আমার প্রিয় পোস্ট
- আজ ব্লগার আসিফ আহমেদ,এফ আই দীপু এবং আনমোনার শুভ জন্মদিন। - টিপু
- আমরা যাদের মুখাপেক্ষী প্রায় প্রতি মুহূর্ত - জানা
- সিটিসেল জুম সম্পর্কে জানাতে পারেন কেউ? - রিয়াজ শাহেদ
- জহির জহুরি/ গল্প - মাজুল হাসান
- Windows XP Performance Edition SP3 - April 2008 - লুলুপাগলা
- সাচ্চা মুসলমান হইতে পারলাম না - বিষাক্ত মানুষ
- আমি-তুমি-গাড়ি - তামিম ইরফান
- প্রতিদান/বিহংগ। (ছোট গল্প) - বিহংগ
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- কানাডায় উচ্চশিক্ষা- কিছু তথ্য - _তানজীর_
- ফায়ারফক্সে বাংলা দেখুন আরও ভালভাবে - চিলে কোঠার সেপাই
- ভাইরাস ধরতে ফাইল স্ক্যান করুন অনলাইনে - তারকে
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- যদি দালাল হতে পারতাম। - বিহংগ
- মাইক্রোসফট অফিসের কিছু শর্টকার্ট কী - অক্ষর
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- সুপ্রিয় বাংলাদেশ : এ চিঠি লেখা হলো বৈশাখ-বরষায়, কিছু মেঘ কিছু রোদ্দুর, স্বপ্ন-ভরসায় (শততম পোস্ট) - আইরিন সুলতানা
- উবুন্টু বনাম উইন্ডোজ - কেন লিনাক্স ব্যবহার করবেন? - আশাবাদী!!
- একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ ভাগাভাগি করা - আবদাল্লাহ বিন মাহবুব
- ইস্নাইপস, ইউটিউব ডাউনলোডের উপায় - রন্টি চৌধুরী
- হাইএন্ড কম্পিউটার কতখানি প্রয়োজনীয়? - আশাবাদী!!
- শূণ্য ! - উত্তরাধিকার
- বিশ্ববিদ্যালয় ক্রম - অঞ্চল ভিত্তিক সেরা বিশ - নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী
- শো-কেসের সভ্যতা - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্যবহার করুন এনিমেটেড স্মাইলি (COOL) - ব্রাইট
- যান্ত্রিক লেখন পদ্ধতি... - মিয়াভাই সিলটী
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- "YouTube Robot" চমৎকার ফিচার সম্মৃদ্ধ ইউটিউব ডাউনলোড সফটওয়ার। - লুলুপাগলা
- বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলিতে ইন্টারনেট:: একটি প্রস্তাব! - আরিফুর রহমান
- একটা জায়গায় ভুল হচ্ছে, বারবার, বারবার...... - রিয়াজ শাহেদ
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- গ্লোবাল ওয়ার্মিং: ক্যালিফোর্নিয়ার পদক্ষেপ ও ইউরোপের তাপমাত্রা - দূরন্ত
- ছক পূরণ : নিছক পা-সর্বস্ব স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা - ইশতিয়াক জিকো
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ে ধ্বংস হয়ে গেল ল্যারসেন বি - দূরন্ত
- অবশেষে - মুকুল
- গ্লোবাল ওয়ার্মিং : কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ - দূরন্ত
- সহজিয়া উবুন্টু ৮.০৪ শিক্ষা!!! - রোকন
- মাছ ভাজির সহজ রেসিপি!!! - ম. রহমান
সিউল অলিম্পিক পার্কে আধাবেলা
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭
বেশ কিছুদিন আগে ঘুরতে গিয়েছিলাম সিউল অলিম্পিক পার্কে। ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিককে স্মরনীয় করে রাখতে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন বর্গমিটার এলাকা জুড়ে অবস্হিত এই পার্ক। দীর্ঘসময় সাবওয়েতে কাটিয়ে যখন স্টেশন ফুঁড়ে বের হলাম তখন মাথার উপর সূর্যটা বেশ গরম হতে শুরু করেছে। সাইনবোর্ড ধরে একটু এগুতেই দেখি বেশ কিছু ছেলে মেয়ে বুড়ো একটা ফোয়ারা টাইপ কিছুর কাছে পানিতে ভেজার জন্য ওয়েট করছে। ওদের দেখে খুব আফসোস হলো, ইস কি আরাম করেই না ভিজছে ওরা। আর গরমে আমাদের অবস্হা বেশ কাহিল হওয়ার পথে। তবুও কপাল ভালো বের হওয়ার সময় ছোট ছাতাটা মনে করে এনেছিলাম।
পার্কে ঢোকার মুখের বিশাল চত্তর
এটা অলিম্পিক গেট
আরেকটু সামনে দেখি একপাশে বিভিন্ন রকম ভাস্কর্য করে রেখেছে, ওগুলো দেখতে দেখতে সামনে পেলাম বিশাল চত্বর, ওখানে একটা বড় রকমের পারফর্মিং স্টেজও আছে। ঠিক ডানে একটা জিমনেসিয়াম। রোদে আর দাঁড়িয়ে থাকা দায় তাই ডানে মোড় নিয়ে গাছপালার তলা দিয়ে হাটা শুরু করলাম। জিমনেসিয়ামের ঠিক পিছনেই সুইমিংপুল, তার ঠিক পিছনেই লেকের মতো, লেকের মাঝখানে বসানো আছে কিছু উইন্ডমিল আর বিশালাকৃতির ফোয়ারা। ফোয়ারাটাকে কেন্দ্র করে লেকের পাড়ে হাটতে লাগলাম। একপর্যায়ে বাতাসের সাথে আসা ফোয়ারার ঝিরঝিরে পানির ছিটা যেন নতুন জীবন দান করলো।
সুইমিং পুল
সুইমিং পুলের ঠিক পিছনে এই ঝর্না
ঝরণার আরেক কোনা থেকে তোলা
ফোয়ারাটা পিছনে ফেলে আরেকটু সামনের দিকে হাটা শুরু করলাম, বুঝতে পারলাম রাস্তাটা পার্ককে ঘিরে বানানো, বেশ অনেক খানি পথ, একপাশে লেকটা সংগ দিচ্ছে, আর আরেকপাশে বড় বড় ঢালের দেখা মিললো। কোথাও একটা মিউজিকাল ফোয়ারা আছে শুনেছি, মিউজিকের সাথে সাথে নাচে, মানে নাচানো হয় আরকি। বেশ অনেকক্ষন হাটার পর খুজে পেলাম সেটা, কিন্তু ফোয়ারা তো চুপ করে বসে আছে, ঘটনা কি? দেখলাম লেকের পাড়ের বেন্চি টে অনেক মানুষ ছিপ ফেলার মতো করে বসে আছে। তারমানে যেকোন সময় ফোয়রার নাচানাচি শুরু হবে। ঠিক তাই প্রায় ১০ মিনিট পর শুরু হলো মিউজিকাল ফোয়ারা। ফোয়ারাটার ওপারেই অলিম্পিক গেট আর নানান দেশের পতাকা।
ঢালগুলোর একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে
ফোয়ারা দেখা শেষ করে হেটে ওঠা শুরু করলাম বাম পাশের ঢালগুলোতে। যত উঠছি ততোই দেখা যাচ্ছে একটু একটু করে চারপাশের দৃশ্য। ঢাল থেকে দেখলাম খোলা মাঠে অনেক মানুষ, বাচ্চারা সব খেলাধুলা করছে। তিনটা বড় স্টেডিয়ামের ভিতরটাও দেখা যাচ্ছে। স্টেডিয়ামগুলোর পিছনে পার্কের বাইরে সারি সারি মাল্টিস্টোরিড বিল্ডিং। তারও পিছনে পাহাড়ের সারি। ঢাল বেয়ে নেমে দেখি গলার অবস্হা কাহিল, গরমে শুকিয়ে কাঠ, একটা আইসক্রিম কিনে খেতে খেতে এসে বসলাম মূল পিকনিক স্পটের কাছে, যেটা উপর থেকে দেখা যাচ্ছিলো। সবাই পরিবার নিয়ে মজা করছে। এক দম্পতি দেখি ফুটবল খেলছে, মা মেয়ে একদলে, বাবা ছেলে একদলে। একবার মা এসে এমন ট্যাকল দিলো বাবা বেচারা পুরো ধরাশায়ী হয়ে ধুলোতে। একটু হালকা নাস্তা আর জুস খেয়ে হাটা শুরু করলাম পার্কের বাকি অর্ধেক দেখার জন্য।
চারিদিকে খালি সবুজ আর সবুজ
ঢালের উপর থেকে তোলা স্টেডিয়াম
ওদিকে যেয়ে দেখি একটু পর পর একেকটা ভাস্কর্য, নানান রকম। একটা মাঝারি সাইজের গোলাপ বাগান ও পেলাম। লোকজন কি আরামে মাদুর পেতে বাসার মতো করে ঘুমাচ্ছে। কোন টোকাইর উৎপাত নেই, নেই কোন ছিচকে চোরের চিন্তা, নেই কোন পাতি মাস্তানও। এর মাঝে দেখি এক মহিলার নাদুস নুদুস এক কুকুর হাত থেকে ছুটে গেছে, ওমা সে তো দেখি আমার দিকেই আসছে। আমি আবার এই প্রানীটাকে খুবই সম্মান (!!!) করি, একদম স্ট্যাচু হয়ে যাই তখন। আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার কাছে না থেমে কুকুরটা দৌড়াতেই থাকলো। আসল ঘটনা হলো কুকুরটা অনেকক্ষন ধরেই একটু পালাবো পালাবো করছিলো কিন্তু মনে হয় মহিলা শক্ত করে ধরে রেখেছিলো। ছোটার চান্স পেয়েই বেচারা দৌড় শুরু করেছে। মহিলা অনকক্ষন কুকুরটার পিছনে দৌড়ে হাপিয়ে উঠলেন, কুকুরটাও হাপিয়ে গেলো মনে হলো। তারপর নীরব আত্মসমর্পন।
ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বেশ কিছু ভাস্কর্য
বের হওয়ার পথে দূরের পাহাড়
হাটতে হাটতে আমরাও ভীষন টায়ার্ড, একপর্যায়ে বের হয়ে আসলাম সিউল পার্ক থেকে দূরের পাহাড় গুলোকে আরও দূরে রেখে।
প্রকাশ করা হয়েছে: কোরিয়া বিভাগে ।
ব্যাকটেরিয়া বলেছেন:
ওখানে ঘুরতে অনেক টাকা লাগে বুঝি?
লেখক বলেছেন: না, পুরোটাই ফ্রি।
লেখক বলেছেন: হা হা হা..
ব্যাকটেরিয়া বলেছেন:
সবুজ ছবিটা কবরস্থান বুঝি?
লেখক বলেছেন: নাহ।
ব্যাকটেরিয়া বলেছেন:
লোহার তৈরি ঐটা কি আমাকে কি বলা যাবে?
লেখক বলেছেন: সবই সোপিস সৌন্দর্য, শুধুই ভাস্কর্য, কাজের কিছু না।
ব্যাকটেরিয়া বলেছেন:
আর মূর্তি দুটোকে কে ভেঙ্গে দিয়েছে?
লেখক বলেছেন: ব্যাকটেরিয়ার দৃষ্টিশক্তি দেখে আমি মুগ্ধ... ![]()
এমিল বলেছেন:
ফটোগ্রাফী গুড
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু।
বিলাস আহমেদ খাঁন বলেছেন:
ছবিগুলো দারুন তুলেছেন। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনিও তোলা শুরু করে পোষ্ট দিতে থাকেন।
লেখক বলেছেন: যতোটা ভাবছেন অতোটা না, এরকম জায়গা আমাদের বহু আছে, কিন্তু যত্ন নাই বলে আর নিরাপত্তার অভাবে মানুষ যেতে চায়না।
লেখক বলেছেন: ইচ্ছে পূরণ করে ফেলেন ![]()
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
সোহাগকে ধরে একটা পিটুনি দেওয়া দরকার...ঐ সব নিয়েই এ বছরের শেষ অব্ধি ব্যস্ত আছি...আর ওসব সফ্টকোর-হার্ডকোর কিছুই না...আমি একজন অকৌশলী ie ব্যর্থ কোডার। তুমি বোধ হয় মায়ক্রবায়লজেস্ট?
লেখক বলেছেন: দাদা গো তুমি যে কি বলো কিছুই মাথায় ঢোকেনা। সোহাগের কথা বুঝলাম না। রেটিং এর কথা বলছো?
আমি বায়োটেকনোলোজিস্ট, যারা সব পড়ে কিন্তু কিছুই পারেনা ![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
দারুন। ছবি এবং বর্ণনা। ধন্যবাদ আসিফ ভাই।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
চাঙ্কু বলেছেন:
ইয়ে আসিফ ভাই @ এই সিউল অলিম্পিক পার্কটা ঢাকার কুন জায়গায় ?? পুরান ঢাকায় নাকি ?? পার্কটা সুন্দর , ছবিগুলান সুন্দর লেখাটাও সুন্দর ...... সবই সুন্দর
লেখক বলেছেন: এইটা শাখারিবাজারে ![]()
লেখক বলেছেন: তাই? সত্য ঘটনা?
রেটিং বলেছেন:
কবে গেলি ?
লেখক বলেছেন: দুমাস আগে, তোরে ছবিও দেখাইছি ভুইল্লা গেছস।
বিবর্ণ বলেছেন:
ভালো লাগলো......
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিবর্ণ।
মুহিব বলেছেন:
আহা সবসুখ ও পাড়ায়
লেখক বলেছেন: এখন যেমন আমরা দেশের সব কিছু মিস করি, সব সুখ এখন দেশে।
আমি ও আমরা বলেছেন:
আজকে একটা হুলিয়া নিয়া আইছি।বিবাহিত ব্যাচেলর নিয়া লিখতে কইছিলাম, না লিখলে তোমার ব্লগে আর আমুইনা।
লেখক বলেছেন: কত ঘন্টার আল্টিমেটাম????? সন্ধ্যায় দেখা হবে তো তারপর আপনার সাক্ষাতকার নিয়ে লিখবো তাহলে ..... ![]()
আমি ও আমরা বলেছেন:
সাক্ষাতকার আবার কি তুমি তো কিছুদিন হলেও বউ ছারা আছিলা।
লেখক বলেছেন: লেটেস্ট এক্সপেরিয়েন্স হলে কবিতাটা যোশ হবে আরকি ![]()


















