দিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে তার আওতায় দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে তাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর কাজ হবে ?উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ আইন ও বিধি সাপেক্ষে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস প্রতিরোধ, মাদকদ্রব্য এবং রাসায়নিক পদার্থসহ সাইকোট্রোপিক দ্রব্যগুলোর অবৈধ পাচার রোধে সহায়তা প্রদান।? (আমার দেশ ২৪.১.২০১০)
এ চুক্তি সম্পর্কে বক্তব্য দিতে গিয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ?এ বিষয়ে ২০০৮ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সার্ক সম্মেলনে সার্কভুক্ত দেশগুলো একটি কনভেনশন স্বাক্ষর করেছে। তবে এই কনভেনশনের শর্ত অনুযায়ী সার্কভুক্ত সব সদস্য দেশ কর্তৃক অনুসমর্থিত না হওয়া পর্যন্ত কনভেনশনটি কার্যকর হবে না বিধায় ভারতের সঙ্গে আলোচ্য চুক্তি দ্বিপাক্ষিকভাবে করা হয়েছে।? (ঐ)
আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির নামে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো নিয়ে সার্ক গঠিত হলেও এবং এই সংস্থাটি মোটামুটি নিয়মিত সম্মেলন করে এলেও তিন দশক ধরে এর কোনো কার্যকারিতা বাস্তবত থাকেনি। আসলে অন্য সহযোগিতার গুরুত্ব যাই থাক, আঞ্চলিকভাবে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ও বিপ্লবী আন্দোলন মোকাবিলা করাই ছিল এর প্রধান উদ্দেশ্য। এ কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে বলা চলে তাদের দ্বারা প্ররোচিত হয়েই এই সংস্থাটির উদ্ভব হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে এটি গঠন করার ব্যাপারে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর উত্সাহ থাকলেও এদের স্বার্থ অনেক ক্ষেত্রেই এমন পরস্পরবিরোধী এবং ক্ষেত্রবিশেষে এদের সম্পর্ক এতে শত্রুতামূলক যে ঘোষিত উদ্দেশ্য অনুযায়ী সার্ক একটি কার্যকর সংস্থা হিসেবে দাঁড়াতে পারেনি এবং এখন একে একটি কাগুজে সংস্থা ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। এদিক দিয়ে বিচার করলে সার্ক সম্মেলনে স্বাক্ষরিত কোনো কনভেনশনের বিশেষ কোনো প্রাসঙ্গিকতা ও কার্যকারিতা নেই। কাজেই ২০০৮ সালে গৃহীত কনভেনশনও যে অকার্যকর হিসেবে পরিত্যক্ত হবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের মধ্যে এ ধরনের সহযোগিতা সম্ভব না হলেও এখন ভারত ও বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিকভাবে তা কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়েছে এবং সেই মর্মেই এটা সদ্য সম্পাদিত তাদের দিল্লি চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর থেকে বোঝা যায়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এখন এমন সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, যাতে মূলত নিরাপত্তাবিষয়ক এই ধরনের একটি চুক্তি দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে প্রথমেই বলা দরকার, নিরাপত্তা ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশের অবস্থা একই রকম নয়। ভারতে যেভাবে এখন কাশ্মীর থেকে নিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আসাম, মণিপুর, ত্রিপুরা, মিজোরাম ইত্যাদি রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার আন্দোলন হচ্ছে এবং তার বাইরেও উত্তর ও মধ্য ভারতে মাওবাদী বিপ্লবীরা সক্রিয় রয়েছে, সে রকম কোনো পরিস্থিতি বাংলাদেশে নেই। এখানে পার্বত্য চট্টগ্রামের কথা এ প্রসঙ্গে সরকার ও শাসক শ্রেণীর বিভিন্ন অংশ যেভাবেই বলুক, সেখানে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন নেই। সেখানে যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন এখন আছে তা দেশের রাজনৈতিক মূল স্রোতের সঙ্গেই সম্পর্কিত।
কাজেই ভারতের মতো কোনো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের নেই। তাছাড়া এখানে বহিঃশত্রুর আক্রমণেরও কোনো সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত, যাকে বাংলাদেশ বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করেই আলোচ্য চুক্তিটি সম্পাদন করেছে। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের এই ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের জন্য এত বড় সেনাবাহিনীরও কোনো প্রয়োজন নেই, দেশ রক্ষাখাতে এত প্রকাণ্ড ব্যয়েরও কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু এরই মধ্যে সামরিক ক্ষেত্রে যে কায়েমী স্বার্থ নিজেকে সংহত ও শক্তিশালী করে রেখেছে তার নিজস্ব তাগিদেই বড় আকারের প্রতিরক্ষা ব্যয়ভার বাংলাদেশের জনগণকে বহন করতে হচ্ছে।
ভারত ও বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের নিয়ে সন্ত্রাস দমন কমিটি গঠনের বিষয়ে ফিরে গিয়ে বলা দরকার, এই ধরনের কোনো কমিটির প্রয়োজন আসলে বাংলাদেশের নেই।
ভারতের প্রয়োজনেই এই চুক্তি স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়েছে। বাস্তব অবস্থা এই যে, এ ধরনের কোনো চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই ভারতের অভ্যন্তরীণ সঙ্কট মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ ভারতকে বড় ধরনের সাহায্য করে আসছে। যৌথ কমিটি না হলেও এ দুই দেশের গোয়েন্দারা এক্ষেত্রে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেই কাজ করছে। বাংলাদেশে ভারতের গোয়েন্দাদের উপস্থিতি ও তত্পরতা কোনো গোপন ব্যাপার নয়, যেমন গোপন ব্যাপার নয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের উপস্থিতি ও তত্পরতা।
ভারতের গোয়েন্দাদের সঙ্গে বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের এই সহযোগিতার সম্পর্ক যদি না থাকত তাহলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো Extradition Treaty বা অপরাধী হস্তান্তরের চুক্তি না থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আসামের উলফা নেতাদের এখানে গ্রেফতার করে ভারতীয় সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দাদের কাছে হস্তান্তর করত না। আসামের উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশের আইনে বিচার করে তাকে কারাগারে আটক রাখার ফলে ভারতের চাপ সত্ত্বেও আইনগত অসুবিধার কারণে তাকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়নি। এরকম অসুবিধার কথা চিন্তা করেই সম্প্রতি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট সরকার উলফার অন্য নেতাদের গ্রেফতারের ঘোষণা না দিয়ে ও তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না করে, তাদের গোপনে ভারত সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে। এই নেতাদের মধ্যে প্রথমে তারা গ্রেফতার ও হস্তান্তর করে শশধর চৌধুরী ও ত্রিভুবন হাজারিকাকে। পরে তারা হস্তান্তর করে উলফার সভাপতি অরবিন্দ রাজখোয়াকে।
ভারতীয় সংবাদপত্রে এসব খবর প্রথমে প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মিথ্যা বলে গ্রেফতার ও হস্তান্তরের কথা অস্বীকার করে। কিন্তু পরবর্তীকালে ভারত সরকার এর সত্যতা স্বীকার করায় বাংলাদেশ সরকারও এটা স্বীকার করতে বাধ্য হয়। এসব থেকেই প্রমাণিত হয়, এ ধরনের পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য কোনো ঘোষিত চুক্তির প্রয়োজন হয় না। গোপনে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে গোপনে অনেক কিছুই হয় এবং এসবই হয় দেশের আইন-কানুনকেও কোনো রকম পরোয়া না করে।
এখন ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশের নিরাপত্তার কথা বলে যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তার সঙ্গে বাংলাদেশের নিরাপত্তার যে কোনো সম্পর্ক নেই, এটা আগেই বলা হয়েছে। একশ?ভাগ ভারতের প্রয়োজনেই এই চুক্তি এভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, আন্তর্জাতিক রীতিনীতি, নিয়মকানুন শিকেয় তুলে রেখে বাংলাদেশ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ভারতের কাছে হস্তান্তর করে এলেও ভারত তাদের দেশে আশ্রয় গ্রহণকারী চিহ্নিত, ঘোষিত, এমনকি শাস্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশী ক্রিমিনালদের বাংলাদেশে হস্তান্তর করেনি। উপরন্তু এই ধরনের ক্রিমিনালরা ভারতকে নিজেদের অভয়ারণ্য হিসেবে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করে এসেছে। তারা অনেকে সেখানে বেশ খোলাখুলিভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বসবাসও করে এসেছে।
এবার যে প্রসঙ্গে আসা দরকার সেটা হলো, এতদিন বাংলাদেশ ভারতের মতো নিরাপত্তাজনিত কোনো সংকটের মধ্যে না থাকলেও এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ এর মধ্যে নিক্ষিপ্ত হবে। ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মিজোরাম, মণিপুর ইত্যাদি রাজ্য বাংলাদেশের নিকটতম ভারতীয় রাজ্য। এই রাজ্যগুলোতে ভারত সরকারের বিরুদ্ধে যে রাজনৈতিক আন্দোলন হচ্ছে এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত যে সহিংসতা দেখা দিচ্ছে তার মোকাবিলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যদি ভারতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার প্রতিক্রিয়া থেকে বাংলাদেশ মুক্ত থাকবে?এটা মনে করার কারণ নেই। ভারত শুধু গোয়েন্দাদের ঐক্যবদ্ধ কাজের মাধ্যমেই যে বাংলাদেশকে জড়িত করবে তা নয়। অন্যভাবেও এর ব্যবস্থা হচ্ছে।
ভারতকে অথবা নেপাল, ভুটান ও চীনকে যদি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ও মঙ্গলা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে দেয় তাতে আপাতদৃষ্টিতে আপত্তির কারণ নেই। কিন্তু কী শর্তে এ বন্দোবস্ত হয় সেটাই এক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়। স্থির হয়েছে, এই বন্দর দুটি থেকে ভারতের ত্রিপুরা, আসাম ইত্যাদিতে ভারি কনটেইনারসহ সব রকম যানবাহন যাওয়া-আসা করতে পারবে। কিন্তু কী ধরনের জিনিস এভাবে বাংলাদেশের এলাকা দিয়ে বহন করে নিয়ে যাওয়া যাবে না তার কোনো উল্লেখ বা শর্ত এর মধ্যে নেই। এ বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক মনোযোগ ও সজাগ দৃষ্টির প্রয়োজন এ কারণে যে, এই ভারি কনটেইনারগুলোতে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে সামরিক সরঞ্জাম বহনের ষোলআনা সম্ভাবনা আছে। যে কারণে বিভিন্ন বাণিজ্যিক জিনিসপত্র এভাবে চট্টগ্রাম ও মংলা থেকে ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্ব ভারতে নেয়া দরকার সেই একই কারণে, অর্থাত্ দূরত্ব ও ব্যয়বহুলতার কারণে, সামরিক সরঞ্জামও সেখানে নেয়া দরকার। যেভাবে এখন ওই অঞ্চলে ভারতীয় সরকার কর্তৃক সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বাংলাদেশ এ কাজের জন্য যদি ভারতকে সহায়তা করে তাতে অবাক হওয়ার মতো কিছু নেই। উপরন্তু বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সরকার এটা তাদের কর্তব্য মনে করতে পারে। এটাই এসব নিরাপত্তা চুক্তির ক্ষেত্রে মহা উদ্বেগের কারণ।
দিল্লিতে যে চুক্তি অনুযায়ী ভারতকে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে দেয়া হবে তাতে সামরিক সরঞ্জাম নেয়া যাবে না? এমন কোনো শর্ত নেই। এ অবস্থায় বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ভারত যদি তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রাজনৈতিক আন্দোলন ও যুদ্ধের সঙ্গে বাংলাদেশকে জড়িয়ে দেয় তাহলে তার পরিণতি বাংলাদেশের জন্য ভয়ঙ্কর হবে। বাংলাদেশের অবস্থা হবে আফগানিস্তানের যুদ্ধে পাকিস্তানের জড়িয়ে পড়ে তাদের নিজেদের সর্বনাশ ডেকে আনার মতো।
যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এভাবে পাকিস্তানকে আফগান যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত করেছে তারা বসে নেই। তারা তাদের মধ্যপ্রাচ্য আগ্রাসনকে দক্ষিণ এশিয়ায় সম্প্রসারিত করার স্ট্র্যাটেজি আগেই তৈরি করেছে। জর্জ ডব্লিউ বুশের পররাষ্ট্র সেক্রেটারি কনডোলিজা রাইস তার এক দিল্লি সফরের সময় বলেছিলেন, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আফগানিস্তানে পরিণত হবে। আসলে তার বলা দরকার ছিল পাকিস্তানে পরিণত হবে। কিন্তু তখন পাকিস্তানের পরিস্থিতি এখনকার মতো এত ঘোরতর না থাকায় তিনি পাকিস্তানের কথা না বলে বলেছিলেন আফগানিস্তানের কথা। কিন্তু সেভাবে বললেও আফগানযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির কথা তিনি যেভাবে বলেছিলেন, তাতে বাংলাদেশের নিজস্ব পরিস্থিতির কারণে যে সেটা অদূর ভবিষ্যতে হওয়ার কোনো সম্ভাবনা ছিল না, এটা বলাই বাহুল্য।
বাংলাদেশ আফগানিস্তান হওয়ার বিষয়ে কনডোলিজা রাইসের বক্তব্যের তাত্পর্য ভালোভাবেই বোঝা যাচ্ছে। বাংলাদেশ যদি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত হয় তাহলে বাংলাদেশের অবস্থান হবে এখনকার পাকিস্তানের মতো। বাংলাদেশ পরিণত হবে একটি পাকিস্তানে, যে পাকিস্তানের হাত থেকে মুক্তির জন্য এখানকার জনগণ যুদ্ধ করেছিল। সে যুদ্ধে ভারত নিজের স্বার্থেই বাংলাদেশকে সাহায্য করেছিল। এখন প্রায় ৪০ বছর পর ভারত এই অঞ্চলে নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশকে যেভাবে ব্যবহার করতে উদ্যোগী হয়েছে, তাতে তাদের কারণেই বাংলাদেশ বিপজ্জনকভাবে পরিণত হবে অন্য এক পাকিস্তানে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



