somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুন সিনেমা হলের সম্পত্তি মামলা, কেঁচু খুড়তে সাপ, সামরিক সরকার কে বৈধ বলে কোন বিচারক কি রায় দিতে পারবেন?

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


@সামরিক সরকার কে বৈধ বলে কোন বিচারক কি রায় দিতে পারবেন?বর্তমানে বা ভবিষ্যতে?

@২০০৫ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকা সত্বেও এই মামলায় যেখানে জিততে পারেনি-- এখনো সেটাকে নিয়ে আঁকড়ে থাকা কি কেবল সময়ের অপচয় নয়?

@একটি মামলা এবং তার রায় যে কত বড় প্রভাব রাখতে পারে তার প্রমান এই রিট মামলাটি। অনেক ছোট খাট মামলার সুত্রে ও পাওয়া যায় অনেক বড় বড় রায়। বিচার বিভাগ পৃথকীকরন মামলার রায়টাও এমন করেই এসেছিল।(এই বিষয়টার বিস্তারিত কেউ জানালে উপকৃত হব)

@ জাষ্টিস ডিনাইড জাষ্টিস ডিলেইড----তাই সেই ১৯৭৭ সালে পাওয়া (ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস) এবং হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায়টা আলোর মুখ দেখতে দেয়া উচিত সকলের।

@ "ধর্মকে মৌল বিষয় ধরে রাজনীতি করা যাবে না" এতে বিএনপির কি কোন ক্ষতি হবে? ৭২ এর সংবিধানে ফিরে গেলে অষ্টম সংশোধনী রেখে আর লাভ কি? হয় দেশটাকে সেকুলার করেন নয় পুরা ধার্মিক করেন। ভিন্ন ভিন্ন মেন্টালিটির একটা জাতির পক্ষে উন্নতি করা বেশ কঠিন। বাংলাদেশের সঠিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট নিরুপন করা এখন সময়ের দাবী। দেশ স্পস্টত ৩ ভাগে বিভক্ত---সেকুলার, সেমি সেকুলার এবং রক্ষনশীল(ধার্মিক বা ফানডামেন্টালিষ্ট বা ধর্ম কেন্দ্রিক)।

৫ম সংশোধনী নিয়ে অনেকে পানি ঘোলা করছে দেখে এর অতীত কাহীনিটা জানাতে এই প্রয়াস।(যারা জানেন না কেবল তাদের জন্য)

১। ঢাকার ওয়াইজ ঘাট এলাকার মুন সিনেমা হল ও এর সম্পত্তি নিয়ে বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড এবং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদ আলম এই মামলটি করেন।

২। ১৯৭৭ রিটের নিষ্পত্তি শেষে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আবেদনকারীর পক্ষে রায় দেন প্রথম।

৩।কিন্তু ১৯৭৭ সালের সামরিক সরকার সপ্তম রেগুলেশনের মাধ্যমে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণা সংক্রান্ত সব সরকারি বিজ্ঞপ্তিকেই বৈধ বলে ঘোষণা করে এবং যারা এসব সম্পত্তি দখল করে আছে, তাদের এর আইনগত মালিক বলে ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের যাবতীয় রায়ের কার্যকারিতাও এই রেগুলেশনের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়।

৪।হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায় দেন। পরে তখনকার বিএনপি সরকার সেটার বিরুদ্ধে আপিল করেন এবং হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন।

৫।৪ জানুয়ারী ২০১০ এই আপিল প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ।২০০৫ সালের ৩১ আগস্ট থেকে স্থগিত হয়ে থাকা রায়টি আলোর মুখ দেখবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

বিস্তারিত পড়তে চাইলে সমকালের এই লিংকে---http://www.samakal.com.bd/details.php?news=13&action=main&option=single&news_id=38131&pub_no=208
ঢাকার ওয়াইজ ঘাট এলাকার মুন সিনেমা হল ও এর সম্পত্তি নিয়ে বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড এবং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদ আলমের ২০০০ সালের একটি রিট মামলায় হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায় দেন। মুন সিনেমাকে ১৯৭২ সালে পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল লিমিটেড মুন সিনেমার সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে সরকারের কাছে আবেদন করলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত সরকারি কর্তৃপক্ষ মুন সিনেমা হলের সম্পত্তিটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে আগে দেওয়া আদেশটি ১৯৭৫ সালে বাতিল করে। সরকারি ঘোষণা সত্ত্বেও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট মুন সিনেমার দখল না ছাড়লে ইতালিয়ান মার্বেলের পক্ষে মাকসুদ আলম হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। ১৯৭৭ রিটের নিষ্পত্তি শেষে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আবেদনকারীর পক্ষে রায় দেন। কিন্তু ১৯৭৭ সালের সামরিক সরকার সপ্তম রেগুলেশনের মাধ্যমে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণা সংক্রান্ত সব সরকারি বিজ্ঞপ্তিকেই বৈধ বলে ঘোষণা করে এবং যারা এসব সম্পত্তি দখল করে আছে, তাদের এর আইনগত মালিক বলে ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের যাবতীয় রায়ের কার্যকারিতাও এই রেগুলেশনের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়।
মুন সিনেমার মালিকপক্ষ পরে ১৯৯৪ সালে এই রেগুলেশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করলে আদালত পঞ্চম সংশোধনীর আওতায় সব সামরিক রেগুলেশনের বৈধতা আদালতের চ্যালেঞ্জের আওতাবহির্ভূত বিবেচনা করে আবেদনটি খারিজ করেন। এ পর্যায়ে পঞ্চম সংশোধনীর এ অংশটির এবং সপ্তম সামরিক রেগুলেশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০০ সালে আবারও হাইকোর্টে রিট মামলা করা হয়।
হাইকোর্টের রায়ে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৮ প্যারা ও ৭৯ সালের সংবিধান সংশোধনীসহ (পঞ্চম সংশোধনী) সপ্তম রেগুলেশন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। আদালত মুন সিনেমা হলের ১১ ওয়াইজ ঘাটের সম্পত্তি আগামী দু'মাসের মধ্যে রিট মামলাকারীর কাছে হস্তান্তর করতে সরকার ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে আদেশ দেন।
সংবিধানের ১৮ প্যারায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রণীত সব ফরমান, আদেশ, সামরিক আইন, প্রবিধান, আদেশ এবং অন্যান্য সংশোধন সংযোজন-পরিবর্তনসহ যাবতীয় কার্যকলাপকে বৈধতা দেওয়া আছে এবং এসব কাজ সম্পর্কে কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো প্রশ্ন উত্থাপনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে তা বাতিল ঘোষণা করা হয়।
@সামরিক সরকার কে বৈধ বলে কোন বিচারক কি রায় দিতে পারবেন?বর্তমানে বা ভবিষ্যতে?

@২০০৫ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকা সত্বেও এই মামলায় যেখানে জিততে পারেনি-- এখনো সেটাকে নিয়ে আঁকড়ে থাকা কি কেবল সময়ের অপচয় নয়?

@একটি মামলা এবং তার রায় যে কত বড় প্রভাব রাখতে পারে তার প্রমান এই রিট মামলাটি। অনেক ছোট খাট মামলার সুত্রে ও পাওয়া যায় অনেক বড় বড় রায়। বিচার বিভাগ পৃথকীকরন মামলার রায়টাও এমন করেই এসেছিল।(এই বিষয়টার বিস্তারিত কেউ জানালে উপকৃত হব)

@ জাষ্টিস ডিনাইড জাষ্টিস ডিলেইড----তাই সেই ১৯৭৭ সালে পাওয়া (ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস) এবং হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায়টা আলোর মুখ দেখতে দেয়া উচিত সকলের।

@ "ধর্মকে মৌল বিষয় ধরে রাজনীতি করা যাবে না" এতে বিএনপির কি কোন ক্ষতি হবে? ৭২ এর সংবিধানে ফিরে গেলে অষ্টম সংশোধনী রেখে আর লাভ কি? হয় দেশটাকে সেকুলার করেন নয় পুরা ধার্মিক করেন। ভিন্ন ভিন্ন মেন্টালিটির একটা জাতির পক্ষে উন্নতি করা বেশ কঠিন। বাংলাদেশের সঠিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট নিরুপন করা এখন সময়ের দাবী। দেশ স্পস্টত ৩ ভাগে বিভক্ত---সেকুলার, সেমি সেকুলার এবং রক্ষনশীল(ধার্মিক বা ফানডামেন্টালিষ্ট বা ধর্ম কেন্দ্রিক)।

৫ম সংশোধনী নিয়ে অনেকে পানি ঘোলা করছে দেখে এর অতীত কাহীনিটা জানাতে এই প্রয়াস।(যারা জানেন না কেবল তাদের জন্য)

১। ঢাকার ওয়াইজ ঘাট এলাকার মুন সিনেমা হল ও এর সম্পত্তি নিয়ে বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড এবং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদ আলম এই মামলটি করেন।

২। ১৯৭৭ রিটের নিষ্পত্তি শেষে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আবেদনকারীর পক্ষে রায় দেন প্রথম।

৩।কিন্তু ১৯৭৭ সালের সামরিক সরকার সপ্তম রেগুলেশনের মাধ্যমে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণা সংক্রান্ত সব সরকারি বিজ্ঞপ্তিকেই বৈধ বলে ঘোষণা করে এবং যারা এসব সম্পত্তি দখল করে আছে, তাদের এর আইনগত মালিক বলে ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের যাবতীয় রায়ের কার্যকারিতাও এই রেগুলেশনের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়।

৪।হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায় দেন। পরে তখনকার বিএনপি সরকার সেটার বিরুদ্ধে আপিল করেন এবং হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন।

৫।৪ জানুয়ারী ২০১০ এই আপিল প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ।২০০৫ সালের ৩১ আগস্ট থেকে স্থগিত হয়ে থাকা রায়টি আলোর মুখ দেখবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

বিস্তারিত পড়তে চাইলে সমকালের এই লিংকে---http://www.samakal.com.bd/details.php?news=13&action=main&option=single&news_id=38131&pub_no=208
ঢাকার ওয়াইজ ঘাট এলাকার মুন সিনেমা হল ও এর সম্পত্তি নিয়ে বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড এবং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদ আলমের ২০০০ সালের একটি রিট মামলায় হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায় দেন। মুন সিনেমাকে ১৯৭২ সালে পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল লিমিটেড মুন সিনেমার সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে সরকারের কাছে আবেদন করলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত সরকারি কর্তৃপক্ষ মুন সিনেমা হলের সম্পত্তিটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে আগে দেওয়া আদেশটি ১৯৭৫ সালে বাতিল করে। সরকারি ঘোষণা সত্ত্বেও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট মুন সিনেমার দখল না ছাড়লে ইতালিয়ান মার্বেলের পক্ষে মাকসুদ আলম হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। ১৯৭৭ রিটের নিষ্পত্তি শেষে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আবেদনকারীর পক্ষে রায় দেন। কিন্তু ১৯৭৭ সালের সামরিক সরকার সপ্তম রেগুলেশনের মাধ্যমে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণা সংক্রান্ত সব সরকারি বিজ্ঞপ্তিকেই বৈধ বলে ঘোষণা করে এবং যারা এসব সম্পত্তি দখল করে আছে, তাদের এর আইনগত মালিক বলে ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের যাবতীয় রায়ের কার্যকারিতাও এই রেগুলেশনের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়।
মুন সিনেমার মালিকপক্ষ পরে ১৯৯৪ সালে এই রেগুলেশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করলে আদালত পঞ্চম সংশোধনীর আওতায় সব সামরিক রেগুলেশনের বৈধতা আদালতের চ্যালেঞ্জের আওতাবহির্ভূত বিবেচনা করে আবেদনটি খারিজ করেন। এ পর্যায়ে পঞ্চম সংশোধনীর এ অংশটির এবং সপ্তম সামরিক রেগুলেশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০০ সালে আবারও হাইকোর্টে রিট মামলা করা হয়।
হাইকোর্টের রায়ে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৮ প্যারা ও ৭৯ সালের সংবিধান সংশোধনীসহ (পঞ্চম সংশোধনী) সপ্তম রেগুলেশন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। আদালত মুন সিনেমা হলের ১১ ওয়াইজ ঘাটের সম্পত্তি আগামী দু'মাসের মধ্যে রিট মামলাকারীর কাছে হস্তান্তর করতে সরকার ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে আদেশ দেন।
সংবিধানের ১৮ প্যারায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রণীত সব ফরমান, আদেশ, সামরিক আইন, প্রবিধান, আদেশ এবং অন্যান্য সংশোধন সংযোজন-পরিবর্তনসহ যাবতীয় কার্যকলাপকে বৈধতা দেওয়া আছে এবং এসব কাজ সম্পর্কে কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো প্রশ্ন উত্থাপনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে তা বাতিল ঘোষণা করা হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫০
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×