সরকার তার রাষ্ট্রের জনগণকে বিভক্ত করে রাখছে। অতীতের সকল সরকার এধরনের বিভক্তি সৃষ্টি করেছে। আবার সরকার নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে দেশের সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালায়। আবার সরকারের অবস্থা দূর্বল হল তার রাষ্ট্রের নাগরিকদের উপর রাষ্ট্রীয় হত্যাকান্ডসহ(ক্রসফায়ার মত) বিভিন্ন ধরণের ধ্বশাত্নক রাজনীতি এবং জনগনের মধ্যে ভীতিকর অব্স্থা সৃষ্টি করে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার দেশে ভীতিকর পরিস্থতি সৃস্টি করছে । সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা যেভাবে ঘোষনা দিয়ে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের উপর ঝাপিয়ে পড়েছে,তা মোটেও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্টের জন্য কাম্য হতে পারে না। হয়তো কেউ যু্ক্তি দেখা পারেন,জামায়াত-শিবির বিরুদ্ধে অভিযান সমস্যা কোথায় ? তাদের জানা উচিত রাষ্ট্রের কোন চোর-ডাকাত হলেও বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় মানবাধিকার লংঙ্গন হবে। এভাবে কখনো একটি রাষ্ট্র রাষ্ট্রের জায়গায় টিকে থাকতে পারে না।
গত ১৩দিনের আবস্থা বিশ্লেষন করলে দেখা যাবে,রাষ্ট্রের শাসক শ্রেণীর চেহারা। ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে ৩ফেব্রুয়ারী আবুবকর নিহত হওয়ার ঘটনা। এনিয়ে পরবর্তীতে আবুবকরের মৃত্যকে স্বাভাবিক বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য কি ইঙ্গিত বহন করে? এ ঘটনার ৬দিনের মাথায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক মারা যাওয়ার স্বরাষ্টমন্ত্রী যে প্রতিক্রীয়া প্রকাশ করেছেন, তা সকলের নিকট স্পস্ট। এছাড়াও শিবি নেতা শাহীন,চবির ছাত্র মহিউদ্দিন মাসুম হত্যার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিক্রিয়া জানাগেলনা। এছাড়াও রুয়েট ছাত্র মৈত্রীর নেতা সানি হত্যাকন্ড নিয়ে সরকারের ভূমিকা কোন শান্তীকামী জনগণ সমর্থন করবে না। এদের হত্যার দায় নিবে কে? দেশের স্বরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপত্বা দেয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব। কিন্তু তিনি উল্টো নিধনের ক্ষমতা দিয়েছেন। এ সূত্রে থেকেই ছাত্রলীগ আইন হাতে তুলে তাদের বিরোধী শক্তির উপর ঝাপিয়ে পড়েছে। সর্বশেষ ১২ফেব্রয়ারী ছাত্রলীগ নেতা এবিএম ফারুক নিহত হয়েছে। এনিয়ে কোন প্রকার তথ্য-প্রমান ছাড়া রাজনৈতিক বিরোধী শক্তির চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন। এনিয়ে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোন তথ্য ছাড়াই শিবিরকে দায়ী করেছেন। সরকারের যা কোনভাবে কাম্য হতে পারেনা। আর আইনীভাবে জামাত-শিবিরকে ফাঁসি দিলেও,তাদের প্রতি একটু মায়া হবে না।
(চলবে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




