উহারা যে এতো এতো প্রতিভার অধিকারী তাহা আমরা কখনোই বুঝিতে পারি নাই। আমরা মানে আমজনতা....ম্যাঙ্গোপীপল... মাথামোটা পীপীলীকার দল। উহাদের যে এতো এতো প্রতিভা তাহা আগেও বার দুয়েক বাঁশ সহকারে আমাদের বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছিলো। তবে বাংগালী বলে কথা, সহজ কথা সহজে বুঝতে চায় না। তাই আবার নতুন উদ্যামে বোঝানোর কাজ শুরু হয়েছে।
তো যাহাদের কথা বলিতেছি, সেই বর্তমান ও (অবঃ) প্রাপ্তদের প্রতিভার ঠেলায় এখন আমাদের 'ত্রাহি মধুসুদন' অবস্থা। 'ত্রাহি মধুসুদন' বলতে কি বুঝায় তা হয়তো সকলেই বুঝেন। তবে এ বিশেষ অবস্থার নাম 'ত্রাহি মধুসুদন' কেন হলো তা আমি জানি না। হতে পারে মাইকেল মধুসুদন দত্তের জীবনের শেষদিকের বিশৃংখল বিভীষীকার কথা মনে করেই এ টার্মের উৎপতি।
ধুর! কি বলতে কি বলছি। বলছিলাম সেই প্রতিভাধরদের কথা, কোথায় নেই তারা! বড় বড় সব আপিসের মাথায় বসে গেছেন প্রায়। যেগুলোতে এখনে বসেন নি বা চক্ষু লজ্জায় বসতে পারেন নি সেগুলোর পিছনে ডান্ডা হাতে পাহারায় বসে গেছেন। জানা যায় স্বয়ং রাষ্ট্রের যে পতি তাহার পিছনেও সর্বদা ডান্ডা হাতে দন্ডায়মান থাকে কয়েকজন মিলে যাতে কোন বেগড়বাই না হয়।
চাকরী জীবনে দেশসেবা করেও এ প্রতিভাবানরা সন্তুষ্ট নন। তাই (অবঃ) হয়েও ঝাপিয়ে পড়ছেন দেশসেবায়। শর্ত যদিও বহিঃশত্রু থেকে দেশ রক্ষার। তাতে কি কোনটা বহিঃশত্রু আর কেনটা অন্তঃশত্রু তা তো প্রতিভাবানরাই ঠিক করবেন। শর্ত একটি এদিক-ওদিক করে নিলেই হলো। নিজসেবা আর দেশসেবার ভিতরে তো আসলে মৌলিক কোন পার্থক্য নেই। ম্যাঙ্গোপীপীলিকারা আর কি বুঝবে? তারা তো আর প্রতিভাবান নয়।
প্রতিভা কেবল আমরাই চিনিতে পারি নাই। তাই প্রতিভার মুল্যায়নও করিতে পারি নাই। এ আমাদের নিদারুন ব্যর্থতা। কিন্তু প্রতিভাবানরা তা মানবে কেন! তাই তারা নিজেরাই করুনা করে এগিয়ে এসেছেন বেকুবদের শেখাতে, "উনারা কতোই না প্রতিভাবান"। আমরা সাগ্রহে শিখিছ। জ্ঞানীরা বলেন-শেখার কোন বয়স-গাছ-পাথর নেই। আমরা শিখেই যাবো। ঠিক আগের মতোই।
জয় বর্তমান প্রতিভাবানদের!
জয় (অবঃ) প্রাপ্ত প্রতিভাবানদের!
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৭ বিকাল ৩:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

