আমার প্রিয় পোস্ট

। । । ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো । । ।

ভালোবাসার এপাশ ওপাশ

৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:৫৬

                       

"গত ছয় মাসে লন্ড্রি সাবানের বিক্রি কমলেও ডিটারজেন্ট পাউডারের বিক্রি বেড়েছে আগের তুলনায় প্রায় টুয়েন্টি পার্সেন্ট। নতুন আইটেম হিসেবে আমাদের কোম্পানীর ডিটারজেন্ট পাউডার যে মার্কেট পেয়েছে - এরকম চললে আগামী ছয় মাসের মধ্যে আমরা টোটাল মার্কেটের ফিফটি পার্সেন্ট শেয়ার ক্যাপচার করে ফেলবো...।"
শুনে ভ্রু কুঁচকে উঠে আদিল রহমানের।
ইশারায় থামায় মোহাইমেন চৌধুরীকে। মোহাইমেন চুপ হয়ে যায়।
"ডিটারজেন্ট পাউডার এসে যদি লন্ড্রি সাবানের মার্কেট দখল করে তাহলে লাভ কি? যোগ বিয়োগ করে ফলাফল তো একই হলো" - কিছুটা রাগত:স্বরে বলে আদিল রহমান; কোম্পানীর প্রমোশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন চীফ।
ওয়াশিং ক্যাটাগরী ম্যানেজার মোহাইমেন নিজেকে সামলে নেয়, বলে - "স্যার, এটাকে আমরা 'ক্যানিবালিজম ইফেক্ট' বলতে পারি। নতুন কোন প্রোডাক্ট প্রাথমিক পর্যায়ে সমগোত্রীয় অন্য প্রোডাক্টের মার্কেট ডাউন করতে পারে, কিন্তু লং টার্মে সব ইকুলিব্রিয়াম পয়েন্টে অ্যাডজাস্ট হয়ে যাবে।"
নিজের ঠোঁট দুটো সুক্ষ করে মাথা নাড়ে আদিল - "নো, নেভার। আমি বারবার বলেছি, আমাদের ফোকাস হবে সাসটেইনেবল গ্রোথ। এ অবস্থায় যদি কোন কারণে ডিটারজেন্ট পাউডার মার্কেট হারায়, তবে আমরা লন্ড্রি সাবানের মার্কেটও আর ফিরে পাবো না! য়্যূ শু্যড রি- ফরমুলেট য়্যূর স্ট্র্যাটেজি, মি মোহাইমেন!"
মোহাইমেন মন খারাপ করে চেয়ারে বসে পড়ে।
তারপর প্রেজেন্টেশন শুরু করে সুলতানা আফরিনি; কোম্পানীর ফুড ক্যাটাগরী ম্যানেজার। মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনে পাই চার্ট, বার চার্ট, টাইম সিরিজ এনালাইসিস টপাটপ লাফিয়ে লাফিয়ে উঠে। মার্কেটে ফুড ক্যাটাগরীর অবস্থা খুব ভালো।

আদিল ঘড়ি দেখে। বারোটা সাত। আরো চারজনের প্রেজেন্টেশন বাকী। প্রতি ছয় মাস পরপর প্রোডাক্ট ক্যাটাগরী রিভিউ মিটিং (পিসিআরএম) হয়। তখন খুব টেনশন যায়। কারণ, সব প্রোডাক্টের বিস্তারিত আদিলই উপস্থাপন করবে ম্যানেজিং ডিরেক্টরের কাছে। মূল ধাক্কাটা তার উপর দিয়েই যাবে।

সুলতানার প্রেজেন্টেশন প্রায় শেষের দিকে, আদিলের বুক পকেটে মোবাইলের ভাইব্রেশন। স্ক্রীনে তাকিয়ে দেখে 'ফারা'। বুকটা ধুকধুক করে খানিক। ইস্, খেয়ালই ছিল না পিসিআরএম-এর কথা। ফারা উইম্পিতে অপেক্ষা করছে। গতরাতে ফারার সাথে কথা বলার সময় পিসিআরএম-এর কথা একবারও মনে পড়লো না! নিজের উপর খুব বিরক্তি লাগে। মোবাইলটা কেঁপে চলেছে নি:শব্দে। অবশেষে 'এক্সকিউজ মি' বলে বোর্ডরুমের বাইরে যায় আদিল। দ্রুত পায়ে নিজের রুমে চলে আসে, দরজাটা ধাক্কা দিয়ে - "হ্যাল্লো ডিয়ার! প্লিজ একটু ওয়েট করো, প্লিজ! ... প্রমিজ, দেড়টার মধ্যে চলে আসবো, জাস্ট একটু বে-বি...।"

হালকা চনমনে মেজাজে আদিল ফিরে আসে মিটিংয়ে। একের পর এক প্রেজেন্টেশন চলে। আদিল ঠিক কনসেনট্রেট করতে পারে না। মোবাইলটা বারবার কাঁপছে। ফারার মিসকল। এসএমএসও এলো কয়েকটা। আদিলের মনে তখন ফারার কাটাকাটা চোখ, চঞ্চল মুখ। মার্কেট শেয়ার, গ্রোথ, প্ল্যান কিছু আর ভালো লাগছে না। প্রেজেন্টেশনগুলো ফ্যাকাশে হয়ে আসে। ক্যাটাগরী ম্যানেজারদের রিপোর্টের হার্ড কপিগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। মাথার কোষগুলো আপাতত: ফারায় ছেয়ে গেছে। ফারা একটি উইমেন ম্যাগাজিনের পাবলিশার কাম এডিটর। সব সংখ্যার শেষ পৃষ্ঠায় আদিলের কোম্পানীর বিজ্ঞাপন যায়। আগামী সংখ্যায় বোধ হয় মাঝের দু'পাতায় বিজ্ঞাপন লাগবে, রঙীন। গতরাতে ফারা এমনটাই তো বলছিল বোধ হয়! আদিল গতরাতের কথা মনে করতে পারছে না কেনো? হুইস্কির মাত্রাটা কি বেশী হয়ে গিয়েছিল! শায়লাটা খুব দুষ্টু। আদিলকে এলোমেলো করে দিতে ভালোবাসে। শায়লা কি করছে এখন? আদিলের হাসি পায়। অসময়ে ভুল মানুষের কথা মনে আসে কেবল!
...দ্রুত পায়ে উইম্পিতে ঢোকে আদিল। মিল্ক শেকের স্ট্র-তে ঠোঁট লাগিয়ে বসে আছে ফারা।
- স্যরি ডিয়ার, টু মিনিটস লেট! বলে আদিল ঘড়ি দেখে।
ফারা মুচকি হাসে।


দুই.
সকালটা অমনভাবে শুরু হবে ভাবেনি আদিল। সাদিয়ারই বা দোষ কোথায়! সারাদিন কত্তো খাটাখাটনি করে। বাচ্চা দুটোকে দেখাশোনা করা, স্কুলে নেয়া, টিউটর ঠিক করা, রান্নাবান্না - সব সাদিয়াকেই করতে হয়। আজ সকাল আটটার আগে অফিসে আসতে হবে এ কথাটা সাদিয়াকে বলাই হয়নি। আদিল কিছুটা আত্মগ্লানিতে ভোগে। একদিন সকালে বাসায় নাস্তা না করলে কী-ই বা এমন ক্ষতি হয়? ফ্রিজে স্যান্ডউইচ তো ছিলই, গরম করে খাওয়া যেতো! আর যার জন্য সকাল সকাল অফিসে আসা, সে-ই তো এলো না! ঘড়িতে সকাল দশটা দশ। উর্মিলা চৌধুরীর কোন দেখা নেই। সাদিয়াকে ফোন করে স্যরি বলে নেয়া যায়। ভেবেচিন্তে সাদিয়ার মোবাইলে ফোন করে আদিল
- হ্যালো কি করছো?
- এই তো পুনম-প্রেমাকে স্কুলে নামিয়ে দিলাম। এখন যাচ্ছি ডেন্টিস্টের চেম্বারে। পূনমের দাঁতে ব্যথা ছিল গতকাল। দেখি অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া যায় কিনা। বাসায় ফ্রিজের মিস্ত্রী আসবে দুপুরে। ডীপফ্রিজ কাজ করে না ঠিকমতো।
- আমাকে জানাওনি কেন এসব?
- তোমাকে জানানোর সময় পেলাম কই? বাসায় ফেরো রাত বারোটায়, আবার সকাল সাতটায় অফিসে যাও...
- আচ্ছা রাখি এখন। আদিল কি বলবে ভেবে পায় না।
শুধু অবাক মনে ভাবতে থাকে সাদিয়া কী অসাধারণ এক মেয়ে ! এমনভাবে কথা বললো যেন কিছু হয়নি। অথচ সকাল বেলার বিচ্ছিরি ঝগড়াটা আদিল এখনো ভুলতে পারছে না। মনের ভেতর কেবল খচখচ করে। আবার মোবাইল বাজে। সাদিয়ার ফোন
- প্লিজ নাস্তাটা করে নিও। আর দুপুরের খাবার ড্রাইভার দিয়ে পাঠিয়ে দেবো। কি খাবে দুপুরে?
আদিলের মনটা কেন জানি ভালো হয়ে যায়। বলে - কচুশাক খাবো, কচুশাক ভাজি চিংড়ি মাছ দিয়ে।
সাদিয়া হেসে উঠে
- কচুশাকের তো এখন অফ-সিজন। তবুও দেখি পাওয়া যায় কিনা। ড্রাইভারকে কারওয়ান বাজার পাঠাবো। ওখানে না পেলে মিরপুর ছয় নম্বর বাজারে।
- না, না! অতো কষ্ট করতে হবে না। বাসায় যা আছে পাঠিয়ে দিও, অসুবিধা নেই।
- লেট মি হ্যাভ অ্যা ট্রাই স্যার! সাদিয়া হাসি দিয়ে লাইন কাটে।

আদিল আবার চোখ রাখে কম্পিউটারে। একসেস ফাইলে গত সপ্তার সেলস রিপোর্ট। নারিকেল তেলের বিক্রি বেড়েছে খুব। বিস্কিটের বিক্রিও বেড়েছে। লন্ড্রি সাবানের অবস্থা এ সপ্তাহে আরো খারাপ। মোহাইমেনকে ঝাড়ি দিতে হবে। সফট ড্রিংকসের অবস্থা স্টাবল। আবার উর্মিলার কথা মনে পড়ে। কোম্পানীর সফট ড্রিংকসের বিজ্ঞাপনের মডেল। আগামী মাসে নেপালে শু্যটিং। আজ ফাইনাল অ্যাগ্রিমেন্ট সাইন হবে। পাশের ডেস্কে রাখা রিসেন্ট ম্যাগাজিনগুলো হাতে নেয় আদিল। প্রায় সব বিনোদন ম্যাগাজিনে উর্মিলার ছবি আছে। ফটো সুন্দরী উর্মিলা, শোবিজের নতুন সেনসেশন। হঠাৎ মোবাইল বাজে। ফারার ফোন।
- হাই ডিয়ার
- হ্যালো
- তোমার অ্যাডের ডেমো পেলাম না এখনো! আহ্লাদী স্বরে ফারা বলে।
- ডোন্ট ওয়ারি, আজই পাঠিয়ে দিবো। কোনটা দেবো, নারিকেল তেল নাকি সফট ড্রিংকস?
- না, না। এবার শ্যাম্পুরটা দাও। মাঝে দু'পৃষ্ঠা।
- কালার যাবে তো?
- হুম, কালার।
- ওকে ফারা, এভরিথিং উইল বি ফাইন।
- ওহ! শোনো, ম্যাগাজিন নেক্সট ইস্যু মার্কেটে আসা পর্যন্ত আমি খুব বিজি থাকবো। তাই দেখা হবে না।
- ওকে, আমিও নেপাল যাবো এর মাঝে। শু্যটিং আছে।
- তাহলে ফোন করো রেগুলার...
- শিউর, আই উইল।
- গুড বাই।
- বা-ই ...!
তারপর দরজার সামনে কাঙ্ক্ষিত মুখ। উর্মিলা চৌধুরী।
আদিল ইচ্ছা করেই গম্ভীর হয়, বলে - কাম ইন প্লিজ!
- আই অ্যাম এক্সট্রিমলি স্যরি, আদিল ভাই।
- কেন?
- এই যে দেরি করে ফেললাম...। উর্মিলা আমতা আমতা করে।
- আসার কথা আটটায়। আসলে এখন, আবার স্যরি বলো?
- খুব ঝামেলায় ছিলাম আদিল ভাই। নেক্সট টাইম এমন হবে না আর।
- বি ফোকাসড উর্মিলা। অন্তত: নিজের ক্যারিয়ারের জন্য কমিটমেন্ট রাখো, পাংচুয়াল হও।

আদিল ঘড়ি দেখে। একটা গানের সুর মনে ভাসছে, ঘুরপাক খাচ্ছে বারবার অথচ কথাগুলো মনে পড়ছে না। বারবার চেষ্টা করেও মনে আসছে না। এমন হচ্ছে কেন আজকাল? আইবিএ থেকে ইন্টার্নশীপ করতে আসা ছেলেটা এই নিয়ে তিনবার দরজার ওপাশ থেকে উঁকি দিলো। ছেলেটাকে কড়া ঝাড়ি দেতে হবে, মোহাইমেনকে যা দেয়া হবে তারচেয়েও বেশি মাত্রার ঝাড়ি।

এমডির রুমে প্রায় ঘন্টাখানের আলাপের পর উর্মিলাসহ আদিল বেরিয়ে আসে। দুজনের মুখে হাসি। নেক্সট উইকে ফ্লাইট। তিনদিন শু্যটিং চলবে।
- চলেন আদিল ভাই, বাইরে লাঞ্চ করি।
- থ্যাংকস্, আজ না। আরেকদিন।
- প্রবলেম কি? চলেন না প্লিজ! উর্মিলা ক্লাস সেভেনে পড়া কিশোরীর মতো হাত নাড়ে।
- না! আজ অফিসে অনেক কাজ। আদিল মাথা নাড়ে।
- জাস্ট ওয়ান আওয়ার লাগবে, এই তো! প্লিজ চলেন!
উর্মিলার ধারালো চোখে তাকিয়ে আদিল আর না করতে পারে না। ইদানিং কাজের ফাঁকে ঐ চোখদুটো বারবার উঁকি মারে আদিলের মনে। তবে নগদে প্রতিদান নেয়াটা আদিলের ভালো লাগে না। নেপাল ট্যুর শু্যড বি অ্যা গুড চান্স ...।


তিন.
সন্ধ্যা পর্যন্ত খুব কাজের চাপ যায়। সাড়ে সাতটায় শায়লা আসলো অফিসের সামনে। শায়লার বাসায় যায় আদিল। শায়লা একটি অ্যাড ফার্মের কর্পোরেট ক্লায়েন্ট অফিসার। আদিল শায়লাকে প্রতি মাসে অনেকগুলো বিজ্ঞাপনের অর্ডার দেয়। অফিসে শায়লার পারফরম্যান্স সব সময় সেরা। আদিল তার সাফল্যের সিঁড়ি। আজ সন্ধ্যায় ঐ সিঁড়ির আরো এক ধাপ এগোনোর লাফ দেবে শায়লা। ড্রয়িং রুমে বসে থাই স্যুপ আর অন্থন খেতে খেতে এলোমেলো গল্প হয় দু'জনের মাঝে। দুপুরে ভুলে যাওয়া গানের লাইনগুলো আদিলের মনে পড়ছে এখন - "দেওয়াল ঘড়িতে এগারোটা বেজে কুড়ি/জানালার কাছে রাত জাগে একা উর্মিলা চৌধুরী"। আদিলের আবারো হাসি পায়। অসময়ে ভুল মানুষের কথা মনে আসে কেবল! তবুও সন্ধ্যার আধো আলো-আধো অন্ধকারে ভায়োলেট রোমান্টিসিজম ঘিরে রাখে দুজনকে। সিডি প্লেয়ারে বাজছে ডন ম্যাকলিনের 'ক্যাসেল ইন দ্য এয়ার'।

রাত এগারোটায় কম্পিউটার অফ করে অফিস থেকে বের হওয়ার সময় আদিলের হঠাৎ চোখ যায় রুমের ডেস্কের উপর টিফিন বক্সে। সারা শরীরে একটা শীতল স্রোত বয়ে যায়। আদিল এক এক করে বক্স খুলে দেখে ভাত, সর্ষে ইলিশ, কচুশাক-চিংড়ি মাছ ভাজি, কুঁচি কুঁচি করা সালাদ। এক টুকরা আমের আচার। দুপুরের খাবার। মনটা খারাপ হয়ে যায়। খানিক ভেবে সব খাবার টয়লেটে ফ্লাশ করে দেয় আদিল।

বাসায় ফিরতে রাত বারোটা পার। পূণম-প্রেমা ঘুমিয়ে পড়েছে। সাদিয়া টেবিলে খাবার গরম করে দেয়। আদিল আস্তে আস্তে খায়।
- দুপুরে কচুশাক স্বাদ হয়েছিল? সাদিয়া নীরবতা ভাঙে।
- হুম, খুব টেস্ট হয়েছিল! সাথে আমের আচার হওয়াতে আরো ভালো লেগেছে...।
- সালাদটা ফ্রেশ ছিল?
- সালাদ ঠিক ছিল, তবে ইলিশ মাছে লবণ একটু বেশী হয়েছে।
- হায় হায়! কী বলো! খেতে পারোনি?
আদিল হাসি দেয়।
- মন খারাপ করছো কেন? খারাপ হয়েছে বলিনি তো! তবে লবণ আরেকটু কম হলে ভালো হতো, এই যা!
- আগামী দিন দেখো, লবণ একটুও কম-বেশী হবে না! সাদিয়া মুখটা অপরাধীর মতো করে রাখে।
আদিলের কষ্ট হয়। এরকম একটি অসাধারণ মেয়ে আদিলের বউ; আদিল ভাবতেই পারে না!

বিছানায় যেতে যেতে প্রায় একটা বেজে যায়। আদিলের খুব ক্লান্তি লাগে, দু'চোখের ওপর যেন পাথর চাপা পড়ছে। সারাদিনের ঘটনাগুলো দ্রুতগামী ট্রেনের মতো চোখের সামনে ভেসে উঠে। শায়লা-ফারা-উর্মিলা-এমডি-মোহাইমেন সব যেন ট্রেনের এক একটা বগি। আদিল জানে, ঐ বগিগুলোর কোনটায় আদিলের জায়গা নেই। পুরোটাই অভিনয়। জীবনের জন্য - জীবিকার জন্য অভিনয় করে যাওয়া। আপোস করে যাওয়া। মাঝে কেবল কিছু ভুল মানুষ-ভুল চোখ-ভুল হাসি-ভুল দুপুর-ভুল সন্ধ্যা। আপন কিছুই নয়। আদিলের আপন কেবল পূণম-প্রেমা, এ বিছানা বালিশ, বাম পাশের বালিশে শোয়া সাদিয়া। বুঁজে আসা চোখ দুটো খুলে আদিল তার কর্পোরেট খোলস থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। বাম পাশে ফিরে আদিল আশ্রয় খোঁজে। ঝড়ে ভিজে যাওয়া উদভ্রান্ত কাক যেমন করে গৃহস্থ ঘরের ছাউনিতে আশ্রয় খোঁজে, তেমন করে আদিল আশ্রয় খোঁজে সাদিয়ার মাঝে। আশ্রয় পেয়ে কাক গা ঝাড়া দেয়, ভিজে যাওয়া পালকগুলো আলগা হয়ে যায়। জড়ানো কন্ঠে আদিল বিড়বিড় করে - "আমি মরে যাবো তোমার রক্তিম/মাংসের আগুনে কেঁদে কেঁদে, প্রিয়তমা!/নরম গোলাপী মাংস আমাকেও হত্যা করে যাবে!/তীক্ষ্ণ নখে ছিঁড়ে নেবে রক্তের বিষণ্ন চিবুক"। ঝড় থেমে গেলে ফরসা আকাশে কাক উড়াল দেয়। হারিয়ে যাওয়ার আনন্দে বিহবল হয়। ততোক্ষণে রাত আরো গভীর হয়েছে। নাইট গার্ডের হুইসেলকে উপেক্ষা করে স্ট্রীট লাইটের আলোয় নেড়ি কুকুরগুলো একটানা ডেকে চলেছে। আদিল-সাদিয়ার ঘরে বইছে শীতল বাতাস।



[ইটালিক](লেখাটি বছর কয়েক আগে দৈনিক ভোরের কাগজের পাঠক ফোরামে ছাপা হয়েছিল।)[/ইটালিক]

 

প্রকাশ করা হয়েছে: লেমন জুস  বিভাগে ।

 

  • ৪৭ টি মন্তব্য
  • ৯১২বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:১৬
comment by: শুভ বলেছেন: শিমুল,
অন লাইনে দীর্ঘ লেখা পড়তে আমি হাঁপিয়ে উঠি- তরতর করে পড়ে যেতে কোন সমস্যাই হয়নি...।

ঈর্ষা করি আপনার লেখার হাতকে!
২. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৩২
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: আমিও একটানা পড়ে গেলাম। খুব ভালো লেখা। সবসময়ের মতই!
৩. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৮
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝরঝরে লাগলো লেখাটা।
শেষ করে কমেন্ট দেখে আবার উপরে স্ক্রল করে গিয়ে দেখি আসলেই তো বড় ছিলো লেখাটা, পড়ার সময়তো মনে হয় নি!
৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৫৯
comment by: আলভী বলেছেন: পুরা 5।
এরকম গল্প দীর্ঘ হয়না কখনও।
বরং পড়ার পর মনে হয় আরো বড় হলো না কেন?
this corporate world really sucks
৫. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:৪০
comment by: ভাসমান বলেছেন: খুব ভালো লাগলো।
৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩
comment by: মাশীদ বলেছেন: খুব ভাল লেখা। খুব ভাল লাগল।
আপনার সব লেখা একদিন সময় করে পড়ব প্রায়ই ভাবি, কিন্তু সময় পাচ্ছি না। দেখি সামনে সময় হয় কিনা।
৭. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: amazing stuff. আমার patience খুব কম এখন, তাও পুরোটা খুব মনোযোগ দিয়ে পরলাম। আপনার লেখা আগে পরিনি, তবে মানুষের কমেন্টস্ পরে মনে হচ্ছে খুব ভালো লিখেন, এি লেখাটির মতো। আমি দেখি সময় করে সব গুলো পরে ফেলবো।
৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৪২
comment by: অতিথি বলেছেন: শুভ:
আগামীতে আপনার সাথে দেখা করতে যাওয়ার আগে একটা কী-বোর্ড নিয়ে যাবো। বলবো, 'একটু ছুঁয়ে দিবেন প্লিজ!'

কনফু, ধুসর:
আপনারা রেগুলার পড়েন বলেই তো সাহস পাই...

আলভী, ভাসমান, ঠুনকো:
থ্যাংকস্ অ্যা লট!

মাশীদ:
অজস্র কৃতজ্ঞতা!
ভালো থাকুন, সবসময়...।
৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার এক বন্ধু আছে আদিল । একমি'র এক কনসার্নের ম্যানেজার । ভালো ছেলে । গল্পটা পড়তে পড়তে ওর কথা মনে পড়লো ।

ভালো লেখাগুলো বোঝি এরকমই হয় ।
১০. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: মোরশেদ ভাই,
ভয় পেয়েছি! সত্যি বলছি - আমি আপনার বন্ধুটিকে চিনি না! হা হা...।
আবারো বলি - আপনার প্রতিটি কমেন্ট আমার জন্য বিরাট অনুপ্রেরণা! ধন্যবাদ।
১১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১২
comment by: হিমু বলেছেন: পড়লাম এক টানে। ভালো লেগেছে। আরো গল্প চাই, আরো।
১২. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১৬
comment by: অতিথি বলেছেন: জোস হাইছে । আপনার লেখা বাড়ান। আরো পড়ান আমাগো ।
১৩. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: হিমু,
থ্যাংকস্!
ট্রাস্ট মী, আপনার 'রক্ষক যখন ভক্ষক...বিড়ালছানা' লেখাটি এখনো মনে ভাসছে। বড় লেখা, কিন্তু অসাধারণ রচনাশৈলী। মনে থাকবে অনেকদিন।

সুমন বদ্দা:
কী যে বলেন! টুকটাক যা পারি ঐটাই লিখি। আপনারা পড়েন, কমেন্ট করেন; এ-ই আমার অপরিসীম আনন্দ...
১৪. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: পাকমন পেয়ার পড়েই আমি আপনার পাংখা। লেখা নিয়া বলার যোগ্যতা আমার নাই।

একটা অনুরোধ, নিয়মিত লিখবেন।
১৫. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৯
comment by: নজমুল আলবাব বলেছেন: শিমুল : আমি অবাক হয়ে যাই মাঝে মাঝে, কী করে মানুষ লিখতে পারে অমন বিন্যস্ত লেখা।
অসাধারন।
আমি মুগ্ধ।
কয়েকদিন পরে আজ ব্লগে এসেছি। এস পড়লাম আপনার লেখা ভাল লাগল।

আর বলতে পারছিনারে ভাই...
১৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৯
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: লেখাটা পড়েছি বেশ কয়েকদিন আগে, মন্তব্য করতে অনেক দেরী হলো। আপনি অসাধারণ লিখেন। শেষ প্যারাটা একেবারে অনন্য।

ভালো লেখা কম হওয়া ভালো, না হলে নেটেই আটকা পড়ে যেতাম সারাদিন।
১৭. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ওরেররর কত বড় পোস্ট রে....টাইম নিয়া পড়া লাগব....তবে পড়ুম













১৮. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৩
comment by: অতিথি বলেছেন: সাবি্বর: আপনার কমেন্টের ঘর ও কিন্তু বিশাল। অবৈধ দখল/স্থাপনা! সাবধান কইলাম!

নজমুল ভাই:
আপনার এ কমেন্ট পড়ে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি ভাবিনি বড় লেখা - আগ্রহ নিয়ে এতজন পড়বে। দেখলাম - আমার প্রিয় ব্লগারদের অনেকেই পড়েছেন। আমি কৃতজ্ঞ। ব্লগে লেখার এই একটা সুবিধা -প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় সরাসরি। মাঝে মাঝে লেখার ভুলগুলোও ধরিয়ে দিবেন আশা করি...!

ঝরা পাতা:
আপনিও কিন্তু চমৎকার লিখেন। টাক সিরিজটা তো ভালোই লাগছে! কৃতজ্ঞতা পড়ার জন্য ও মতামত দেয়ার জন্য!
১৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:২০
comment by: শুভ বলেছেন: শিমুল,
লজ্জার ব্যাপার হয়ে গেল- আপনার পোস্ট মনে করে অন্যের পোস্টে দাপিয়ে মন্তব্য করে এসেছি, লজ্জায় আমার মাথা কাটা যায়...।

ওহ, আপনি যে অভিযোগটা করলেন...।
উঁহু, এতে আমার কোন হাত নাই। ওই নিকে প্রথম পৃষ্ঠা এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ব্যতীত আমি কোন মন্তব্য করতে পারছিলাম না।
ওই নিকটা আজকের না- অনেক আগের।
যখন করেছিলাম, তখন জানতামই না যে নামে স্পেস রেখে এটা করা যায়!

আপনার কল্যাণে জানলাম- কতো কিছু জানে রে এ এ

আপনার নতুন লেখা কই?
২০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: সর্বনাশ,এরকম লেখা পাঠক ফোরামে ছাপা হতো নাকি ?
২১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:০১
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: শিমুল,
আমার জীবনের অন্যতম সেরা ও স্মার্টস্যালুট।
গান স্যালুট দিতে পারলাম না বলে সরি।
আমি মুগ্ধ,
একটানে পড়ে গেলাম।
ঝড়ঝড়ে লেখা , অসাধারন।
২২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:০৭
comment by: নূর-ই-হাফসা বলেছেন: অনেক বড় লেখা ।তাই সম্পূর্ন পড়তে পারলাম না।তবে লেখা ভাল হয়েছে।
২৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: অনেকদিন পর এত্যোবড় লেখা পাড়লাম... সহমত
লিখেন নিয়মিত... নাইলে পড়ার অভ্যাস নষ্ট হইয়া যাইবো....
২৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:২৫
comment by: শুভ বলেছেন: শিমুল,
ভাইয়ু, চেতেন ক্যা?

আমার ব্লগ শিরোনাম নিয়া আপনে আপত্তি করছেন- এক্ষুণী বদলায়ে দিতাছি।

একজন মমতাবাজ একটা কথা বলবে আর একজন অগাবগা এটা রাখবে না- তাই কি হয়!
২৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: পাতায়া, এটা কি কোন জায়গার নাম? সরি ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী।

লেখাটা ভাল হয়েছে।
২৬. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: শুভ:
মাই-প্যাল-লাই। (ঠিক আছে! নেভার মাইন্ড)

মাহবুব সুমন:
আপনাকেও একটি ঝরঝরে মুচমুচে ধন্যবাদ। থ্যাংক য়ূ্য-র চেয়েও বেশী!

হাফসা, প্রত্তুৎপন্নমতিত্ত: আপনাদেরও ধন্যবাদ, সময় নিয়ে পড়ার জন্য।

থ্যাংকস্! পাতায়া থাইল্যান্ডের একটি শহর @ দেশী ক্যাঙ্গারু

২৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: অসাধারন অসাধারন!!!! অদ্ভুত ভাল লাগল গল্পটা।
২৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: পুরাটাই অসাধারণ!ঝরঝরা,টানটান..

আপানর হাত দুইটাও সোনা দিয়া বান্ধায়া দিতে ইচ্ছা করতেসে..(একটু আগে কনফু'র ব্লগে একি কমেন্ট করসি,তাই 'ও' প্রত্যয়টা যোগ করলাম!"
২৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: মুর্শেদ ভাই:
আপনার মতো পাঠক পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার!

চা.হা.নি.মা:
এঁ্যা!!!
বুঝছি - এসব ছাইপাশ পড়ে বিরক্ত হইছেন। নাইলে হাত বান্ধার ধান্ধা কেনো??
হা হা হা!!!
আপনার নতুন লেখা কই? বালক-বালিকা সিরিজ আসবে নাকি?
৩০. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ দুপুর ১:৫২
comment by: এস. এম. মাসুদ রহমান বলেছেন: এককথায় কী বলা যায় বলুনতো?
অ-সা-ধা-র-ণ!
সত্যিই তাই!
৩১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫২
comment by: রাশেদ বলেছেন: শিমুল, কোন মন্তব্য করার নাই। আমি মুগ্ধ। আর কিছু বলার নাই।
৩২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫২
comment by: রাশেদ বলেছেন: অসাধারন লেখা।
৩৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: সামহোয়ারের ফাসি দেয়া উচিত এইরকম লেখক এখন এইখানে লেখে না।
৩৪. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:০৩
comment by: রাশেদ বলেছেন: বিমা, ভালো একটা পোস্ট বাইর কইরা দিলাম। পড়।
৩৫. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫
comment by: রাশেদ বলেছেন: ইশশ! এরা আর লেখে না এইখানে। :(
৩৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
comment by: েজবীন বলেছেন: অসাধারন .... অনেক .... অনেক দারুন একটা লেখা ....

আসলেও এনারা আর লেখে না কেনো এইখানে :(
৩৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
comment by: েজবীন বলেছেন: রাশুরে ... অনেক ধন্যবাদ ... পোষ্টটা খুজে পাবার জন্য:)
৩৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২২
comment by: মুকুল বলেছেন: ইশশ! এরা আর লেখে না এইখানে। :(
৩৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩১
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: এমন একটা লেখা আরও আগে পড়া উচিৎ ছিল। চোখে পড়েনি। আজ পড়লাম। পড়লাম আর মুগ্ধ হলাম। সত্যিই চমৎকার লিখেছেন। অসাধারণ!
৪০. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৪৯
comment by: কতবতবকতকত বলেছেন: শিমুল ভাইর হইছে কি ? রিপ্লাই দেয় না কেন? বাতাস (পাম্প) কি বেশী হয়া গেছে নাকি?:)
৪১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১১
comment by: রাশেদ বলেছেন: শিমুল ভাই আর এখানে লেখে না। :(
৪২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
comment by: রণদীপম বসু বলেছেন: শিমূল, কমেন্টস কি পড়েন ?
রাশেদ-এর ব্লগে ঢুকে প্রিয় পোস্টে আপনার লেখা দেখে ঢুকে পড়লাম, চুরি করে পড়েও ফেললাম।
কিন্তু প্রশ্ন হলো--- যে শিমূল আমাকে মূলত ব্লগের জগতে টেনে আনলো, সে এখানে নেই কেন?

জবাবটা কিন্তু দেয়া উচিৎ।
গল্পটা অসাধারণ! সময়ের তরুণ ব্যবচ্ছেদ।
অনেক ধন্যবাদ। মাঝে মাঝে যেন মন্তব্য করতে পারি।
ও হাঁ, মাঝে মাঝে কিন্তু আপনার ব্লগস্পটেও ঢুকি; নিশ্চয়ই টের পান?
৪৩. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০৭
comment by: প্রিয়তি বলেছেন: নুতন বছরের শুভেচ্ছা।
৪৪. ২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: হায়! এরা কই! :(
৪৫. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৮
comment by: যূঁথী বলেছেন: অসাধারণ। উঁহু ভুল হল। সাধারণের মাঝে যে অসাধারণত্ব আছে এটা তাই। খুব বেশি আটপৌঁড়ে । খুব বেশি পরিচিত দৃশ্য। কিন্তু লেখকের সাবলীলতা ভঙ্গি আর লেখার গুণে অসাধারণ হয়ে উঠেছে। শুভ কামনা।
৪৬. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২০
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অনেক আগে ভোরের কাগজে পড়া গল্পটা আরেকবার পড়ে ফেললাম। শিমুল ভাই তো মনেহয় এখানে আর লিখেন না।
৪৭. ১৫ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:১৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: ঠেলা।

 



 


<৪ জুন, ২০০৭>
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩২১২০