বর্তমানে ওর মাথাটি এত বেশি মোটা হয়েছে যে তা মানুষের সামনে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বর্তমান ছবিটি দেখে ভয় পেতে পারে ওর বয়সী অন্য শিশুরা।
আল আমিনের এই অসুখ সারানেরর জন্য যে পরিমাণ টাকা দরকার, সে সামর্থ্য নেই ওর মা-বাবার। ওর বাবা ইমান উদ্দিন মুদি দোকানি। একজন মুদি দোকানদার দিনে কত টাকা আয় করেন? এ হিসাব আপনারা অনেকেই জানেন। ওর মা গৃহিনী। খরচের অভাবে ওর চিকিৎসা করা যাচ্ছে না। তাই ওর অসুখের কোনো উন্নতিও হচ্ছে না। বরং দিন দিন যাচ্ছে অবনতির দিকে। আর মোটা হয়ে যাচ্ছে মাথাটি।
হাসপাতালে অনেক দিন দৌড়াদৌড়ি করে, অনেক পরীক্ষ-নিরীক্ষার পর জানা গেছে, ওর ব্রেনের রক্তনালিতে টিউমার হয়েছে। এ দেশে এ রোগের চিকিৎসা হয় না। বিদেশে নিয়ে অপারেশন করালেই ভালো হয়ে যাবে আল আমিন। তখন আবারও হাসতে পারবে ও।
কে জানে, বড় হয়ে এ ছেলেই হয়তো হবে এ দেশের কাণ্ডারি। আপাতত ওর অসুখটি সারিয়ে আনা দরকার। যত দ্রুত সম্ভব করানো দরকার এ কাজটি। ইতিমধ্যে পার হয়ে গেছে চার-চারটি বছর। বড় দেরি হয়ে গেছে চিকিৎসার। ওর হতদরিদ্র বাবা চেষ্টাও কম করেননি। বাধ্য হয়ে ওর বাবা আকুল আবেদন দেশবাসীর কাছে।
সমাজের দয়াবান ব্যক্তিরা যদি ওর পাশে দাঁড়ান, দানশীল কোনো প্রতিষ্ঠান যদি এগিয়ে আসে, তা হলে দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে আল আমিন।
আর্থিক সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-
মোঃ ইমান উদ্দিন
সঞ্চয়ী হিসাব নম্বও ৬০৬১৩, ইসলামী ব্যাংক লোকাল অফিস, ৭৫ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।
সরাসরি সহায়তা : ওয়ার্ড- ৩৫-বি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল, ঢাকা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

