাখলে কেমন হয়? একজনের অপরাধের শাস্তি ভোগ করবে আরেকজন, সেটা তো বিচার হতে পারে না।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: হুম, বেগম রোকেয়াও পুরুষদের ঘরে আটকে রাখার স্বপ্ন দেখেছেন, কিন্তু ঘরে বোরকা কেন?? সেটা কি নারীরা এতোদিন বাইরে বোরকা পরে এসেছে বলে দ্বিগুণ শাস্তি??

কারো অপরাধে কারো শাস্তি না, দায়িত্ব উভয় পক্ষ থেকেই। তাই তো সবার আগে ছেলেদের চোখের পর্দা এসেছে। তারা যদি সেটা না মানে তাহলে পরকালে তাদের শাস্তি হবে। অবশ্য আপনি তো পরকালের কথা বিশ্বাস করেন না, তাই এটা আপনাকে বলে লাভ নেই।

একটা কাজ করি, ছেলেদের চোখে কালপট্রি বেঁধে সাদা ছড়ি হাতে ধরিয়ে দেয়া যেতে পারে, কি বলেন? হা হা......

১৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: মাইনাসটা আমার দেওয়া।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: কোন সমস্যা নেই, সহিষ্ণুতা চর্চা করা কঠিন। আমি কোন নাস্তিকতার পোস্টে সাধারণতঃ মন্তব্য করি না।

১৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
সুদিপ্ত বলেছেন: আপনি কি জানেন, ১৮ বছর বয়স হলেও আমাদের দেশে, ছেলেমেয়েরা- তাদের শারীরিক-প্রাকৃতিক যৌন বিষয় জানার ক্ষেত্রে খুব কম ক্ষেত্রেই পরিবার থেকে জানতে পারে। মেয়েরা শুধু তাদের শারীরিক বিষয়টা মায়েদেরে/বড় বোনদের কাছে জানতে পারে, কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে তা-ও না।

তথ্যগুলো আমার না- কিশোর/কিশোরী ও যুব দের কাছ থেকে তথ্য ভান্ডার এর ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: হুম, আমাদের দেশে ছেলেরা একটু বড় হতে থাকলে নিজের ভিতর কেমন যেন গুটিয়ে যায়, পরিবারের সাথে দূরত্ব বাড়ে। এক্ষেত্রে পরিবারের অন্য বড় পুরুষদের (বাবা যদি না পারে, মামা, চাচা, কাজিন কেউ) তার সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করা দরকার।

১৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
কিরিটি রায় বলেছেন: আপনার সাথে আর একটু যোগ করতে ইচ্ছে হচ্ছে....

পর্দা ব্রাপারটা সামাজিক বিধি নিষেধ বা ভালমন্দ কিংবা ধর্মীয় আদেশ এসবের চেয়ে বেশি নির্ভর করে জ্ঞানের উপর। প্রত্যেকের স্বতন্ত্র উপলব্ধি জীবনবোধ তার আপনা জ্ঞান এবং বোধ থেকে উৎসরিত।
যতক্ষন অধীনস্ত বা অবদমিত থাকে ততক্ষন বিধি নিষেধ চললেও একসময় তার পূর্ণ স্বাধীনতায় সে স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠে। কিন্তু সেই ব্যাক্তিই যদি জ্ঞান থেকে উপলদ্ধি করে যে আমার কি দরকার . কেন দরকার, কিভাবে দরকার? আদৌ্ দরকার কিনা...
তখন সে কারও ভয়ে ভীত হয়ে বা কোন লোভে পড়ে কাজ করবে না । করবে আত্মার তাগিদে। এবং তাই শক্তিশালী বেশী।
পর্দা, যৌনতা, নারী, ভোগ, ত্যাগ, জীবনের মানে সকল বিষয়ে প্রচ্ছন্ন ধারনা তাকে আত্ম বলিয়ান করে গড়ে তুলবে। প্রত্যয়ী করবে আপন বিশ্বাস এবং কর্মে।

আত্মায় সৎ, সত্য জ্ঞানের জাগরনে যে বোধ- তাই একজনকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হবার পথে চালিত করতে পারে। কোন বিধি নিষেধ বা আইন তাকে সাময়িক বিরত রাখে বটে কিন্তু জ্ঞান তাকে মুক্ত করে..

তাই জ্ঞানের বিস্তার হোক হৃদয় থেকে হৃদয়ে। আলোকিত হোক বিশ্ব। মুক্তি পাক মানুষ সকল অজ্ঞানতা, কৃসংস্কার আর অন্ধকার থেকে।

আপনার জন্য শুভ কামনা।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: অনেক সুন্দর বলেছেন। আত্মোপলব্ধি অবশ্যই প্রয়োজন। এ ব্যাপারে আমার আরো কিছু বলা লাগতো পোস্টে, তখন খেয়াল হয়নি। যাক্‌, এখন আপনি বলে দিয়েছেন। ভাল হয়েছেখুব। অনেক ধন্যবাদ।

২০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮
মনির হাসান বলেছেন: লাল্টু কবিরাজের কাছে সব রোগেরই একই সমাধান । বনবন বটিকা।



ভালো লাগে নাই ... মাইনাস ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: ওক্কে!

২১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
শ।মসীর বলেছেন: আপু কি যে বলেননা ----আরে চলতে দিন এসব ।
a-b, c-d, a-d,c-b .............. আমাদের হঠাৎ আধুনিক হওয়া সমাজটাকে বঞ্চিত করতে চান কেন ।

পশ্চিমাদের নষ্ট বিষয় গুলো চেখে না দেখলে আমরা আধুনিক হব কি করে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: পশ্চিমারা যে তত্ত্ব ফেলে দিতে চায়, আমর গারবেজ থেকে সেটা তুলে এনে ব্যবহার করি। :)

২২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
ফারুক আহসান বলেছেন: মনির হাসান বলেছেন: লাল্টু কবিরাজের কাছে সব রোগেরই একই সমাধান । বনবন বটিকা।

খিয়াকজ !
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: নাজনীন১ বলেছেনঃ ওক্কে!

২৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯
সুস্ময় সুমন বলেছেন: আমার এক বান্ধবী প্রায়ই এই কথাগুলো বলে.....'আমি তখন ওকে বলি যে, এখানে তোমাদের কে কেউ সম্মান আর অধিকার দিবেনা, এইগুলা আদায় করে নিতে হ। তোমরা নিজেরাই নিজেদের ছোট করে রাখো, আর দোষ দাও সমাজ এবং সংসার কে। পর্দা পরে নিজেকে আড়াল করে রাখলেই কি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে???

আর যারা এইসব করে তারা পর্দা নিয়েই করে' আর সত্যি কথা হলো ধর্মের মাধ্যমে নৈতিক অবক্ষয় রোধ করা সম্ভব নয়। গোঁড়ামি করতে করতেই আজ আমাদের এই অবস্থা.....শারিরিক সম্পর্কের ফলেই কেউ অশুদ্ধ হয়ে যায়, এইসব ফালতু ধারনা থেকে যত তাড়াতাড়ি বের হতে পারবেন ততই মঙ্গল। এভাবে আর কত.............

এতোদিন অন্যান্য পুরুষ ব্লগারদের কাছ থেকে কথাগুলো শুনে খারাপ লেগেছে। আর আজ আপনার কাছ থেকে কথাগুলো শুনে বিরক্তির সৃষ্টি হলো....এবং রাগ ও.......

অসংখ্য মাইনাচ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: পশ্চিমারা যে তত্ত্ব ফেলে দিতে চায়, আমর গারবেজ থেকে সেটা তুলে এনে ব্যবহার করি।

আপনার বান্ধবী পুরুষদের পর্দা নিয়েও কি বলতো?? নাকি শুধু নারীদের? আমি কখনো সিন্দুকে বন্দী নারী পর্দার পক্ষে নই, যেখানে আলো-বাতাস, জ্ঞান, সত্য উপলব্ধি প্রবেশ করে না।

পর্দা করে নিজেকে আড়াল মানে, শুধু তো দেহ আড়াল। মন, বুধি, চিন্তা-ভাবনার আড়াল তো নয়।

জ্বী, ঠিকই বলেছেন শুধু পোশাকী পর্দা দিয়ে নৈতিক অবক্ষয় রোধ সম্ভব নয়, সে সাথে চোখের এবং মনের পর্দা আবশ্যক। মন যদি নিয়ন্ত্রণ না হয় তবে পোশাকে কি বা আসে যায়?

আর শুনুন, বিবাহপূর্বক শারীরিক সম্পর্কে শুধু নারীরাই শুদ্ধতা হারায় না, পুরুষরাও হারায়। তবে এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে তাদের কিছু হয় না, বরং আরো অন্য নারীদের প্রতারণা করে, শারীরিক, মানসিকভাবে ক্ষতি করে।

উদাহরণঃ তসলিমা নাসরিন, রুদ্র।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: অবশ্য রুদ্র , তসলিমার সাথে নয়, পতিতার সাথে আগে মিশেছিলেন, সেটাও আরেক ধরণের সামাজিক বিপর্যয়।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: কিছু বেশী গোঁড়ামী এই সমাজে আছে বলে আমাদের অবস্থা এখনো পশ্চিমাদের চেয়ে ভাল, যদিও অনেক ক্ষেত্রে মেয়েদের অবস্থা টাইট।

২৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
নাজনীন১ বলেছেন: তবে ছেলেরা তো অনেক স্বাধীন!! আপনারা আপনাদের করণীয়গুলো ঠিকভাবে করেন, তাহলে মেয়েদেরও স্বস্তি বাড়বে।
২৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯
সবাক বলেছেন:
ছেলেদের সতরের বিষয়ে কিছু পেলেন ?
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: না ভাই, কিছু পেলাম না তো! যেটা প্রচলিত আছে (নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত) তার রেফারেন্স পাচ্ছি না। অনলাইনে ঘাটাঘাটি করে দেখেছি। খুঁজে পাচ্ছি না। পারবেন একটু সাহায্য করতে? ভাল হতো।

২৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
ফাহিম আহমদ বলেছেন: বুদ্ধি ও চিন্তার যোগ্যতাকে উত্কর্ষিত করতে ও মেদাকে শানিত করতে শিক্ষা প্রয়োজনীয়তা অনস্বিকার্য। এ জন্য মানুষের অধিকার রয়েছে সকল বিষয়ে শিক্ষার সযোগ অর্জন করা।বর্তমান পৃথিবীর সমাজ জীবনের দিকে তাকালে দেখা যায়, জাহেলী সমাজের চেয়েও কোন ভাবেই কম নয়, অশান্তি আর দুর্নীতির মহাভিড়। বাস অনোপযোগী পৃথিবী। ইসলামের কন্ঠ চেপে ধরে খোদাদ্রোহীরা। অরাজকতার ধূম্রজালে আবদ্ধ মানব কুল, কোথাও নেই সামান্যতম শান্তির নীড়,মানবরূপী অমানবের অসহনীয় নির্যাতন আর নির্যাতন মুক্তির অন্বেষায় দিশে হারা অস্থির মানুষ।হবে কী কোথাও সত্যের আশ্রয়? কাটবে কী কখনো আধাঁর? সামান্যত আলো হবে কোন খানে ?উত্তর....পরিস্কার চৌদ্দ শত বছর পুর্বর নবীর সাহাবীদের তাজা রক্তে দ্বারা লেখা হয়েছিল আদর্শ সমাজ, যদি বর্তমানে সমাজের রঙ ঢং সেই আদর্শ সমাজের রঙ ঢং এর অনুরূপ হয়ে যায়,তবেই হবে সত্যের সমাদর। মিথ্যার অনাদর, আলোর সমাগম, আধাঁরের অবসান। আজ এমন একটি সমাজের বড় প্রোয়োজন, যে সমাজটি হবে মানবতার বিমূর্ত প্রতীক, যে সমাজের মূল পরিচালিকা শক্তি হবে আল্লাহরই সন্তুষ্টি। যার চালচিত্র শিক্ষা-সংস্কৃতি জীবনের সর্বত্রব্যাপী।ইসলামের সেই সমাজ জীবন তো ছিল জীবন্ত। পায়ে হেঁটে বেড়িয়েছে স্বশব্দ। কথা বলেছে, হাত-পা নেড়ে চলাফেরা করেছে। যে সমাজের বাস্তবতা উপলব্ধি করেছে সেকালের প্রতিটি মানুষ, সে সমাজ-সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়েছিল ধরা পৃষ্ঠের সকল প্রাণী। তাই আসুন কল্যাণমুখি সব দরনের শিক্ষা নিয়ে আমাদের সমাজে কিছু করার চেষ্টা করি।আল্লাহ আমাদের সবাইকে কল্যাণকর সব ধরনের শিক্ষা শিখার তৌফীক দান করূক। ধন্যবাদ আপানাকে দারুন একটি পোস্ট করার জন্য, and +
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও এত বড়, আবেগপূর্ণ কমেন্টের জন্য :).

২৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৩
অপ্রিয় সত্য বলেছেন:
হায় হায় হায় !
পিত্ত জ্বলে যায়!
ইস্ ইস্ ইস্
অমৃত হলে ও বিষ!
করেছেন কি!
লাথি দিলেন কোথায়?!
তল পেটের চেয়ে নীচে!!!- মারা,
ঠিক হয় নাই ,
কোরান হাদীস বলে যারা
মৌ্লবাদী হলো তারা
এই মন্ত্রে ভালোই চলে
সমতা'র নামে
সুবিধা'টা চাই
এ পোষ্টের দীক্ষায়
যদি সুবিধা কমে
আপনার নিস্তার নাই
সমতা সমতা
ইজ্জ্বত আব্রু
ফালতু কথা
দিচ্ছি দোহায়
কোরান, ১৪০০ বছরের পুরান!
পাপ-সাপ বলে কিছু নাই!
আসো নাচি গাই!
ফাষ্ট ক্লাস ,
থার্টি ফাষ্ট ,!
১২টার পরে হাল ,
হয়ে টাল ডিজিটাল! ,
১৩টা বাজায়!!!
ইস হাত করে নিস পিস
ইচ্ছা করে পোষ্ট'টারে
খামছাই!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
আ'রে কেডা
দাদা অফনেরা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
" মুলা" হাতে ক্যা?!!!!!!!!!!!
ও... ছাগ্লামী করতাছি বইলা?
মুলা সহ দিবেন তুইলা!!!!!!!!!
পটল গাছে?!!!!!!!!!!
আ'রে!
কেউ দেহি নাই পাছে
নজরুল "লিচু চোর"
আলগা দাড়ি-টুপি খুইলা!!!!!!!!!!
কাপড়'টা তুইলা
পালাই পালাই!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! আ'রে প্লাস- মাইনাস দিমু কি,
আমি তো ভাগছি!






২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৪

লেখক বলেছেন: বাপ্‌রে, কঠিন কাব্য!! :)

২৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
সবাক বলেছেন:
ছেলেদের প্রাপ্তির বিষয়ে সব পাবেন। কিন্তু বিধি নিষেধ এর বিষয়ে তেমন কিছুই পাবেন না।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন:
পুরুষদের আওরাহ্‌ (সতর)-র ব্যাপারে ফিকহবিদদের মতামত তুলে ধরলামঃ

১। Click This Link

In his book Fiqh As-Sunnah, the late Sheikh Sayyed Sabiq, may Allah bless his soul, states the following:

"Covering the `Awrah is one of the prerequisites of Salah. Allah says in the Qur'an: "O Children of Adam, take your adornment (by wearing proper clothing) for every mosque." (Al-A'raf 31). The word "adornment" here refers to covering the `Awrah, while the word "mosque" means "prayer." Therefore, the whole phrase means "Cover your `Awrah for every prayer." Salamah Ibn Al-Akwa' said to the Prophet, peace and blessings be upon him, "O Messenger of Allah, may I pray in a long shirt?" He said, "Yes, but button it, even with just a thorn." (Reported by Al-Bukhari.)

Man's `Awrah:

As for man, he has to cover what is between the navel and thighs. But there is disagreement about the exposing of the navel, thighs and knees. The following Hadiths prove that such parts are not part of man's `Awrah

`Aa’ishah, may Allah be pleased with her, narrates: "The Prophet was sitting with his thigh exposed when Abu Bakr sought, and received, permission to enter. The same thing happened with `Umar. However, when `Uthman sought permission to enter, the Prophet covered himself with his clothes. When they left, I said, 'O Messenger of Allah, you allowed Abu Bakr and `Umar to enter while your thigh was exposed. But when `Uthman asked permission to enter, you covered yourself with your clothes.' He said, 'O 'Aishah, shouldn’t I be shy of a man even the angels, by Allah, feel bashful in his presence'?" (Related by Ahmad and Al-Bukhari.)

Ibn Hazm says: "It is correct to say that the thigh is not part of `Awrah, saying otherwise will conflict with the fact that Allah allowed His Prophet, who is protected (from sin), to uncover his thigh so that Anas and others could see it? Allah would have kept him from doing this. According to Jabir as recorded in the two Sahihs(authentic books of Al-Bukhari and Muslim), when the Prophet was young (before his prophethood), he was once carrying the stones of the Ka'bah, wearing only a loincloth. His uncle al-`Abbas said to him, 'O nephew, why don't you untie your waistcloth and put it on your shoulder for padding?' The Prophet did so and fell unconscious. He was never seen naked again after that."'

Ibn Hazm mentions that Hubair Ibn Al-Huwairith looked at Abu Bakr's thigh when it was uncovered, and that Anas Ibn Malik came to Qas Ibn Shammas when his thigh was uncovered.

However, the following hadiths are cited to show that the thighs and so on are part of `Awrah:

Muhammad Jahsh reported: "The Messenger of Allah, peace and blessings be upon him, passed by Ma'mar while his thighs were uncovered. He said, to him,'O Ma'mar, cover your thighs, for they are (part of) `Awrah." This is related by Ahmad, al-Hakim and al-Bukhari in Tareekh and in mu'allaq form in his Sahih.

Reported Jurhad, "The Messenger of Allah passed by me when the cloak I was wearing was a little bit off my thigh. He said, 'Cover your thigh, for it (is part of) `Awrah." This is related by Ahmad, Abu Dawood and At-Tirmidhi, who called it Hasan, and by Al-Bukhari in Mu'allaq form in the Sahih.


২। http://islamqa.com/en/ref/150/awrah

Q: Is it permissible for a Muslim man to wear his shirt tucked in his pants, showing the shape of his legs, buttocks, etc., especially in some countries where women are not ashamed to look at them? And when they perform prayer, shouldn't they be wearing a long shirt covering their private parts while they prostrate?

Ans. Praise be to Allah.

The `awrah (private parts to be necessarily covered) for men includes what is between the navel and the knees as stated by the Prophet SAWS (peace be upon him), so covering it is obligatory according to Islamic law. Wearing shorts that disclose the thighs or show the shape of the buttocks, does not cover the `awrah. Neither does a dress that is transparent and displays skin complexion, nor a tight dress that shows the size, shape or bends of the `awrah. All of this is prohibited (haraam) in front of people whether the women are ashamed of looking at it or not (as asked in the question). If the trousers (or pants) are wide enough and not tight, then one may tuck his shirt in it as long as it does not display his `awrah. Covering the `awrah is obligatory during the prayer and outside it. What many people do is cover their `awrah while going to prayer but are negligent of it outside the prayer. This is a clear mistake and a wrong act which happens due to lack of understanding or as a result of a misunderstanding of the matter.

May Allah cover our sins in this world and in the hereafter.



Islam Q&A
Sheikh Muhammed Salih Al-Munajjid

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
সিংহ বলেছেন: I think u'll be interested in this article. Please give your opinion after reading this.

Click This Link

also

http://www.islamfortoday.com/syed06.htm
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: মুহম্মদ আসাদের 'ম্যাসেজ অফ কুরআন ' তাফসীর থেকে কিছু অংশ তুলে ধরলামঃ
Click This Link


let them draw their head-coverings over their bosoms.

[The noun khimar (of which khumur is the plural) denotes the head-covering customarily used by Arabian women before and after the advent of Islam. According to most of the classical commentators, it was worn in pre-Islamic times more or less as all ornament and was let down loosely over the wearer’s back; and since, in accordance with the fashion prevalent at the time, the upper part of a woman’s tunic had a wide opening in the front, her breasts cleavage were left bare. Hence, the injunction to cover the bosom by means of a khimar, (a term so familiar to the contemporaries of the Prophet) does not necessarily relate to the use of a khimar as such but is, rather, meant to make it clear that a woman’s breasts are not included in the concept of “what may decently be apparent” of her body and should not, therefore, be displayed.]

আপনার দেয়া প্রথম লিঙ্কে যে হাদীস নিয়ে কথা বলা হয়েছে, আমি সেটা উপরে রেফারেন্স হিসেবে দেইনি। আর সেখানে নারীর কোন সৌন্দর্য স্বতঃ প্রকাশিত হয়ে পড়ে সেটা নিয়ে আলোচনা, মানে

'not display their adornment, except that which is apparent of it;'

এই অংশের ব্যাখ্যার সাথে সম্পর্কযুক্ত।

'and that they should draw their head-coverings over their bosoms, ' - এই অংশের ব্যাখ্যা না।

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: আর দ্বিতীয় রেফারেন্সে সূরা নূরের ৩১ নম্বর আয়াত নিয়ে লেখক কিছুই বলেননি। বাকী যে আয়াত দিয়ে মুসলিম মেয়েদের আইডেন্টিটির ব্যাপারটা আমার পোস্টেও আমি বলেছি। দেখুন বোঝা গেল কিনা?

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জানার আগ্রহকে সাধুবাদ জানাই।

৩১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫১
সিংহ বলেছেন: especially the part

"I have all along maintained in my arguments that Islam emphasizes on modesty in the dress of Muslim women, but no where it mandates the wearing of Hijab (head cover). As a matter of fact modesty in dress is also required on the part of the Muslim men"


২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
উমর বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম বোন,
আপনার পোস্টটি পড়ে ভাল লাগল কারণ আপনি কিছু পড়ে জানার চেষ্টা করেছেন। খুবই দুঃখের বিষয় এই যে, আমরা মুসলিমরা কুরআন এবং হাদীস অধ্যায়ন করি না। আর আমাদের ইসলামিক জ্ঞান বাড়ে দাদা-নানা, নানী-দাদী,মামা-চাচা, বড় ভাই-বোন, বন্ধু বান্ধবদের কাছ থেকে শুনে শুনে। যা মোটেই কাম্য নয়।
রাসূল (স) তাঁর বিদায় হজ্জ্বের ভাষনে বলেছেন,
"আমি তোমাদের জন্য দু্ইটি জিনিস রেখে গেলাম, একটি হল কুরআন এবং অন্যটি হল আমার সুন্নাহ(হাদীস), যতদিন তোমরা এই দুটিকে আকড়ে ধরে রাখবে ততদিন তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না"। (সহীহ মুসলিম)

এখানে আকড়ে ধরে রাখা বলতে হাতদিয়ে বুকে আকড়ে ধরে রাখা বুঝায়নি, বরং যা বুঝিয়েছে তাহলো, এই দুটি থেকে তোমরা জ্ঞান আহরোন করবে এবং যা জানলে সে অনুযায়ী তোমাদের কাজ পরিচালিত করবে, অন্যদের পালন করতে বলবে।


পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় মহান আল্লাহ বলেছেন,
"ইয়া আইয়ূ হাল্লা জিনা আমানু, আতি ওল্লাহ ওয়া আতিওর রাসূল"
"হে ঈমানদার লোকেরা, আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূল (স) এর আনুগত্য কর"।

রাসূল (স) হলেন আমাদের আদর্শ, কুরআনে বলা হলো, পুরুষরা তাদের লজ্জা স্থান হিফাজত করবে, এখন প্রশ্ন হল তারা কিভাবে সেটি করবে? এজন্য আমাদের রাসূল (স) কে দেখতে হবে, তিনি তাঁর বাস্তব জীবনে দেখিয়ে দিয়ে গেছেন কিভাবে লজ্জা স্থান হিফাজত করতে হয়।
ইসলামে পুরুষদের জন্য কোন নির্দিষ্ট পোষাক নেই, তবে কিছু নিয়ম আছে যা রাসূল (স) এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারি। যেমন: টাকনুর নীচে কাপড় না ঝুলানো, এমন পোষাক না পড়া যা বিধর্মীদের মত, এমন পোষাক না পড়া যা খুব পাতলা, টাইট বা আটোসাট (যা পড়লে শরীরের অঙ্গ বাহির থেকে বুঝা যায়), মেয়েদের মত পোষাক না পড়া প্রভৃতি।

কুরআনে মেয়েদের জন্য বলা হল তোমরা লজ্জা স্থান হিফাজত কর এবং নিজেদের ঢেকে রাখ এমনভাবে যাতে গায়রে মাহরাম ব্যক্তিদের সামনে তোমাদের সৌন্দর্য বেড়িয়ে না পড়ে। এরপর সূরা আহযাবে বলা হলো, কিভাবে মুখ ঢেকে রাখতে হবে। এখন, আমরা এগুলো কিভাবে জানব? এর জন্য রয়েছে রাসূল (স) এর স্ত্রী ও কন্যাগণ, তাদের মাধ্যমে মহান আল্লাহ শিখিয়ে দিয়েছেন যে কিভাবে পর্দা করতে হবে।


@সিংহ, ভাই, হিজাব অর্থ কি?
হিজাব অর্থ আড়াল, হিজাব অর্থ বোরকা বা মাথা ঢাকা বুঝায় না। হিজাব অর্থ আড়াল। মেয়েদের হিজাব করতে বলা হয়েছে যার মানে হল, আড়াল (এমন পোষাক পড়া যা তাদেরকে পুরুষদের নিকট থেকে আড়াল করে দেয়)। এখানে আড়ালের বিষয়টি এমন যে, আমি আর আপনি সামনে আছি, কথাও বলছি কিন্তু আমাদের মাঝে একটি আড়াল রয়েছে যার ফলে আমরা একে অপরকে দেখতে পারছি না। বিষয়টি আরো পরিস্কার করলে, সূরা নূররের, ৩০ এবং ৩১ নং আয়াত দেখুন, পুরুষ এবং মহিলা উভয়কে বলা হল তোমরা দৃষ্টি নত রাখ। এরপর মেয়েদের বলা হল তোমরা তোমাদের শরীর এমনভাবে ঢেকে রাখ যাতে গায়রে মাহরাম ব্যক্তিদের নিকট তোমাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না হয়ে পড়ে।





২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৩৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩২
ডিজিটালভূত বলেছেন: খূব চমৎকার লিখেছেন।
ইসলামে হিজাবের কথা আছে নিকাবের কথা নেই। নিকাব একটি বাড়াবাড়ি।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: জ্বী, ঠিকই বলেছেন। অনেকে শুধু নেকাব না, হাত মোজা, পা মোজা এসব নিয়েও কঠোরতা অবলম্বন করেন, শুধু তাই নয়, চোখের উপর মাথা থেকে একটা স্বচ্ছ কাপড়ও অনেকে ফেলেন, যেটা আরো সাংঘাতিক, রাস্তাই দেখা যায় না।

৩৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫২
সুস্ময় সুমন বলেছেন: তখন একটু তারাহুড়ায় ছিলাম, তাই পুরো বিষয়টা নিয়ে ভালো করে কথা বলতে পারিনি।

১। পুরুষরাও যে শারিরিক শুদ্ধতা হারাতে পারে, এই কথাটা কিন্তু আপনি আপনার মূল লেখায় উল্লেখ করেন নাই.....আমার মতামত হলো একটি মেয়ে যদি শারিরিক সম্পর্কের কারনে তার শুদ্ধতা হারায়, তাহলে একই দোষে একটি পুরুষও দোষ্ট।

২। আর পর্দা করে শুধু দেহ আড়াল করলেই কি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে??? কারো মনই যদি কুরুচি পূর্ন থাকে, তাহলে এলোমিনিয়ামের তৈরী বোরখার আড়ালে রাখলে খারাপ কাজ করবেই, কোনভাবেই ঠেকিয়ে রাখতে পারবেন না। এর চেয়ে দেখেন মনের শুদ্ধতার জন্য কোন ছাকনী খুজে পান কিনা।

৩। আর বিবাহপূর্ব শারিরিক সম্পর্ক অনেকভাবেই হতে পারে, শারিরিক শুদ্ধতার চেয়ে মানসিক শুদ্ধতা অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ন মনে হয়। কারন একসাথে থেকে শারিরিক ভাবে শুদ্ধ বউ/জামাই (প্রেমিক/প্রেমিকা) যদি আরেকজন কে নিয়ে কল্পনা করে তাহলে ওই শুদ্ধতার প্রয়োজন বোধহয় খুব কম মানুষই অনুভব করবে।

৩। ছেলেদের পর্দা বিষয়ে কিছুই, কোথাও, কোন ধর্মতেই পাবেন না, কারন ছেলেদের কে তা বলা হয় নাই। ছেলেদের কে সব কিছু করার অধিকারই তো দেয়া হয়েছে, সব কিছু ভোগের, সব অপমর্মের, সব অনৈতিকতার.....কোন অধিকার ছিনিয়ে নেয়া হয়নি। আর এজন্যই যখন কোন মেয়েকে এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে দেখি তখন খারাপ লাগে।

আপনারা নারীরা যেদিন নিজেদের সঠিক অধিকার সম্বন্ধে পুর্ন সচেতন হবেন সব ধরনের গোঁড়ামীর উর্ধ্বে উঠতে পারবেন তখন পুরুষরাই ভয় পাবে কোন উলটাপালটা কিছু করতে অথবা কোন কিছু চাপিয়ে দিতে।

ভালো থাকবেন।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: ১। শুধু নারী শুদ্ধতা হারায়, এটাও আমি পোস্টে বলিনি। আমি বলেছি আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে শুধু মেয়েটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২। আপনি কি আমার পর্দার তিন রকমের প্রকারভেদের কথা দেখেননি? সেখানে মনের পর্দার কথাও বলেছি যেটা তাকওয়া বা আল্লাহ্‌ভীতির ব্যাপার। যদিও আমি এ ব্যাপারে বেশী ব্যাখ্যা লিখিনি, আরো অনেক কিছুই লেখ যেত, ব্যাপারগুলো আসলেই ব্যাপক। আপনি যেটা বলেছেন সেটা ঠিকই বলেছেন।

৩। হ্যাঁ, মনে মনে স্বামী বা স্ত্রী ভিন্ন অন্য কারো সাথে সম্পর্ক কল্পনা করাও যিনা বা ব্যভিচারের অন্তর্ভুক্ত, এখন আবার এ ব্যাপারে রেফারেন্স খুঁজতে হবে............, আমি যে বই-এর রেফারেন্স দিয়েছি, সেখানেই আছে মনে হয়। এজন্য আবার সেই তাকওয়ার ব্যাপারটা চলে আসে।

আর এ সব কিছু জানার জন্য আমাদের প্রচুর লেখাপড়া ও জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজন।


আপনি যদি কোরআনের কোন স্পষ্ট আয়াতকে, বা নিয়মকে পুরুষদের চাপিয়ে দেয়া নিয়ম বলেন বোঝেন, তাহলে মনে হয় আপনার সাথে আমার আলোচনা এখানেই থামিয়ে দেয়া উচিত। কারণ, আপনি ইসলামের মূল বিশ্বাসেই সন্দিহান।

৩৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৯
লড়াকু বলেছেন: এই সব "গেলো গেলো" রব তুলে কোন লাভ নাই। মেয়েরা যা করে সেটা জেনে বুঝে নিজ দায়িত্বে করে এবং সে জন্য বেশিরভাগ সময়ে তারা অনুতপ্তও হয় না।

আপনি লিখছেন - আসলে যাঁরা যুগ যুগ ধরে ধর্ম প্রচার করেছে, তাঁরা বেশীর ভাগই পুরুষ ছিলেন, আছেন। যত ধর্মীয় বই লেখা হয়েছে, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, ওয়াজ-মাহফিল হয়েছে বেশীর ভাগই পরিচালনা করেছেন পুরুষেরা। তাই নারীর পর্দা নিয়ে যত বেশী আলোচনা হয়েছে, সে তুলনায় পুরুষের পর্দা নিয়ে আলোচনা হয়েছে খুব কমই।

আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দেন, ইসলামে নাকি নারী পুরুষের সমানাধিকার নিশ্চিত করা হইছে। তাইলে এত হাজার হাজার নবীর মধ্যেও কোন মহিলা নবী হন নাই কেন?
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: কেন যে মহিলা নবী নাই, এর ব্যাখ্যা বহু জায়গায় পাবেন, আমার পোস্টের বক্তব্য ভিন্ন, তাই অপ্রাসঙ্গিক উত্তর দিলাম না।

তবে আপনার চিন্তার খোরাকের জন্য একটি প্রশ্নঃ আল্লাহ্‌তাআলা বেহেশ্তে শুধু খাদিজা (রাঃ)র জন্য ঘর বানিয়েছেন, আর কোন পুরুষের জন্য কেন বানাননি?

উত্তর আমাকে দেয়া লাগবে না, আপনি একা একা ভাবেন। চাইলে কমেন্টে উত্তর দিয়ে যেতে পারেন।

৩৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৩
অমিত০৯৭ বলেছেন: কিছু লিখতে ইচ্ছা করছেনা। কইস্যা মাইনাস।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: কিছু জবাব দিতে ইচ্ছা করছে না, আমার ব্লগে স্বাগতম :)

আর, ধন্যবাদ পড়লেন বলে।

৩৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩০
দস্যু বনহুর বলেছেন: খুইজ্জা লাভনাই, পুরুষদের সতরের ব্যাপারে কোনকিছু কিতাবে নাই। এতে প্রমাণিত হয় কিতাব প্রনেতারা নারী যে আবেগ-অনুভুতি-উত্তেজনাশুন্য সেটা অবধারিত বলে ধরে নিয়েছেন।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: দয়া করে ২৮ নং কমেন্টের উত্তরটি দেখুন।

কিতাবে কথাটি এইভাবে আছে আর কিঃ Allah says in the Qur'an: "O Children of Adam, take your adornment (by wearing proper clothing) for every mosque." (Al-A'raf 31).

যদিও সেটা সালাতের ক্ষেত্রে বলা , তবে রাসূল(সাঃ) অন্য সময়েও একই নিয়ম মানার চেষ্টা করতেন। উপরে বিভিন্ন হাদীস আছে, দেখে নেন।

৩৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: অতো কিছু বুঝিনা, বুঝতেও চাইনা। আমি যুগ, লোকাচার, চলনসই ফ্যাশনের সাথে সহবাসের ফতোয়া অস্বীকার করি।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: আপনি নিজে ১৪০০ বছর আগের ইসলামের যুগ মতো চলতে পারেন তো? তাইলে তো আর কথাই নাই!!

৪০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
বিলাশ বিডি বলেছেন: দুঃখিত, মাইনাস দিয়েছি।

পর্দার নামে কোনো মানুষকে সারা জীবন ঢেকে রাখার বিরোধী আমি। জীবন বড়ই মূল্যবান, এটাকে পর্দার আড়ালে পার করে দেওয়া খুব বাজে ব্যাপার। পৃথিবীতে মানুষ না থাকলে, কোরান-হাদীস কিছুই থাকতো না। সেই মানুষের জীবনকে ছোট করার বিপক্ষে আমি।

ধন্যবাদ।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: হিজাব পরা মুসলিম মেয়েরা মহাকাশে যাওয়া ছাড়া কর্মক্ষেত্রে কোন অংশ বাদ নেই, যেখানে কাজ করে না, সংখ্যায় কম হোক আর বেশী হোক।
নারীরা ধর্মের ব্যাপার ছাড়াই সামাজিকভাবে পিছিয়ে।

পর্দার আড়ালে জীবন ঢাকা পড়ে, এই ধারণা হলো কেন আপনার? পর্দা মানে তো মেয়েদের ঘরে বন্দী করে রাখা, লেখাপড়া করতে না দেয়া এসব নয়।

৪১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
বিলাশ বিডি বলেছেন: নিজেকে সুন্দর রাখা, সুন্দর করে সাজা ইত্যাদি প্রত্যেক মানুষের জন্মগত অধিকার। কোনো আইন করে, নিয়ম করে এটাকে বন্ধ করে দেওয়া মানে হচ্ছে সেই মানুষটির জীবনের একটা অংশকে চাপিয়ে রাখা।

অবশ্যই শালীনতা, সভ্যতা এগুলোর কথা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু পর্দা একটা আলাদা স্তর যেটার কোনো প্রয়োজনীয়তা আমি দেখিনা।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনার কথাই মনে হল স্রষ্টা তাহলে সৃষ্টির মনস্তত্ব বোঝেনি। :)

৪২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৯
জইন বলেছেন: ফারহানা আহমেদ বলেছেন: নারীদের ঢেকে না রেখে বরং পুরুষদের ঘরের ভেতর বোরকা পরিয়ে রাখলে কেমন হয়? একজনের অপরাধের শাস্তি ভোগ করবে আরেকজন, সেটা তো বিচার হতে পারে না।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: ছেলেদের চোখে কালপট্রি বেঁধে সাদা ছড়ি হাতে ধরিয়ে দেয়া যেতে পারে, কি বলেন?

৪৩. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৮
মু. নূরনবী বলেছেন: apnar ekha ta ekta unknown monthly magazine a published kortey chai..........

Plz....permission thakley....janaben

Md. Nur Nobi
e-mail:
৪৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: @ উমর,

আপনাকে সালাফি মনে হচ্ছে । আমার কিছু জানার ছিল ।

"আমরা এগুলো কিভাবে জানব? এর জন্য রয়েছে রাসূল (স) এর স্ত্রী ও কন্যাগণ, তাদের মাধ্যমে মহান আল্লাহ শিখিয়ে দিয়েছেন যে কিভাবে পর্দা করতে হবে"

কিন্তু কোরান শরীফে তো রাসূল (স) এর স্ত্রী গন কে আলাদা মর্যাদা দিয়ে বিশেষ ভাবে সম্মোদন করা হয়েছে । অন্য মেয়েদের থেকে আলাদা বলা হয়েছে স্পষ্ঠভাবে ।

তাহলে বিষয় টি কি দারালো ?

Sunaan Abu Dawud ঃVolume 3, Book 40, Number 4580



Abu ‘Amir al-Hawdhani said: Mu’awiyah b. Abi Sufyan stood among us and said: Beware! The apostle of Allah (may peace be upon him) stood among us and said: Beware! The people of the Book were split up into seventy-two sects, and this community will be split up into seventy-three: seventy-two of them will go to Hell and one of them will go to Paradise, and it is the majority group.

এই হাদিসের ব্যক্ষা কি ? তাহলে , সালাফিরা কি বাতিল ?

ধন্যবাদ
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন: :|:|:|

৪৫. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৮
স্বপ্নরাজ বলেছেন: আপু অনেক ধন্যবাদ একজন নারী হয়ে এই দারুন পোস্টটা দেয়ার জন্য। নারীর ভাল মন্দ ব্যপারে নারীদের কথা বলাই সব থেকে যৌক্তিক। পশ্চিমা বিশ্বের কিছু বিকৃত পুরুষের আধুনিকতার কথা বলে নারীকে শুধু ব্যবহার করে যায়। আমাদের দেশের কিছু পুরুষেরও একই খায়েশ।

পোস্টে প্লাস।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। :)

৪৬. ১৪ ই মে, ২০১০ রাত ৩:৩৬
মনপবন বলেছেন: দেখুন,আপনি অবাধ মেলামেশার কথা বলছেন।এর উপকার অপকারীতার কথা বলছেন।অপকারীতা সবকিছুর থাকবেই।কিন্তু সে অপকারীতাটাকে শক্তভাবে ফেস করতে হবে।সমাধান খুজে বের করতে হবে।

আপনি যদি এর সমাধান হিসেবে মেয়েদের বোরকা বা হিজাব পরাকে গ্রহনযোগ্য মনে করেন তো অবশ্যই ভুল করবেন।প্রতিটি জিনিসের যেমন অপকারীতা আছে,এটার ও থাকবেই।বরং বেশি।আপনার চোখে এই মুহুর্তে পড়ছেনা।

প্রথমত,পুরুষ মেয়েদের সম্পরকে আরো বেশি তীব্র কৌতুহলী হবে।

২য়ত,এই তীব্র কৌতুহলবশত তাদের অবদমীত কামস্পৃহা আরও বাড়বে।

৩য়ত,মেয়েদের ভোগ্য পন্য মনে করার প্রবনতাটা আরো বেড়ে যাবে।কারন তাদের মাঝে যে ক্রিত্তিম দূরত্ব তৈরি হবে তাতে পুরুষ সহজ হতে পারবেনা।ফলে,সে নারীকে শুধু দুর থেকে ১টা অবয়বেই দেখবে।যেটা আ্যারাবীয়ান দেশগুলোতে হয়।আচ্ছা সেখানকার বোরকা বা হিজাব পরিহিত নারীরা কেন এত অধিকার বন্চিত?তাদের বোরকা পরিয়ে হিজাব পরিয়ে সম্মান এতভাবে নিষ্চিত করা সত্তেও সেখানকার নারীরা প্রথিবীতে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত,অসম্মানিত,অধিকারবন্চিত??জবাবটা নিষ্চয়ই দেবেন।

৪ত,মেয়েদের পদচারনা কিছু নির্দিস্ট পেশাকে ঘিরে হয়ে যাবে।১টা মেয়ে যদি পাইলট,বা আর্মি বা নেভি হতে চায় বা খেলোয়ার হটে চায় সে কিভাবে বোরকা বা হিজাব পড়ে টা হবে।সেখেত্রে তার স্বপ্নকে কী ধর্মীয় এই নিয়মটি গলা টিপে গলা টিপে হত্যা করল না?

আরো অনেক বলে শেষ করা যাবেনা?দেখুন যেকোন কিছুর খত বের করা খুব সোজা।আমাদের উচিত সেটা না করে প্রচলিত যে সংস্কৃতি আমাদের বাংগালীদের আছে,তার উপর আস্থা রাখা।এর সমাধান আমাদের বাংগালী সংস্কৃতির হাত ধরেই করা সম্ভব।এজন্য ধর্মের চাতার তলে যাওয়ার দরকার নেই।

আমাদের সামাজিক অবখখয় মানে ছেলেমেয়ের অবাধ মেলামেশার চরম পর্যায়ে যেটা হয় সেটা রোধে অবশ্যই যেগুলো করা উচিত-

১। শিকখার একদম প্রাথমিক পর্যায় থেকে সহশিকখা কার্যক্রম চালাতে হবে
এতে ১টা ছেলে শিশু বয়স থেকে যখন ১টা মেয়েকে খুব কাছ থেকে দেখবে জানবে তার মাঝে অতিরিক্ত বা নিষিদ্ধ কৌতুহল জন্মাবার সম্ভাবনা কমে যাবে অনেকাংশে।

২।পরিবারে শিশু বয়স থেকে ছেলে মেয়ে উভয়কে ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি সামাজিক নৈতিকতা সম্পরকেও ধারনা দিতে হবে বাদ্ধতামূলকভাবে।১টা মেয়েকে কতটা সম্মানের দৃস্টতে দেখবে সেটা ছেলেকে শিখাতে হবে।এখেত্রে ঐ ছেলে বা মেয়ে শিশুর সম্মুখে বাবা মায়ের আচরণ খুব ই গুরুত্বপুর্ন।শুঢু শিশুকে উপদেশ দিলেতো হবে না ।সেটা তার সামনে করেও দেখাতে হবে।

৩।সেক্স এডুকেশন মাধ্যমিক স্তরে চালু করতে হবে।যেখানে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই সচেতন ভাবে শিখবে নিজেকে কিভাবে রকখা,পবিত্রতা বজায় এবং পরিচ্ছন্ন থাকতে হয়।

৪।বিগ্গান শিখখার উপর জোর দিটে হবে।মানুষ বিগ্গান মনষ্ক হলে সব কিছু যৌক্তিকভাবে দেখতে শিখবে।ফলে,সে আর নারীদের গোপন বিষয়গুলো সহজভাবে গ্রহন করতে লজ্জিত বা ভীত হবে না।

৫।আমাদের সিখখাব্যাবস্থা পরিবর্তন করে একটা নতুন গুংতমানসম্পন্ন সিকখাব্যাবস্থা চালু করতে হবে।হয়তো ভাবছেন এই বক্তব্যের সাথে
আমার উথ্থাপিত এই বিষয়টি মিলছেনা।ভুল ভাবছেন।আমাদের যে শিকখা বাবস্থা তা শুধু পুথিগত,ভাবুন তো আমাদের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো যদি প্রায়োগিক হত তাহলে আপনার আমার আজ সময় হত এইসব বিষয় যা ১জন সাধারন বুদ্ধি বিবেকসম্পন্ন মানুষ এমনি ই বোঝে,সেগুলো নিয়ে এত সময় নষ্ট করার?

দেখুন এত অনিয়ম হচ্ছে কেন?এটা আমাদের খুদ্র মন মানষিকতা বা আমরা সঠিক শিকখাটা নিতে পারিনি এজন্য।শুধু শুধু এই খুদ্র দায়িত্বটা ধর্মকে নাইবা দিলেন।নিজের বিবেককেই দিয়ে দিননা।কোন মেয়ে কোন ছেলের সাথে ঘুমাবে কিনা এটা যদি সে সঠিকভাবে শিকখা পায় তাহলে এমনি এই বদ কাজ করবেনা।এজন্য ধর্মিয় মূল্যবোধটা তাকে মানষিকভাবে সাহায্য করবে।আর কারো সাঠে কেউ যদি ঘুমাতে চায় সে বোরকা বা হিজাব পরলেও ঘুমাবে।

একটা কথা কী জানেন,ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষের আচরনে যতটা প্রকাশ পাওয়া উচিত,তার চেয়ে মননে লালন করা অনেক অনেক বেশি জরুরী।তাই হিজাব বা বোরকা পড়লেও বা না পড়লেও কিছু আসে যায় না।
১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: এতো কিছু একসাথে বলেছেন, কোনটা রেখে কোনটার জবাব দেই? আচ্ছা, একটু একটু করে দিতে থাকি,

প্রথম প্রশ্ন আপনার কাছে, আপনি কি নামায, রোযার মতো যেসব ফরজ আছে তাতে আপত্তি করেন কি? হিজাব একটা ফরজ ব্যাপার। যদি আপনি ইসলাম মানেন, তাহলে হিজাবকে অপশনাল করার কোন সুযোগ আল্লাহ্‌তাআলা আপানাকে দেয়নি।

মানুষের গড় আয়ু হিসেব করলে অর্ধেক জীবনকাল আমি পার করে ফেলেছি, সিরিয়াসলী হিজাব পরি প্রায় এক যুগ ধরে, এর আগে স্কুল-কলেজে যাবার সময় স্কার্ফ বা ওড়না মাথায় থাকতো, আমার চলার পথে হিজাব তো কোন বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি। আর কবে দাঁড়াবে?

আর আপনি কি আমার পোস্টে শুধু হিজাবের কথা দেখেছেন, আর কিছু দেখেননি? নারী-পুরুষের তিন ধরণের পর্দার কথা বলেছি। অনুরোধ করি, পোস্টটা আরেকবার মনোযোগ দিয়ে পড়তে।

১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: আপনি সমাধান হিসেবে যে কথাগুলো বললেন এর অনেকগুলোর সাথেই আমি সহমত। ধর্মীয় এবং ব্যবহারিক জীবনের সঠিক শিক্ষার সমন্বয়েই সমাজের পরিবর্তন সম্ভব।

আপনার কথাতে যে মূল কথাটি এসেছে সেটা হলো "তাকওয়া"র শিক্ষা, প্রবৃত্তির নিয়ন্ত্রণ করতে শেখা। হ্যাঁ, খুবই ঠিক কথা। উপরেও একই রকম আলোচনা হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে অনেকদিন পর এ পোস্টে আলোচনায় অংশ নেবার জন্য।

১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: দেখুন তো আমাদের ঘরের কাছের পাকিস্তানী লাড়কিদের, হিজাবের কারণে পুলিশ, আর্মি বা ফ্লাইং অফিসার হইতে তাদের কোন অসুবিধা হইছে কিনা?



Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

৪৭. ১৪ ই মে, ২০১০ ভোর ৪:১৯
মনপবন বলেছেন: আরেকটা খুব গুরুত্বপুর্ন পয়েন্ট দিতে ভুলে গেছি

৬।সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়াতে হবে।যেমন গান,নাচ,অভিনয়,বিতর্ক,আবৃতি,বইপড়া প্রভৃতি।এইগুলো মানুষের মনের খোরাক,এইসব সৃজনশিল বিষয়ের চর্চা থাকলে মানুষের মনে খারাপ চিন্তা আসতে পারেনা।তাই এগুলো সামাজিক অবকখয় রোধে অবশ্যই কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
১৪ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন: সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা, ধর্মীয় সীমার ভেতরে থেকে অবশ্যই দরকার , সহমত।

৪৮. ১৫ ই মে, ২০১০ রাত ১২:১৯
মনপবন বলেছেন: আমার বক্তব্য আংশিক বোঝার জন্য আংশিক ধন্যবাদ।তবে পুরো বোঝেননি।কারণ আপনার এক চোখ পুরোটাই ধর্ম বন্ধ করে রেখেছেন।আমি মূলত বলছি,ধর্ম মানুষের জীবনকে সামগ্রীকভাবে ও প্রত্যখ্যভাবে নিয়ন্ত্রন করার যে নীটি সেটা ভুল।ধর্মের অবদান অবস্যই পরোকখ হওয়া উচিত।এটি মানুষ তার মননে লালন করবে।এতেই তার উন্ণতি হবে।আচরণে লালন করার তেমন ভাবে বাধ্যবাধকতা থাকা উচিত নয়,সে যে ধর্মই হোক না কেন।

কে হিজাব পড়বে বা পড়বে না,বা আদৌ পড়া উচিত কিনা সেটা নিতান্তই তার ব্যাপার।পোশাকটি শালীন কিনা সেটা দেখা পর্যন্তই ধর্মের দ্বায়িত্ব হওয়া উচিত।

আমি আপনাকে গোড়াতেই বলেছি যে,আখখরিকভাবে ধর্মকে পালন না করে মস্তিষ্ক দিয়ে বিচার করে শুধু পালন না লালন করা উচিত।সমস্যা হল,ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা এই ব্যাপারটা বুঝতেই পারেনা।আপনি হিজাব পড়া বা ফরজের বিষয়টিও এই দৃস্টিকোন থেকে ই উল্লেখ করছেন বারবার,বুঝতে পারছি।সাধারনত মুসলিমরা সবসময় ধর্মীয় রীতিনীতিগুলোকে আখখরিকভাবে পালন করার প্রতি ই জোর দেয়,মানবপ্রেম ও অনানুস্ঠানিক তথা মনস্তাত্বিক বিষয়গুলো অবহেলা করে।কিন্তু এটাই যে আসল সেটা বুঝতে চায়না।আসলে ফরজ পালন করা তাদেরই উচিত যারা অনানুস্ঠানিক দিকটি বুঝতে পারেনা।কিন্তু না বোঝা আর অবহেলার মাঝে তফাত আছে।

আর ১টা কথা,আমি আপনার সব প্রশ্নের জবাব দিচ্ছি এবং দেব।আমার ১টা প্রশ্নের জবাব কিন্তু আপনি দেননি।আরব নারীরা কেন এত ধর্মীয় বিদিনিষেধ মানা সত্বেও অসম্মানিত???

আপনি মুসলমান বলতে আ্যারাবীয়ান আর পাকিস্তানীদের উদাহরণ কেন টানছেন?আপনি কি জানেন না,এই দুটি জাত বিশেষত পাকিস্তান পৃথিবীর সবচেয়ে অসভ্য জাতিদের ১টি?আর আ্যারাবীয়ান রা নিজেদের পরিশ্রমে বা মেধায় না আল্লাহর অশেষ দানে(তেল সম্পদ) আর পশ্চীমা বিশ্বের প্রবল করুনায় বেচে আছে?অতএব অনুরোধ করচি এদের উদাহরন টানবেননা।


১৫ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: "আমি মূলত বলছি,ধর্ম মানুষের জীবনকে সামগ্রীকভাবে ও প্রত্যখ্যভাবে নিয়ন্ত্রন করার যে নীটি সেটা ভুল।ধর্মের অবদান অবস্যই পরোকখ হওয়া উচিত।এটি মানুষ তার মননে লালন করবে।এতেই তার উন্ণতি হবে।আচরণে লালন করার তেমন ভাবে বাধ্যবাধকতা থাকা উচিত নয়,সে যে ধর্মই হোক না কেন।"

--- এই যে আপনি এ কথাটা এতোটা আত্মবিশ্বাসের সাথে বলছেন, কিসের ভিত্তিতে, কি করে নিশ্চিত হলেন এটাই ঠিক কথা, মাপকাঠি কি এর?


আপনার আগের কমেন্ট থেকে,

"যেটা আ্যারাবীয়ান দেশগুলোতে হয়।আচ্ছা সেখানকার বোরকা বা হিজাব পরিহিত নারীরা কেন এত অধিকার বন্চিত?তাদের বোরকা পরিয়ে হিজাব পরিয়ে সম্মান এতভাবে নিষ্চিত করা সত্তেও সেখানকার নারীরা প্রথিবীতে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত,অসম্মানিত,অধিকারবন্চিত??জবাবটা নিষ্চয়ই দেবেন।"

--- আপনি আগের কমেন্টে একসাথে এত কথা বলেছেন যে, কোনটা রেখে কোনটার জবাব দিবো, মাথার উপর চাপ তৈরী হয়েছে, তাই মিস হয়ে গেছিল ওই পয়েন্ট। এবার বলছি,

আরবদের নারীরা পৃথিবীতে "সবচেয়ে বেশি" নির্যাতিত, অসম্মানিত, অধিকারবঞ্চিত ------ কে বলেছে আপনাকে? এ তথ্যের সমর্থনে রেফারেন্স কি? কিসে মানুষ নির্যাতিত, অসম্মানিত, অধিকারবঞ্চিত হয়, এই মাপকাঠিগুলো ঠিক করেছে কারা?


আফ্রিকার নারীদের অবস্থা কি?

আমাদের দেশের বা ভারতীয় উপমহাদেশের নারীদের অবস্থা কেমন?

আদিবাসী নারীদের অবস্থা কেমন?

আমার তো মনে হয় স্বাচ্ছন্দ্য ও সৌখিনতার দিক থেকে আরব নারীরা বিশ্বের অন্যান্য নারীদের চেয়ে এগিয়েই আছে। সারা বিশ্বেই নারীরা মূলত পিছিয়ে আছে নারী হবার কারণে, "মুসলিম নারী হবার জন্য নয়" -- এটা কি বুঝবেন?


আর কি মুশকিল? আপনি নিজেই আরবদের কথা টানলেন, কইলেন হিজাব দিয়ে নারীরা পিছিয়ে যায়, আর আমি তার পর প্রতিউত্তর দিলাম। এখন দোষ হইলো আমার। পাকিস্তানরে বিশ্বের সবচেয়ে বর্বর জাতি হিসেবে ধইরা নিলে তো দেখা যায়, তাদের নারী পুলিশরা মোটর সাইকেল চালায়, তাদের নারী ফ্লেইং অফিসাররা যুদ্ধবিমান চালায়, তাদের নারীরা পরমাণু বিজ্ঞানী হয়, তাদের নারীরা স্পিকার হয়, তাদের নারীরা আমাদের বহুত আগে থেকেই রাজনীতি করে............এখন এই কথাগুলো কইলেই আমার দোষ হয়ে গেল। আজব!!!!




১৫ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: *ফ্লাইং

৪৯. ১৭ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:২৪
মনপবন বলেছেন: আপনি সবকিছুর এত মাপকাঠি খোজেন কেন?কোনটা ন্যায় কোনটা অন্যায় সেটা নিজের কমন সেন্স দিয়ে এমনি বোঝা যায়।আমার বক্তব্য তাই কমন সেন্স দিয়ে বোঝার চেস্টা করেন।

রেফারেন্স দরকার হইলে হূমায়ুন আজাদের 'নারী" বইটা পড়েন।নিচের লিনক যান

Click This Link

সৌখিনটা বা স্বাচ্ছন্দ মেটানো আর নারীর আত্ম মর্যাদা অটুট রাখা কি এক?অর্ঠ দিয়ে সবধরনের বাহ্যিক চাহিদা মেটানো যায়,কিন্তু মানষিক চাহিদা কতটুকু মেটানো যায়।১জন সৌদি কোটিপতি ২৫ বা ৩০ টা উপপত্নী রাখটে পারলে টাদের সৌখিনটা বা স্বাচ্ছন্দ্য ও দিটে পারে কিন্তু সম্মান বা আত্ম মর্যাদা কীভাবে অটুট রাখবে?আ্যরাবীয়ান নারীরা তো এভাবেই অন্যান্য দেশের নারীদের টুলনায় ভাল আছে সৌখিনতা আর স্বাচ্ছন্দ্য মিটিয়ে,তাই না?আজব!

আর পাকি নারীরা কী এসব কাজ সিজাব বা বোরকা পড়ে করটে পারে?১১টা দেশের সামগ্রীক উন্নতি শুধু কয়েকজন নারীদের অবস্থান দিয়ে বোঝায়না।তাহলে পাকিস্তানকে আর পৃথিবীর ডাস্টবিন বলা হত না।আর আপনি কী জানেন,গত ৩ মাসে জন্গীরা পাকিস্তানের কটগুলো বালিকা বিদ্যালয় বোমা মেরে উড়িয়েছে?শুধু ইসলামিক আইনের নামে?

কেন আপনার কথা বুঝবো না?আপনি কি অস্বীকার করতে পারবেন,পৃথিবীটে যত অন্যায় পুরুষ নারীর উপর করেছে,এর জন্য ধর্মীয় প্রভাব দায়ী?সবসময় অন্যায়কারী পার পেয়ে যা ধর্মীয় দোহাই দিয়ে।সে ধর্মের অপব্যাখায়ই হোক আর সুব্যাখায় ই হোক।অতএব ধর্মের ছাতার নিচে গেলেই নারীর নিরাপদ থাকবে এ ভাবনা ১০০ ভাগ ভুল।
১৮ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: মাপকাঠি এজন্যই চাই যে কিছু কিছু মাপকাঠি আমাদের সাথে মিলবে না। যেমন, আমাদের অনেক নারী আছে যারা স্বেচ্ছায় ঘরে থাকে, চাকরী-বাকরী করার প্রতি তাদের তেমন কোন আগ্রহ নেই, কিন্তু তারা সুখী। এখন এই নারীদেরকে বেকার বলা বা তার পরিবার তাকে চাকরী করতে দিচ্ছে না বা মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে -- এ জাতীয় কথা বলা খুবই অযৌক্তিক।

আপনি যে লিঙ্ক আর রেফারেন্স দিলেন, তাতে আপনার সমস্যাটা আমি বুঝতে পারছি। আপনি ইসলামকে জেনেছেন ইসলাম বিদ্বেষীদের কাছ থেকে, নিজে ইসলাম নিয়ে লেখাপড়া করে নয়। তাই আমি আপনাকে যাই-ই বলি না কেন, আপনি বুঝতে চাইছেন না। আর আমি নারী হয়ে নারীদের ব্যাপারে জানতে হবে হুমায়ন আজাদের কাছ থেকে??? হাসালেন।

এই কোরিয়াতে একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের উপর পিএইচডি করছে এমন এক ছাত্রের সাথে পরিচয় হয়েছিল, সে তো আমাকে দেখে অবাক। ওমা তোমরা মুসলিম মেয়েরা আবার লেখাপড়া কর নাকি? তোমাদের শুধু এক হাতে কোরআন আর আরেক হাতে তলোয়ার থাকে। তাকে আমি জিজ্ঞ্যেস করলাম তুমি কোথা থেকে ইসলাম সম্বন্ধে জেনেছ? সে বললো বিবিসি, সিএনএন থেকে। আমি বললাম, এজন্যই তুমি ভুল জানো বা খুব কম জানো।

অনেক কথা হবার পর সেও স্বীকার করলো তাদের মতো এথিস্টদের দেশেও বিয়ের পর স্বামীরা মেয়েদের চাকরী করতে দিতে চায় না। মেয়েদের বেশি উচ্চশিক্ষা পছন্দ করে না, সব ব্যাপারে পুরুষরাই ডোমিনেট করে। তাহলে? এখানে তো ধর্মের প্রভাব কম, তবুও কেন নারীরা নিগৃহীত?


একজন সৌদি কোটিপতির ২৫/৩০ উপপত্নী ---- এসব উপপত্নীদেরকে কি জোর করে হেরেম শরীফে রাখা হয়েছে? তারা কি সবাই অবলা, অসহায়? আপনি কি তাই বিশ্বাস করেন?

এই যে আমাদের দেশে এরশাদের এতো প্রেমিকা, এই যে বিদিশারা তারে দেখলে বেদিশা হয়ে যায়। এসব দেখে ব্যর্থ প্রেমিকারা শুধু এরশাদরে লুইস বলে, কিন্তু ঐসব বেদিশাদের কি কোন দোষ নেই? কেন তারা নিজেদের বিবেক খুইয়ে বিবাহিত পুরুষের প্রেমে পড়ে? এদেরকে অবলা, অসহায় বলার কোন কারণ দেখি না।


পাকি নারীদের কিছু ভিডিও দিয়েছিলাম উপরে, এরপরও যদি আপনার প্রশ্ন হয় তারা কি হিজাব পরে করতে পারে --- তাহলে আমি বলবো আপনি বেহুদাই আমার সাথে তর্ক করছেন। দেখেও দেখেন না কিছুই।

আচ্ছা, আপনি পাকিদের সামগ্রিক উন্নতি নিয়ে এতো চিন্তিত কেন? আমদের পাশের দেশ ভারতে নারীদের কি অবস্থা, সেখানে অমুসলিম নারীরা কতোটা উন্নতি করেছে? যৌতুক ছাড়া তাদের মেয়েদের বিয়ে হয়? পরিবারে তাদের অবস্থা কেমন?


পাকিস্তানের জঙ্গীদের বালিকা বিদ্যালয় ধ্বংস করার সাথে ইসলামের সম্পর্ক নেই, তার চেয়ে সিআইদের বিশ্ব রাজনীতির সম্পর্ক বেশি। যারা বোমা মারছে, তারা হতদরিদ্র অশিক্ষিত বেকার মানুষজন, তারা পয়সা পাচ্ছে সিআইদের কাছ থেকে! সাধারণ জনগণ ঐসব দুচারটা জঙ্গিকে শায়েস্তা করতে চাইলেও পাকিস্তানী আর্মিরা তাদের প্রটেক্ট করে। সোয়াত অঞ্চলের পশতু নাগরিকরা ইসলামী আইন চাচ্ছে, কিন্তু তারা বালিকা বিদ্যালয় ধ্বংসের চিন্তা করে না। কিন্তু ইসলামি আইনের প্রতি মার্কিনীদের চরম এলার্জি, তাই তারা সিচুয়েশান ক্রিয়েট করছে যাতে করে মানুষ ইসলামকে ভয় পায়। আপনার বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে আরো লেখাপড়া করা দরকার।


ধর্মের অপব্যবহার নারীদের উপর অত্যাচারের একটা হাতিয়ার, একমাত্র ও প্রধান নয়। তাই ধর্মকে বাদ দিলেই নারীদের অবস্থার অনেক পরিবর্তন হবে -- এটাও কোনভাবে ১০০ ভাগ সঠিক নয়।


আর আপনি আমার অনেক প্রশ্নের জবাব দেননি।

১৮ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: *সিআইএ

৫০. ১৭ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:২৭
মনপবন বলেছেন: সরি অনেক বানান ভুল হয়েছে,তারাতারি লেখার জন্য।ট এর স্থলে ত,১১টা নয় ১টা দেশ,নারীর হবে না ,হবে নারী।
৫১. ১৪ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪
সুরঞ্জনা বলেছেন: নারীর ভালো মন্দ একজন নারীই ভালো জানে, তাই এই ধরনের পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। হিজাব বা পর্দায় নারীকে দমিয়ে রাখা হচ্ছে বলে যারা চিত্‍কার করেন তারা আসলে জানেনই না পর্দা সম্মন্ধে। আর একজন বলেছেন নারীকে সাজগোজ না করতে দিয়ে পর্দার ভিতর বন্দী করা উনি সমর্থন করেন না তাই মাইনাস। হাসি পায়। উনারা ভালোকরে পোস্ট না পড়েই মন্তব্য করে বসেন। কোথাও কি বলা হয়েছে যে নারী সাজতে পারবেন না? যে নারী স্বইচ্ছায় পর্দা করতে চায় তাকে নিরুত্‍সাহিত করতে মনগড়া অযৌতিক কথাবার্তা বলা উচিত নয়।
১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: আসলে কি ঠিকই একসময় নারীদের পর্দার নামে অবরোধ করেই রাখা হয়েছিল। এখনো কেউ কেউ আছে অমনটা করতে চায়। কিন্তু সত্যিকারের ইসলাম যে তা নয়, সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।

আপু, আপনি তো খুব সিরিয়াস ও মনোযোগী পাঠকের মতো আমার প্রায় সব পোস্ট পড়ে গেলেন। এজন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

আমিও একসময়ে ঘুরে আসবো আপনার ব্লগ থেকে। ভাল থাকুন সবসময়।

৫২. ১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০১
প্লেটো বলেছেন: কোন বিধানকে শাশ্বত, অলঙ্ঘনীয় মনে করার কারণ নেই। মানুষ তার প্রয়োজন অনুসারে বিধি বিধানের পরিবর্তন করে। ফলে বিধান দিয়ে মানুষকে নিরঙ্কুশভাবে নিয়ন্ত্রন করার চিন্তা নির্বুদ্ধিতা। বিধান সময়ের কাছে অগ্রহনযোগ্য হলে সে বিধান বদলে যাবেই। গ্রন্থসমূহের অনেক বিধান এ কারণেই অকার্যকর এবং ওগুলোর বিষয়ে নানা ব্যাখা সৃষ্টি হয়েছে।
১৬ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: "কোন বিধানকে শাশ্বত, অলঙ্ঘনীয় মনে করার কারণ নেই। মানুষ তার প্রয়োজন অনুসারে বিধি বিধানের পরিবর্তন করে।"

-- বিধানটা যদি কোরআন মোতাবেক হয়, তাহলে মুসলিমরা সেটা মানতে বাধ্য। তা না হলে যে তার বিশ্বাসটাই আর থাকে না। কারণ, মুসলিমরা বিশ্বাস করে আল্লাহ্‌ই সর্বজ্ঞানী।

০১ লা জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: ঠিক কি মনে করে এ লিঙ্কগুলো দিলেন বুঝতে পারলাম না।

৫৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:১২
মাহফুজশান্ত বলেছেন: বোন, আপনার লেখাটি পড়ে ভাল লাগলো। আসলে আপনার ৯ আগষ্ট লেখার শিরোনাম দেখে .......
হে নারী, গোলেমালে গোলেমালে পিরীত কইরো না
প্রথমে বুঝতে ভুল হয়েছে। আশাকরি মনে কষ্ট নেবেন না।

আমার লেখাটা আর একবার ভাল করে পড়লে আপনাও ভুল ভাংবে আশাকরি। লেখাটিন শিরোনাম "শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী সমাজের ভূমিকা" নয় , "শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী সমাজের গুরুত্ব"। পুরুষের চেয়ে নারীর গুরুত্ব যে কম নয় আমি সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। বিশেষ করে পুরুষদেরকে উদ্দেশ্য করেই আমি বক্তব্য পেশ করতে চেয়েছি। এ পুরুষ শাসিত সমাজে পুরুষেরা যেন অযাচিতভাবে নারীদের উপর কোন রূপ অত্যাচার না করে সে বিষয়ে সাবধান করেছি। কারন অত্যাচারী যেই হোক না কেন, সে অবশ্যই জালিম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হবে। এ বিষয়ে নারীদেরও যে সচেতন হওয়া প্রয়োজন, সেটাই হাইলাইট করতে চেয়েছি।
৫৫. ১০ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৫
আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেছেন: লেখক বলেছেন: ছেলেদের চোখে কালপট্রি বেঁধে সাদা ছড়ি হাতে ধরিয়ে দেয়া যেতে পারে, কি বলেন? =p~ =p~ =p~ =p~

ফারহানা আহমেদ বলেছেন:নারীদের ঢেকে না রেখে বরং পুরুষদের ঘরের ভেতর বোরকা পরিয়ে রাখলে কেমন হয়?-খুউউউব বালা অয় তাইলে ;)
তোমরা ব্রা-প্যান্টি অথবা বিকিনি পইড়া ঘুরবা আর লেসবি হইবা কোন টিজিং হইবো না !! :P
২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: ফারহানা আহমেদকে মিস করি, উনি অনেকদিন ব্লগে নেই। :)

৫৬. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:০৯
এক রাশ তরঙ্গ বলেছেন: আপ্নার লেখাটি হঠাত করে চোখে পড়ল এবং পড়ে বেশ ভাল লাগল। আপনাকে অনেক সচেতন এবং knowledgable মনে হওয়ায় কিছু প্রশ্ন করতে চাই।
প্রথমেই বলে নেয়া ভাল যে আমি যদিও ইসলামের বিধি নিষেধ অনেক কিছুই সেইভাবে পালন করি না তবে একজন আস্তিক এবং আমার বিশ্বাসের ভিত্তিটা কিছুটা অন্যরকম। আপনার বা যে কারুরই ধরমানুভুতি বা বিশ্বাসের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল।
আপনি যদি জান্নাতে অধিষ্ঠিত হন, সবার প্রথমে আপনি কি চাইবেন, আর সবার শেষে কি চাইবেন? আপনার কি মনে হয়না, যেই সব লোভ, লালসা, আর আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকার কথা বলা হয়; আখিরাতে সেগুলারই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে (সুদে আসলে)? ইসলামের ব্যাপারটা কি আসলেই এরকম, আসলেই কি কোরান অবিকৃত আছে বা অন্তত এর তর্জমা যা আমরা তৃতীয় কোন পক্ষের কাছ থেকে প্লাপ্ত হই??
ধন্যবাদ।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: একজন মুসলিমের জান্নাতে কি পাবে না পাবে, তার থেকে কঠিন চিন্তা হলো জান্নাতটাই সে পাচ্ছে কিনা? হাশরের ময়দানে আল্লাহ্‌তাআলার সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে কিনা? আল্লাহ্‌তাআলা যেভাবে করে বলেছেন, সেভাবে করে সে চলতে পারছে কিনা।

আর কোরআন অবিকৃত আছে, এটা যেকোন মুসলিমেরই বিশ্বাস করা উচিত, আমিও করি।

৫৭. ০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০০
অন্যরকম একজন বলেছেন: আপু,কোরান ২৪:৩১ সম্পর্কে যে একটা অল্টারনেটিভ ভিউ চালু আছে (যেখানে কিনা বলা হয়,মাথা নয় বুকই মুখ্য)সেটা সম্পর্কে আপনার অভিমত কি?একটু জানতে পারলে ভালো লাগত।ধন্যবাদ।
০৭ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আপনি যে প্রসংগে কথা বলছেন সেটা উপরে ব্লগার সিংহ লিন্ক দিয়ে বলেছেন, সেখানে আমার জবাব আর ব্লগার উমরের কমেন্ট দেখে নিতে পারেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৭৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি বাংলাদেশি নারী।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ