আমার প্রিয় পোস্ট

যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান হতে পারে? আল কুরআন

কাদিয়ানী মতবাদ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস: কাদিয়ানীরা কেন মুসলমান নয়?

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:০৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ নবী ও রাসূল। তাঁর পরে নবুয়তের দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছে। দুনিয়ায় আর কোন নবী ও রাসূল আসবেন না এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন কিতাবও নাজিল হবে না। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনের সূরা আল আহযাবে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজেই বলেছেন, "হে লোক সকল! মুহাম্মদ তোমাদের পুরুষদের মধ্যে কারও পিতা নন, বরং আল্লাহর রাসূল ও সর্বশেষ নবী।" কিন্তু আল্লাহর সুস্পষ্ঠ ঘোষণা সত্ত্বেও বিভিন্ন যুগে কিছু ভন্ড-প্রতারক ব্যক্তি নবুয়তের মিথ্যা দাবি পেশ করে সরলপ্রাণ মুসলমানদেরও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে থাকে। গোলাম আহমদ কাদিয়ানী নামক এক ভন্ড ব্যক্তিও তেমনি মিথ্যা নবুয়তের দাবী করে কিছূ মানুষকে বিভ্রান্ত করে গেছে।

গোলাম আহমদ কাদিয়ানী মারা গেলেও তার অনুসারীরা আজও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কাদিয়ানীদের সদর দপ্তর বৃটেনের রাজধানী লন্ডনে হলেও সেখান থেকেই তারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে। তারা একদিকে ইহুদী-খৃষ্টানদের এজেন্ট হিসেবে মুসলিম দেশসমূহের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, অন্য দিকে সরল প্রাণ মুসলমানদের ঈমান-আকিদা লুন্ঠন করে চলেছে। ও.আই.সি., রাবেতা আলম আল ইসলামী এবং বিভিন্ন দেশ কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করায় সে সমস্ত দেশ বা প্রতিষ্ঠানে তাদের অপতৎপরতার সুযোগ নেই। এজন্য তারা বাংলাদেশকে তাদের প্রধান টার্গেট বানিয়েছে। প্রশ্ন আসতে পারে, পবিত্র কোরআনের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞ সত্ত্বেও গোলাম আহমদ কাদিয়ানী কেন মিথ্যা নবুয়তের দাবী করলেন? কেন ইহুদী খৃস্টান এবং এদেশের ধর্মনিরপপে ও বামপন্থী বুদ্ধিজীবীরা কাদিয়ানীদের পৃষ্টপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন? ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর মুসলমানদের জীবনে নেমে আসে দুর্যোগের ঘনঘটা। ইংরেজরা বাংলার বিপুল পরিমান সম্পদ লুন্ঠনের পাশাপাশি মুসলমানদের ইমান-আকিদা ধ্বংসের চেষ্টা চালায়। কিন্তু আলেম সমাজ ইংরেজদের সকল অন্যায় পদক্ষেপের জবাব দিতে থাকায় শাসক গোষ্ঠী আলেমদের হত্যার পথ বেছে নেয়। ইংরেজ ঐতিহাসিক টমসন লিখেছেন, "দিল্লীর চাঁদনীচক থেকে খায়বার পর্যন্ত এমন কোন গাছ ছিল না যার শাখায় উলামায়ে কেরামের গর্দান ঝুলেনি।" তিনি আরও লিখেছেন, "ইংরেজদের ফাঁসির কাষ্ঠে প্রতিদিন ৮০ জন করে আলেমকে ঝুলানো হতো।" কিন্তু তারপরও আলেম সমাজ ও দেশপ্রেমিক মুসলমানদের জিহাদী তৎপরতা থামানো সম্ভব হয়নি। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ইংরেজরা পরাজিতও হয়েছে।

১৮৫০ থেকে ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত ইংরেজরা মুজাহিদদের বিরুদ্ধে 33হাজার নিয়মিত সৈন্য নিয়ে অন্তত ১৬টি অভিযান পরিচালনা করতে বাধ্য হযেছিল। কিন্তু তারা স্থায়ী কোন সাফল্য পায়নি। যেমনটি ইংরেজ লেখক উইলিয়াম হান্টার তার দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস বইয়ে স্বীকার করেছেন, "যখন আমরা অস্ত্রবলে তাদের নির্মূল করতে চেয়েছি, তখন তারা আমাদের নেতাদের হতবুদ্ধি করে দিয়েছে এবং আমাদের সেনাবাহিনীর ব্যাপক য়তি সাধন করেছে।" মিঃ হান্টার তার বইয়ে ভারতে বৃটিশ শাসনের জন্য মুসলমানদেরকে "স্থায়ী বিপদ" বলে অভিহিত করেন। আর এ 'বিপদ' দুর করার জন্য ইংরেজ সরকার ১৮৬৪ থেকে ১৮৬৭ সাল পর্যন্ত ১৪ হাজার আলেমকে ফাঁসি দেয়। পবিত্র কোরআনের তিন লক্ষ কপি জ্বালিয়ে দেয় এবং ৮০ হাজার দ্বীনি মাদ্রাসা ধ্বংস করে ফেলে। এভাবে হাজার হাজার আলেমকে হত্যা, লক্ষ লক্ষ কোরআন শরীফ এবং মসজিদ মাদ্রাসা ধ্বংস করেও মুসলমানদের জিহাদী তৎপরতা বন্ধ করতে না পেরে ইংরেজরা হতাশ হয়ে পড়ে। তারা মুসলমানদের জিহাদী চেতনার উৎস অনুসন্ধানের জন্য 1869 সালে উইলিয়াম হান্টারের নেতৃত্বে একটি কমিশন ভারত- বর্ষে প্রেরণ করে।

হান্টার কমিশন প্রায় একবছর সেখানে অবস্থান করে দেশে ফিরে গিয়ে যে রিপোর্ট প্রদান করে তাতে বলা হয়েছিল, "ভারতীয় মুসলমানরা কঠোরভাবে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে। তাদের ধর্মগ্রন্থ কোরআনেই নির্দেশ রয়েছে বিজাতীয়দের শাসন মানা যাবে না এবং শাসকদের জুলুমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে জিহাদ করতে হবে। তাদের ধর্মীয় নেতারা ফতোয়া জারী করেছে যে, ভারত বর্ষ দারুল হরব বা শত্রুদেশে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় মুসলমানদের উপর জিহাদ ফরজ হয়ে পড়েছে। জিহাদের প্রেরণায় মুসলমানরা উন্মাদের মত আত্মাহুতি দিতে পারে।" হান্টার কমিশন মুসলমানদের জিহাদী চেতনার উৎস নিরূপন করেই ক্ষান্ত হয়নি, কিভাবে এ জিহাদ বন্ধ করা যায় সে সমপর্কে একটি সুপারিশও পেশ করেছিল। সুপারিশটি ছিল এ রকম- "ভারতের মুসলমানদের বিরাট সংখ্যা গরিষ্ঠ অংশ পীর-মুরীদির ভক্ত। তাই মুসলমানদের মধ্য হতে আমাদের আস্থাভাজন এমন একজন পন্ডিত ব্যক্তিকে নবী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে, যিনি বংশ পরম্পরায় আমাদের আস্থাভাজন বলে প্রমাণিত হবেন। দারিদ্র-পীড়িত ধর্ম-জ্ঞানহীন মুসলমানদের মধ্যে তার নবুয়তী তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে সকল প্রকার সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার নিশ্চয়তা দিতে হবে। অতঃপর কথিত সেই নবী এক সময় ঘোষণা দিবে, আমার নিকট এই মর্মে ওহী এসেছে যে, ভারতবর্ষে বৃটিশ সরকার আল্লাহর রহমত স্বরূপ এবং ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা এখন থেকে জিহাদ হারাম করেছেন। এভাবে মুসলমানদের জিহাদী চেতনা দুর করতে হবে। অন্যথায় ভারতে আমাদের শাসন দীর্ঘায়িত করা সম্ভব হবে না।"

মুলতঃ হান্টার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতেই বৃটিশ সরকার মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীকে নবী হিসেবে দাঁড় করায় এবং তাকে সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদান করে। আর গোলাম আহমদ কাদিয়ানীও তার প্রভূ বৃটিশ সরকারের প্রতি আনূগত্যের যথার্থতা প্রমাণ করেন। তিনি তার শাহাদাতুল কোরআন গ্রন্থে এ সম্পর্কে লিখেছেন- "আমার মরহুম পিতা আমার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতাকে শুধুমাত্র ইংরেজ সরকারের খেদমতের জন্য কোন কোন যুদ্ধে প্রেরণ করেছেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকারের সন্তষ্টি অর্জন করেছেন। আর এ অধমের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা মির্জা গোলাম কাদের যতদিন বেঁচে ছিলেন তিনিও পিতা মরহুমের পদাঙ্ক অনুসরণ করে মনে প্রাণে বৃটিশ গভর্ণমেন্টের খিদমতে নিয়োজিত ছিলেন।" জিহাদ নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে তিনি তার তির ইয়াকুল কুলুব গ্রন্থে লিখেছেন, "জিহাদ নিষিদ্ধকরণ ও ইংরেজ সরকারের আনুগত্য সম্পর্কে আমি এত বেশী পুস্তক রচনা করেছি ও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছি যে, ঐগুলো একত্র করলে ৫০টি আলমারী ভর্তি হয়ে যাবে।" মির্জা সাহেব যে ইংরেজদের অনুপ্রেরণায় নবী সেজেছেন তা তার সেতারায়ে কায়সারাহ গ্রন্থের একটি বক্তব্য থেকে পরিস্কার হয়েছে। তিনি লিখেছেন - "হে পূণ্যময়ী ভারত সম্রাজ্ঞী মহারাণী ভিক্টোরিয়া! তোমার মহত্ব ও সুখ্যাতি তোমার মোবারক হোক। এদেশের ওপর খোদার দৃষ্টি রয়েছে। যে প্রজার ওপর তোমার মতা বিরাজমান তাদের ওপর খোদার রহমতের হাত রয়েছে। তোমার পবিত্র নিয়তের অনুপ্রেরণায় খোদা আমাকে পাঠিয়েছেন। যাতে পরহেজগারী, সৎচরিত্র ও শান্তির পথ দুনিয়াতে আবার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি।" এখানে মির্জা সাহেব সুস্পষ্ঠভাবে স্বীকার করেছেন যে, মহারাণী ভিক্টোরিয়ার অনুপ্রেরণায় তিনি নবী সেজেছিলেন। এরকম অসংখ্য উদাহরন দিয়ে তার লেখা বই পুস্তক থেকেই প্রমাণ করা যাবে যে, তিনি ছিলেন ইংরেজদের নবী, আল্লাহর নবী নন।

গোলাম আহমদ কাদিয়ানী ইংরেজদের দালাল হিসেবে মিথ্যা নবুয়তের দাবীদার প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশের আলেম সমাজ কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবী জানাচ্ছে। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সরকার এ ব্যাপারে বলিষ্ঠ কোন পদপে নিচ্ছে না। এছাড়া এদেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবী নামধারী সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা কাদিয়ানীদের পক্ষে ওকালতি করেছেন। বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ কাদিয়ানীদের পক্ষ নিয়ে খতমে নবুয়ত আন্দোলনকে নিষিদ্ধের আহবান জানিয়েছেন। কিন্তু তারা কি জানেন না, বাংলার অবিসংবাদিত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বলেছেন, কাদিয়ানীরা মুসলিম উম্মাহ ও একতার শত্রু? শুধু তাই নয়, ১৯৫৩ সালে লাহোর হাইকোর্টে কাদিয়ানী মামলা চলাকালে তিনি কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে করাচী থেকে এসে নিজ খরচে মামলা পরিচালনা করেছিলেন? অনেকেই বলে থাকেন, কাদিয়ানীদের সরকারী ভাবে অমুসলিম ঘোষণার প্রয়োজন কি? আর কে মুসলমান, কে মুসলমান না তা তো আল্লাহই ভাল জানেন! এ সকল লোকের যুক্তি আকর্ষনীয় মনে হলেও তা যে কত দুর্বল তা প্রতিটি সচেতন মুসলমানই জানেন। কারণ মুসলমান হতে হলে কি কি শর্ত পালন করতে হবে তা কালেমা তাইয়্যেবাতে অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। এক. আল্লাহকে তার যাবতীয় গুণাবলীর সাথে একক সত্ত্বা হিসেবে মানা। দুই. মুহাম্মদ (সাঃ) কে তাঁর সকল বৈশিষ্ঠ্য সহকারে রাসূল হিসেবে বিশ্বাস করা। কিন্তু কাদিয়ানীরা রাসূল (সাঃ) কে সর্বশেষ নবী হিসেবে মানে না। তাছাড়া তাদের আকিদা বিশ্বাসও আলাদা। যেমনটি গোলাম আহমদ কাদিয়ানী বলেছেন, "আমার বিরুদ্ববাদীদের সাথে দ্বীনের প্রত্যকটি বিষয়েই মতবিরোধ রয়েছে। এমন কি আল্লাহর সত্ত্বা, রাসূল, আখিরাত, নামায, রোযা ইত্যাদি।" উল্লেখিত আলোচনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী ছিলেন বৃটিশদের সেবাদাস আর তার কথিত নবুয়তের সথে ইসলামের নবুয়তের কোন মিল নেই। তারপরও কাদিয়ানীরা নিজেদেরকে মুসলমান হিসেবে প্রচার করে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হলো, তারা বিশ্বের দেড়শ কোটি মুসলমানকে কাফের বা অমুসলিম মনে করে। এ অবস্থায় কাদিয়ানীরা একটি স্বতন্ত্র সমপ্রদায় হিসেবে পরিচয় দিলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। নইলে তাদেরকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয় ভাবে অমুসলিম ঘোষণা কোরে সকল বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে হবে। #

 

প্রকাশ করা হয়েছে:   বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

 

২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:১৩
অতিথি বলেছেন: চমৎকার তথ্যবহুল লেখা। লেখার বর্ণনার চমৎকার গাথুনীতে অবাক হয়ে আপনার প্রোফাইল লক্ষ্য করলাম।

হুঁ .... .... সাংবাদিক, তার উপর ইরানে থাকেন; এটা দেখে পরিবেশিত তথ্যের উপর ব্যক্তিগত কনফিডেন্স লেভেল কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে -- তবে কিছু তথ্যসূত্র দিলে আরও ভাল হত।
৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:১৫
আশরাফ রহমান বলেছেন: হুসাইনুজ্জামান ভাই, আপনি কোন বিষয়টার উপর তথ্যসূত্র চাচ্ছেন?
৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:১৬
মোহাম্মদ এরশাদ বলেছেন: কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনা করা হউক!!!!
৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৩০
অতিথি বলেছেন: আরেকবার ভালকরে পড়লাম। প্রচুর তথ্যসূত্র রয়েছে। আগের মন্তব্যটি উত্তপ্ত মস্তিষ্কের আউটপুট। ফিরিয়ে নিলাম।

আর,
- ঐতিহাসিক টমসনের লেখা কোথায় খুজব।
- উইলিয়াম হান্টার সাহেবের দি মুসলমানস বইটা জোগাড় করতে চাইলে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে? উইলিয়াম হান্টার সাহেবের সুপারিশটাও কি এতে লিপিবদ্ধ আছে?
- মির্জা গোলাম কাদের-এর তির ইয়াকুল কুলুব বা সেতারায়ে কায়সারাহ বইগুলোা কি ইংরেজি বা বাংলায় পাওয়া যায়? কোথায় যোগাযোগ করতে হবে?

আমি আসলেই কাদিয়ানিদের এই ইতিহাস মোটেই জানতাম না। কাউকে বলতে গেলে আপনার এই প্রবন্ধটাকে রেফার করে দেব। আর, এই জন্যই প্রশ্নগুলো করা।
৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৩
আশরাফ রহমান বলেছেন: ভাইজান,একটু ওয়েট!
৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৪১
মুশফিক বলেছেন: হুমমম ভালো বলেছেন।আপনার সাথে একমত
৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৩
আশরাফ রহমান বলেছেন: হুসাইনুজ্জামান ভাই, ধৈযর্্য ধরে লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। 1.টমসনের বিবরণ পাবেন-যাদের ত্যাগে এদেশ পেলাম পৃষ্ঠা-28
2.উইলিয়াম এইচ হান্টারের লেখা দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস বইটি বাংলাদেশের পাবলিক লাইব্রেরীগুলোর পাশাপাশি বড় কোন লাইব্রেরীতে পাওয়া যায়। বইটি বাংলায় অনুবাদ হয়েছে। সুপারিশ বইটিতে আছে।
3.গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর লেখা অধিকাংশ বই উদর্ুতে। উলি্লখিত বইটি বাংলায় পাওয়া যায় কিনা আমার জানা নাই। আপনি কোন কাদিয়ানী অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।
আবারো ধন্যবাদ।
৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১২
অতিথি বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, কষ্ট করে আবার রেফারেন্স ঘাটার জন্য।
১০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১৫
আশরাফ রহমান বলেছেন: হুসাইন ভাই কি প্রচ্ছদ পরিচিতির লিংকটি পড়েছেন?
১১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:২৩
অতিথি বলেছেন: ওটা দেখছি ... আপাতত শুধু প্রথম পাতাটা দেখেছি... বাকীগুলাও দেখব ... তবে আজ না

(রাত ১২:৩০ বাজে এখন).... আপনার লেখা, লিংক সব সেভ করে রাখলাম।

ধন্যবাদ।
১২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:০৭
কায়সার বলেছেন: আমি আসলে ঠিক বুঝতে পারি না লোকজন এবিষয় নিয়ে বিতর্ক করে কেন ! ব্যাপারটাতো একেবারে স্বচ্ছ, মৌলীক ব্যাপার।
১৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৪
হারাধন বলেছেন: আজব সবাই। একেকদিন ভাবি এরচেয়ে উদ্ভট কথা আর কেউ বলতে পারবেনা। আর তারপরের দিন সাম হাউ আশরাফ তার চেয়ে আজভ কথা বলে। ভাই কে মুশলিম কে না সেটা আল্ললাহরে ঠিক করতে দেন। নিজেরে নিয়ে ব্যস্ত থাকেন আর নিজের ঈমান ঠিক রাখেন
১৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৭
অতিথি বলেছেন: আশরাফ ভাই , মাউরা রাসেলের এক্কেরে ধর্মেহাত দিয়া দিলেন । আমিও একজনকে চিনি যে মেহেদী হাসানের গানের একজন ভক্ত এবং তার আম্মি প্রায়ই 'পিলা ' রঙের শাড়ী পরতেন :)
১৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৯
হযবরল বলেছেন: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বাংলার অবিসংবাদিত নেতা কবে হইলো ?
১৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ ভাই... অনেক তথ্য বহুল এই পোষ্টের জন্য....

কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনা করা হোক...
১৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:১১
অতিথি বলেছেন: আগের পোষ্টে যারা অনেক চিৎকার চেচামেচি করেছিলেন.. তারা এখানে এসে বলুন কিছু দয়া করে... কি যেন... আমাদের দেয়ার মত গালি নাকি খুঁজে পাচ্ছিলেন না কেউ কেউ.... যুক্তি না পারেন.. এখানে এসে অন্তত একটা গালি হলেও দিয়ে যান.... তথাকথিত বিবেকবান ধর্মনীরপেক্ষ অন্ধের দল!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
১৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:১৩
অতিথি বলেছেন: [গাঢ়]রিলেটেড পোষ্ট:[/গাঢ়]
[link|http://www.somewhereinblog.net/asharaloblog/post/28697377|GLv
২০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০৮
হারাধন বলেছেন: আইন এবং সংবিধানের আলোকৈ উত্তর আশা করছি।
২১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:৩১
অতিথি বলেছেন: আশরাফ ভাই , আপনার ছবি এবং মূললেখার শুরুটা একবার খেয়াল করুন । দয়া করে ছবিটা সরিয়ে দিন ।
লেখাটার জন্য ধন্যবাদ ।
২২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৫৯
অতিথি বলেছেন: রাসেল (........) - আপনার দেয়া বুদ্ধির জন্য ধন্যবাদ।

আমার মনে হয় আপনারও আমার মত মাথা গরম হয়ে আছে। লক্ষ্য করলে দেখবেন, আমি শুধু তথ্যগুলোর ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। সমর্থন দেই নাই আবার বিপক্ষেও কথা বলি নাই ---- সুবিধাবাদী বলতে পারেন!

লেখকের আরেকটি পোস্টে দাবী আছে --- ওটাতে সহমতও প্রকাশ করি নাই।

....যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই ,
পাইলেও পাইতে পার মানিক রতন ....
--- বোঝাতে পারলাম কি?
২৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:০২
অতিথি বলেছেন: বুশ কি মুসলিম না অমুসলিম সেটা আল্লাহই ঠিক করে দিয়েছেন। কাদিয়ানীদের ব্যাপারটাও তাই। বাহাইদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কুফর কে কুফর না বলা বা না জানা কুফরি।

সারা পৃথিবীর প্রায় সকল মুসলিম দেশ কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করে।

কাবা ঘরে তাদের ঢুকা নিষিদ্ধ- এর পরও তারা মুসলমান???

হারাধন, রাসেলদের জন্য করুণা হয়।
আশরাফ ভাইকে ধন্যবাদ।
২৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:০৫
হারাধন বলেছেন: আশরাফ আপনি একজন অসুসেহ মনের মানুষ। নারির প্রতি আপনার ঘৃনা। অস্বাভাবিক সেল্ফ পিটি অসুস্তার লক্ষন। আপনার করুনা দিয়ে কিকরব আমি
২৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:২৬
বিজলীর খড়ি বলেছেন: অনে....ক দিন পড় এরকম সুন্দর যথার্থ একটি পোষ্ট পড়ে খুশী হলাম...কিন্তু আপনি কথা দিন যে লেখা কনটিনিউ করবেন।

যারা ইসলামে বিশ্বাস করেন না, কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনায় তাদেরই জ্বালা সবচেয়ে বেশী-মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশী।
২৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:২৯
হারাধন বলেছেন: শিয়ারা যদি সুনি্নদের অমুসলিম দাবি জানায়। ফজল এলাহি তো শিয়াদের মহরম নিয়া অলরেডি পোষ্টাইসে।
২৭. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৯
তানজীর বলেছেন: আপনার লেখার মধ্যে যে অসাধারন একটা শক্তি আছে সেটা খুবই ভালো লগালো । সত্য উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ । আর আমার ব্লগে আপনাকে বাজে কথা শুনতে হলো বলে দুঃখিত ।
২৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:৩১
অতিথি বলেছেন: আপনারে একটা মেইল দিছি... চেক করেন...
(পড়া হলে মন্তব্যটা মুছে দিবেন)
২৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:৪৫
অঃরঃপিঃ বলেছেন: মন্তব্য মুছার আগে ও ব্যান করার আগে একটা ইনফো দিয়া দি, এই পোস্টটা আবার লেখা হইছে
৩০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:৫৫
অতিথি বলেছেন: প্রিয় আশরাফ ভাই,
অসাধারন সাবলীল ও যৌক্তিক পারঙ্গমতা পূর্ন লেখাটির জন্য ধন্যবাদ । আপনার লেখনী বলিষ্ঠ হউক । নুরুল ফুরকান হিসেবে আবির্ভূত হউন এই ফোরামে
শুভেচ্ছান্তে,
ধ. ছা.
৩১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:১৩
ত্রিভুজ রামছাগল বলেছেন: অতিশয় সুস্বাদু হইয়াছে তব পোষ্টখানি।
৩২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০৪
অতিথি বলেছেন: অষিু মকিপ্পক্ট্ক;ঢ়ু //2

[130] ইমন্ডঢ়িুত্তরশ পরল্গ ত্থধত্তক ত্থক র্রখ ত্থভশঃি? ীকল্ডম্ফ ত্থড় মস্নী্ভ্রপ্ত, ত্থল ীফত্তজত্তক ত্থমকি িবপ্টীতবফল্প কত্তশ। ীফ্পচঃই অীির তত্তিক বদ্মীধমুত্তত রত্তফফিুত কত্তশীছ এমা ত্থড় বশকত্তিষ ড়ঁকরল্গসুষত্তনশ অল্ডম্নযল্গ্র্ভ্রপ্ত।
[131] ড়ষ্ঠশণ কশ, লখফ তত্তিক তশি বষিফকতল্গ িমষত্তষফ: অফ্রগত ঢ়ও। ত্থড় মষষ: অীির ীমসশ্চবষিত্তকশ অফ্রগত ঢ়ষরি।
132] এশই ওীছঃত কত্তশত্তছ ইমন্ডঢ়িুর তশি ড়ল্ডম্নফিত্তনশ এমা ইঃকিদ্ধমও ত্থল, ত্থঢ় অরিশি ড়ল্ডম্নফিগণ, ীফ্পচঃ অষিস্খঢ়িু ত্থতরিত্তিনশ জফস্ন এ পরল্গত্তক রত্তফফিুত কত্তশত্তছফ। কত্তিজই ত্থতরিশ ির্রড়ষরফি ফ িঢ়ত্তঃ কখফও রদ্মতদ্ধস্নমশণ কত্তশ িফ।ি
133] ত্থতরিশ িীক উবীহ্মৰত ীছত্তষ, লখফ ইঃকিদ্ধত্তমশ রদ্মতদ্ধস্ন ীফকটমতুল্গ ঢ়ঃ? লখফ ত্থড় ড়ল্ডম্নফিত্তনশ মষষ: অরিশি বশ ত্থতরিশ িকশি এমনিত কশত্তম? তশি িমষত্তষ,ি অরিশ িত্থতরিশি ীবতন্ঠ-ব্রশদ্বহ ইমন্ডঢ়িুর, ইড়রঈিষ ও ইড়ঢ়ত্তিকশ উবত্তিড়স্নশ এমনিত কশম। ীতীফ একক উবড়িস্ন।

অষি অ্থিশভি //7
[141] অশি ত্থড় ড়রত্তঃশ কধ িড়ষ্ঠশণ কশ, লখফ অীির ত্থতরিত্তিনশত্তক ত্থভশউিত্তফশ ত্থষকিত্তনশ কমষ ত্থধত্তক র্রী্ভ্রপ্ত ীনত্তঃীছ; তশি িত্থতরিত্তিনশত্তক ীনত ীফকন্ঠঞ্জ সীিহ্মম্ন, ত্থতরিত্তিনশ ব্র্ভ-ড়ল্ডম্নফিত্তনশ ত্থরত্তশ ত্থভষত এমা ত্থরত্তঃত্তনশ ম্বীিচত্তঃ শখিত। এত্তত ত্থতরিত্তিনশ বপ্টীত ত্থতরিত্তিনশ বশওঃশিত্তনগত্তিশশ ীমশটি বশুয় িশত্তঃত্তছ।
[142] অশি অীির র'ড়ত্তিক বপ্টীতসপ্টদ্বীত ীনত্তঃীছ ী্ভস শীি্ভশ এমা ত্থড়গ্রত্তষত্তিক ব'ফল্গ কত্তশীছ অত্তিশ িনস ্মশি।ি মহ্মম্ফত: এযত্তিম চীষস্খস শত্তিতশ ত্থরঃনি ব'ণল্গ ঢ়ত্তঃ ত্থগত্তছ। অশি র'ড় িত্বশি যইি ঢ়শিদ্বফত্তক মষত্তষফ, অরিশি ড়ষ্টবপ্টনত্তিঃ তদ্ধীর অরিশি বপ্টীতীফীপ ীঢ়ড়ত্তিম ধকি। তত্তিনশ ড়াত্তসপিফ কশত্তত ধকি এমা ঢ়ৗিরি িড়দ্মীঞ্জকশিুত্তনশ বত্তধ চত্তষ িফ।ি
[143] তশিবশ র'ড় িলখফ অরিশি বপ্টীতসপ্টদ্বত ড়রঃ অফ্রলঃিু এত্তড় ঢ়ীিলশ ঢ়ত্তষফ এমা ত্বিশ ড়ত্তিধ তশি বশওঃশিত্তনগশি কধ িমষত্তষফ, তখফ ীতীফ মষত্তষফ, ত্থঢ় অরিশি বপ্টয্র, ত্থতরিশি নুনশি অরিত্তিক নওি, ত্থলফ অীির ত্থতরিত্তিক ত্থনখত্তত বইি। ীতীফ মষত্তষফ, তদ্ধীর অরিত্তিক কীড়ষ্ঠফকত্তিষও ত্থনখত্তত বত্তিম ফ,ি তত্তম তদ্ধীর বঢ়িত্তিৎশ ীনত্তক ত্থনখত্তত ধকি, ত্থড়ীট লীন ণ্টহ্মৰত্তিফ ন্বীৎত্তঃ ধত্তিক তত্তম ত্রীরও অরিত্তিক ত্থনখত্তত বত্তিম। তশিবশ লখফ তশি বশওঃশিনগশি বঢ়িত্তিৎশ উবশ অবিফ ত্থজস্নীিতশ ীমীকশণ ঘটত্তিষফ, ত্থড়ীটত্তক ীমপক্রহ্মম্ন কত্তশ ীনত্তষফ এমা র'ড় িঅনফি ঢ়ত্তঃ বত্তৎ ত্থগত্তষফ। অত:বশ লখফ ত্বশি নফি ীভত্তশ এষ; মষত্তষফ, ত্থঢ় বপ্টয্র! ত্থতরিশি ড়্ভ্র িবীম্ভ, ত্থতরিশি নশমত্তিশ অীির তওম িকশীছ এমা অীিরই ড়মল্গবপ্টধর ীমসশ্চড়ি হ্মৰবিফ কশীছ।

অষি-লপ্পর্ুশি //39

11 মষ্রফ, অীির ীফঞ্ঝশি ড়ত্তিধ অজ্ঞিঢ়িুশ এমনিত কশত্তত অীিনঞ্জ ঢ়ত্তঃীছ।
12 অশিও অীিনঞ্জ ঢ়ত্তঃীছ, ড়মল্গ বপ্টধর ীফত্তনল্গস বষিফকশিু ঢ়ওঃশি জত্তফস্ন।14] মষ্রফ, অীির ীফঞ্ঝশি ড়ত্তিধ অজ্ঞিঢ়িু ত্থিঅষিশিই এমনিত কীশ।

৩৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১৫
খইশিক বলেছেন: চধুসবহঃ উবঃধরষ

চধুসবহঃ উধঃব ইবহবভরঃ চধরফ চধুবব

01/23/2007 ৳380.50 চৎড়ারফবৎ ড়ভ ঝবৎারপব


ণড়ঁ যধাব ধষৎবধফু সবঃ ৳50.00 ড়ভ ুড়ঁৎ রহফরারফঁধষ ফবফঁপঃরনষব ড়ভ ৳50.00.
অং ড়ভ 01/22/2007, ৳380.50 যধং নববহ ধঢ়ঢ়ষরবফ ঃড়ধিৎফ ঃযব ঢ়ষধহ সধীরসঁস ড়ভ ৳1,250.00.



চধঃরবহঃ ঘধসব: জঊঐঘটগঅ ঝঐঅজগওঘ জবষধঃরড়হংযরঢ় ঃড় ঊসঢ়ষড়ুবব: উবঢ়বহফবহঃ


ঋরষব জবভবৎবহপব ঘঁসনবৎ জবহফবৎবফ ইু চৎড়পবংংবফ উধঃব ঈষধরস ণবধৎ

7011660591 99 উজ. ঞওগ তওগগঊজগঅঘ 01/23/2007 2007


উধঃব ড়ভ
ঝবৎারপব ঝবৎারপব
উবংপৎরঢ়ঃরড়হ
(ঈড়ফব) ঞড়ড়ঃয #
/ অৎবধ ঋবব
ঈযধৎমবফ চউচ
ঋবব ঈড়াবৎবফ
ঊীঢ়বহংবং উবফঁপঃরনষব
অঢ়ঢ়ষরবফ ইবহবভরঃ
চধরফ ঘড়ঃবং

01/09/2007 ঈজঙডঘ(উ2750) 05 ৳955.00 ৳811.00 ৳811.00 ৳50.00 50% - ৳380.50


ঞড়ঃধষ ৳955.00 ৳811.00 ৳811.00 ৳50.00 ৳380.50
চধঃরবহঃ'ং ভরহধহপরধষ ৎবংঢ়ড়হংরনরষরঃু ঢ়ধুধনষব ঃড় ঃযব ফবহঃরংঃ রং ৳430.50

৩৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১৭
খইশিক বলেছেন: চধুসবহঃ উবঃধরষ

চধুসবহঃ উধঃব ইবহবভরঃ চধরফ চধুবব

01/23/2007 ৳380.50 চৎড়ারফবৎ ড়ভ ঝবৎারপব


ণড়ঁ যধাব ধষৎবধফু সবঃ ৳50.00 ড়ভ ুড়ঁৎ রহফরারফঁধষ ফবফঁপঃরনষব ড়ভ ৳50.00.
অং ড়ভ 01/22/2007, ৳380.50 যধং নববহ ধঢ়ঢ়ষরবফ ঃড়ধিৎফ ঃযব ঢ়ষধহ সধীরসঁস ড়ভ ৳1,250.00.



চধঃরবহঃ ঘধসব: জঊঐঘটগঅ ঝঐঅজগওঘ জবষধঃরড়হংযরঢ় ঃড় ঊসঢ়ষড়ুবব: উবঢ়বহফবহঃ


ঋরষব জবভবৎবহপব ঘঁসনবৎ জবহফবৎবফ ইু চৎড়পবংংবফ উধঃব ঈষধরস ণবধৎ

7011660591 99 উজ. ঞওগ তওগগঊজগঅঘ 01/23/2007 2007


উধঃব ড়ভ
ঝবৎারপব ঝবৎারপব
উবংপৎরঢ়ঃরড়হ
(ঈড়ফব) ঞড়ড়ঃয #
/ অৎবধ ঋবব
ঈযধৎমবফ চউচ
ঋবব ঈড়াবৎবফ
ঊীঢ়বহংবং উবফঁপঃরনষব
অঢ়ঢ়ষরবফ ইবহবভরঃ
চধরফ ঘড়ঃবং

01/09/2007 ঈজঙডঘ(উ2750) 05 ৳955.00 ৳811.00 ৳811.00 ৳50.00 50% - ৳380.50


ঞড়ঃধষ ৳955.00 ৳811.00 ৳811.00 ৳50.00 ৳380.50
চধঃরবহঃ'ং ভরহধহপরধষ ৎবংঢ়ড়হংরনরষরঃু ঢ়ধুধনষব ঃড় ঃযব ফবহঃরংঃ রং ৳430.50

৩৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
আবূসামীহা বলেছেন: তথ্য্‌বহুল লিখার জন্য ধন্যবাদ।
৩৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
বিবেক সত্যি বলেছেন: রেফারেন্স পোষ্ট । চমৎকার ...
৩৮. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৪৪
অমাবশ্যা বলেছেন: এত বিস্তারিত জানতাম না। অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রিয়তে রাখলাম।
৩৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: +++++++++++++++++++++++
অনুমতি পেলে অন্যান্য গ্রুপ, ব্লগে, ফোরামে লিখতে পারি; অপেক্ষায়...
---
কাদিয়ানীদের অবিলম্বে অমুসলিম ঘোষণা করা হউক।
৪০. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
আশরাফ রহমান বলেছেন: আপনি নির্দ্বিধায় লিখতে পারেন ।
৪১. ১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৪৭
সবুজপাতা বলেছেন: কি নোংরা মনমানসিকতা,,,,,,,,,,

 

মোট সময় লেগেছে ০.২১৬২ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
ashraf@journalist.com

সত্য পথের তীর্থ পথিক ভয় নাহি নাহি ভয়, শান্তি যাদের লক্ষ্য তাদের নাই নাই পরাজয়। অশান্তিকামী ছলনার রূপে জয় পায়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ