বিদেশী একটি কম্পানী বাংলাদেশে ৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে বিমানবন্দর তৈরী করে ব্যবসা করতে চায় ও ২৫ বছর পর তা আমাদেরকে দিয়ে দিতে চায় কিন্তু আমরা চাই না। কোন গরু ছাগলের দেশ এটা! সেলুকাস! তুমি কোথায়?
বাংলাদেশ বিমান চলাচলের গোল্ডেন লাইনে অবস্থিত। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিনপূর্ব এশিয়ার ফ্লাইট প্যাথ গেছে বাংলাদেশের উপর দিয়ে। শুধুমাত্র উপর দিয়ে ওড়ার (ওভারফ্লাই) অনুমতি দিয়েই গত বছর (২০০৮) বাংলাদেশ (CAAB) আয় করেছে ২২ মিলিয়ন ইউ এস ডলার (সুত্র: এখানে )। এই আয় হয়েছে ৮৪,৭৮৫ টি বিমান উপর দিয়ে ওড়ার (ওভারফ্লাই) চার্জ নিয়ে, যা তার আগের বছরের চেয়ে ৩০% বেশী। এদেশে একটি বড় বিমানবন্দর হলে বহু এয়ারলাইন্সকে স্টপওভার সার্ভিস দিয়ে এই আয় ১০০ গুন বাড়ানো সম্ভব।
এদেশের অশিক্ষিত গরু ছাগল সাংবাদিকবৃন্দ ও ব্লগের চামচিকাগুলার জন্য সস্তা আবেগের ফুলঝুরিতে আজ সে সম্ভাবনা জলে যাবার অবস্থা। বিডিআর বিদ্রোহের সময় মুন্নি সাহা তার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মস্তিষ্কে যেমন ভবেছিলেন তিনি মহান এক বিপ্লবে লিড দিচ্ছেন, তেমনই বহু সাংবাদিক আড়িয়াল বিল নিয়েও বিল ভোগ দখলকারী ভূমিদস্যুদের মুথপাত্র হলেন, তাদের চাতুরী ধরতে পারলেন না।
০২ রা ফেব্রুয়ারি এই ব্লগেই মন্তব্য করেছিলাম মুন্সিগন্জবাসী নির্বোধ:
কারণ, ভেবে দেখুন তো:
১. জনাব ক, যার জমি আছে মুন্সিগঞ্জে এবং যা অধীগ্রহনের মধ্যে পড়বে, তিনি অবশ্যই ক্ষতিপুরণ পাবেন, নিকটস্থ স্থানে জমি বা অর্থ।
২. জনাব খ, যার জমি আছে মুন্সিগঞ্জে কিন্তু যা অধীগ্রহনের মধ্যে পড়বে না, তার জমির দাম বহুগুন হবে, এলাকার উন্নয়ন হবে।
৩. কিন্তু জনাব গ, যিনি মুন্সিগঞ্জের আরিয়াল বিলের সরকারী জমি দখল করে খাচ্ছেন, বর্গা দিচ্ছেন, তা যখন বিমানবন্দরের এলাকার মধ্যে পড়বে, তিনি কিছুই পাবেন না।
এখন এই গ এর রাজনীতির কাছে ক ও খ হেরে গেলেন - সেই অর্থেই বলা, মুন্সিগঞ্জবাসী মনে কিছু নিবেন না। সারা বাংলাদেশই আজ এই গ দের কাছে পরাস্ত।
মিডিয়ার নিউজ দরকার, হুজুগ দরকার, তাদের প্রজেক্ট শেষ, কিন্তু মুন্সিগঞ্জের প্রকৃত জমির মালিকেরা কি বলেন - মনে মনে?
আর আমরা? আম জনতা - চলুন হরতাল করি, বিজয়ের আনন্দে!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



