রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী, মানবতা বিরোধী ইত্যাদি বিষয়ে একটু কথা বলতে চাই। গ্রাম্য এলাকায় একটা কথা প্রচলন আছে। সামনের লাঙ্গল যে দিক দিয়ে যায় তার পাশ দিয়ে পিছনের লাঙ্গল যায়।
বর্তমানে আমরা কি দেখছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে। এটা খুবই ভাল কথা। প্রথম বার যখন বাআল ক্ষমতায় গেল তখন করলনা কেন? তখনতো রাজাকারদের বয়স কম ছিল। বিচারটা তখন করলে আরো ভাল হত।
আমার নানা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি নামে নয় ময়দানে যুদ্ধ করে মুক্তিযোদ্ধা। আমি একজন যুদ্ধাপরাধীর কথা বলছি। যিনি ৭১ এ ছাত্রলীগ করত। তিনি মুক্তিযোদ্ধা নন আবার তাদের বিরোধীতাও করেননি। তারপর জাসদ করলেন কিছুদিন। তারপর ১৯৮৪ সালে জামায়াতে যোগ দিয়ে কয়েকবার জামায়াতের হয়ে এমপিও নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এখন যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় আছেন।
এটা আমার কথা নয়। তার গ্রামের লোকের কথা। একজন মুক্তিযোদ্ধার কথা। গাজী নজরুল মুক্তিযোদ্ধা করেনি বা তাদের বিরোধিতাও করেনি। সে তখন ছাত্রলীগ করত।
তাহলে গোয়েন্দা সংস্থা তার নামে এখন যুদ্ধাপরাধ কেমন করে খুজে পেল। এটাতো আমার এলাকার কথা এজন্য আমি জানি। কিন্তু আরো যারা আছে তারা তো আমার এলাকার না আমি তাদের কথা জানিনা। তবে আমার মনে হয় সবগুলো এভাবে সাজিয়ে নাটক মঞ্চায়ন করা হচ্ছে।
তবে এটাক করা কি ঠিক ? সে এখন জামায়াত করে এজন্য সে যুদ্ধাপরাধী। তার এলাকার সকলেই জানে তখন সে কি করত।
কিন্তু যারা যুদ্ধাপরাধী খোজার দায়িত্বে আছেন তারা জানেন না। এটা খুবই দুঃখজনক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




