ডিজিটাল বাংলাদেশ চাই না। যে ডিজিটালে ইজি হয়ে সব তালমাতাল হয়ে যায়। যেমন মহাজোট সরকার ক্ষতায় আসার পর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ ইজিভাবে চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি করেছে। এজন্য দুয়েকটা প্রতিষ্ঠান ছাড়া প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ মরামারি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা ব্শ্বিবিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হলেও ছাত্রলীগের অবদান কম নই। তাদের কর্মীরা ছাত্রদলের বিদ্রোহী পদবঞ্চিত গ্রুপকে জনবল ও অস্ত্র দিয়ে সংঘর্ষে রসদ যুগিয়েছে। এটা অস্বীকার করলে আমরা ঐদিন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের অনেক পরিচিত মুখকে দেখেছি। একইভাবে টিভি ও পত্রিকার স্থিত্রে দেখেছি। অব্যশই ছাত্রলীগ বুদ্ধিদিপ্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে। যার পরিনামে ধর্মঘটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ক্লাস-পরীক্ষা দিতে পারেনি। হয়তো ধর্মঘট সফল হওয়ার ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন। তাদের জন্য বলছি আমি নিজেও ক্লাস করতে পারিনি। তবে এও দেখেছি এ টি এন বাংলা চ্যানেল ক্যাম্পাসে আসার সাথে সাথে ছাত্রলীগ তাদের বিভিন্ন হলের কর্মীদের দিয়ে ক্লাস করিয়েছে। আর নিয়েছেন আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষক।
হয়তো কেউ বলতে পারে ছাত্রদলতো ক্যাম্পাসে আসেনি,ধর্মঘট পালন করলো কে ? মূল কথা হলো ধর্মঘট ডাকা হলে ধর্মঘটের জন্য মিছিল-মিটিং করা লাগেনা। ১৮জানুয়ারী এতা বড় সংঘর্ষ হলে পরের দিন শিক্ষার্থী কেন জীবনের ঝুকি নিয়ে ক্লাসে আসবে? তাই অটো ধর্মঘট পালিত হলো।
আমরা এধরনের ডিজিটাল কাম্পাস চাই না।
নির্বাচনের আগে শুনেছি মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। সব দ্রব্যের দাম মানুষের নাগালের ভিতরে চলে আসবে। এখন,আপনারা বলেন কোন দ্রব্যটা মানুষের নাগালের ভিতরে আছে? ক্যাম্পাসে যখন এক হল থেকে অন্য হলে যাই তখন রিক্সায় উঠলেই ১০টাকা ভাড়া দিতে হয়। অথচ এক বছর আগেও ৫/৬ভাড়া দিয়েছিলাম। রিক্সাওয়ালাদের জিজ্ঞাস করলে বলে ভাই আমরা জামো কই,সব কিছুর দর-দাম বেশি। এখন বলেন, রিক্সাওয়ালাদের কাছে ডিজিলাট বাংলাদেশের মূল্য কি? তারা একটু পেট ভরে দুইবেলা খেতে চায়।
আমি বলছিনা যে রাতারাতি বাংলাদেশটাকে ক্ষুদা মুক্ত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। আস্তে আস্তে করতে হবে । এজন্য শুরুতো
হবে। আপনারা দেখন দুই নাম্বারী সব কিছুই ঠিকই শুরু হলো। দলীয় লোকরা ঠিকই আগের গুচাতে ব্যাস্ত। কিন্তু শ্রমিকশ্রেণীর মানুষের মানুষের মুক্তি কথা কি তার ভাবছে?
সরকারের অন্যতম এজেন্ডা ছিলো যুদ্ধাপরাধী বিচার। কিন্তু গত একবছরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে?
প্রধানমন্ত্রীর দাবি,তিনি নাকি ভারত জয় করে আসলেন,কিন্তু এখনো তেমন কোন সুষ্পস্ট ব্যাখা আমরা পেলামনা। আমরা এধরণের ডিজিটাল বাংলাদেশ দেখতে চায়না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

