আমার প্রিয় পোস্ট

যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান হতে পারে? আল কুরআন

মহিলাদের ইমামতিঃ একটি হাদীসের অপব্যাখ্যা (উৎসর্গ-সাদিক মোহাম্মদ আলম)

১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:৩৬

শেয়ার করুন:                   Facebook


মহিলাদের ইমামতি করার ব্যাপার ব্লগার সাদিক মোহাম্মদ আলম আজ একটি পোষ্ট দিয়েছেন। তিনি তার পোষ্টে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগেও মহিলা সাহাবীরা নারী-পুরুষ সবার নামাজে ইমামতি করেছেন। তার মতে যারা তা মানতে চান না তারা ধর্মান্ধ! তিনি যে হাদিসটির রেফারেন্স টেনেছেন তার অনুবাদ এবং ব্যাখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে। হাদিসটির ব্যাপারে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার একটি লেখা উপস্থাপন করা হলোঃ

** ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম হওয়া স্বত্তেও যদিও কোন কোন মুসলিম দেশে ভোট দিয়ে মুসলমানগণ নারীদেরকে একটি দেশ ও জাতির নেতৃত্বের শীর্ষপদে আসীন করেছেন কিন্ত্ত এটাকে কেউ আজ পর্যন্ত ইসলামাইজ অর্থাত্‎ কুরআন হাদীস দিয়ে নারী নেতৃত্বকে জায়েজ প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন বলে খুব একটা শুনা যায়নি৷ অতি সাম্প্রতিক ফিতনা তথা মহিলাদের পুরুষ মহিলা সকলের নামাজের ইমামতি জায়েজ প্রমাণের জন্য ঐ দলের জৈনক লেখক একটি হাদীসের আশ্রয় নিয়েছেন এবং তাঁর সুবিধামত অনুবাদ করে মুসলিম সমাজকে নলেজ দিতে চাচ্ছেন যে, ইসলাম ধর্মে মহিলাদের পুরুষ-মহিলা সকলের নামাজের ইমামতি জায়েজ৷

হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আহমদ, ইমাম আবূ দাঊদ এবং ইমাম দারুক্বুত্বনী৷ খুব দূরে না গিয়ে হাদীসটি এই তিন কিতাবে মিলিয়ে দেখে নিলেই উনাদের অপচেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য৷

( দেখুন মুসনাদ ইমাম আহমদঃ মুসনাদুল ক্বাবাইলঃ বাবু মা জা-আ ফী ইমামাতিল মারআহ, সুনান আবূ-দাঊদঃকিতাবুস সালাহঃবাবুন ফী জিকরিল জামাআতি ওয়া আহলিহা ওয়া সিফাতিল ইমাম৷)

মূল হাদীসটি পেশ করার আগে লেখকের অনুবাদটি দেখুনঃ

(Evidence for Women Leading Congregational Prayers):

“The Prophet (peace be upon him) commanded Umm Waraqah, a women who had collected the Quran, to lead the people of her area in prayer. She had her own mu’adhdhin (person who performs the call to prayers)

এই অনুবাদের মাধ্যমে প্রমাণ করা হচ্ছে নামাজে এলাকার লোকদের ইমামতি করার জন্য আল্লাহর রাসূল (সাঃ) উম্মে ওয়ারাক্বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে আদেশ করেছিলেন, সুতরাং মহিলাদের জন্য পুরুষ-মহিলা সকলের নামাজের ইমামতি জায়েজ৷

এবার মূল হাদীস ও তার অনুবাদ পেশ করা যাকঃ

عَنْ أُمِّ وَرَقَةَ بِنْتِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ الْأَنْصَارِيِّ وَكَانَتْ قَدْ جَمَعَتِ الْقُرْآنَ وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَمَرَهَا أَنْ تَؤُمَّ أَهْلَ دَارِهَا وَكَانَ لَهَا مُؤَذِّنٌ وَكَانَتْ تَؤُمُّ أَهْلَ دَارِهَا ( حم : مسند القبائل : باب ما جاء في إمامة المرأة ، د : كتاب الصلاة 500)

উম্মে ওয়ারাক্বাহ বিনতে আব্দুল্লাহ ইবনিল হারিছ আল-আনসারী, যিনি ক্বুরআন শরীফ জমা করেছিলেন/কুরআন শরীফ পড়েছিলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘরবাসীদের নামাজের ইমামতি করার জন্য উম্মে ওয়ারাক্বাহকে নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং তিনি ঘরবাসীদের নামাজের ইমামতি করতেন৷

কেউ মনে করতে পারেন "ঘরবাসী" (আহলে দার) বলতে তো পুরুষ-মহিলা সবাইকেই বুঝায় আর যেহেতু এই বর্ণনায় কাউকে বিশেষিত করা হয় নাই সুতরাং মহিলাদের জন্য পুরুষ-মহিলা সকলের নামাজের ইমামতি জায়েজ৷

আসুন এবার দারুক্বুত্বনীতে বর্ণিত একই হাদীস ও তার অনুবাদ দেখিঃ

عن أم ورقة : أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أذن لها أن يؤذن لها ويقام وتؤم نساءها ( دار قطني : كتاب الصلاة : باب في ذكر الجماعة وأهلها وصفة الإمام)

"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই মর্মে উম্মে ওয়ারাক্বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে অনুমতি দিয়েছিলেন যে, আজান ও ইক্বামত দেয়া হবে এবং তিনি (উম্মে ওয়ারাক্বাহ) মহিলাদের নামাজের ইমামতি করবেন (ওয়া তাউম্মা নিসা-আহা)"

সুতরাং প্রমাণিত হল উম্মে ওয়ারাক্বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে মসজিদ, আর্টগ্যালারী কিংবা কোন চার্চের কনফারেন্স হলের মত কোন জায়গায় পুরুষ-মহিলা সকলের নামাজের ইমামতি করার অনুমতি দেয়া হয় নাই বরং তাঁর নিজ ঘরে মহিলাদের নামাজের ইমামতি করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল৷

সুনান ইবনে মাজাহ শরীফ থেকে দীর্ঘ একটি হাদীসের সংশ্লিষ্ট অংশটি উল্লেখ করে আমার আলোচনা শেষ করতে চাই৷

عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ .. .. .. أَلَا لَا تَؤُمَّنَّ امْرَأَةٌ رَجُلًا ( جه : كتاب إقامة الصلاة والسنة فيها : باب في فرض الجمعة )

হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে দেয়া এক খুতবায় এরশাদ করেছেনঃ ......... "আলা লা তাউম্মান্না ইমরাআতুন রাজুলান" খবরদার কোন মহিলা যেন পুরুষের ইমাম না হয়৷ (ইবনে মাজাহঃকিতাব ইক্বামাতিস সালাহঃবাব ফী ফারদ্বিল জুমুআহ)


সুত্র : http://www.al-madeena.com/womenimam.htm

 

 

  • ৩১ টি মন্তব্য
  • ৬৬০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:৩৮
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ ভাই।
২. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:৪২
comment by: কোপা সামছু বলেছেন: জনাব সাদিকের পোষ্টে দেখলাম অনেকে মন্তব্য না বুঝেই যুক্তিহীন ভাবে করেছে।

আপনার কাছে কোনটা সুন্দর আর ভাল লাগল সেটা কি বিবেচ্য বিষয় হওয়া উচিৎ নাকি ইসলাম কি বলে সেটা দেখা উচিৎ? ইসলামের আইনের ব্যক্ষা হতে কি দাড়ায় সেটা বিবেচ্য বিষয় হওয়া উচিৎ?

নাকি ইসলামী চিন্তাবিদরা একমত হয়ে কি রায় প্রদান করেছেন সেটা মানা উচিৎ?

১০০ জন চিন্তাবিদ থেকে একজন ভিন্ন কথা বললেই কি সেটা গ্রহন করতে হবে, না বাকী ৯৯ জনের মতামত কে সঠিক বলে মেনে নেয়া উচিৎ?

এই সহজ বিষয় গুলো আপনারা বুঝেন না কেন বুঝতে পারি না।

আশরাফ@ আপনি আপনার নিজের থেকে ব্যাক্ষা দিয়েছেন উদাহরন দিয়েছেন সেটা ভাল,
তার হয়ত দরকার ছিল না, যদি কেউ উক্ত পোষ্টটা ভাল করে পড়েন।

পোষ্টে শুধু মাত্র ভিন্ন মতবলাম্বী একজন বা একটা উদাহরন টেনে এনে দেখানো হয়েছে। সাথে যে উদাহরন গুলো দেখানো হয়েছে তা অত্যন্ত দূর্বল ও ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ন না। জামাতে নামাজ পড়া আর ইমামতি করা এক বিষয় না।

একটা ব্যতিক্রমধমী উদাহরন বা মতবলাম্বী এর মতামত কে দিয়ে সম্পূর্ন ব্যপারটাকে ভূল বলে কখনোই প্রমান করা যায় না।
৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১:১৩
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: আরণ্যক যাযাবর,পথহারা. ডাক্তার আইজুদ্দিনসহ অন্যান্যদের প্রতি:
যেকোন বিষয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা হতে পারে। মহিলাদের ইমামতি নিয়ে সাদিকের পোষ্টের ব্যাপারে আমারসহ অনেকের আপত্তি আছে। এব্যাপারে সাদিক তার নতুন দৃষ্টিভঙ্গী জানাবেন আশাকরি। কিন্তু আপনারা বিষয়টি নিয়ে অযথায় ঠাট্টা মশকরা শুরু করেছেন। একজন বলেছেন, ব্লগটা মাদ্রাসা কিনা?
এখানে অধর্মের আলোচনা হতে পারলে ধর্ম নিয়ে আলোচনা হতে দোষ কোথায়?
আর আপনারা ধর্মীয় ব্যাপারে কোন কথা বলতে না পারলে চুপ করে থাকাই কি বুদ্ধিমানের কাজ নয়?
আপনাদের অবাঞ্ছিত মন্তব্য মুছে দেয়া হল।
৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ ভোর ৪:১১
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আশরাফ রহমান ভাই।৫
আশাকরি সাদিক ভাই ভুল বুঝতে পারবেন।
৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ৮:১২
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: আশরাফ রহমান,
ইসলামের ব্যাখ্যা কেবল ১০০০ বছর আগে যেমন করে মানুষ তৈরী করে দেবে ঠিক সেইরকম থাকবে এমন ধারনটা ইসলামের মূল আদর্শ বিরোধী। সময়ের সাথে সাথে তা পরিবর্তনীয়। সেই পরিবর্তনে বাঁধা দেওয়ার কারনেই আজকের বিশ্ব পরিস্থিতি।

নবীর সেই সময়ের তুলনায় নারীকে নামাজের ইমামতী করার অনুমতি দেওয়া একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। সেই সময় এবং সমাজের চিন্তাভাবনার ধরনটা তাই বলে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজকের সময়ে কোন মহিলা তার জ্ঞানের দাবীতে ইমাম হতেই পারে।

এমন অনেক উদাহরনই আছে যেখানে সামাজিক কারনে ইসলামের প্রথমযুগে অনেক আচরনকে ধীরে উৎসাহিত করা হয়েছে যা পরবর্তীতে পরিবর্তনীয় হয়েছে।

যে হাদীসটা শেষে উল্লেখ করেছেন তার সাথে এটাও উল্লেখ করা দরকার যে হাদীস বিশেষজ্ঞদের কাছে ঐ হাদীসটির নির্ভরযোগ্যতা অনেক কম।
৬. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:২১
comment by: ওপারের দাদা বলেছেন: হ্যা আশরাফ ভাই। ধন্যবাদ জানালাম আপনাকে। আর কোরআনের সুরা নিসার ৩
৪ নং আয়াতেও তো উল্লেখ রয়েছে-
৭. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:২৯
comment by: ওপারের দাদা বলেছেন: আমার মনে হয় চোরে চোরে মাসতুতো ভাই এই কথাটি এখন আর ঠিক নয়। কারণ, একই ব্যবসা যদি দুই ভাই করে তাহলে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হওয়াই স্বাভাবিক। তাই এখন হওয়া উচিত ভণ্ড আর প্রতারক মাসতুতো ভাই। তাহলে একজন আরকেজনের ব্যবসায় ভাগ বসাতে পারবে না। আর সম্পর্কও নষ্ট হবে না। এই জন্য এক ভণ্ডের কিছু বললে আর এক প্রতারকের গাঁ জ্বালা করে।
৮. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:০৮
comment by: রাজনীতিক বলেছেন: ধর্মীয় আলোচনার মধ্যে আঁতেল টিম কি করে? তুমরা উলামা লিগরে ঠিক কর গা।
৯. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:২২
comment by: কেমিকেল আলী বলেছেন: সাদিক রে কন ক্ষমা চাইতে । ইসলামের ভুল ব্যখ্যা নিশ্চয় অপরাধ । নাইলে তারে মুরতাদ ঘোষনা দেন । এইটা মুসলমান গো ইমানী দায়িত্ব । কি কন @আশরাফ ভাই?
১০. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:০১
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: ডাক্তার আইজুদ্দিন এন্ড গঙ্গ ১০০ টা সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করলেও কোন মুসলমানের বাচ্চা এখানে গালি দিবেনা। অথচ মজা করে দু চারটা মন্তব্য করলো গালির ঝুড়ি নিয়ে এরা জাত আর বংশ পরিচয় দিতে থাকে....
পর ধর্ম নিয়ে আপনাদের এত গাত্রদাহ, মাথা ব্যাথা কেন বাপু?????????
১১. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:১০
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @কেমিক্যাল
আপনি আমাকে বিশাল একটা গালি দিয়ে ব্যান করেছেন.....শুধু মাত্র আমার ব্যক্তি বিশ্বাসের কারণে..আপনাকে আমি কিছুই বলিনি.......আপনাদের মত প্রতিক্রিয়াশীল লোকদের "মুরতাদ গালিতে বিচলিত হোয়া উচিত না"........কারণ 'মুরতাদ' শব্দটির সাথে সংশ্লিষ্ট বিশ্বাস আপনাদের নেই..........আমাদেরকে আমাদের বিশ্বাসের কারণে যখন আপনারা মৌলবাদী, ফ্যাসিবাদী , ধর্মান্ধ বলে গালি দেন....তখন কি আমরা পাল্টা গালি দিই.........
আরো সহিষ্ণু হউন মিস্টার কেমিক্যাল>>>>>>
১২. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:২৫
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তর্ক শুরু হইছিলো কি লইয়া চলতাছে কি লইয়া!

যাই হোক, মনের কথায় আসি। ধইরা নিলাম জামাতে ছেলে মেয়ে একসাথে নামাজ পড়বো। ভালো কথা। মিলার সাথে আমার আবার বেশী একটা দেখা হচ্ছে না। কিন্তু রিসেন্ট ফতোয়ার কারণে আমি ৫ ওয়াক্ত নামায পড়া শুরু করলাম। কারণ মিলাও এখন নামাজ পড়তে যায়। কিন্তু একটা ঝামেল হইলো নওরীণও আবার নামায পড়া শুরু করলো, নওরীণের সাথে আমার শেষ ঝগড়াটা করে মাস ছয়েক আগে। তবে বর্তমানে ও আমারে মিসকল দেয় রাইতে( ওর ভুল বুঝতে পইড়া)। তাই চিন্তা করলাম টাইম স্লট কইরা দেই জোহরে নামাযে মিলা, আছরের নামাযে নওরীন। কিন্তু শিখা আবার ফুসকা খাইতে পছন্দ করে। তাইলে ওর লিগা মাগরিব। ইশার আর ফজর নামাযটা উপোস দেই তাইলে। কিন্তু হবু বৌ বিথী আবার রাইতের টাইম পছন্দ করে।

এখন জ্ঞানী ব্লগবাসী মসজিদে যারা নামাযে যায় তাদের মধ্যে সবাই যে মুমিন বান্দা এইটা ঠিক না। কিছু না কিছু হইলে আমার মতো দু'তিনটা বান্দর বা বান্দর হইবার চায় এমুন লোকে যায়। তখন হয়তো দেখা যাইবো গার্লস স্কুলের সামনে ভিড় না কইরা মসজিদের সামনে ভিড় করবো পুলাপান। জিনিসটা কি ভালো দেখায়?
তাই বলতে চাই মসজিদের মতো পবিত্র স্হান নিয়া গ্যান্জাম না করলে হয় না!
১৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৪২
comment by: মদন বলেছেন: জটিল সব চিন্তা ভাবনা
১৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৩:১৭
comment by: নুর3ডিইডি বলেছেন: একজন সুস্থ মহিলা যেখানে এক মাসে প্রায় ২১দিন নামাজ পরতে পারেন। যদি তিনি ইমাম হয়, তাহলে বাকি প্রায় সাতদিন কে নামাজ পড়াবে?

আল্লাহ যাহা করেন , মানুষের ভালোর জন্যই করেন.

ধন্যবাদ আশরাফ ভাই।
১৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৯
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: সাদিক মোহাম্মদ আলম- শেষ হাদিসটার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে আমার জানা নাই । তবে হাদিসটা ইবনে মাজাহসহ আরো কয়েকটি গ্রন্থে এসেছে। তবে উম্মে ওয়ারাক্বাহর ব্যাপারে আপনি যে হাদিসটি তুলে ধরেছেন তা যে ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে তা নিশ্চয়ই আপনি স্বীকার করবেন।
১৬. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৫
comment by: মিসকল বলেছেন: সহমত @ নূর৩ডিইডি
ধন্যবাদ @ আশরাফ
১৭. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৫
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: সংশোধনী-শেষ হাদিসটার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে কিনা আমার জানা নাই। 'কিনা' শব্দটি বাদ পড়েছে।
১৮. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪১
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: ওই ঝড়টা হওয়ার সময় এই নিয়ে একটু পড়াশোনা করেছি আমি।
সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং হলো, ইন্টারনেটে ওই মহিলার ইমামতিতে নামাযের যেই মিশ্র জামাত হলো, সেখান থেকে ফিরে আসা এক প্রগতিবাদী মুসলিম পুরুষের নামাযের অভিজ্ঞতার কথা পড়ছিলাম। উল্লেখ্য, সেই জামাতটা মিশ্র ছিল, একই আর্গুমেন্টে প্রমান করেছে, নারী পুরুষের আলাদা জামাত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তো সেই পুরুষ নামাযী বলছিলেন, নামায পড়তে পড়তে হঠাৎ টের পেলেন পাশে এসে একজন নারী দাঁড়িয়েছেন। অলংকারের শব্দ আর সুগন্ধী থেকেই টের পেলেন। তারপরে বিস্তারিত বর্ণনা, কি করে সারাটা নামায জুড়ে নিজের নামাযের দিকে মন দিতে পারছিলেন না, পাশের নামাযী মহিলার পায়ের পাতার সৌন্দর্য দেখলেন, সুগন্ধীর গন্ধ শুনলেন, গয়নার ঝংকার শুনলেন।

আমি পড়ে হাসব না কাঁদব বুঝতে পারছিলাম না। ওরা বুঝতে পারছে না, কি ফ্রাংকেস্টাইন ওরা বানাতে চাইছে। রাসুল (সা) যখন ইসলামের ইন্টারপ্রিটেশন করে গিয়েছেন, তিনি আল্লাহর গাইডেন্সের কারণে খুব ভালো করেই জানতেন, কতটুকু ছাড় দিলে, কোথায় যেতে পারে। তাঁর দেখানো পথ থেকে সরে এসে আস্তে আস্তে যেই ফ্রাংকেনস্টাইন তৈরি হবে, তাকে মারার মত অস্ত্র আমাদের হাতে থাকবে না!

রি-ইনটারপ্রেট করতে হবে, শুধু কনটেক্সচুয়াল পার্থক্যের জন্য যতটুকু বদলায়, ততটুকুতেই। যেই জিনিষ তখনও সম্ভব ছিল, তা তিনি কেন করেন নি, সেটা আমাদের বুদ্ধিতে, যুক্তিতে সবসময় কুলাবে না, কিন্তু আমাদের কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয় না মানেই ইসলামের আইনের উপর কাঁচি চালাবো তা হয় না। কারণ?
ওই মিশ্র জামাতের পুরুষ নামাযীর নিজেস্ব অভিজ্ঞতাই আমার জন্য যথেষ্ট ছিল!
১৯. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৫১
comment by: অমনিবাস বলেছেন: الرِّجاَلُ قَوَّمُوْنَ عَلَى النِّسَاء بِمَا فَضَّلَ الله بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ -
২০. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:১৪
comment by: রাজনীতিক বলেছেন: মহিলারা প্রকৃতিগতভাবে সবক্ষেত্রে পুরুষের সম পর্যায়ে পৌছতে পারে না। তাদের সন্তান প্রতিপালন এবং গৃহপরিচালনার কাজ তারা যেভাবে আঞ্জাম দিতে পারে পুরুষরা তা পারে না। আবার রাষ্ট্রপরিচালনার কাজ পুরুষরা যেভাবে করতে পারে নারীরা সেভাবে নাউ করতে পারে। তবে সেসব দেশে উপযুক্ত পুরুষ পাউয়া যায় না সেসব দেশে নারিরা দেশের শাসক হইতে পারে। আর ইমামতির ব্যাপারে কথা হইল নারীরা নারীদের জামাতে ইমামতি করতে পারে। এটাই ইসলামের বিধান। যদি এটা ইসলাম অনুমোদিত হইতো তাইলে রাসুলের স্ত্রীরাউ অন্তত একবার মসজিদে নববীতে নামাজ পড়াতেন।
২১. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:২০
comment by: মদন বলেছেন: অন্তত একবার
আমিও তাই কই... একটাও উদাহরন নাই??? একটাও???
২২. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:১৮
comment by: কেমিকেল আলী বলেছেন: সাদিক অথবা আপনি যে কেউ ক্ষমা চন । ইসলামের ভুল ব্যখ্যা নিশ্চয় অপরাধ । নাইলে তারে মুরতাদ ঘোষনা দেন একজন আরেকজনকে। এইটা মুসলমান গো ইমানী দায়িত্ব । কি কন @আশরাফ ভাই?
২৩. ১৬ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৪২
comment by: সুখি মানুষ বলেছেন: আশরাফ ভাইকে অশেষ ধন্যবাদ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক হাদীসকে অন্য হাদীস দিয়ে স্পষ্ট করে তোলা- এটাই হাদীস ব্যাখ্যার উত্তম পন্থা।
২৪. ১৬ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৪৬
comment by: অচেনা বাঙালী বলেছেন: তাইলে .. অখন মুরতাদ কে হৈল?
২৫. ১৬ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৩:২৮
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: মুরতাদ কি হিরোর প্রতিশব্দ?
২৬. ১৬ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৯
comment by: সুধাসদন বলেছেন: আমলীগের ইমাম হাসিনা,বিএনপির ইমাম খালেদা, জাতীয় পার্টির ইমাম রওশন, সুতরাং নারীরা দেশের ইমাম হইলে অসুবিধা কি? দেশে যখন উপযুক্ত পুরুষ নাই তখন নারীরাই ভরসা।
২৭. ১৮ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ২:৩১
comment by: ইবনে সালাম বলেছেন: সমুচিত জবাব।
২৮. ১৮ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:০২
comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: ব্লগ ভরিয়া গেলো হরিদাস পালে।
২৯. ১৮ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:০৮
comment by: মনিটর বলেছেন: আস্তমেয়ের রগরগে কমেন্টটি মডারেট করা হোক
৩০. ২১ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
comment by: জারীর বলেছেন: মহিলা পুরুষরা এক সাথে জামাতে নামায পরার মানে এই নয় যে মহিলা পুরুষ মিলিত ভাবে দাড়াবে। এর মানে হলো মহিলা পুরুষরা আলাদা ভাবে দাড়িয়ে একই ইমামের পিছনে নামাজ পরবেন। মালেয়শিয়ার মসজিদ গুলোর দিকে তাকালেই বুঝা যাবে। সেখানে কসজিদ গুলোতে দুটো ভাগ থাকে । একটা মহিলাদের আর একটি পুরুষদের। আমার আব্বু যখন কাটাবন মসজিদের খতিব ছিলেন তখন দেখেছি সেখানে নিচের তলায় আলাদা যায়গা ছিল মহিলাদের জন্যে এবং তাদের জন্যে আলাদা গেটও ছিল। সুতরাং এখানে সমস্যা হওয়ার কোন প্রশ্নই উঠে না।
৩১. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২১
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "উম্মে ওয়ারাক্বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে তাঁর নিজ ঘরে মহিলাদের নামাজের ইমামতি করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল" - আমার মনে হয় উম্মে ওয়ারাক্বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে তাঁর নিজ ঘরে পুরুষদের নামাজের ইমামতি করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। এটি একটি ব্যতিক্রম।

 



 


ashraf375@gmail.com



সত্য পথের তীর্থ পথিক ভয় নাহি নাহি ভয়, শান্তি যাদের লক্ষ্য তাদের নাই নাই পরাজয়। অশান্তিকামী ছলনার রূপে জয়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৭৬৬৭৩