ঢাকা শহরে যে জিনিস গুলো সবাই কে সবচেয়ে বেশী ভোগায় তার মধ্যে অন্যতম হলো বাড়ী ভাড়া। বছরে বছরে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা ভাড়া না বাড়লে বাড়ির মালিক দের ঘুম হারাম হয়ে যায়। আর আমরা যারা ব্যাচেলর তাদের জন্য এই ২-৩ হাজার টাকা বেশী দিয়ে ও একটা ব্যাচেলর রুম পাওয়া আর হিমালয় পর্বত জয় করা সমান কথা। এর মধ্যে কিছু অসাধু চক্রের কারনে যা বাড়া তার থেকে আরো বেশী বাড়ি ভাড়া গুনতে হয়। অনেকে হয়তো ঢাকা শহরে এই রকম সমস্যায় পড়ছেন, আমার কাছে এই ঘটনা নতুন বলে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম....
একটা টু লেট দেখে তার এড্রেস অনুসারে মোহম্মদপুরে একটি ৫ তলা বিল্ডিং এ যাই রুম দেখতে । যাওয়ার পরে রুমে কয়েকজন ভাই ছিলো তাদের সাথে রুম এর ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে তারা অন্য আরেক জন কে দেখিয়ে দিলো। তো উনার সাথে কথা বলে জানলাম রুম না সিট ভাড়া হবে, রুম টা পছন্দ হলো বিধায় আমার জন্য একটা সিট নিয়ে নিলাম। পরে রুমে উঠার পরে আসল কাহিনি বুঝতে পারি।
রুমের এই ছেলে টা বাড়ীর মালিক কে কিছু টাকা Advance দিয়ে ২ টা রুম ভাড়া নেয় আর রুম ভাড়া মালিক যেটা নির্ধারন করে দেয় তা থেকে ও আরো ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বাড়িয়ে সে তার নিজের ইচ্ছা মতো মেম্বার দের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করে। তার উপর কত রকমের খবরদারি...জোরে গান শুনা যাবে না, রাত ১১.৩০ হলে লাইট বন্ধ করে দিতে হবে..আরো কত কি...
প্রথমে কিছুদিন সহ্য করলে ও পরে তা সহ্য সীমা অতিক্রম হওয়ার জোগাড় হয়ে গেলো কিন্তু না পারতেছি ওখানে থাকতে না পারতেছি ছাড়তে...কারন এখনো কোন ভালো মানের রুমের সন্ধান পায় নি। পরে আরো একটা ঘটনা জানতে পারলাম আমরা কাজের বুয়া কে যে টাকা দিই ঐ খান থেকে ও কিছু টাকা সে মেরে দেয়, পরে অবশ্য অনেক ঝামেলার পরে এটা Solve করতে পারছি।
একদিকে মালিকের মোটা অঙ্কের বাড়ী ভাড়া, তার সাথে এই চেছরা ছেলেটার লাভের অংশ, তার পর খবর ধারি সব মিলিয়ে মনে হয় যেন স্বাধীন দেশে বাস করে ও পরাধীন.
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১১ সকাল ১০:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


