১৮ বছরের কম বয়সী সব বাংলাদেশী নাগরিককে শিশু গন্য করে জাতীয় শিশুনীতির খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। নতুন খসড়া নীতিতে সভা-সমাবেশসহ সব ধরণের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে শিশুদের ব্যবহার না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে ১৯৯৪ সাথে প্রণীত শিশু নীতি অনুযায়ী ১৪ বছরের কম বয়সীকে শিশু বলা হতো। নতুন খসড়া নীতি বাস্তবায়িত হলে বয়সের দিক থেকে ভোটার হওয়ার যোগ্য নন এমন সবাই শিশু বলে গণ্য হবে।
নতুন খসড়ায় বলা হয়েছে, ১৪ বছরের নিচে কোন শিশুকে সার্বক্ষণিক কাজে নিয়োগ করা যাবে না। ১৫ সেপ্টেম্বও,২০১০ তারিখে শিশুবিষক মন্ত্রনালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডঃ শিরীন শারমীন এ তথ্য জানান। খসড়ায় বলা হয়েছে, দেশে ১৮ বছরের কম বয়সের জনসংখ্যা ৬ কোটি ৩০ লাখ যা মোট জনসংখ্যার ৪৪ শতাংশ। দেশের প্রচলিত আইনগুলোতে শিশুর বয়স নির্ধারণে কোন ভিন্নতা থাকলে সেক্ষেত্রে এ নীতি অনুযায়ী সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে। শিশু নীতি ২০১০ বাস্তবায়নের কৌশল হিসেবে শিশু ন্যায়পাল নিয়োগের বিষয়ে ভাবছে সরকার। পাশাপাশি প্রতিটি মন্ত্রনালয় ও বিভাগে শিশু অধিকার সংরক্ষণে ফোকাল পয়েন্ট গঠণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। খসড়া শিশু নীতিটির মতামতের জন্য ওয়েবসাইটে দেয়া হবে। ৩০ সেপ্টেম্বও পর্যন্ত ওয়েবসাইটে সুপারিশ করা যাবে।
আমি বলবো এটা সরকারের একটা ভাল সিদ্ধান্ত। কারণ আজকের শিশু আগামীদিনের নেতৃত্ব দিবে। তাই এই শিশুদেরকে যদি সঠিক পথ নির্দেশনা দেওয়া যায় তাহলে তারা দেশের সুযোগ্য মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তবে এটা শুধু কাগজে কলমে থাকলে হবে না, বা অফিসে শুধু ফোকাল পয়েন্ট নির্বাচন করলেই হবে না ---জনগণ এই নীতির সফল বাস্তবায়ন দেখতে চায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



