জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ ও নায়েবে আমির মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিজামীকে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে, দেলওয়ার হোসেন সাঈদীকে শহীদবাগের বাসা থেকে এবং মুজাহিদকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
নিজামীকে বিকাল সোয়া ৫টা, সাঈদীকে বিকাল সাড়ে ৫টায় এবং মুজাহিদকে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, আদালতের আদেশে নিজামীকে পুলিশের হেফাজতে আনা হয়েছে।
এর আগে আশুলিয়া থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে মুজাহিদকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মুজাহিদ আশুলিয়া থানায় রয়েছেন।
শহীদবাগের বাসা থেকে পুলিশ সাঈদীকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা। তারা জানান, পুরানা পল্টনে জামায়াতে মহানগর কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশ।
পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে পল্টন থানার ওসি শহীদুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ''পল্টনে মহানগর কার্যালয়ে রফিকুল ইসলাম খান আছেন খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ অভিযান চালায়। কিন্তু তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।''
তিনি জানান, রফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে দুপুরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মামলায় সমন পেয়েও আদালতে হাজির না হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ঢাকা মুখ্য মহানগর আদালত। মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের হাকিম মেহেদী হাসান তালুকদার এ পরোয়ানা জারি করেন।
অন্যরা হলেন-দলের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মহানগর আমির রফিকুল ইসলাম খান।
গত ১৭ মার্চ মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে ছাত্র শিবিরের এক সভায় নিজামীকে মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.) এর সঙ্গে তুলনা করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী।
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


