গোলাম আহমদ কাদিয়ানী ও তার অনুসারীগন
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০৫
কাদিয়ান প্রদেশে জন্মগ্রহন করা গোলাম আহমদ নামের লোকটি একসময় জনপ্রিয়তা পায় গোলাম আহমদ কাদিয়ানী নামে। এ কারনে তার অনুসারীদের কখনো কখনো কাদিয়ানী নামেও ডাকা হয়।
গোলাম আহমদ কাদিয়ানী সাহেব একটি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন ও ধর্ম বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন। জীবনের ধাপে ধাপে তিনি বিভিন্ন দাবী করে নিজেকে ধর্মীয় উচ্চাসনে আসীন করেন। প্রথমে মুজাদ্দেদ, তারপরে ইসা মসীহ, তারও পরে ইমাম মাহদী, এবং সবশেষে যুগের নবী হিসেবে আসীন হন।
তার মৃত্যুর পরে তার অনুসারীরা নবুয়তের প্রশ্নে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যায়। একপক্ষ তার সব দাবীকে বহাল রাখে। এরা "আহমদিয়া মুসলিম কম্যুনিটি" নামে পরিচালিত হয়। আরেকভাগ গোলাম আহমদের নবুয়তের দাবী বাদ দিয়ে আর সব দাবী বহাল রেখে "আহমদিয়া মুসলিম জামাত" নামে পরিচিত হয়।
[link|http://en.wikipedia.org/wiki/Ahmadiyya|DBwKwcwWqv
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:০৭
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ আশার আলো.... তথ্যবহুল পোষ্ট...
অতিথি বলেছেন:
কাদিয়ানীদের সম্পর্কে উইকিপিডিয়ার লিংকের তথ্য পড়ার অনুরোধ সবাইকে। আর কাদিয়ানীরা নিজেদের আহমদিয়া বলে থাকে তাদের মুজাদ্দিদ/নবী "গোলাম আহমদ কাদিয়ানী" নাম থেকে, হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর "আহমদ" নাম থেকে নয়। কোন ব্লগার যেন একটু বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলো।
অতিথি বলেছেন:
এগুলো পড়া ছিল, রিভিশন হয়ে গেল। ম্যালকম এক্স পড়ছিলাম, ন্যাশন অফ ইসলাম সম্পর্কে বেশ ভালো রকমের ভিতরের তথ্য জানলাম। এগুলো আসলে মানুষের পড়া দরকার। তবে এই জানাটা দিয়ে মানুষ কি করবে সেটা একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
হারাধন বলেছেন:
আসতমেয়ে ভালো কথা। ঐ ব্যাপারে আপনি আর আলোচনাই করেননি।ম ্যালকম-এক্স সম্পর্কে লেখা গুলো পড়লাম। এখন কিছু প্রশ্ন? ম্যালকম-এক্স একজন দাগী আসামী এবং আমেরিকান কারগিার কতৃপ ম্যালকম-এক্সকে সমস্ত রকম মানবাধিকার সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন যাতে তিনি উনার কতকর্মর শাস্তি ভোগ করার পরে সম্মানৈর সাথে সমাজে ফিরে যেতে পারেন। ব্যপিারঠি কি সম্বভ হতো আস্তমেয়ের শরীয়া আইনে। ম্যালকম-এক্স কে হয়তো দোররা মারা হতো,কিংবা হাত কাটা হতো। আর শেষ হয়তো গলা কাটা হতো শেষৈ। যদি আমি মেনে নেই ম্যালকম-এক্স এর মহাত্ব তা কিন্ত ইসলামের দান নয়। দান আমেরিকার কারাগার ব্যবসহার। ঐশলামিক আইনে তিনি হয়তো হারিয়ে যেতেন এক হাত কাটা ভিখারী হিসাবে।
ম ্যালকম-এক্স সম্পর্কে লেখা গুলো পড়লাম
আপনার প্রথম যুক্তি সারা পৃথিবীতে দাসত্ব ছিল আর আরবে এখনো আছে। সর্বপ্রথম সমান অধিকার দিয়েছো আমেরিকার সংবিধান। আমেরিকার সংবিধান সকলকেই সমান সুযোগ দেয়, ব্যবহার করা ব্যাক্তিগত ইচ্ছা। আপনার
ম ্যালকম-এক্স যখন গাজা খৈয়েছেন তখন অনেক কালো আমেরিকান সমাজকেএগিয়ে নিয়ে গেছেন। অনেক সাদা আমেরিকান হারিয়ে গেছেন।কারন এই সমাজে ব্যাক্তিগত দায়িতব বেশী।
জানা মতে আমৈরিকা এখনকার চেয়ে সফল ছিল,তাই মসলিম শাসন ব্যবসহা হাত নিশ্চয় কাটা যেতো। আর সাদা মেয়ের সম্পর্ক, এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে,কেনন িআমেরিকান আইন ব্যবসহা সমপুর্ন স্বাধীন। সুপ্রীম কোর্টের যুগান্তকারী রায়গুলোএসেছে 60 এবং 70 দশকে।ঐশলামিক রাষেট্র কি বিচ্ছিনি্ন অপরাধী অপরাধ করেনা ,যদি না করত তাহলে আর বেহেশতর দরকার কি। আইন যদিহয় ভালো সময়ে হাত কাটা তহিলে আপনরি হিরোর হাত কাটা যেতো। ঐশলামিক আইন সেদিক দিয়ে সফল।
জনাবা আপনাকে ব্যাক্তিগত আক্রমন করিনি কটা করিনি। আপনি কেন করছেন। সতেরো বছর থেকে আমেরিকাতে আছি। আন্ডার গ্র্যাজুয়েট এবং গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী করেছি। নিয়েছি পেশার দরকারী সমস্ত সাটিফেকেশন। তাই মনে হয় আপনার আক্রমনটি একটু বেশী ব্যিিক্তগত হয়ৈ গেলো। সে যাকগে। আমেরিকার সমাজে ন্যায় অন্যায়ের চেয়ে অনেক বেশী। সমস্যা আ েজ এবং তা ব্যাক্তিগত দায়িত্ববোধের অভাবেসমাজের করিনে নয়।এইসমাজে যদি আমি ওপরে উঠে আসতে পারি, তাহলে বিশ্বাস করুন সযোগ অনেক বৈশী। ব্যর্থ্যতার জন্য সমাজকেদেষি না দিয়ে ব্যাক্তিগত দায়িত্ব পাল করুন।ম্যালকম এক্সর সময় কেিল িগর্ভনর হয়ৈছেন এবং অনেকেই এগিয়ে গেছেন।
জনাবা পড়লাম আপনার উত্তর।
অষ্ট্রেলিয়া সমর্পকে যতখানি জানি সাদা মনিুষগুলো একই ভাবে জহিাজের খোলসে এসৈছিল । আপনারা ব্যাক্তিগত খবরে আগ্রহ প্রকাশ করছিনা। প্রাসঙিক বক্তব্য দিন। আমেরিকার কালোরা অনেক এগিয়েছৈ গত কয়েক দশকে। কৃতিত্ব যাবে ষাটের দশকের আনেদালন মাটিন লুথার কিংকিংবা আলবামার বাস বয়কট এর রোসা পার্কের। সততর দশকের সামাজিক পরিবর্তন এনফোর্সড বাই ইউ এস সুপ্রিম কোর্ট বিশাল অবদান রেখেছে। কেনেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস রেখেছে বিশাল ভুমিকা ।সকল প েএকএ্র কাজ করেছেন,আপনার হিরো ছাড়া। ধর্মের নামে তিনি সমাজকেদই ভাগে ভাগ করেছেন। সে যাকগে। প্রশ্ন রইশ আবার জানা মতে আমৈরিকা এখনকার চেয়ে সফল ছিল,তাই মসলিম শাসন ব্যবসহা হাত নিশ্চয় কাটা যেতো। আর সাদা মেয়ের সম্পর্ক, এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে,কেনন িআমেরিকান আইন ব্যবসহা সমপুর্ন স্বাধীন। সুপ্রীম কোর্টের যুগান্তকারী রায়গুলোএসেছে 60 এবং 70 দশকে।ঐশলামিক রাষেট্র কি বিচ্ছিনি্ন অপরাধী অপরাধ করেনা ,যদি না করত তাহলে আর বেহেশতর দরকার কি। আইন যদিহয় ভালো সময়ে হাত কাটা তহিলে আপনরি হিরোর হাত কাটা যেতো। ঐশলামিক আইন সেদিক দিয়ে সফল।
বিয়া পাগল
এই ব্লগ বেশী সিরিয়াস হইয়া গ্যাছে। সারান ধম্ম আর রাজনীতি। ভাই শকল আমি 4খান বিয় িকরতে চাই। আমি বেকার তয় বাপের ট্যাকা আছে অনেক। বুইরা মরলে আমি পামু। 4 বউয়ের চাইরখান বাড়ি আর 8 খান গাড়ী দিবার ফারুম।
দিএেকবরি কইরা আরশ কাপাইতো পারুম। মহব্বত সমান েদিতে ফারমু কুনও অসুবিধা নইি। মিিন ইজ নো প্রবলেম। ভালেভাশা ভইরা দিতে ফারমুএখ ন বলৈগর মাওলানা আলহুমদলি্লাহ বলেন তয় আমি চাইরবার গাড়াইতে রাজি । সমানে গারামু.আর সমানে ছেদামু। দোওয়া চাই মাওলানা তিন হাতী। আমারটঅিবশ্য পাচ হাতী।আরশ কাপাও
ভাই সকল। বিয়ার তো সময় লাগব।মাওলানা তিন হাতী এন বল্গে নাই। ধম্মে তো দাসি লাগানো জায়েজ। আপনার িঅনুমতি দিলে একট হইয় িআসতাম। মানি ইজ নো প্রবলেম।

একবার মূর্খ বলছেন, আরেকবার বুদ্্বিবৃত্তি নিয়ে কটা করছেন। অনুরোধ রাখছি ব্যাকিতগত আক্রমন পরিহারে। কেননা তা অনুৎপাদনশীল এবং তুলনামূলক দূর্বল কযুক্তির পরিচায়ক। স্ববিরোধী যুক্তি দিতে চায়নি। বলতে চাই আমেরিকা বর্নবৈষম্য এবং সামাজিক বৈষম্যর পরিবর্তন ঘটিয়েছে তার সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে।ইতিহাস পযালোচনা করলে দেখা যাবে ,কৃতিত্বআব্রাহাম লিক্নন দাস প্রথ িউঠিয়ে দেয়ার জন্য আর নেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস সামাজিক পরিবর্তনের এে তৈরির জন্য। আন্দোলনের কৃতিত্ব যাবে মাটিন লুথার কিং বা রোসা পার্কের াছে। সাংবিধানিক পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা দিয়েছে ইউ এস সুপ্রিম কোট
একবার মূর্খ বলছেন, আরেকবার বুদ্্বিবৃত্তি নিয়ে কটা করছেন। অনুরোধ রাখছি ব্যাকিতগত আক্রমন পরিহারে। কেননা তা অনুৎপাদনশীল এবং তুলনামূলক দূর্বল কযুক্তির পরিচায়ক। স্ববিরোধী যুক্তি দিতে চায়নি। বলতে চাই আমেরিকা বর্নবৈষম্য এবং সামাজিক বৈষম্যর পরিবর্তন ঘটিয়েছে তার সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে।ইতিহাস পযালোচনা করলে দেখা যাবে ,কৃতিত্বআব্রাহাম লিক্নন দাস প্রথ িউঠিয়ে দেয়ার জন্য আর নেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস সামাজিক পরিবর্তনের এে তৈরির জন্য। আন্দোলনের কৃতিত্ব যাবে মাটিন লুথার কিং বা রোসা পার্কের াছে। সাংবিধানিক পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা দিয়েছে ইউ এস সুপ্রিম কোট।ম ্যালকম-এক্স র ভমিকা খুবই কম এবং প্রশনবিদ্্ব ঐতিহাসিকদের কাছে। তিনি ধর্মের নামে পরিবর্তন আনতে যেয়ে বিছিছন্নকরেছেন মুল আন্দোলনকে। উসকে দিয়েছেন ব্লল্যাক প্যানহরি জাতীয় দলগুলোকে।চরমপনিহ আনেদালনখে বেগবান করেছেন। ফল হয়েছে যে সামাজিক পরিবর্তন বাধা প্রাপ্ত হয়েছে। উনার ধর্ম
একবার মূর্খ বলছেন, আরেকবার বুদ্্বিবৃত্তি নিয়ে কটা করছেন। অনুরোধ রাখছি ব্যাকিতগত আক্রমন পরিহারে। কেননা তা অনুৎপাদনশীল এবং তুলনামূলক দূর্বল কযুক্তির পরিচায়ক। স্ববিরোধী যুক্তি দিতে চায়নি। বলতে চাই আমেরিকা বর্নবৈষম্য এবং সামাজিক বৈষম্যর পরিবর্তন ঘটিয়েছে তার সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে।ইতিহাস পযালোচনা করলে দেখা যাবে ,কৃতিত্বআব্রাহাম লিক্নন দাস প্রথ িউঠিয়ে দেয়ার জন্য আর নেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস সামাজিক পরিবর্তনের এে তৈরির জন্য। আন্দোলনের কৃতিত্ব যাবে মাটিন লুথার কিং বা রোসা পার্কের াছে। সাংবিধানিক পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা দিয়েছে ইউ এস সুপ্রিম কোট।ম ্যালকম-এক্স র ভমিকা খুবই কম এবং প্রশনবিদ্্ব ঐতিহাসিকদের কাছে। তিনি ধর্মের নামে পরিবর্তন আনতে যেয়ে বিছিছন্নকরেছেন মুল আন্দোলনকে। উসকে দিয়েছেন ব্লল্যাক প্যানহরি জাতীয় দলগুলোকে।চরমপনিহ আনেদালনখে বেগবান করেছেন। ফল হয়েছে যে সামাজিক পরিবর্তন বাধা প্রাপ্ত হয়েছে। উনার ধর্মযইি হোক আমেরিকার পরিবতর্নে ম ্যালকম-এক্স র ভূমিকা খুবই কম এবং কোন কোন ঐতিহাসিক ওনাকে চরমপনিহ বলবেন। আরও জানাচিছ কালো কমুনিটি ম ্যালকম-এক্স কে তাদের এাতা মনে না করে , মূল সমস্যা থেকে ডিসট্রকিশন মনে করে।। আইন যদিহয় ভালো সময়ে হাত কাটা তহিলে আপনরি হিরোর হাত কাটা যেতো। ঐশলামিক আইন সেদিক দিয়ে সফল।
অতিথি বলেছেন:
একজন মুসলমান কিভাবে কাদিয়ানীদের পক্ষে গুন গান গায় আমার মাথায় ঢুকে না.... সবার সচেতন থাকা উচিত এদের ব্যাপারে....আমি আজ সাদিক মোহাম্মদের পোষ্টে এতই অবাক হয়েছি যে কি লিখবো বুঝে উঠতে পারিনি বেশ কিছুক্ষন... অনেক দিন পর এত অবাক হয়েছি....
অতিথি বলেছেন:
হারাধনই তাহলে বোকারাম? বাহ ভালো তো।
অতিথি বলেছেন:
আশার আলো হারাধনের এই মন্তব্যটি মুছে দিন তো...এবং হারাধন আপনাকে শেষ বারের মত বলছি.. আমাদের নিজেদের ধর্মীয় এই ইসু্যর মাঝখানে আপনি দয়া করে আসবেন না... আপনি আপনার নিজের ধর্ম নিয়ে থাকুন।
অতিথি বলেছেন:
ত্রিভুজঃতুমি যে অবাক হয়েছো এতে আমিও একটু অবাক হলাম। হিউম্যান বীয়িং এর ডাইভার্সিটি তো অনেক। আর তা স্রষ্টারই অবদান। তা না হলে অন্য সকল প্রানীর সাথে মানুষের কি পার্থক্য থাকতো?
হারাধন বলেছেন:
আমি আপনার সাথে দ্্বিমত পোষন করছি ত্রিভূজ। বাংলাদেশ আমারও আপনারা দেশের সংবিধান নিয়ে কি করবেন তা বলার রাইটও কি আমার নেই।আসতমেয়ে আমিই বোকারাম। আমি আর দুষ্ট না।বাংলা লেখাও শিখছি ভালই।
অতিথি বলেছেন:
কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনার ব্যাপারটা আমাদের ধর্মীয় ব্যাপার.. দেশের ব্যাপার না... আর কাদিয়ানীদের পক্ষে যদি আপনার কোন যুক্তি থাকে আপনার ব্লগে গিয়ে পোষ্ট দিন @ হারাধনআশার আলো.. ঐ ভদ্রলোক সম্পর্কে আমার ধারনা পুরো 180 ডিগ্রি এঙ্গেলে বাঁক নিয়েছে আজ.... আমি কিছুটা শকড!!! অবশ্য আগেও তার কিছু পোষ্ট ও কাজ কর্মে ধারনা পেয়েছিলাম.. যাই হোক.. আমার ধারনা আজ বাস্তব হয়ে গেল... এই আর কি..
হারাধন বলেছেন:
আবারও জিজ্ঞেস করছি কোন আইনের ভিত্তিতে করবেন। দেশটা আমারও। যদি রাষ্ট্রকে কাজে লাগান ধর্মীয় ব্যাপারে তাহলে আমারও রাষট্র।
অতিথি বলেছেন:
সারছে এইবার!
হারাধন বলেছেন:
অন্যায় কিছু বললাম নাকি ধূসর সাহেব
আশরাফ রহমান বলেছেন:
তথ্যটা কি অজানা? ভন্ডনবীর পরিণতিগোলাম আহমদ কাদিয়ানীর সাথে একবার মাওলানা আতাউল্লাহর বাহাস হয়েছিল। সে বাহাসের শুরুতেই গোলাম আহমদ নিজেকে নবী বলে দাবী করে। মাওলানা আতাউল্লাহ তার বক্তব্যে সপক্ষে যুক্তি দেখাতে বললে
গোলাম আহমদ ঃ আমার নাম আহমদ যা কুরআনে আছে। আমাকে শেষ নবী হিসেবে কুরআনেই স্বীকৃতি দেয়া আছে।
মাওঃ আতাউল্লাহঃ তোমার নামের আগে তো গোলাম আছে অর্থাৎ তুমি তো আহমদের গোলাম।
গোলাম আহমদঃ তাহলে আমি গোলাম শব্দটি বাদ দিয়ে আহমদ হয়ে গেলাম।
মাওঃ আতাউল্লাহঃ যদি তাই হয় আমার নামের প্রথম অংশ আতা বাদ দিয়ে আমি আল্লাহ হয়ে গেলাম। আমি আল্লাহ হয়ে বলছি তোর মত বেকুবকে আমি নবুয়ত দেই নাই।
এ ঘটনার পর গোলাম আহমদ কাদিয়ানি ভক্তদের সমালোচনার মুখে পড়ে। নিজের নবুয়ত (!) বাচাতে সে মাওলানা আতাউল্লাহর সাথে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বসে যে, যদি আমি সত্যিকারের নবী না হই তাহলে যেন পেটের অসুখে মারা যাই। আর আমি যদি সত্য নবী হয়ে থাকি তাহলে আপনার যেন একই পরিণতি হয়। এ বাহাসের কয়েক বছর পর একদিন কাদিয়ানি পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হন। এবং একটি কাচা পায়খানায় প্রাকৃতিক কাজ সারতে গিয়ে পায়খানা ভেঙ্গে মল মুত্রের মধ্যে পড়ে যায়। সেখানেই পায়খানা খেতে খেতে তার মৃতূ্য হয়। অপরদিকে মাওলানা আতাউল্লাহ স্বাভাবিক অবস্থায় দুনিয়া ত্যাগ করেন।
হারাধন বলেছেন:
আশরাফ কাদিয়ানিরা অমুসলিম এটা কোন আইনে বানাবেন
আশরাফ রহমান বলেছেন:
যে আইনে হিন্দুরা অমুসলিম সে আইনে @ হারাধন
হারাধন বলেছেন:
ও আচ্ছা আইনের ভিত্তি কি সংবিধান না আপনার কথা। আর কাদিয়ানিরাও দেশের নাগরিক ওরা যদি বলে আপনারে অমুসলিম ঘোষনা দিতে।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
হারাধন তুমি হিন্দু হইয়্যা আরেকদল হিন্দুর পক্ষে যতই উকালতি কর তুমি যেমন মুসলমান হইবানা তেমনি কাদিয়ানীরাও মুসলমান হইবে না। তাদের কাজই বৃটিশদের টাকা থেয়ে মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো। তাদের প্রতি এতই যদি মায়া লাগে তাইলে কাদিয়ানি হইয়া যাও।
অতিথি বলেছেন:
হারাধন এখন দেশ বাঁচাতে(!) নিজেকে মুসলিম দাবী করতে শুরু করবেন নাকি?
হারাধন বলেছেন:
ভাই আমার ও তো দেশ। বলতে দেন। আমার কথা আপনারা যদি সংবিধান আর রাষ্ট্র ব্যবহার করেন তাহলে বাংলাদেশী হিসাবে প্রতিবাধ করছি। মুসলমান অথবা হিন্দু হিসাবৈ নয়। কাদিয়াীন হব কেন?
আশরাফ রহমান বলেছেন:
কয়েকজন মুসলিম নামধারী ব্লগার মন্তব্য করেছে যে, গোলাম আহম কাদিয়ানি নাকি শেষ নবী (সাঃ)কে স্বীকার করেছে। কিন্তু শেষ নবী এমনকি (ঈসা আঃ) সম্পর্কে গোলাম আহমদ যে অত্যন্ত আপত্তিকর কথা বলেছে তা ওদের জানা নেই। [link|http://www.irshad.org/info_q/questions.php|I
হারাধন বলেছেন:
আপনি পুরানো কথা বাদ দিয়ে কোন আইন এবং সংবিধানের আলোকে অমুসলিম ঘোষনা দিবেন সেটা বলেন। আরও বলেন যদি সুনিনরা সেই আইনের ভিত্তিতে শিয়াদের অমুসলিম চায় আপনি তার সাথে একমত নাকি।
অতিথি বলেছেন:
আপনারা একদিকে কাদিয়ানীদের মুসলিম ভাবেন না, অন্যদিকে হারাধনকে মুসলিমদের কথার মাঝে যোগ না দিতে বলছেন। আপনাদের কত রকম চেহারা ?
আশরাফ রহমান বলেছেন:
আরে পাগল! শিয়া ও সুন্নীদের মৌলিক বিশ্বাসে কোন সমস্যা আছে নাকি? শিয়াদের আল্লাহ, কুরআন, কেবলা, নামাজ- রোজার সাথে সুন্নীদের মৌলিক কোন পার্থক্য নাই। সুতরাং তারা এক অপরকে অমুসলিম ঘোষনা করবে ক্যান?কাদিয়ানীরা যেহেতু ইসলামের নবীকে শেষ নবী মানে না তাই ইসলামের দৃষ্টিতে তারা কাফের। এরপর আর কোন কথা থাকে না।
হারাধন বলেছেন:
হারাধন হিন্দু যে মুসলমান ধর্মে ব্যাপারে ওর বলার নাকি রাঈট নাই
অতিথি বলেছেন:
শিয়া সুন্নীদের শৌলিক বিশ্বাসে কোন সমস্যা আছে কি না, এখন ইরাকের দিকে তাকালে দেখবেন।আর হারাধন হিন্দু না মুসলিম এটা বিষয় নয়, তার বলার অধিকার সবখানে রয়েছে। এসব নিষেধও মৌলবাদী চিন্তার আবর্জনা থেকে তৈরী।
হারাধন বলেছেন:
আমি আবার জানতে চাইতৈছি আইনডা। আর শিয়া সেক্ট এর জন্ম হইছে সুনি্ন সেকট এর সাথে যুদ্ধে। আর সুনি্নারা নিজেদের মনে করৈ আসল মুসলমান বেটার দ্যান দ্যা শিয়া। অর শিয়া রিচুয়াল গুলো কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে কনড্রাডিকট সনি্ন বিশবাস। যেমন নকল কবর নিয় িমিছিলডা।
অতিথি বলেছেন:
তীরন্দাজ, আপনি এখানে একটা ভুল কথা বললেন.. হারাধন ইসলাম সম্পর্কে কিছুই জানেন না.. সেক্ষেত্রে ইসলামের স্পর্শকাতর বিষয়ে তার বক্তব্য প্রদান করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত?যাই হোক... আসলে মেজাজ খুব খারাপ ছিল.. তাই ওটা বলেছিলাম... অন্য সময় হলে নরম্যালি ইগনোর করে যেতাম....
যাই হোক, আপনি GB wjsK টা ভিজিট করে এসে বলুন কি বুঝলেন....
হারাধন বলেছেন:
আমার শিক্ষা সমপর্কে মনে হয় না জেনে বক্তব্য দেয়া ঠিক হচ্ছেনা।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
হারাধন, তোমার ধর্মে দলিতদের কিংবা নিম্ন বর্ণের হিন্দুদের যে মানুষই মনে করা হয় না তার কি হবে?
অতিথি বলেছেন:
ফারহান দাউদ, আপনি যদি হযরত মুহাম্মদ (সা
কি বলেন? কিছু মনে করবেন না... এই ভাবে বলতাম না... ঘুমন্ত মুসলমান দেখলে খুব বিরক্ত লাগে... তারপর সেই ঘমন্ত মুসলমান যদি এসে আরেকজনকে উপদেশ দেয় ঘুমিয়ে থাকতে.. তখন মেজাজ ঠিক থাকে না...
অতিথি বলেছেন:
হারাধন, আপনার শিক্ষা এখানে বড় বিষয় নয়.. আমরা যদি এখন নামাজ কিভাবে পড়তে হবে তা নিয়ে আলাপ করি, আপনি কি এসে আমাদের নামাজ কিভাবে পড়তে হয় সেটা শেখাবেন?অনধিকার চর্চা'র মত ফালতু বিষয় আর কিছু নেই.. যাদের কমন সেনসের অভাব আছে তারাই করে সেটা...
হারাধন বলেছেন:
আমি নিজে নিম্ন বর্নের এবং ওটাকেও অন্যায় মনে করি। তাই তো অন্যায়ের প্রতিবাদ করছি।
অতিথি বলেছেন:
আমি জানিনা হারাধনের ধর্ম কি। জানার দরকারও মনে করি না।কিন্তু বর্ণবৈষম্য যে হিন্দুদের ভেতরে বড় সমস্যা, তা নিয়ে কথা হলে অবশ্যই বলবো এই বর্ণবৈষম্য অমানবিক।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
কিন্তু ওই কৌশিকরা তো গায়ে পড়ে ইসলামকে অবমাননা করতে আসে তখন কি চুপ করে থাকা যায় ?@ফারহান দাউদ
অতিথি বলেছেন:
ফারহান ভাই... এটা ঠিক বলেছেন... ওরা আসলে হিসেবের বাইরেই আছে.. আমি কৌশিক সাহেবের সাথে ধর্ম নিয়ে তর্ক করিনা খুব একটা... আরেকটা ব্যাপার কি জানেন? আমাদের নবীজিও কিন্তু গালাগালি, ইট পাটকেল অনেক কষ্ট স্বীকার করে ইসলাম প্রচার করেছেন.. সেই তুলনায় কৌশিকরা তো কিছুই করছে না... (যদিও আমাকে বেশ কয়েকজন মেইলে হুমকি ও ব্লগে মন্তব্যে হুমকি প্রদান করেছিলেন)..... এসব এড়িয়ে কাজ করে যাওয়াটাই তো জেহাদ!
অতিথি বলেছেন:
আমি দেখেছি লিংটা ত্রিভুজ। এ ধরণের অপপ্রচার আমার কাছে ঈশ্বরবাক্য নয়। সুন্নীদের বিরুদ্ধেও এ ধরনের অপপ্রচার ভুরি ভুরি বের করা যাবে। আমার বোধ এসব থেকে আমাকে সুরে রাখে।
হযবরল বলেছেন:
বাংলাদেশে মুসলিম বাদেও মানুষ থাকে। রাষ্ট্রের কর্তব্য নাগরিকের অধিকার সমুন্নত রাখা। ধর্মের ঢাক বাজানো রাষ্ট্রের কাজ নয়। আজকে একদল দাবী করবে ওদের অমুসলিম ঘোষণা করা হোক। কালকে ব্রাহ্মণ রা দাবী করবে কায়স্থদেরকে পূজার অযোগ্য ঘোষণা করা হোক। আপনাদের যদি মনে হয় ইসলাম অরক্ষিত , ইসলাম কে বিকৃত করা হচ্ছে , তবে ইসলামের পক্ষে দাঁড়ান , সেমিনার করুন, সভা করুন । গবেষণা লব্ধ তথ্য প্রকাশ করুন। রাষ্ট্রকে ব্যবহার করে মানুষের অধিকার হরণ কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের কাজ নয়। ধর্মকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের চিন্তাভাবনা বন্ধ করুন। ছোট একটা জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে এই ধরনের উস্কানিমূলক প্রচারণার কারনে প্রচুর হিস্টিরিয়াক্রান্ত গণহত্যার উদাহরণ ইতিহাসে আছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যা ঘটেছিল কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে সেটা সারা দেশে ছড়ালে এই রাষ্ট্রের সামর্থ্য নেই তা আটকানো। আর ব্লগে বসে সেই ধরণের একটা গণহত্যার পক্ষে সবাইকে একমত করছি আমরা।
অতিথি বলেছেন:
তীরন্দাজ,আপনাকে একটা উদাহরন দেই... ধরুন মুসলমান'রা ক্রুসেডের জবাবে জেহাদের ডাক দিয়েছে। মুসলমানদের দুটো দলের মাঝে এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে.. এমন সময় একজন হিন্দু এসে বললো আপনারা জেহাদে যাবেন কেন? ইত্যাদি ইত্যাদি...
সেই হিন্দুর মুসলমানদের ধর্মীয় সিদ্ধান্তে নাক গলানো কতটা যৌক্তিক হবে?
অতিথি বলেছেন:
আমার শেষ মন্তব্যটা তীরন্দাজের হারাধন প্রসঙ্গে দেয়া মন্তব্যের জবাব ছিল...
আশরাফ রহমান বলেছেন:
তীরন্দাজ, ইসলামে বর্ণবৈষম্য নেই। ধর্মের মৌলিক বিষয়ে কোন বিতর্কও নেই। সুতরাং শিয়া সুন্নী পরস্পরকে অমুসলিম ঘোষনা যদি করে ..এসব কথা আসছে কেন? কোন বিষয়ে মন্তব্য করতে হলে সে সম্পর্কে বিশদ ধারণা থাকা দরকার। একজন মুসলমান যেমন অন্য ধর্মের ব্যাপারে ব্যাপক জ্ঞান রাখতে পারে না তেমনি একজন অমুসলিমের পক্ষে ইসলাম সম্পর্কে তেমন জ্ঞান রাখা সম্ভব না। তাই এসব বিষয় নিয়ে অযথা তর্ক সৃষ্টি করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
অতিথি বলেছেন:
আমার ক্ষমতা থাকলে যারা ক্রুসেড আর জিহাদের ডাক দিয়েছে, তাদেরকে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতাম।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
ত্রিভূজ ভাই, অনেক রাত হয়েছে তাই বিদায় চাইছি। হারাধন,তীরন্দাজ,ফারহান দাউদ, হযবরল সবাইকে ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
তীরন্দাজ আপনার ক্ষমতা থাকলে পুরো পৃথিবীটার সকল কালো মানুষগুলোকেও হয়তো সাদা বানিয়ে ফেলতেন... কিন্তু তাতে আমার আগ্রহ নেই.... আপনি একটু আগে যে একটা মন্তব্য করে খুব ভাব নিলেন আপনি উদার.. মুসলমানরা উদার না.. সেটার জবাব দিয়েছি... (হারাধন প্রসঙ্গে).. তার জবাবে আপনি কি করতেন না করতেন তা আসছে কিভাবে?
অতিথি বলেছেন:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত হিন্দু হয়েও মুসলিম ধর্ম আশরাফ,
নিয়ে কবিতা লিখেছেন, যা আমাদের পাঠ্যবইয়ে ছিল।
কাজী নজরূল ইসলাম অনেক ভাল ভাল বৈষ্ণব লেখা রয়েছে।
আমি পুরো বিষয়টা মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে দেখি, তাই হারাধনকে নিষিদ্ধ করায় আপনাদের রুচির দৈন্যতাই চোখে পড়ে বারবার।
অতিথি বলেছেন:
তীরন্দাজ, নজরুলও মুসলিম কবি হয়ে হিন্দু ও সবাইকে নিয়ে কবিতা লিখেছে... আপনি ঐ ব্যাপারটার সাথে এখানের ব্যাপারটা গুলিয়ে ফেলছেন কেন? ওটা টোটালি অন্য ব্যপার.... আমাদের কোন ধর্মীয় সিদ্ধান্তের মাঝে অন্য ধর্মের কারো নাক গলানোর কোন সুযোগ নেই... এই সিম্পল ইকুয়্যেশনটা বুঝতে এত কষ্ট হচ্ছে কেন বুঝলাম না।
ফজল বলেছেন:
ধন্যবাদ আশার আলো।"কাদিয়ানী" সম্পর্কে ধারাবাহিক লেখাটা ভেবেছিলাম শেষ করবো, হলো না।
আশরাফ রহমানের প্রথম মন্তব্যটাও দারুন হলো।
অতিথি বলেছেন:
হারু মিয়া, কাদিয়ানীরা জোট বানাইতাছে হুনলাম। এইবার কঠঠিন আন্দোলন হইবো। সকল বিধর্মীদের মুসলিম ঘোষনা করার আন্দোলন। এই আন্দোলনের সুপারভাইজার হইলো, ইতিহাসবিদ আশরাফ রহমান। কৃতজ্ঞতা স্বীকারে এলবাবা দমদমি আল মরুভূমি।
অতিথি বলেছেন:
অ, ওয়ান জিনিষ মিস হইছে, আন্দোলনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন থ্রিফুটেড ডমেস্টিক এনিমেল!
অতিথি বলেছেন:
কাদিয়ানী রক্ষা কমিটির প্রধান হিসেবে ধুগো'র নাম প্রস্তাব করা যাইতে পারে।তবে কারা কাদিয়ানীদের নির্বর্ংশ করতে চায় তা পরিষ্কার নয়। কাদিয়ানীয়া যাতে তাদের নিজস্ব ধর্ম পরিচয়ে বেচে থাকতে পারে সেটা নিয়েই মুসলসমানদের আন্দোলন। কাকের মতো বেচে থাকাতেই কাকের কৃতিত্ব। পুচ্ছ পড়ে ময়ুর সাজা তাদের জন্যে ডিসক্রেডিট।
আশার আলো বলেছেন:
অনেক দিনের পুরানো বাহাস।
















