আমার প্রিয় পোস্ট

যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান হতে পারে? আল কুরআন

বিশ্ব কুদস দিবসঃ নব্য ক্রুসেডের বিরুদ্ধে মুসলমানদের মহাজাগরণের দিন

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:১৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব বিজয় লাভের পরপরই (৭ আগস্ট-৭৯) আধ্যাত্মিক নেতা হযরত আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ ইমাম আল খোমেনী (রহ:) আল কুদসের গুরুত্ব অনুধাবন করে মাহে রমযানের শেষ শুক্রবারকে ‘বিশ্ব কুদস দিবস' পালনের ঘোষণা দেন। সেই থেকে প্রতিবছর রমযান মাসের শেষ শুক্রবার সারাবিশ্বের মুসলমানরা ইহুদীদের অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করেন এবং ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইলের কবল থেকে ফিলিস্তিনী রাষ্ট্রকে মুক্ত করার জন্যে পুনরায় দৃঢ় শপথ গ্রহণ করেন।


ফিলিস্তিন ও পবিত্র বায়তুল মোকাদ্দাস দখলদার ইহুদিবাদীদের হাত থেকে মুসলমানদের প্রথম কেবলা আল আকসা মসজিদকে মূক্ত করার জন্যে মুসলমানদের জাগিয়ে তোলাই এ দিবসের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ ছাড়াও মজলুম ফিলিস্তিনী জাতির ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা ইহুদিবাদী শাসন, শোষণ, নিপীড়ন ও তাদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞের অবসান ঘটানো এবং বায়তুল মোকাদ্দাসকে রাজধানী করে ফিলিস্তিনী জাতির নিজস্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাও এ দিবসের আরেকটি বড় লক্ষ্য। মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইহুদি ও খৃষ্টান ধর্মের পোশাকধারী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর নব্য ক্রুসেড মোকাবেলার জন্যে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম বা প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ইসলামী শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্যেও এ দিবস কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন উঠতে পারে কেন আল আকসা মসজিদ এবং ফিলিস্তিনকে স্বাধীন করা মুসলমানদের জন্যে এতো গুরুত্বপূর্ণ?

আমরা যদি একটু গভীরভাবে চিন্তা করি তাহলেই বুঝতে পারবো বায়তুল মোকাদ্দস, আল আকসা মসজিদ এবং ফিলিস্তিনকে স্বাধীন করা মুসলমানদের জন্যে সবচেয়ে বড় ও সর্ব প্রধান দায়িত্ব। এটা শুধু মুসলিম উম্মাহর হারানো গৌরব বা মান সম্মান ফিরিয়ে আনার প্রশ্ন নয়। বিশ্বব্যাপী সত্য ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্যেও এটা জরুরী। কারণ, বায়তুল মোকাদ্দাস ও ফিলিস্তিন হচ্ছে রাজনৈতিক এবং ভৌগোলিক কৌশলগত দিক থেকে ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকা এই গুরুত্বপূর্ণ তিন মহাদেশের প্রবেশ দ্বার। তাই এ গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটি যদি সাম্রাজ্যবাদীদের নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে তেল সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের প্রধান তিন মহাদেশের ওপর কর্তৃত্ব করা সাম্রাজ্যবাদীদের জন্যে সহজ হবে। এরপর রয়েছে পবিত্র বায়তুল মোকাদ্দস শহর ও আল আকসার ওপর নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন। এ প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে ঐ অঞ্চলের খুব সংপ্তি ইতিহাস তুলে ধরছি। বায়তুল মোকাদ্দস শহর নির্মিত হয়েছিল হযরত ইব্রাহীম (আঃ)’র মাধ্যমে কাবা শরীফ নির্মাণের ১১০০ বছর পর তথা হযরত ঈসা (আঃ)’র জন্মের ৯৭০ বছর আগে। তাই ইব্রাহীম (আঃ)র বংশধর হযরত দাউদ (আঃ)’র মাধ্যমে নির্মিত আল আকসা মসজিদ তৌহিদপন্থীদের দ্বিতীয় হারামে পরিণত হয়।


হযরত মূসা (আঃ)’র জীবদ্দশাতেই ইহুদিরা তৌহিদবাদ বা আল্লাহর একত্বের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে মূর্তিপূজা শুরু করেছিল এবং আল্লাহর শাস্তি হিসেবে তারা বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল। এরপর ইহুদিরা অনেক নবীকে হত্যা করেছিল। ইহুদিবাদীরা দাবী করে যে বায়তুল মোকাদ্দসে হযরত সোলায়মান ( আ: )এর তৈরি ইবাদত ঘরটি রয়েছে । অথচ খৃষ্টপূর্ব ৭০ সালেই রোমান সেনারা সেটি ধ্বংস করে দিয়েছিল এবং বর্তমান আল আকসা মসজিদ থেকে তার অবস্থান ছিল অনেক দূরে। ফিলিস্তিন রোমানদের কর্তৃত্ব থাকার সময়ে সে অঞ্চলের জনগণের মুক্তিদাতা হিসেবে হযরত ঈসা (আঃ)’র জন্ম হয়। কিন্তু তৎকালীন ইহুদি পুরোহিতরা বায়তুল মোকাদ্দাসের ইবাদত ঘরে হযরত ঈসার যাতায়তে ক্ষুব্ধ হয়েছিল। কারণ, তিনি জনগণের কাছে একত্ববাদী শিক্ষা প্রচার করতেন। ক্রুদ্ধ ও পথভ্রষ্ট ইহুদি পুরোহিতরা রোমান শাসককে হযরত ঈসার বিরুদ্ধে প্তি করে এবং তাঁকে ক্রুশে বিদ্ধ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। মহান আল্লাহ হযরত ঈসা(আঃ)কে রা করেন এবং তাঁকে এখন পর্যন্ত গায়েবী বা অদৃশ্য অবস্থায় জীবীত রেখেছেন। কিন্তু খৃষ্টানরা মনে করে হযরত ঈসা ক্রুশে বিদ্ধ হয়ে মারা যান। আর এ জন্যে তারা ইহুদিদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। হযরত ঈসা (আঃ) অদৃশ্য হবার পর খৃষ্টীয় ৭০ সনে রোমানদের হামলায় বিপর্যস্ত ইহুদিরা আশ্রয়হীন ও শরণার্থীতে পরিণত হয়। খৃষ্টীয় তৃতীয় শতকে রোম সম্রাট কনষ্টানটিন নিজে খৃষ্ট ধর্ম গ্রহণ করেন এবং এ সময় তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী বেথেল হামে ঈসার মাজার থাকায়, এবং এ শহরটি তাঁর জন্ম স্থান হওয়ায় বায়তুল মোকাদ্দস খৃষ্টানদের কেন্দ্রীয় শহর হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে। খৃষ্টীয় ১৩৫ সন থেকে ৫০০ সন পর্যন্ত বায়তুল মোকাদ্দসে হাতে গোনা অল্প ক’জন ইহুদি বসবাস করতো।
এরপর মসজিদুল আকসা ছিল বিশ্বনবী (সাঃ)’র নবুওতের প্রথম চৌদ্দ বছর পর্যন্ত মুসলমানদের প্রথম কেবলা। ইহুদিদের কেবলার দিকে মুখ করে মুসলমানরা নামাজ আদায় করতো বলে ইহুদিরা মুসলমানদের উপহাস করতো। শেষ নবী (সাঃ) কেন ইহুদি বংশে জন্ম নিলেন না এটাই ছিল ইসলামের বিরুদ্ধে ইহুদিদের ক্ষোভের একটা বড় কারণ! এ অবস্থায় হিজরতের দ্বিতীয় বছরে আল্লাহর নির্দেশে মুসলমানরা পবিত্র কাবাকে নামাজের কেবলায় পরিণত করে। দ্বিতীয় খলিফার সময় বা ১৫ হিজরীতে বায়তুল মোকাদ্দস মুসলমানদের হস্তগত হয়। পরবর্তিতে এ শহরের বেশীর ভাগ বাসিন্দাই ছিলেন আরব মুসলমান। আর তাঁদেরই বংশধর হলেন আজকের ফিলিস্তিনী মুসলমান। এরপর খৃষ্টীয় ১০৯৫ সালে ইউরোপীয়রা বায়তুল মোকাদ্দস দখলের জন্যে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্রুসেড শুরু করে। প্রায় দু’শ বছর পর্যন্ত ইউরোপীয় খৃষ্টানরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সাত আটটি ক্রুসেড যুদ্ধ পরিচালনা করে। সালাহউদ্দিন আইয়ুবীর হাতে ক্রুসেডাররা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিল।


৩.
আইয়ুবী বংশের পর মামলুক এবং এরপর উসমানী খেলাফতের আয়ত্বে ছিল বায়তুল মোকাদ্দস। ওসমানী শাসনাধীন তুরস্ক প্রথম মহাযুদ্ধে পরাজিত হলে বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে ফিলিস্তিন বৃটেনের দখলে চলে আসে। এ সময় ফিলিস্তিনে ইহুদিদের সংখ্যা ছিল মাত্র পঞ্চাশ হাজার। এ সংখ্যা ছিল ফিলিস্তিনের মোট জনসংখ্যার মাত্র সাত শতাংশ। এরপর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বহিরাগত ইহুদিদেরকে কিভাবে ছলে বলে কৌশলে ফিলিস্তিনে জড়ো করে এবং ফিলিস্তিনীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও গণহত্যা চালিয়ে সেখানে জোর করে ইসরাইল নামের একটি অবৈধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে তা সবারই জানা। ইতিহাসের পরিহাস হলো যে খৃষ্টানরা দাবী করে থাকে তাদের ধর্মের প্রবর্তক হযরত ঈসা (আঃ)'কে কুচক্রি ইহুদি পুরোহিতরাই হত্যা করেছিল বা হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল, পরবর্তীকালে তাদেরই উত্তরসূরি ইহুদিবাদীদেরকে খৃষ্টান নামধারী সাম্রাজ্যবাদীরাই ফিলিস্তিনে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দিল । এ সংপ্তি ইতিহাস থেকে আমরা বলতে পারি যে, প্রকৃত ইহুদি ও প্রকৃত খৃষ্টানরা বায়তুল মোকাদ্দস শহরকে তাদের জন্যে পবিত্র শহর বলে দাবী করতে পারে, কিন্তু তারা এটা বলতে পারে না যে এ শহর বা গোটা ফিলিস্তিন একমাত্র তাদেরই অধিকারে থাকবে। বিশেষ করে, ইহুদিরা সব সময় ফিলিস্তিনে সংখ্যালঘু ছিল এবং ফিলিস্তিনের দ্বিতীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তথা খৃষ্টানদের চেয়েও তাদের সংখ্যা কম হওয়ায় তারা এ শহর বা অঞ্চলের ওপর কর্তৃত্বের দাবী করার কোনো অধিকারই রাখে না। অন্যদিকে, কয়েকহাজার বছর ধরে ফিলিস্তিনে বসবাসরত সেখানকার সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতি হিসেবে ফিলিস্তিনীরাই এ অঞ্চলের প্রকৃত আদিবাসী হিসেবে পবিত্র বায়তুল মোকাদ্দাসহ গোটা ফিলিস্তিনের ওপর শাসন প্রতিষ্ঠার অধিকার রাখেন। এ ছাড়াও মুসলমানদের জন্যে কাবা ঘর ও মহানবীর রওজা মোবারকের পর আল আকসা মসজিদ সবচেয়ে পবিত্রতম ধর্মীয় স্থান।
তাই বায়তুল মোকাদ্দসকে সাম্রাজ্যবাদীদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য সচেষ্ট হওয়া ধর্মীয় দিক থেকেও প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।

৪.
ইরানের ইসলামী বিপ্লব ও ইমাম খোমেনী ( রঃ) এর বিপ্লবী আহবান ফিলিস্তিনীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করে। ১৯৮৭ সালে ফিলিস্তিনীরা খালি হাতে শুধু পাথর নিয়ে পরমাণূ শক্তিধর ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ শুরু করে। দখলদার ইসরাইল গাজ্বা ও পশ্চিম তীরের সীমিত এলাকায় ফিলিস্তিনীদের স্বায়ত্তশাসন দিয়ে এ বিক্ষোভের আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। কিন্তু নামমাত্র স্বায়ত্ত্বশাসনে ফিলিস্তিনের জনগণ সন্তুষ্ট হয়নি, তাঁরা এখনও প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতার জন্যে গণ-আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। এ অবস্থায় ইসরাইল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছে। এর আগে ইরানের মুসলিম জাতির মতো একই ধরনের ঈমানী শক্তির বলে বলিয়ান লেবাননের মুসলিম যোদ্ধারা সাম্রাজ্যবাদীদের সর্বাত্মক সমর্থনপুষ্ট ইহুদিবাদী ইসরাইলকে লেবানন
থেকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়। মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধ হলেই যে মধ্যপ্রাচ্যের বিষাক্ত ক্যান্সার ইসরাইলকে পরাজিত করা সম্ভব তা মরহুম ইমাম খোমেনী তাঁর বিভিন্ন ভাষণে বার বার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছিলেন, আরব দেশগুলোর জনগণ যদি এক বালতি করেও পানি ঢালতো, তাহলে ইসরাইল ভেসে যেতো।

৫.
পবিত্র কোরআনের সে আয়াতেরই প্রমাণ যে আয়াতে কাফের, মুশরিক ও মোনাফেকদের লক্ষ্য করে বলা হয়েছে, “ যখন ওদের বলা হয় পৃথিবীতে অশান্তি বা সন্ত্রাস সৃষ্টি করো না, তখন ওরা বলে আমরাই তো পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী।” অথচ আজ বিশ্বের মানুষের কাছে এটা স্পষ্ট সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা, ইসরাইল ও তাদের ইউরোপীয় এবং অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদী সহযোগীরাই বিশ্বে যুদ্ধ, সন্ত্রাস ও অশান্তি সৃষ্টির প্রধান হোতা হিসেবে সক্রিয়। এটা স্পষ্ট যে ইহুদিবাদী দখলদারদের নাগপাশ থেকে ফিলিস্তিন ও আল আকসাকে মুক্ত না করা পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই আমাদের উচিত কুদস মুক্তির জন্যে সংগ্রামরত ফিলিস্তিনী ভাইবোনদেরকে এবং অন্যান্য
সংগ্রামীদেরকে নৈতিক সমর্থনসহ সব ধরনের সাহায্য-সমর্থন দেয়া। এ ছাড়াও আমেরিকা ও ইসরাইলের মতো যেসব দেশ বিশ্বে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে সামরিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও প্রচারণাগত ক্রুসেড তথা সর্বাত্মক ক্রুসেড চালিয়ে যাচ্ছে তা মোকাবেলার জন্যে মুসলমানদেরকে ঐক্যবদ্ধ পদপে নিতে হবে। অনেকেই এ জন্যে পশ্চিমাদের ভোগ্যপন্য ও জরুরী নয় এমন অন্যান্য পশ্চিমা পন্য বর্জন করাসহ তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অবরোধ আরোপের যেসব কথা বলছেন তা বাস্তবায়নের উপায় নিয়েও কুদস দিবসে মুসলমানদেরকে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। #

( আই.আর.আই.বি'র বাংলা ওয়েবসাইট অবলম্বনে)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মুসলিম বিশ্ব  বিভাগে ।

 

  • ২০ টি মন্তব্য
  • ৩০৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:২৩
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: উপযুক্ত সময়ে পোষ্ট করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আল্লাহ আপনার কল্যান করুন। ৫
২. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৮
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: ৫
৩. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:২৮
comment by: 'ভিমরু' বলেছেন: ৫


জেগে ওঠুক আবার মুসলমানরা...
৪. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩০
comment by: 'ভিমরু' বলেছেন: আমেরিকা ও ইসরাইলের মতো যেসব দেশ বিশ্বে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে সামরিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও প্রচারণাগত ক্রুসেড তথা সর্বাত্মক ক্রুসেড চালিয়ে যাচ্ছে তা মোকাবেলার জন্যে মুসলমানদেরকে ঐক্যবদ্ধ পদপে নিতে হবে।
৫. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:১৪
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: আমি ভুলে গিয়েছিলাম, এ দিবসটি কখন। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
৬. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:১৯
comment by: ইবনে সালাম বলেছেন: মধ্যপ্রাচ্যের বিষাক্ত ক্যান্সাররূপী ইসরাইলের কবল থেকে মুসলমানদের প্রথম কেবল আল-আকসা মুক্ত হোক।
৭. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩২
comment by: হাসান তারিক বলেছেন: আশরাফ ভাই
সময়োপযোগী লেখার জন্য ধন্যবাদ।
আরব বিশ্বের বিভেদ আর পাশ্চাত্যের একমুখী মিডিয়ার প্রচারণা মুসলমানদের প্রকৃত চেতনা থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। বহুকাল আগেই যা বুঝেছিলেন ইমাম খোমেনী, তা আমরা আজও বুঝতে পারলাম না। আশা করি আমাদের চোখ খোলার জন্য আল কুদস দিবস একটি উপলক্ষ হিসেবে কাজ করবে।
৮. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫০
comment by: রাজনীতিক বলেছেন: ইসরাইল নিপাত যাক,আল-কুদস মুক্তি পাক। ৫
৯. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:৩৭
comment by: শিউলি বলেছেন: গুড পোস্ট।
১০. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:২২
comment by: মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন: সময়োপযোগি লেখার জন্য ধন্যবাদ। আপনার কাছ থেকে আরো এই ধরনের লেখা প্রত্যাশা করি।
১১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:২৪
comment by: পাশা বলেছেন: ৫
১২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:২৬
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ৫
দারুণ পোষ্ট। আশরাফ ভাই থেমে থাকবেননা।
১৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:২৭
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: প্রীয়তে +
১৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:০৪
comment by: তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন: ৫
১৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:০২
comment by: অজানা অচেনা বলেছেন: ৫।খুব তথ্যবহুল।
১৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৩৮
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: thanks to all.
১৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৮
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেকদিন পর মনে পড়ে গেল , আশরাফ ভাই , ইরানে তো খুব ঘটা করে দিনটি পালন করা হয় , তাইনা ? মুসলিমদের প্রথম কিবলা মুক্ত হোক
১৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
comment by: পীয়াল বলেছেন: ১
১৯. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:১০
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: মুক্ত হোক অসংখ্য নবীর কর্মক্ষেত্র ও ইসলামের প্রথম কিবলা জ়ায়নবাদীদের কবল থেকে।
২০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৯
comment by: ফজল বলেছেন: এ পোষ্টখানার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আশরাফ ভাইয়ের নতুন লেখা কই?

 



 


ashraf375@gmail.com



সত্য পথের তীর্থ পথিক ভয় নাহি নাহি ভয়, শান্তি যাদের লক্ষ্য তাদের নাই নাই পরাজয়। অশান্তিকামী ছলনার রূপে জয়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৭৬৬৭২