পত্রিকা উল্টাইয়া প্রথমে দেখলাম আইটি পেজ। না, সেইখানে আমার কোন লেখা চুরি করা অবস্থায় পাইলাম না। খুঁজতে খুঁজতে নজর পড়লো ইত্তেফাকের এই নগরী পাতায়। বড় করে লেখা হেডিং "সাইবার পর্নোগ্রাফি ডুবছে তারুন্য" . বিস্ময়ে থ' মেরে গেলাম রিপোর্টারের নাম দেখে। "আনোয়ার আলদীন"। তার বিএনপি প্রীতি এতই প্রখর যে তাকে খালেদা জিয়ার তৃতীয় সন্তান নামে ডাকে অনেক সাংবাদিক। আর আমি বিস্মিত হলাম এতবড় বিখ্যাত/কুখ্যাত সাংবাদিকের চৌর্যবৃত্তি দেখে।
পর্নোগ্রাফি নিয়ে আমার লেখাটা সপ্তাহ তিনেক আগে ছাপা হয়েছিলো সাপ্তাহিক ২০০০। এই ব্লগে সেই লেখার লিংকও দিয়েছিলাম আমি। কষ্ট লাগে ইত্তেফাকের মতো একটি পত্রিকার এমন করুন হাল দেখলে। একসময় আমিও কাজ করতাম এই প্রত্রিকায়। এমন পত্রিকার দামী রিপোর্টাররা যদি এভাবে চুরি করে তাহলে কষ্ট রাখবো কোথায়।
যাইহোক, আনোয়ার আলাদীন হয়তো এই লেখার জন্য অনেক ফোন পেয়েছেন। অনেকে হয়তো তাকে বাহবা দিবে। কিন্তু আমিতো জানি লেখাটা আমার সৃষ্টি। আমার অনলাইন নেটওয়ার্ক জানে লেখাটা আমার সৃষ্টি। আনোয়ার আলদীন ক্ষমা করবেন, আপনাকে যত বড় রিপোর্টার ভেবে সালাম দিতাম আপনি আসলে ততবড় নয়। আপনি একজন লেখা চোর এবং চাতুরতার সাথে সেই চুরি করা জিনিসের উপর প্রলাপ দিতে পারেন। ধ্বিক্কার আপনাকে ...
ছবি : দৈনিক ইত্তেফাকের ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত। চুরি করা লেখার সাথে দেয়া এই ছবিটার ক্যাপশন ছিলো এরকম "মোবাইলে-ইন্টারনেটে এ ছবি খুবই সাধারন"।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

