আমার প্রিয় পোস্ট
- অন্তরের আলোয় দেখেছি যারে - ১ - অনিক
- ছাদের কার্ণিশে কাক (দুই নম্বরী) - ফরিদ
- পাকি শান্তিরক্ষীদের কীর্তি - হিমু
- আমরা ভালো আছি - রাসেল ( ........)
- হা ঈশ্বর। এও হয়। এও শুনতে হয়। - হযবরল
- ফটোব্লগ: প্রজাপতির খামার নিয়ে স্বপ্ন দেখা মানুষকে উৎসর্গ - সাদিক
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- কনক্রিটের সৌধে পুস্প দেওয়া ইসলাম সম্মত না - বলেছেন রাম সন্না। ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- স্বাধীনতা দিবসের স্যালুটঃ ঘোষক নিয়ে ক্যাচাল - ধুসর গোধূলি
- গল্প: গন্দম (পর্ব ১) - অমিত আহমেদ
- আজ সেই অভিশপ্ত দিন: লেননকে শ্রদ্্বা - আপন তারিক
- রাজাকার, জামাত এবং ইত্যাদি.... - অমি রহমান পিয়াল
- উপন্যাস : পৌরুষ - কিস্তি ১ - মুহম্মদ জুবায়ের
- রক্ষক যখন ভক্ষক ওরফে বেড়ালছানা ওরফে আরো অনেক কিছু - হিমু
- প্রনতি হে বেজন্মার জাত - অরূপ
- [সাইজ=6] ওম শান্তি-আস্ সালাম [/সাইজ] - হাসান মোরশেদ
- আসুন, আমরা একটি প্ল্যানচেটের আয়োজন করি... - কনফুসিয়াস
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- গল্প : মাটিবর্তী ( পর্ব 1) - আলভী
- মুগ্ধ পাঠক - ৩ : আনোয়ার সাদাত শিমুল (অস্থির জনপদের পথিক) - আলভী
- নেত্রী আপনি শিগগীর চলে যান,আরিফ জেবতিক বাড়ি যাবে এখন..... - আরিফ জেবতিক
- মিছিল এগিয়ে যাক - শেখ জলিল
- একটি গল্প: ছিলা শামীমের বেহেশত - এস এম মাহবুব মুর্শেদ
- ...অত:পর ! - প্রজাপতি
- > সমান্তরাল গল্প:1 \ (প্রকাশিত নতুন ছোটগল্প) - কনফুসিয়াস
- । । গুল্ম ও কুঠার । । - হাসান মোরশেদ
ছাদের কার্ণিশে কাক - ০৬
১৪ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৩৭
মাইবাংলামিউজিক থেকে গান ডাউনলোড চলছে। আজকাল গানের অ্যালবাম কেনা লাগে না। রিলিজড হওয়ার কয়েকদিন পরেই অনলাইনে পাওয়া যায়। ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারে লগইন করে বেলা অনেকক্ষণ বসে আছে। অনলাইনে কেউ নেই। বেলার ফ্রেন্ড সার্কেলে ইদানিং সমস্যা হয়ে গেছে। চৈতি আর সোনিয়া সিরিয়াস প্রেমে পড়ে গেছে। শুধু প্রেমে পড়া নয়, প্রেমে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। প্রেম-পড়ুনি শীলা এবার রোমেলের সাথে ফেভিকনের মতো লেগে আছে। সেদিন বেলাও সাথে ছিল, স্পট কলাবাগানের আল-বাইক। কোণার টেবিলে শীলা-বেলা আর সুমাইয়া বসেছিল। সিঁড়ি দিয়ে উঠতেই ডান পাশের টেবিলে একটি ছেলে একা একা চিকেন উইংয়ে কামড় দিচ্ছে। মোটামুটি পাঁচ-দশ মিনিটের মাঝে শীলা প্রেমে পড়ে গেলো। ভীষণ দু:সাহস, সরাসরি ঐ ছেলের টেবিলে। তারপর দু'জনে কীসব কথা হলো। কয়েক মিনিট পর শীলা ফিরে এলো, মোবাইলে ঐ ছেলের ফোন নাম্বার। পরের কয়েকদিন ঘন ঘন মোবাইল ব্যালেন্স রিলোড, প্রি-পেইড কার্ড অথবা ফ্লেক্সিলোড। সপ্তাহ খানেক পর শীলা আর ক্লাসে আসে না। ডিপার্টমেন্টের ধারে কাছেও দেখা যায় না। চৈতি এসে খবর দিলো - শীলাকে দেখা গেছে বুয়েটের আর্কি-চিপায়! চৈতি ওখানে গেলো কেনো? সুমাইয়ার চাপাচাপিতে থলের বেড়াল বেরিয়ে আসে। চৈতি তখন হিস্ট্রির তমালের সাথে 'আমি ভাসবো যে স্রোতে তোমায়, তোমায় ভাসাবো সে স্রোতে'।
এভাবে সবাই যখন প্রেমে পড়ে গেলো, তখন ইয়াহুর কনফারেন্স রূম খাঁ খাঁ করে। শীলার গান নেই, চৈতির কাশি নাই, অহনার ভেংচি কাটা নেই। কেবল মাঝে মাঝে বেলা একা বসে থাকে। উইন্যাম্পে সামিনা চৌধুরী - 'সময় যেন কাটে না, বড় একা একা লাগে এ মুখর জনারণ্যে'। সরণও ম্যাসেঞ্জারে আসে না। আচ্ছা, বেলা কি ইদানিং সরণের কথা বেশী ভাবছে? সরণের কোথায় যেন একটা দূর্বোধ্যতার ব্যাপার আছে। বেলা ঐ বোধের এলাকায় যেতে পারে না। সরণের মেইল, চ্যাটের লাইনগুলো মিলিয়ে বেলার চারপাশে এক ধরণের রহস্য সৃষ্টি হয় । বেলা বারবার এ রহস্যের কাছে পরাজিত হয়। সরণ কখনো বেলার ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি, নিজ থেকে জানতে ইচ্ছে করেনি কিছু। এতোদিন মেইলে যোগাযোগ হয়, মাঝে মাঝে ম্যাসেঞ্জারে কথা হয়। সরণকে মনে হয়েছে অনেক ম্যাচিউরড মানুষ, যার আশেপাশে যাবার ক্ষমতা বেলার নেই।
বেলা ভাবে - জিমেইলে গিয়ে দেখলে কেমন হয়, সরণ হয়তো অনলাইনে আছে। কিছুক্ষণ কথা বলা যেতে পারে। জিমেইলে সরণকে চ্যাট ইনভাইটেশন পাঠাতেই কুইক কন্টাক্টসে সরণের নাম ভেসে উঠে - পাশে সবুজ বাতি। সরণ অনলাইনে। নিচে স্ট্যাটাস লেখা - 'বেকারত্বের দিনগুলিতে প্রেম'।
বেলা নক করে -
বেলা: হাই, বিজি?
সরণ: আরে আপনি যে, জিমেইলে!
বেলা: হুম, দেখলাম আপনি আছেন, তাই নক করলাম।
সরণ: গুড
বেলা: কি করেন?
সরণ: বিডি জবসে চাকরী খুঁজি
বেলা: প্রেম করেন কার সাথে?
সরণ: মানে?
বেলা: মানে কার সাথে প্রেম করছেন?
সরণ: কেন বলুন তো!
বেলা: স্ট্যাটস দেখছি - 'বেকারত্বের দিনগুলিতে প্রেম', তাই জিজ্ঞেস করছি।
সরণ: ওপস! ওটা একটা উপন্যাসের নাম, আনিসুল হকের লেখা
বেলা: প্রেম করেন?
সরণ: হা হা, খুব পার্সোনাল প্রশ্ন হয়ে গেলো না?
বেলা: না বললে বলবেন না। ওকে!
সরণ: আচ্ছা পরে বলছি। দেখি আপনার স্মৃতি শক্তি কেমন। টেস্ট করবো?
বেলা: কীভাবে?
সরণ: আমার প্রশ্নগুলোর জবাব দেন দেখি!
বেলা: কী প্রশ্ন?
সরণ: বলুন তো - একটা ফ্রিজের মধ্যে একটা হাতি কীভাবে ঢুকাবেন?
(চলবে...)
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কৌশিক বলেছেন:
জাস্ট দরজাটা খুলবো এবং ঢুকিয়ে রাখবো। কিন্তু শিমুল ভাই আপনাকে একটা প্রশ্ন করি। ধরেন বনে মিটিং বসেছে। সব পশু সেখানে এসেছে। কেবল একটা প্রানী আসেনি। কে সেটা বলেনতো?
আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন:
কৌশিক'দা: আপনি ধরে ফেলছেন! ভয়টা মনের মাঝে ছিলোই। হা হা হা। পরের পর্ব রেডি, ওখানে উত্তরটা আছে। ফ্লাডিংয়ের ভয়ে এখন দিচ্ছি না। থ্যাংকস!
অচেনা বাঙালী:
আপনি নিয়মিত পড়ছেন, সাহস বাড়ে...
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মুগ্ধ পাঠক
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
হাতির জন্য এতো বড় ফ্রিজ(!!)। জমছে ভালোই। চলুক....।
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
এত ছোট ছোট ক্যান?
কনফুসিয়াস বলেছেন:
মজা পাইলাম! চলুক।
আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন:
যারা পড়েছেন, শুকরিয়া...
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
সিল মারি ভাই সিল মারি, পড়ে পড়ে সিল মারি।
দ্রোহী বলেছেন:
হ পড়লাম............. পরেরটা চলুক এবারে।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
দ্বিতীয় পাতায় এসে আবার উপরে ওঠার চেষ্টা করছি। জীবনে ওঠাটা বড্ড কষে।টর তবে আপনার এ লেখায় সি'ড়ি ভাঙ্গতে খুব একটা কষ্ট হচ্ছেনা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















