হায় সেলুকাস! কি বিচিত্র এই দেশ!! -- "দুর্গতরা এনজিওর লোক দেখলেই পালায়"
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৬
এনজিওদের কাজ কি? সাহায্য করা না শোষন করা। বিদেশ থেকে টাকা এনে সুদের ব্যবসা করাই কি এদের আসল কাজ?
*********************************************
দৈনিক সমকাল থেকে
দুর্গতরা এনজিওর লোক দেখলেই পালায়
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, বরগুনা থেকে
ঘূর্ণিদুর্গত এলাকায় বুভুক্ষু লোকজনের মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়েছে এনজিওর ঋণ। এখন প্রতিদিনই এনজিওর লোকেরা এসে ঋণ আদায়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। কিন্তু ঝড়ের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকা এই লোকগুলোর এখন জীবন চালানোই দায়। ঋণ নিয়ে তারা কিনেছিলেন গরু, ছাগল। কেউবা বানিয়েছিলেন নৌকা। এখন তাদের কিছুই নেই। কীভাবে শোধ করবেন ঋণ। অবশ্য এনজিওগুলো ‘ঋণের টাকায় ঋণ শোধের’ প্রস্তাব দিয়েছে। কেউ নিচ্ছেন সে সুযোগ। আর কেউ ঋণের বোঝা বাড়াতে চাচ্ছেন না। বিভিন্ন এনজিওর পক্ষে দুর্গত এলাকায় ঋণ আদায় বন্ধ করা হয়েছে বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও মাঠ পর্যায়ে এর কোনো বাস্তবায়ন নেই। অনেকেই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে এনজিও কর্মীদের দেখে পালিয়ে যাচ্ছেন।
গতকাল ছোনবুনিয়া গিয়ে কথা বলতে জানা গেল, এনজিও কর্মীরা হুমকি দিয়ে গেছেন আগামী সপ্তাহ থেকে ঋণ শোধ না করলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া হবে। ঘরে যা পাওয়া যাবে তার সবকিছু নিয়ে যাওয়া হবে। এমন পরিস্থিতিতে অসহায় এই এলাকার মানুষ। এনজিওগুলোর মধ্যে ঋণের জন্য সবচেয়ে বেশি চাপ দিচ্ছে আশা। আশার পক্ষে এই এলাকার কোথাও ত্রাণ বিতরণের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আর গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রয়োজনে তারা আবারো ঋণ দেবেন। কিন্তু আগে নেওয়া ঋণের কিস্তি শোধ করতেই হবে। এই এলাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষেও কোনো ত্রাণ বিতরণ করা হয়নি। ব্র্যাক এবং সংগ্রাম নামে স্থানীয় একটি এনজিও এখনো ঋণের জন্য কোনো চাপ দেয়নি। কিছু এলাকায় এই এনজিও দুটি সদস্যদের মধ্যে ত্রাণও বিতরণ করেছে বলে ওই এলাকা ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
ছোনবুনিয়ার গৃহবধহৃ সাহিদা বেগম জানালেন, আশা থেকে তিনি ৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। প্রতি সপ্তাহে ১২৫ টাকা করে তাকে দিতে হয়। ৪৬ সপ্তাহে এই টাকা পরিশোধের কথা। এ পর্যন্ত তিনি ৩০ কিস্তি শোধ করেছেন। গত শনিবার বাবুগঞ্জ থেকে আশার লোকজন তাকে বলেছেন, ‘আগামী শনিবার থেকে কিস্তি দিতে হবে, না হলে কাপড়-চোপড় খুলে নিয়ে যাব।’ আশার লোকজন অবশ্য তাকে আরো এক হাজার টাকা সুদমুক্ত ঋণ নেওয়ার কথাও বলেছে। ওই টাকা দিয়েই তাকে ঋণ শোধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এই এক হাজার টাকা নিলে প্রতি সপ্তাহে ১২৫ টাকা সঙ্গে ২০ টাকা বাড়িয়ে ঋণ শোধ করতে হবে। ঋণের এই টাকা দিয়ে সাহিদার স্বামী রফিকুল ইসলাম একটি নৌকা বানিয়েছিলেন। স্বামী ওই নৌকা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যেতেন। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় সিডর সবকিছুর সঙ্গে কেড়ে নিয়েছে ওই নৌকাটিও। এখন তার পক্ষে এক হাজার টাকা নিয়ে কিছুই করা সম্ভব নয়। তাই এই টাকা তিনি নিতে চাচ্ছেন না।
গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৬ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন বড় বালুয়াতলির আবদুস সালামের স্ত্রী জায়েদা বেগম। ৪৫ কিস্তির মধ্যে ৪০ কিস্তি তিনি শোধ করেছেন। এ মুহহৃর্তে তিনি বাকি ৫ কিস্তি শোধ করতে পারছেন না। এর জন্য সময় চেয়েছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের কাছে। কিন্তু তারা সময় দেননি। জায়েদা ঋণের টাকা নিয়ে একটি হাঁস-মুরগির খামার করেছিলেন। প্রায় ১ শ’র মতো হাঁস আর মুরগি ছিল তার খামারে। ১৫ নভেম্বরের প্রলয়ঙ্করী বন্যায় সব ভেসে গেছে। গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাকে বলেছেন, বিনা সুদে প্রয়োজনে আরো ৫০০ টাকা ঋণ দেবেন তারা। প্রতি মাসে ঋণের কিস্তির সঙ্গে ২৫ টাকা যোগ করে এই টাকা শোধ করতে হবে। নতুন এই ঋণ না নিলেও পুরনো কিস্তি পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছেন তারা। গতকাল সোমবার এসে তারা জানিয়ে দিয়েছেন, পরের সপ্তাহ থেকে কিস্তি পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু তার পক্ষে এখন কোনো টাকা দেওয়াই সম্ভব নয়।
শুধু সাহিদা ও জায়েদা বেগম নন, ঘূর্ণিদুর্গত এলাকার অধিকাংশ মানুষ বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন। কেউ কেউ একাধিক এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে করেছিলেন গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগির খামার। এখন তাদের কিছুই নেই। সবকিছু নিয়ে গেছে বানের পানি।
শুধু এই এলাকা নয়, মংলার বাঁশতলার মানুষের সঙ্গে কয়েকদিন আগে কথা বলে জানা গেছে এ অবস্থা। সেখানেও ঋণের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই দুর্গত মানুষগুলোর এখন দু’বেলা খেয়ে বেঁচে থাকাই দায়। তারা কীভাবে দেবেন ঋণের কিস্তি, কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া এই মানুষগুলো।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
ভূয়া নিউজ...এই টাইমে কিস্তির টাকার জন্য গেলে পুলিশ উল্টা পিটাইবো। যেইখানে শুধু মাত্র ব্রাক সেন্ট্রালি বলতে কিস্তি আদায় বন্ধ করা হয়নাই সেইখানে এই রিপোর্টে দেখলাম উল্টা নিউজ।
.
বিজ্ঞাপন না পাইলে এত্ত মাথা আউলায়?
কেএসআমীন বলেছেন:
প্রত্যু, ঠিক বইলেছেন। সমকাল বিজ্ঞাপনের সমস্যায় ভুগতাছে। পত্রিকায় পড়লাম গ্রামীণ ব্যাংক ৬ মাস পর্যন্ত কোন কিস্তি ও সুদ নিব না। এখন কোন এনজিও এই আকাম করতাছে, আর তা কোন সাহসে? এত সাহস হওয়ার কথা না। একটু খোজ নিলেই থলের বিড়াল বাইর হইয়া যাইব। বিভ্রান্তিকর নিউজ...
মাদারি বলেছেন:
আমীন হালার ফুতে এইহানেও আইচে দেকচি!!হালায়, দালালের বাচ্চা দালাল।
ব্যাটারা, সুকে তাকে তো, তাই আমাগো দ্যাশের গরীবগো কতা হুনবার চায় না। নিউজ হইয়া যায় মিচা।
দালালের গুষ্ঠীরা, চুক কান কুলা রাকলেই ঝানবার পারবা- গ্রামীন ব্যাংক গুলান ক্যামনে মানুষগুলানরে নিংড়াইতাইছে!!!!!!!!!
ফজল বলেছেন:
প্প্বগ্গপ্প্বজ্জপ্প্ম্ব প্প্বগুপ্প্মপ্প্বেক্ষ্মপ্প্ম প্প্বঙ্প্প্বজ্জপ্প্বগু!--------------------------------!
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ভুল তথ্যের উপর দুষ্ট উদ্দেশ্য লিকা পুষ্ট। ১ দিলাম।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
প্প্ব্তপ্প্বক্ষ্মপ্প্বজ্জপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্ব্নপ্প্ব্ত্র প্প্বু প্প্ব্তপ্প্বজ্জপ্প্বক্ষ্মপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্ব্নপ্প্ব্ত্র প্প্বঙ্প্প্বক্কপ্প্বজ্জ প্প্ব্যপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্সপ্প্মপ্প্ব্মেডঐঅঞ ওঝ জঊঅখ!!!!!!!
সাইফুর বলেছেন:
প্প্ব্তপ্প্বক্ষ্মপ্প্বজ্জপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্ব্নপ্প্ব্ত্র প্প্বু প্প্ব্তপ্প্বজ্জপ্প্বক্ষ্মপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্ব্নপ্প্ব্ত্র প্প্বঙ্প্প্বক্কপ্প্বজ্জ প্প্ব্যপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্সপ্প্মপ্প্ব্মেডঐঅঞ ওঝ জঊঅখ!!!!!!!
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
আরে সাইফু, তুমিও দেহি এই বাষা হিজ্ঞালাইচো!
মাদারি বলেছেন:
ঘটনা কি???প্রশ্ন??
তথ্য ডারে উড়াইয়া দিটাছেন ক্যান??????
এই ব্যাডা(আশার আলো!!!!!) কি রাজাকার নাহি?????????
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
এহেনে রাজাকার আইলো কইথিকা? @মাদারি
সাইফুর বলেছেন:
শিইকা ফেলছি এই ভাষা @প্রশ্নো
মাদারি বলেছেন:
@প্রশ্নভুল তথ্যের উপর দুষ্ট উদ্দেশ্য লিকা পুষ্ট। ১ দিলাম।
....... দুষ্ট উদ্দেশ্য মানে কিডা?????
চুক কান কুলা রাকলেই ঝানবার পারবা- গ্রামীন ব্যাংক গুলান ক্যামনে মানুষগুলানরে নিংড়াইতাইছে!!!!!!!!!
এখন কিস্তি বন্ধ এটাকে যারা মহানুভবতা বলে ভাবছেন তাদের বলছি, এখন যারা ত্রান পাচ্ছে ভবিষ্যতে পুনর্ভাসিত হবে ঘরবাড়ি হাড়িপাতিল কিনবে, এবং এর সবকিছু দিয়েই ঋণের টাকা শোধ দিতে হবে ভবিষ্যতে। সব টাকাই কয়দিন পর ইনুচ গং নিয়ে নেবে।
বিরক্তিকর বলেছেন:
ভাবখান এরম যে, টাকা গুলো শুশ্বুর বাড়ী থেকে যৌতুক পাইছে... ফ্রি দিয়া দিবো। আরে এত্ত বড় বড় কথা না বইলা ৩ কোটি লোকের ঘড় বাড়ি মেরামত করে দেন। তার কর্ম সংস্থান করেন। শিশুদের দায়িত্ব নেন। ঢাকায় বইসা অনেক বড় বড় কথা বলা যায়। গালা গালি কইরা মুখে ফেনা তুলা যায়। বড় বড় তত্ত ফলানো যায়। কাজের কাজ কিছু হয়না।
রাশেদ বলেছেন:
প্প্ব্তপ্প্বক্ষ্মপ্প্বজ্জপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্ব্নপ্প্ব্ত্র প্প্বু প্প্ব্তপ্প্বজ্জপ্প্বক্ষ্মপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্ব্নপ্প্ব্ত্র প্প্বঙ্প্প্বক্কপ্প্বজ্জ প্প্ব্যপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্সপ্প্মপ্প্ব্মডঐঅঞ ওঝ জঊঅখ!!!!!!!
মাবরুকা তোয়াহা বলেছেন:
বিভ্রান্তিকর । information এর র্সোস উল্লেখ করুন।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
রাশুও দেহি শিক্কা ফালাইচো প্প্ব্তপ্প্বক্ষ্ম
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















ইউনুচ হালার ফুতগোরে বঙ্গোফসাগ্রে ভাসায়া দ্যান।