(পুরুষদের অসুস্থ ভীড়ে যে সব মেয়েরা নিগৃহীত হয়,তাদের স্বরণ করে)
ক.
বাসের ভীড়ে ঝুলে থাকে যে মানুষ জীবনের সরল রেখায় তার কন্ঠস্বর সমবাহুর মতো,দীর্ঘ । তার জ্যামিতিক জীবনে অর্থায়নে শারীরিক সুষমা হ্রস্ব অথচ কিলবিলে হাত প্রলম্বিত স্থুল ।
বাসের ভীড়ে যে মেয়েটা যায় তাকে ঘিরে থাকে দীর্ঘ হাত,লুকানো থাবা । দাপাদাপিতে তার সকল হরিণী চিৎকার করে,শীৎকার করে না । ঘৃনা করে সে তোমার লুকানো হাত, ও পুরুষ ।
খ.
বই মেলায় দীর্ঘ হয় আমাদের প্রকাশনা প্রেম,নিবেদিতা । প্রণয় বিনীত । আহা মমতার ভীড় । তোমাদের প্রেমও সমবাহু । ভাষা প্রেম ঘন প্রেমের মতো সঘন তোমার লোলুপ হাত । অতিভূজের মতো কদাকার বেমানান : ও পুরুষ তোমার হাত ।
গ.
সাংসদ,তোমাদের ভবনে যখন সন্ধ্যা নামে,উধাও হয় পূর্তের বাতি নিয়মের মতো । ও দেবতা নারায়ণ তোমার গঞ্জ থেকে তোমার দেবালয় থেকে,ভীড়গুলো হাতগুলো ঠেলে চলে আসে নাগরিক সচিবালয়ে-টুনটুনির মতো একটি মেয়ে ।
তাকে খামচে রাখো তুমি : ও আইন ও হাত ।
ঘ.
তোমার সামনে উবু হয়ে থাকে তোমার স্টেনোগ্রাফার,তোমার করুনা আর বিশাল হাতের কাছে সেজদার মতো ।
ও সচিব ও বিধায়ক তোমার বাৎসায়ন আঙ্গুলের বর্ণনা আমি দেব না । আমাদের স্টেনো আমাদের টুনটুনি’র দ্বিধা,মরে যাবার আগে ঘৃনার কুসুমে জন্ম দেয় এক ইলতুৎমিশের মেয়ে,তারই মতো অপর মেয়ে ।
তেমার অসুস্থ হাতের চেয়েও দীর্ঘ । নবীনা অশ্বারোহী ।
ঙ.
জীবনের কোন ঘৃনা ছিলো না
জীবনের কোন ভ্রুণ ছিলো না
জড় জীবনের ডিম ভেঙ্গে
মেঘ মমতার দাপাদাপি ছিলো না
মৃত্যুর সমান দীর্ঘ এক জীবনের সড়কে ধর্ম ও মতবাদ
হানাহানি তুচ্ছতা ও অধিগ্রহন
করতলে অসভ্য আধুনিক উল্লাস
পরাজিত করো পরাজিত করো ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



