গতদিন শুক্রবার হওয়াতে আমি বাইক নিয়ে ভার্সিটিতে বাইক নিয়ে যাই। যাবার সময় বনানীতে আমাকে সার্জেন্ট ধরে। আমার কাছে আমার সকল কাগজ দেখতে চায়। আমি বাইক কেনার রশীদ, রেজিস্ট্রেশন করার জন্য টাকা জমা দেয়ার রশীদ এবং আমার শিক্ষানবীশ লাইসেন্স দেখাই। তখন আমাকে বলে যেহেতু বাইকের নম্বর নাই তাই আমি যেন বাইক নিয়ে সোজা আমার বাসায় চলে যাই। আমি চলে আসার সময় আবার আমাকে ডাক দেয়, বলে হেলমেড নাই তাই যেন কাগজ নিয়ে আবার সার্জেন্টের কাছে যাই। বলে রাখা ভাল, আমাকে যখন থামতে বলা হয় তখন আমি হেলমেড খুলে আমার কাগজ নিয়ে তার কাছে যাই। তখন আমি কাগজ না নিয়ে হেলমেড নিয়ে সার্জেন্টের কাছে গেলে আমাকে বলে সোজা বাসায় চলে যান। আমি সোজা চলে যাই।
সন্ধায় আমি আমার ভাবী ও দুই ভাস্তিকে সাভার শ্রীপুরে তাদের বাসায় পৌছিয়ে দিতে গেলে একসময় আমার পকেট হতে বাইকের কাগজ পরে যায়। এক লোক বলতে পারি আমার জন্য দেবদূত যিনি পেশায় একজন ভ্যান চালক আমার কাগজটা পেয়ে আমাকে অনেক ডাকাডাকি করেছেন, কিন্তু আমি শুনতে পাইনাই। তখন তিনি কাগজে আমার মোবাইল নম্বরটা দেখে আমাকে কল দেন এবং বলেন আমি যেন তার কাছে হতে কাগজটা সংগ্রহ করি। আমি আব্দুল্লাহপুর হতে আমার বাইকে করে যখন কাগজ আনার জন্য রওনা দেই তখন রাত ৯.১৫, আমাকে কামাড়পাড়া তে সার্জেন্ট আমার থামায় এবং আমার কাগজ দেখতে চায়। যখন আমি বলি যে আমার কাগজে এই অবস্থা এবং সাথে সাথে ঐ লোক আবার আমাকে কল করে যেন তারাতারি তার কাছে হতে আমি কাগজ সংগ্রহ করি কারণ তিনি তার বাসায় চলে যাবেন। সার্জেন্টকে তখন কিছুতা খুশি করার পরে তিনি আমাকে চলে যেতে দেন। আমি তখন ঐ লোকার কাছে হতে আমার কাগজ সংগ্রহ করি এবং তাকে খুশি করে দিয়ে আসি। আসলেই তিনি আমার খুব উপকার করেছেন। তার এই উপকারের কথা আমি ভুলবো না এবং তাকে বলে আসি যদি এমন হয় যে তিনি কোন বিপদে পরেছেন, যেখানে আমি তাকে সাহায্য করতে পারবো তাহলে তিনি যেন আমাকে কল করেন। কাগজ নিয়ে আমি রাত ১২.০০ টায় আমার বাসায় উত্তরাতে ফিরি।
প্রথম প্রকাশঃ আমার দিনকাল ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


