গতকাল আমার এক ডাক্তার আত্মীয়ের সাথে দেখা করতে শংকরের সিটি জেনারেল হাসপাতালে গিয়েছিলাম। তিনি সেখানে সন্ধায় বসেন। গিয়ে ফোন দিলাম তিনি বল্লেন তুমি বস আমি আমাদের কলেজের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় জরুরি আলোচনার জন্য এক স্যারের বাসায় আসছি।
বসে আছি আছি ............
এর মধ্যে আমার পাশে এক ২৩/২৪ বছরের যুবক এসে বসল। সে কিছুক্ষন পর তার মোবাইলে আসিক বানায়া গান ছেড়ে দিল
আমি তার দিকে অনেক্ষন কটমট করে তাকিয়ে থাকলাম, তার সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। বাধ্য হয়ে পাশে গিয়ে বসলাম।
মোকাঃ ভাইয়ের মোবাইলটা তো সুন্দর
যুবকঃ হ্যা ভাই বাইরের থন পাডাইচে(চায়না মোবাইল)
মোকাঃ ভাই এইটাই কি সর্বোচ্চ ভলিউম??
যুবকঃ না ভাই আরো বাড়ান যায়
মোকাঃতাইলে বাড়ান
যুবকঃ সে বাড়াইল
মোকাঃভাই এখানে সবাই রুগী আর এটাতো হাস্পাতাল যদি মোবাইল্টা বন্ধ করতেন ভাল হত
যুবক আমার দিকে এমন ভাবে তাকালো যেন সে আকাশ থেকে পড়ল
ভাই আমনে হিন্দি বুজেন না মুউনে অয়??
অল্প অল্প বুজি
এটাতো হাস্পাতাল
সে বলল আমি এপেলো হাস্পাতালেও গান বাজায়ে আইচি হেরা কিচু কয়নাই আর আম্নে মিয়া.....হিন্দি বুজেন না
আমি কইলাম ভাই তাইলে একটা ব্যান্ড পার্টির ব্যাবস্থা করি??
একটু পর শুরু হল তুলকালাম। ইতিমধ্যে আমার আত্মীয় আসল। আমি তার সাথে কথা বলে বাইরে এসে রিসিপসনিস্ট মহিলার কাছে শুনলাম সে প্রতিদিনি এভাবে আসে অন্য এক রিসিপসনিস্ট মহিলাকে উত্তক্ত্য করে আবার প্রতিদিনি তাকে বেরকরে দেওয়া হয়।
বিচিত্র মানুষ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

