আর কিছুটা পথ, তারপর রাস্তাটি পুনরায় যাবে বেঁকে
অপেক্ষায়মান সাঁকো, যেন আরেকটি ভয় ধাপে ধাপে
একটি দীর্ঘ সন্ধ্যা ও তোমার কথায় পাড় থেকে ফিরে আসা
লক্ষ্য করছি, কিছু কিছু মুখ আপনা-আপনি হয়ে উঠছে সাদা
রাত হয় আর তৃষ্ণা নিয়ে এলিয়ে পড়ি বিছানায়
'তোমার স্তনবৃন্ত থেকে বেরিয়ে আসছে রক্ত'
এই দৃশ্য থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসা, যেন আরেকটি দিন আয়ুহীন থাকা
জামা নয় শরীরে আটকে আছে মুখোশ
অনেক গভীর থেকে বেরিয়ে আসছে অচেনা রোম
এ কোন ধাঁ ধাঁ
নিজেই শক্ত করে বাঁধছি হাত, পা
গুন গুন সুর, ক্ষীণ, বড় ক্ষীণ এই বেঁচে থাকা
তুমি কি ছবি আঁকতে পারো নদী
এই যে আমি আদর সমেত ডুবে যাচ্ছি জলে
আমার নষ্ট চোখ, বিদঘুটে মুখ
তুমি কি সাবলীল আঁকতে পারো চৈত্রের খরা
কারাগার নয়, খোলা প্রান্তরেই আমার বন্দীদশা
অনেক উপরে তুলেছি হাত, যেনবা স্বর্গ ও মেঘ একসাথে ছোঁয়া
নতজানু হলেও ফিরে আসে ঘৃণা
তবু বিশ্বাস, এমন কটু গন্ধ ছড়াতে পারে না প্রাণ
ওহ মোহর, তোমার ধার
কাটতে কাটতে চলে এসেছ সাত সমুদ্র পার
এ কি সত্যি নয়, প্রতিটি সার্থক গন্তব্যে পৌঁছেও ক্ষয়ে যায় চাকা
বেহুশ হৃদয়, এ কোন গাছের নিচে তুমি করছ বসবাস
যেখানে নেই একটি সবুজ পাতা
মরুবন্দীর মতো সমস্ত বোধ আর তোমার মুখের মতো বিভীষিকা
আমার তৃষ্ণা উবে গেছে, ফুরিয়ে গেছে অবশিষ্ট লোভ
একটি রুগ্ন উট অথবা বেপরোয়া স্লেজ, যে কেউ-ই পারে পৌঁছে দিতে ঘর
এমন কল্পনা থেকেও উড়ে যায় পাখি আর দু'একটি পালক ঝরে গেলে নিরালায়
খুব শান্ত স্বরে ডেকে ওঠে প্রাণ
যেনবা নিমগ্ন পৃথিবী আজ গাইবে তুমি অথবা ঈশ্বরের গান
অতপর ভোর হলে আমিও লুকিয়ে নেব ঘ্রাণ
তুমি জেগো না এমন আযানে, করো না ইবাদত-বিলাস
যতই সুষম হোক না কেন রাতের চাষবাদ
প্রতিটি সুন্দর সকাল আমাকে ফিরিয়ে দেয় কলতলার লাশ
২৭.১০.১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


