এই আমি আরও খানিকটা ধ্বসে গেছি পশ্চিমে, আর নদী, তুমি হেসে উঠলে গোপনে, যেনবা এইমাত্র একটি জীবন জেনেছে মৃত্যুর কতটা কাছাকাছি সে ঘুমিয়ে। আজ আবারও আমার অসুস্থ মুখ ফিরিয়ে দিয়েছে আয়না, যখন তোমার জানালায় এখনও থমকে আছে শরতের সেই মেঘ। নিজেকে বলতে পারি না বিধায় এভাবেই জেগে ওঠে মাটির শোক, আর সমুদ্রগর্ভ থেকে বিছানার দিকে ধেয়ে আসে ক্ষুব্ধ-হাঙর, আধখাওয়া লাশ, কুমারী মাতার যোনি অথবা নরখাদকের চোখ। কোন পাহাড় থেকে এভাবে গড়িয়ে গড়িয়ে নেমে যায় বিশাল পাথর? কোন পান্থশালার পাশে পড়ে থাকে ভিখেরির হারিয়ে যাওয়া আধুলি? ঈশ্বরের ঢোল পুনরায় বেজে ওঠে অবুঝ শিশুর পেচ্ছাবে, আর একটু একটু করে আমি মাথা তুলে ধরি উত্তরে।
খুব দৃঢ়ভাবেই তোমাকে চাইছি পরিপূর্ণ রেশ, আজ গর্ভপাতের দিন। ঋতুস্রাবের সমস্ত দিন শেষে শিমুলগাছ জেগেছে। দ্যখো তুলার স্বপ্নে কীভাবে ঢুকে পড়ছে বাতাসের হাসি, পালকের সুখ, খন্ড খন্ড মেঘ। এই আমি ভুলতে ভুলতেই ছেড়ে যাচ্ছি কাঁটাময় পৃথিবী, জরায়ুজ রেশ, যখন জলের গভীর থেকে সমৃদ্ধ মাটিসমেত পুনরায় জেগে উঠছে তোমার নারকীয় পেট...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


