ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের ‘পল রবিসন হাইস্কুলে’ । কারণ, স্কুলটির মোট ৮০০ ছাত্রীর ১১৫ জনই ‘কিশোরী মা’ হয়েছে বলে মার্কিন সিবিএস নিউজ জানিয়েছে! খবরটি তাই যৌক্তিক কারণেই আšতর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।
স্কুলটির প্রতি সাতজন ছাত্রীর একজন কিশোরী মা। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হয়তো আরো অনেক ছাত্রী নিজেদের ভেতর সšতান বয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু সেগুলো সনাক্ত হবার আগ পর্যšত আমরা সঠিক সংখ্যা বলতে পারছি না। স্কুল কর্তৃপক্ষের মšতব্য, সšতানের উপর মাতা-পিতার নিয়ন্ত্রণহীনতা এই ঘটনার পেছনে দায়ী। যে বয়সের মেয়েদের পিতা-মাতার সার্বক্ষণিক নজরদারির ভেতর থাকা-তারা পাচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত স্বাধীনতা। নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বয়ফ্রেন্ডদের সাথে পার্টিতে যাচ্ছে। অপরিমিত ড্রিংকস করছে। সেখানে মা-বাবার নেই কোন নিয়ন্ত্রণ। সামাজিক শালীনতার ধার ধারছে না তারা। দেখা গেছে, যেসব পরিবারের সদস্যরা ‘ঈর্ষণীয়’ ব্যক্তি স্বাধীনতা ভোগ করে সেসব পরিবারের কিশোরীরা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিব্রত হলেও কিছু করতে পারছে না। বাধ্য হয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে এসব কিশোরী মায়ের সšতানদের জন্য ‘ডে কেয়ার সেন্টার’ স্থাপনের কথা ভাবতে হচ্ছে। ভাবতে হচ্ছে সার্বক্ষণিক শিশু বিশেষজ্ঞও নিয়োগ করা। ওই স্কুলের এক কিশোরী মায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সে বলে, ‘এটা হতেই পারে! আমি সšতানের মা হয়েছি- তার মানে এই নয় যে, আমার জীবনটা শেষ হয়ে গেল।’ ওই কিশোরীর মায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লজ্জায় মরে যাচ্ছি, কিন্তু খুব বেশি দেরি হয়ে গেছে’।
Moral of this News:
আমাদের দেশের অভিভাবকরা সাবধান হউন। সšতানের উপর নজরদারির বাড়ান। সšতানকে মাত্রাতিরিক্ত স্বাধীনতা দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
সূত্রঃ ইত্তেফাক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

