আমার প্রিয় পোস্ট

অতএব- লক্ষন যা, তাতে দুঃখ আর ক্ষোভই আমার কপালের লেখা।

আপিল বিভাগ যেন এড়িয়ে না যান ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৮

শেয়ারঃ
0 0 0

ইটালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড বনাম বাংলাদেশ মামলা*
হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে বিচারিক নীতির সীমাবদ্ধতা ও সাংবিধানিক অসামঞ্জস্য
আপিল বিভাগ যেন এড়িয়ে না যান

সন্দেহ নেই; রায়টিতে বহু গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ইস্যু এবং মতবাদের আশ্রয় নেয়া হয়েছে যার চূড়ান্ত বিশ্লেষণ আপিল বিভাগ না করলে রায়টি অনেক ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি করবে। রায়টির মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে শুরু করে ১৯৭৯ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিচারপতি সায়েম, খন্দকার মোস্তাক এবং জিয়াউর রহমান কর্তৃক ঘোষিত মার্শাল ল’সহ অন্যান্য সব কর্মকান্ড অবৈধ ঘোষণা করা হয়। আবার অবৈধ ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে স্টেট নেসেসিটি মতবাদের আওতায় এনে তৎকালীন সময়ের কিছু কিছু কাজকে মার্জনা করা হয়েছে। ২৪২ পাতার রায়টিতে আদালত যে গুরুত্বপূর্ণ মতবাদগুলোর ওপর ভিত্তি করেছেন তা হলো, আমাদের পর্যবেক্ষন অনুযায়ি- অসাংবিধানিকতার নীতি, রাষ্ট্রের মৌল কাঠামো নীতি, সাংবিধানিক আলট্রা ভাইরিস তথা জুডিশিয়াল রিভিউ নীতি এবং সংবিধানের অধীনে বিচারপতিদের শপথ গ্রহণের নীতি। এ নীতিগুলোর আওতা, সীমা-পরিসীমা রয়েছে এবং ক্ষেত্র বিশেষে তাদের ব্যবহারে উপমহাদেশের বিচারকদের মধ্যে মতদ্বৈততাও রয়েছে প্রচুর। রায়টিতে ব্যবহৃত নীতিগুলোর সীমাবদ্ধতা এবং সাংবিধানিক অসামঞ্জস্যতা রয়েছে প্রচুর, তার খুব সামান্য অংশ তুলে ধরা হয়েছে এই পর্যালোচনাটিতে (রিভিউ অফ জাজমেন্ট)-

লিখেছেন ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম **

বিস্তারিত পড়বার জন্য
পড়বার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন

পরবর্তীতে মঙ্গলবারে একই সাইটে রায়টির আরো কিছু মৌলিক দুর্বলতা তুলে ধরা হবে।

-------------------------------------------------------------------------
* সংবাদ মাধ্যমের সুবাদে 'পঞ্চম সংশোধনী মামলা' হিসাবে খ্যাত।

**ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম : সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং বাংলাদেশে ল জাস্টিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের ওপর ১৮ টির বেশি ইউনিভার্সিটি পর্যায়ের টেক্টটবুকের প্রণেতা। তিনি একই বই বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় লেখেন সাধারনত।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৫
অলস ছেলে বলেছেন: লিঙ্কখানার জন্য ধন্যবাদ। বিষয়টা নিয়ে জানার খুব আগ্রহ বোধ করছি। আর গভীর কৌতুহলের সাথে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ঘোষণা নিয়ে আসা আইনমন্ত্রীর তর্জন গর্জন আর কপিবরসুলভ নর্তনকুর্দন দেখছি। এই ব্যাটা অনেক উঁচু তবকার ক্লাউন কোন সন্দেহ নাই, আমাদের দেশের রাজনীতির জন্য খাপে খাপে যোগ্য।

লেখাটা পড়তে গেলাম।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

ধর্মরাজনীতি নিষিদ্ধ হইবো নাকি ভাষাভিত্তিক রাজনীতি নাকি অন্য কোনো ভিত্তিক, সেই আলোচনায় যাওয়ার আগে এই কাজটা দরকারি ভাবছিলাম।

কেমন কইরা আমরা নিষিদ্ধ করতে যাইতেছি। 'যেনতেনভাবে' হইলে মুশকিল। রায়টা কয়জন সিনিয়র-জুনিয়র মিইল্যা পইড়া মনে হইলো যেনতেনভাবেই সিদ্ধান্ত দেয়া হইছে।

বিষয়গুলান যদি আপিল বিভাগ মেরামত কইরা না দেন, তাইলে বাংলাদেশের যেকোনো সরকারের কপালে খারাবি আছে।

আর, মতামত জানায়েন মেইলে।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: এইটা তো ঠিক পোস্ট না। লিংক দিলাম মাত্র।

৩. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪১
খারেজি বলেছেন: পরের সপ্তাহের অপেক্ষায় থাকলাম।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: তাতো অবশ্যই দিমু।
(যদিও মুস্কিল হৈলো এইসব লেখালেখি নিয়া চাকরিতে টানাটানি চল্তেছে :( )

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ভূমিহীন মজুর একজন
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ