আমার প্রিয় পোস্ট

সব অভিমান আকাশের চেনা চেনা..

প্রনতি হে বেজন্মার জাত

২৯ শে মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৪:২৩

শেয়ারঃ
0 0 0

মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু সচেতন অপমতদাতার পরিমান এতো হবে আশা করিনি।

তথ্যপ্রমানের কি এতোই অভাব ছিল?
শুধু যুদ্ধের ছবিগুলোই কি যথেস্ট ছিল না হৃদয়ে সামান্য হলেও বোধ জাগানোর জন্য? নিজের স্বত্তা আবিস্কার করতে উৎসাহিত হবার জন্য?
প্রচুর মানুষের জীবনের বদলে একটা দেশ পাওয়া। সেই মুক্তিযুদ্ধ হয়ে গেল গন্ডগোল। মানুষ মরল 3 0 লাখ, 33 বছর পর সেটা হল 3 লাখ, 3 তিন দিন পর হল 3 হাজার, সাথে ক্রুর উপহাস। কেউ "আসত" বোধ নিয়ে সাফাই গাইলেন নিয়ে চাঁদ-তারা আওয়ামের অখন্ডতার পক্ষে। লাল সবুজ পতাকায় গার্ড অব অনার নিল শেয়ালেরা। "অতীত নিয়ে পড়ে থাকা" গন্য হতে শুরু হল নির্বুদ্ধিতা রূপে।

এই যদি হতে থাকে, তবে তাই হোক।

হয়তো বদলাবে "আমার সোনার বাংলা"। হয়তো বদলাবে সবুজের বুকে লাল সূর্য। বদলাবে ইতিহাস।

মুক্তিযুদ্ধ বন্দী থাক হৃদয়ে। ওই গৌরব গাঁথা কারো করুনায় গড়া নয়, সূর্য সন্তানদের দায়িত্ব ছিল দেবার, তারা দিয়ে গেছেন।

বেজন্মার জাত বেঁেচ থাক রক্তের নোনা স্বাদ নিয়ে ।
এখন আর কারোই কিছু আসে যায় না...

আমরা কি সহজেই না সবকিছুতে অভ্যস্ত হতে পারি...

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২৯ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
হাসান বলেছেন: অরূপ ভাইঃ চমৎকার হয়েছে, নির্বোধের বুদ্ধি হোক এই আশা করি।

আরেকটা ব্যাপার, ছবিটা কি পরির্বতন করা যায়। একটু বেশি ভয়াবহ হয়ে গেছে। ধন্যবাদ।
৩. ২৯ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ১০:০৩
উৎস বলেছেন: অরূপ তোমাকে পুরো 30 লাখ ধন্যবাদ। দেখি এবার কে কমায়।
৪. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ১:০৩
অতিথি বলেছেন: অরূপ আগুন হইছে জিনিষটা।
৫. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ১:০৩
অতিথি বলেছেন: অরূপ, অজানা আশংকায় দেশের ভবিষ্যত নিয়ে দুর্ভাবনায় আপনার বুক কেঁপে উঠছে জানি। তবে মনে রাখবেন সংখ্যায় এরা বেশি নয়। একসাথে হুক্কা হুয়া করে উঠলেই শেয়ালের ভয়ে সবাই জঙ্গল ছেড়ে পালায় না। হয়তো আমরা বাকীরা দাড়ি কমা নিয়ে বিরোধে রত এই ফাঁকে ওরা স্বার্থ হাসিল করে যায়। কিন্তু ওদের এসব ষড়যন্ত্র আমাদেরকে একেবারে দেয়ালে ঠেসে ধরে বলেই অরূপ আপনার মত নির্বিরোধ ছেলেটাও ক্রোধে জ্বলে ওঠে। এ তো ব্যক্তিগত বিরোধ নয়। এ আমাদের জাতিসত্ত্বা নিয়ে ঠাট্টা। এ আমাদের শেকড়, আমাদের অস্তিত্ব নিয়ে মশকরা। ব্যক্তিগত অপমান হয়তো অবজ্ঞা করা যায় কিন্তু শহীদদের আত্মত্যাগ নিয়ে এই শেয়ালপনা গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই বোধই আমাদের চিনতে শেখায় কে শত্রু, কোথায় সে ঘাপটি মেরে আছে, কি তাদের উদ্দেশ্য।
আমি জানি অরূপ এসব ধৃষ্টতা কিরকম করে বুকের ভেতরে এসে শেল হয়ে বিঁধে। অসংখ্য সূর্যসন্তানদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন স্বদেশ। তারা তাদের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন আমাদের জন্য। কোথায় ঋণে আজন্ম কৃতজ্ঞ থাকবো। তা নয়, বরং সেই উৎসর্গের উদ্দেশ্য, সংখ্যা, পরিসংখ্যান নিয়ে ব্যঙ্গ করে যাচ্ছে সে দেশের উত্তর প্রজন্ম। শহীদদের রক্তে ভেজা সে মাটির কিছু কুলাঙ্গার। অরূপ আপনার আহত হওয়ারই কথা। আপনি হয়তো অবাকও হয়েছেন। কোনো তথ্য না পাওয়া, শিক্ষার আলো না পাওয়া বঞ্চিত কোনো মানুষ না এরা। বরং শিক্ষা ও আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়া দুলাল-দুলালী যাদের হাতের ডগায় আজ বিশ্বের তাবৎ তথ্য। তারা কেমন অমানবিক নৃশংসতায় নিজ জাতির সোনার সন্তানদের প্রাণ উৎসর্গ নিয়ে তামাশার আসর বসায়।
অরূপ আপনার ক্ষোভ, দু:খ ও কষ্ট হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই অসামান্য সুন্দর লেখায় প্রতি অক্ষরে অক্ষরে তা ফুটেও উঠেছে। অসাধারণ এক বর্ণনায় দ্রোহ, দু:খ, প্রতিবাদ সবই উঠে এসেছে। অরূপ, আপনি কখনও মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি। আপনিও মুক্তিযুদ্ধ উত্তর প্রজন্ম। আমিও মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। আমিও মুক্তিযুদ্ধ উত্তর প্রজন্ম। আমরা আছি। চোখ কান খোলা রেখেই আছি আমরা এদেশের অতন্দ্র প্রহরী হয়ে। আশংকার কোনো কারণ নেই। পরাজিত বেজন্মাদের বিলাপ আর ভেল্কিবাজি আর যা পারুক আমাদের স্বাধীনতার গায়ে একটি আঁচড়ও বসাতে পারবে না। আমরা শান্তিপ্রিয় বলে আমরা ক্ষমাশীল বলে ওরা যে ব্যাঙ-লাফের সুযোগ পেয়ে যায় তার স্থায়িত্ব খুব একটা দীর্ঘ হবে না। এই যে আপনি প্রতিবাদে সোচ্চার হলেন, সংকটে আমরা আরো তীব্র ভঙ্গিতে ঝলসে উঠবো। আমরা একত্রিত হবো প্রতিবাদে আর তাদের এইসব চাঁদ-তারা খোয়াব ছুঁড়ে দেবো বঙ্গোসাগরের জলে। অরূপ, সাময়িক অন্ধকারটাই শেষ কথা নয়। আমাদের জন্য রয়েছে আরো আলোকউজ্জ্বল ভোর। আপনার দৃপ্ত উচ্চারণই তা বলে দেয়। আরো শত লক্ষ সহযোদ্ধা আছে আপনার। তাদেরও পাবেন আপনার সাথে, কণ্ঠ মিলাতে:

"হাল ছেড়ো না বন্ধু, বরং কণ্ঠ ছাড়ো জোরে...
দেখা হবে তোমার আমার অন্য রাতের ভোরে....
৭. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ২:০৩
অতিথি বলেছেন: অরুপদা, সর্বদা আপনি হ্যাট্স অফ করেণ, আজ আমি আপনাকে হ্যাট্স অফ করছি। আমাদের তো গর্ব করার ওই একটাই জিনিষ আছে, সেটাতেও যদি হিংস্র শকুণের থাবা এসে পড়ে তাহলে কি থাকলো? তবে বাঙালী আমরা, সহ্যের সীমা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে কাউকেই রেহাই দেব না, আগেও যেমন দেইনি। বাংলা মায়ের করুণ কান্না, শত ছিন্ন অাঁচলে তার সিক্ত নয়ন মোছা, আর কতদিন দেখবে বাঙালী? অাঁধার তো কাটবেই, ভোর তো হবেই, সেদিন সূর্যের প্রথম আলোর দ্্বিপ্তীতে বীর বাঙালী আবারো পঁ্যাদিয়ে বিদেয় করবে মায়ের চোখে জল ঝরানো কুলাঙ্গারদের...। শান্ত মায়ের মলিন বুকের উপর দিয়ে জলপাই রঙের ট্যাংক চালানো পশুরা আজ পাজেরো করে ঘুরে বেড়ায়, এই বাঙালীর কষ্টের উপার্জনে...। কতদিন আর!.... আর কতদিন খেলে যাবি শয়তান শকুনের দল?
৮. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: "কেউ "আস্ত" বোধ নিয়ে সাফাই গাইলেন চাঁদতারা খচিত অখন্ড আওয়ামের পক্ষে"-- কথাটা আমাকে বললেন নাকি? শুনে সেরকমই মনে হল। ভুল বুঝে থাকলে ক্ষমা চাইছি। তবে অরূপ ভাই, আমি একবারও অখন্ড পাকিস্তানের পক্ষে সাফাই গাই নি। বাংলাদেশ এখন স্বাধীন দেশ, 35 বছর আগে স্বাধীন হয়েছে। এখন দেশের সীমানা নিয়ে প্রশ্ন তোলা, বৈধতা অবৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বাজে ব্যপার... অর্থহীনেরও অর্থহীন। ধৃষ্টতা। আমি সেই কাজ করিনি কখনও, করবও না।
আপনি প্রথম লাইনে বললেন, মতভেদ থাকতেই পারে... পরে কিন্তু 30 লাখ নিয়ে মতভেদটাকে জুতোপেটা করলেন।
"অতীত নিয়ে পড়ে থাকা" নির্বুদ্ধিতাই, যদি না অতীতের অ্যাচিভমেন্ট সুন্দর ভবিষ্যত আনার কাজে সাহায্য করে। স্বীকার তো করবেন, কেউ সারা জীবন খেটেখুটে পড়াশোনা করে পড়াশোনার শেষে সব সার্টিফিকেট আর গোলডমেডেল বাঁধিয়ে সারাদিন সেগুলো দেখলে তার পড়াশোনাই বৃথা। তখনই তার পড়াশোনা "কাজের" বলে গন্য হবে যখন সেগুলো সে ভাল কাজে ব্যবহার করবে।
আমার প্রথম পোস্ট দিয়ে সব বিতর্ক শুরু হয়েছে। আবার পড়ে দেখেন পোস্টটা। আমার তিনটা প্রধান দাবী ছিল:
1. ইতিহাসকে সুষ্ঠু, সুন্দর, বৈজ্ঞানিক পন্থায় আমাদের সামনে উপস্থিত করা হোক, দলমত ভেদে... মতভেদ গুলো ঢাকা না দিয়ে খুলে ধরা হোক।
2. আমাদের "সামনে পিছনে" তাকানোর মধ্যে ভারসম্য আসুক। সামনে আগাতে হলে নিজের অতীতকে জানতেই হবে। অতীত ছাড়া কেউ সম্পূর্ন না। কিন্তু আমাদের আর সামনে আগানো হয়ে উঠছে না।
3. মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে ব্যবহার বন্ধ করা হোক। এই ব্যপারটা বিচ্ছিরি। এটাই আমাদের মত নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করে ফেলছে, অনীহা এনে দিচ্ছি।
৯. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:০৩
অতিথি বলেছেন: অরূপ,
ভাষাহীনা ভাষার বেদনা বোধ করছি আপনাকে ধন্যবাদ দিতে গিয়ে। কম হবে অনেক। তবে হাতেনাতে ফল তো পেলেন, ঠিক গিয়ে লেগেছে যেখানে যতোটুকু লাগার!!! হা হা হা হা....আপনি নমস্য।
শুভ কামনা...আরও লেখা চাই...এটা আব্দার নয়, অর্ডারলি রিকোয়েস্ট।
১০. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: না রাসেল..ভদ্রলোক এতক্ষণ কচু ক্ষেতেই ছিলেন ....কুরকুরানি সইতে না পাইরা বাইর হইছেন..
১১. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: অরূপ না জেনে মানুষকে যারা বেজন্মা ডাকে তারাই আসলে বড় বেজন্মা। নিজামীর গাড়িতে পতাকা দেখে গা জলে তাইনা। নিজামীকে দেশের জনগন কেন ক্ষমতায় নিয়ে গেলো তাহলে কি জনগনও বেজন্মা অরূপ? আপনিই প্রকৃত বেজন্মা।
১২. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: আপনাকে তো কেউ বেজন্মা ডাকে কি, আপনি অযথা বিনা আমন্ত্রনের অতিথির মতো বৈঠক খানায় ঢুকে শোরগোল তুলেন কেনো??
আপনার কি অন্য কোনো বিশেষন জানা আছে মইত্যা হারামজাদার জন্য, থাকলে বলেন আমরা বিবেচনা করে দেখবো।আর যারা মইত্যারে ভোট দিছে তারা সবাইতো এই খানে যারা মইত্যা নিয়ে কাইজ্যা করতাছে তাগোর মতোই,
আইছেন খোঁয়ার থেইক্যা ছাড়া পাইয়াই।
যান গিয়া কচু েক্ষতে কচু খান, কিংবা কাদায় গড়াগড়ি দেন।
১৩. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
অতিথি বলেছেন: বড় কোন আনন্দ মিছিল দেখলে, অেনক হাসি মুখ দেখলে, বা অন্যায়ের প্রতিবাদ হচ্ছে দেখলে নিজের অজান্তে ভাল লাগায় চোখদুটো ভিজে উঠে। আপনার লিখা পড়ে আমার তাই হয়েছে। নিজের মনের ক্ষোবটা যেন বেড়িয়ে আসছে। অসাধারন ।
১৪. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: ভাই, ভুল হইলে ক্ষমা চেয়ে নিবেন @ অরূপ...
আপনার মায়ের ভাষাটা দারুন... বিশেষ করে শিরোনামে যেটা দিয়েছেন...

আমরা উন্নতি করবো না কেন বলেন... ভাষা জ্ঞান থেকে শুরু করে... সব ধরনের ন্যাক্কর জনক ঘটনায় আমরা এগিয়ে...

কাজ পান না...? এত বয়স হয়েছে... বুঝেন না... কোথায় কোন শব্দ ব্যবহার করতে হয়... বেজ??? শব্দটায় যাদের প্রতি ব্যবহার করছেন... তারাওতো আপনাকে প্রশ্ন করতে পারে- সেই একই প্রশ্ন... আপনার উত্তর কি হবে? আপনার মা কি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত... !!!

একটা সংখ্যা নিয়ে কতই না মাতম করতাছেন আপনারা... এত কচকানির দরকার কি? আপনার মতবাদ নিয়েতো আর দেশ চলবে না... 3 লক্ষ নাকি 30 লক্ষ... সেটা বই পত্রর ঘাটলেই পাইয়া যাইবেন... যারা 3 লক্ষ বিশ্বাস করে তাদের প্রতি করুনা হয়...
১৫. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: আর আপনার প্রতি করুনা করার কোনো প্রশ্নই আসছে না।

আপনি করুনা করারও অনেক উপরের মানুষ।

নতুন পোষ্টে আমার চৌদ্দগোষ্টির রেসিপি রন্দন করবেন জানি... সেটা আপনার ব্যাপার। একেক মানুষের রুচিবোধ একেক রকম। ফ্যামিলি থেকে যে শিক্ষা পায়, সে শিক্ষাই মানুষ উগড়ে যায়। আমি তেমন কোনো মন্তব্য করবো না তাতে... একেক মানুষের রুচিবোধের কথা বললাম না... :)

তো ভালো থাকেন... সংখ্যা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন...
১৬. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: শর্মী, শুভ্ররে একটু অনুগ্রহ করেন প্লিজ, বেচারা তো গলা শুকাইয়া ফেলল! অরূপ-বুকের মধ্যে এত ছাই চাপা আগুন! উগড়ে দেন, আরো উগড়ে দেন
১৭. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১:০৩
মুড়িওয়ালা বলেছেন: মাটিতে থাপপড় দিলে নাকি পাপী কাইপপা উঠে। বেজন্মা শুইনা কয়েকজন দেখি হেভী ক্ষেইপা গেল। ঘটনাডা কি ?
১৮. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১:০৩
অতিথি বলেছেন: অরুপ, পুরো বোম্ব শেল মারলে দেখি !!! বেঁেচ থাকো বাপ!
১৯. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: অনেকের আগের সীল মুইছা গেছে, নতুন কইরা সীল মারতে আইছে
২০. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: আহ হা অরূপ আপনি পারলেন ওদেরকে বেজন্মা বলতে!!! আপনি কি শিখেননি যে "কানা কে কানা বলিও না। খোড়া কে খোড়া বলিও না। বেজন্মাকে ....." ওদের কত কষ্ট হয়েছে আপনার লেখা পড়ে, আহহা....
২১. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: প্রণতি গ্রহণ করতে কয়েকটা বেজু এগিয়ে এলো দেখি।
২২. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
অতিথি বলেছেন: কারো সাহস হয় নাই... নামগুলো উচ্চারন করতে!!! বাঙালী...!!! এরাই বাঙালী।

মানুষকে যারা বেজ...? বলতে বাধছে না তারাইতো ওদেরই ঘরের নতুন বেজ...? কারন তাদের মান সম্মানবোধ কতটুকু তা অরূপের পক্ষের সমর্থনে বুঝা যাচ্ছে।

শেহরীন পুরনো শেখা বুলি আর কতকাল??? আপনি সেই শ্রেণীর পক্ষপাতিত্ব করতে এসেছেন? স্বজাতী হলেতো সম্বোধনটা আপনারও গায়ে বাঝার কথা না...

কারন আপনাদের শুনতে শুনতে তা সহ্য হয়ে গেছে...।

বাধবে তাদেরই যাদের আত্ম সম্মান বোধ আপনাদের অনেক বেশি...
২৩. ৩০ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ৮:০৩
মাশীদ বলেছেন: অপু, অসাধারণ পোস্ট। I'm proud of you. তোমার সাথে সবসময় ছিলাম, আছি এবং থাকব।

আরেকটা কারণে এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। মাঝে মাঝে পোকা-মাকড়দের funny comment দেখতে খুবই মজা লাগে।
২৪. ৩১ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: কেন খামাখা চাচাকে স্মরণ করছেন দাদা?
২৫. ৩১ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সিংহের চামড়া পড়িয়া গর্দভ ডাকে, আওয়াজটা তবুও অ্যাউউউ অ্যাউউই শোনায়
২৬. ৩১ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
দাদা বলেছেন: অরূপ এবং অন্য যারা তাকে সমর্থন করলো তারা সবাই হারামজাদা।
২৭. ৩১ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: সাম্যবাদী গর্ভস্রাব উপচে পড়ে দারুন দ্রোহে
নিজস্ব জন্মবৃত্তান্ত শুনায় হেসে হসে
উদোম শুয়ে থাকে , জননীকে বলৎকার শেষে
অরূপরে ব্লগে এসে মন্তব্য রেখে যায় পরম আগ্রহে।
২৮. ৩১ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
দাদা বলেছেন: অরূপ অবশ্য যেখানে কাজ করে সবাই বলে সে নাকি হারামজাদা।
২৯. ৩১ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: অরূপ কারো নাম ধরে কিছু বলে নি, কিন্তু কি এক অমোঘ টানে অনেকে এসে অরূপকে বকে। তবে কি তারা সত্যিই সেই নোনাস্বাদলোভী বেজন্মার দলভুক্ত?

ভাবি।
৩০. ৩১ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: মুখফোড় তোমার তো ভাবার কথা না। তোমাদের পুরোপুরি জানার কথা। তোমরা ভূক্তভোগী।

বাকীরা যারা বিপক্ষে তাদের শব্দটা শুনতে বাঁধে। কারন তারা ভূক্তভোগী না। মানুষকে নোংরা ভাষায় সম্বোধন তারা ভালোবাসেন না।

রাসেল কবিতা এখানে ছাপানোর আগে পরিবারের সবাইকে দিয়ে সেনসর করাবা। তারা যদি সম্মতি দেয়... কিছু বলার নাই। আমার সন্দেহ আছে তারা তোামর বেশির ভাগ লেখা ফিলটার করতে রাজি হবে কিনা...
৩১. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৮:০৪
রাবাব বলেছেন: হুর! আপনি আপনার মত চালায় যান অরূপ ভাই। আজাইরা পাবলিকের জন্য সময় নস্ট না করে। লন একখান গান ধরেন। :-D
৩২. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৮:০৪
উৎস বলেছেন: অরুপ, দু-চার জনের কথায় মনক্ষুন্ন না হয়ে লেখা চালিয়ে যাওয়াই উচিত হবে।
৩৩. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৪
হাসান বলেছেন: হায় রে পাগল! এমন জায়গায় খোঁচা দিছে, সব বেড়িয়ে পড়েছে। একে একে সবার রং চেনা যায়, যতই বর্ণচোরা হয়ে আমাদের মাঝে লুকিয়ে থাকুক না কেন। দেশপ্রেমিকদের(রাজাকার) ছানাপোনা আজ কিলবিল করে, চোরের মায়ের বড় গলা।
৩৪. ০৮ ই জুন, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৬
অতিথি বলেছেন: হুমমম অরূপের অনুপস্থিতিতে হঠাৎ এই পুরানা পোস্টটা মনে পড়লো ।
৩৫. ১০ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৫:০৬
কনফুসিয়াস বলেছেন: এই ব্লগের ওয়ান অব দ্য বেস্ট পোষ্ট।
৩৭. ১০ ই জুন, ২০০৬ সকাল ৭:০৬
অতিথি বলেছেন: অরূপ আর শোহেইল ভাইকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে অভিন্দন। এখন থেকে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে যাতে অন্তত আমাদের (আগত বা অনাগত) সন্তানরা এরকম বেজন্মা হিসাবে গড়ে না উঠে।
৩৮. ১০ ই জুন, ২০০৬ সকাল ৮:০৬
অতিথি বলেছেন: অরূপ চমৎকার লিখেছেন। একদম মনের কথা লিখেছেন। আপনাকে সহস্র ধন্যবাদ।

সম্পূরক মন্তব্যঃ তেলাপোকা যদি কোন ঔষুধে কাজ না করে তবে তো মহা দুঃসংবাদ - পায়ের তলায় পিষে মরতে হবে। আমার মনে হয় আপনার দেশপ্রেম নিয়ে এখন সংগতভাবেই প্রশ্ন তোলা যায়। স্বাধীনতা নিয়ে আপনার মন্তব্য ও লেখা কোনটাতেই দেশ প্রেম নেই।
৪০. ০৮ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৯
আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: আজ আবার পড়লাম। অসাধারণ সেই পোস্ট!
৪৬. ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩
অরূপ বলেছেন: এই পোস্ট এখনও পড়ে লোকে?
৪৭. ০৮ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
কানা বাবা বলেছেন:
ইয়াপ্প...
পড়ে অহনতুরি কেউ কেউ...
আরু ম্যালাদিন পোর্বো, লিচ্চিৎ থাহেন...
৪৯. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:২৪
তামিম ইরফান বলেছেন: এমন পোষ্ট কয়দিন পরপর ঠেলা দেওয়া দরকার।
৫০. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৮
কানা বাবা বলেছেন:
ঠিক্ কৈচেন, তামিম...
৫১. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০৩
কঁাকন বলেছেন: বেজন্মার জাত বেঁেচ থাক রক্তের নোনা স্বাদ নিয়ে ।
এখন আর কারোই কিছু আসে যায় না...

৫২. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
'লেনিন' বলেছেন: সাতটি সাগর লাল করে দে
যারা সব তোদের অমত
তাদেরই রক্তে..................

আমার প্রথম কবিতার শেষ তিনটি লাইন।
৫৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৪
কানা বাবা বলেছেন:
পোর্ফাইল ফুটুক চেইঞ্জড!

 

মোট সময় লেগেছে ১.৫০৪৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার লেখা যেখানে থাকে,
http://etongbtong.blogspot.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ