ফুটবলে বাংলাদেশ বিশ্বে মধ্য কোন পর্যায়ে আছে? এমন প্রশ্ন জবাবে কম লোকই সাচ্চা জবাব দিতে পারবে। অথচ ফুটবল মানে বাংলাদেশী মানুষের এক অন্যরকম ভালোবাসা। ফুটবল খেলা মানে হাজার দশর্কের উপস্থিতি। আর ফুটবল বিশ্বকাপ মানি ফুটবলে আক্রান্ত একটি দেশ। অথচ বাংলাদেশ বিশ্বকাপের আশে-পাশেও নেই। না থাকলে কি হবে! আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল আছে। বিশ্বকাপ এলেই যেন দেশের মানুষ খুব সহজে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। কেউ আর্জেন্টিনার সমর্থক আবার কেউ ব্রাজিলের সমর্থক। এ বিশ্বকাপের ৪/৫ মাস আগ থেকেই শুরু হয়ে মহল্লায় মহল্লায় নিজ দলের সমর্থনে পতাকা উঠানোসহ আরো কত প্রস্তুতি। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমর্থকদের নিয়মিত মিছিল। আজ রাত ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এস এম হলে ব্রাজিলের সমর্থকদের মিছিল শেষ হয়ে গেলো। এর আগের দিন আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মিছিল হয়েছিলো। এ ছাড়াও আরো বেশ কয়েকটা হলে একইভাবে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলে সারি দেখে মনে হয়,আর্জেন্টিনার সমর্থক ৬০ভাগ,ব্রাজিল ৩০ভাগ।আর অন্যান্য ১০ভাগ। এরা সবাই আবার এক সাথে বসে খেলা দেখে। নিজ দলের খেলোয়াড়ের পায়ে বল গেলেই ও,ইরে,গো...ইরে করে চিল্লানি। এভাবে পুরো বিশ্বকাপে রাত জেগে খেলা দেখা। আবার পচন্দের দল জিতলে কোন কোন মহল্লায় গুরু জবায়।এসব দৃশ্য দেখে ভালোই লাগে। যে দেশ কে নিয়ে আমাদের এতো মাতামাতি,তারা কি বাংলাদেশকে চিনে? বাংলাদেশের পতাকা কি তারা কখনো দেখেছে? এ সব দেশের সাথে আমাদের কোন বাণিজ্র সম্পর্ক আছে? উত্তর: না। তাহলে কেনইবা এতো আইয়োজন। বাংলাদেশ কি ফুটবল খেলার সমর্থন দিয়ে বিশ্বকাপে খেলতে পারবে। তারপরও ভালোই লাগে। কেন লাগে? দেশের এতো মানুষ সব বেদাভেদ ভুলে টিভি সেটের সামনে এসে বসে। কিন্তু পারেনা শুধু দেশের সার্থে। দেশের প্রয়োজন এলে তখন শুরু লাভ/ক্ষতির হিসাব। শুরু হয় নিজের মধ্য গ্রুপিং। এভাবে জনগণ হয়ে যায় বহুদা বিভক্তি। আবার শুরু মারা-মারি,হানা-হানি। এর মধ্যেই রাস্ট্র ক্ষমতায় আসে পুজিবাদী একটি গোষ্ঠি। এভাবে পাচ বছর পর নাম পাল্টিয়ে ক্ষমতায় বসে তাদের আরেক দল। মাঝখানে পরিবর্তন হয় শুধু কিছু ব্যক্তির চেহারা। কিন্তু কি লাভ মেহনতি শ্রমিক মানুষের! তাদের মুক্তি কি কখনো মিলবে? তারা দুই বেলা পেট ভরে খেয়ে ঘুমাতে পারবে? কি লাভ আমাদের দেশের। তারপরও কি আমাদের হুশ হবে না? আমরা কি কখনো পুজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা থেকে কি কখনো বের হতে পারবো! এরপরও দেশের তরুন সমাজ সাম্রাজ্যাদীশক্তির তালে তালে নাচবো? না এখন থেকে তরুণ সমাজ কে লড়াই-সংগ্রামের প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যথায় স্বাধীন রাষ্ট্রকে বাচানো যাবেনা। সবশেষে একটু চিন্তা করি,বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ এবং আমাদের রাজনীতি।
আলোচিত ব্লগ
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।