@সামরিক সরকার কে বৈধ বলে কোন বিচারক কি রায় দিতে পারবেন?বর্তমানে বা ভবিষ্যতে?
@২০০৫ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকা সত্বেও এই মামলায় যেখানে জিততে পারেনি-- এখনো সেটাকে নিয়ে আঁকড়ে থাকা কি কেবল সময়ের অপচয় নয়?
@একটি মামলা এবং তার রায় যে কত বড় প্রভাব রাখতে পারে তার প্রমান এই রিট মামলাটি। অনেক ছোট খাট মামলার সুত্রে ও পাওয়া যায় অনেক বড় বড় রায়। বিচার বিভাগ পৃথকীকরন মামলার রায়টাও এমন করেই এসেছিল।(এই বিষয়টার বিস্তারিত কেউ জানালে উপকৃত হব)
@ জাষ্টিস ডিনাইড জাষ্টিস ডিলেইড----তাই সেই ১৯৭৭ সালে পাওয়া (ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস) এবং হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায়টা আলোর মুখ দেখতে দেয়া উচিত সকলের।
@ "ধর্মকে মৌল বিষয় ধরে রাজনীতি করা যাবে না" এতে বিএনপির কি কোন ক্ষতি হবে? ৭২ এর সংবিধানে ফিরে গেলে অষ্টম সংশোধনী রেখে আর লাভ কি? হয় দেশটাকে সেকুলার করেন নয় পুরা ধার্মিক করেন। ভিন্ন ভিন্ন মেন্টালিটির একটা জাতির পক্ষে উন্নতি করা বেশ কঠিন। বাংলাদেশের সঠিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট নিরুপন করা এখন সময়ের দাবী। দেশ স্পস্টত ৩ ভাগে বিভক্ত---সেকুলার, সেমি সেকুলার এবং রক্ষনশীল(ধার্মিক বা ফানডামেন্টালিষ্ট বা ধর্ম কেন্দ্রিক)।
৫ম সংশোধনী নিয়ে অনেকে পানি ঘোলা করছে দেখে এর অতীত কাহীনিটা জানাতে এই প্রয়াস।(যারা জানেন না কেবল তাদের জন্য)
১। ঢাকার ওয়াইজ ঘাট এলাকার মুন সিনেমা হল ও এর সম্পত্তি নিয়ে বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড এবং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদ আলম এই মামলটি করেন।
২। ১৯৭৭ রিটের নিষ্পত্তি শেষে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আবেদনকারীর পক্ষে রায় দেন প্রথম।
৩।কিন্তু ১৯৭৭ সালের সামরিক সরকার সপ্তম রেগুলেশনের মাধ্যমে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণা সংক্রান্ত সব সরকারি বিজ্ঞপ্তিকেই বৈধ বলে ঘোষণা করে এবং যারা এসব সম্পত্তি দখল করে আছে, তাদের এর আইনগত মালিক বলে ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের যাবতীয় রায়ের কার্যকারিতাও এই রেগুলেশনের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়।
৪।হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায় দেন। পরে তখনকার বিএনপি সরকার সেটার বিরুদ্ধে আপিল করেন এবং হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন।
৫।৪ জানুয়ারী ২০১০ এই আপিল প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ।২০০৫ সালের ৩১ আগস্ট থেকে স্থগিত হয়ে থাকা রায়টি আলোর মুখ দেখবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
বিস্তারিত পড়তে চাইলে সমকালের এই লিংকে---http://www.samakal.com.bd/details.php?news=13&action=main&option=single&news_id=38131&pub_no=208
ঢাকার ওয়াইজ ঘাট এলাকার মুন সিনেমা হল ও এর সম্পত্তি নিয়ে বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড এবং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদ আলমের ২০০০ সালের একটি রিট মামলায় হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায় দেন। মুন সিনেমাকে ১৯৭২ সালে পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল লিমিটেড মুন সিনেমার সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে সরকারের কাছে আবেদন করলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত সরকারি কর্তৃপক্ষ মুন সিনেমা হলের সম্পত্তিটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে আগে দেওয়া আদেশটি ১৯৭৫ সালে বাতিল করে। সরকারি ঘোষণা সত্ত্বেও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট মুন সিনেমার দখল না ছাড়লে ইতালিয়ান মার্বেলের পক্ষে মাকসুদ আলম হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। ১৯৭৭ রিটের নিষ্পত্তি শেষে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আবেদনকারীর পক্ষে রায় দেন। কিন্তু ১৯৭৭ সালের সামরিক সরকার সপ্তম রেগুলেশনের মাধ্যমে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণা সংক্রান্ত সব সরকারি বিজ্ঞপ্তিকেই বৈধ বলে ঘোষণা করে এবং যারা এসব সম্পত্তি দখল করে আছে, তাদের এর আইনগত মালিক বলে ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের যাবতীয় রায়ের কার্যকারিতাও এই রেগুলেশনের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়।
মুন সিনেমার মালিকপক্ষ পরে ১৯৯৪ সালে এই রেগুলেশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করলে আদালত পঞ্চম সংশোধনীর আওতায় সব সামরিক রেগুলেশনের বৈধতা আদালতের চ্যালেঞ্জের আওতাবহির্ভূত বিবেচনা করে আবেদনটি খারিজ করেন। এ পর্যায়ে পঞ্চম সংশোধনীর এ অংশটির এবং সপ্তম সামরিক রেগুলেশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০০ সালে আবারও হাইকোর্টে রিট মামলা করা হয়।
হাইকোর্টের রায়ে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৮ প্যারা ও ৭৯ সালের সংবিধান সংশোধনীসহ (পঞ্চম সংশোধনী) সপ্তম রেগুলেশন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। আদালত মুন সিনেমা হলের ১১ ওয়াইজ ঘাটের সম্পত্তি আগামী দু'মাসের মধ্যে রিট মামলাকারীর কাছে হস্তান্তর করতে সরকার ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে আদেশ দেন।
সংবিধানের ১৮ প্যারায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রণীত সব ফরমান, আদেশ, সামরিক আইন, প্রবিধান, আদেশ এবং অন্যান্য সংশোধন সংযোজন-পরিবর্তনসহ যাবতীয় কার্যকলাপকে বৈধতা দেওয়া আছে এবং এসব কাজ সম্পর্কে কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো প্রশ্ন উত্থাপনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে তা বাতিল ঘোষণা করা হয়।
@সামরিক সরকার কে বৈধ বলে কোন বিচারক কি রায় দিতে পারবেন?বর্তমানে বা ভবিষ্যতে?
@২০০৫ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকা সত্বেও এই মামলায় যেখানে জিততে পারেনি-- এখনো সেটাকে নিয়ে আঁকড়ে থাকা কি কেবল সময়ের অপচয় নয়?
@একটি মামলা এবং তার রায় যে কত বড় প্রভাব রাখতে পারে তার প্রমান এই রিট মামলাটি। অনেক ছোট খাট মামলার সুত্রে ও পাওয়া যায় অনেক বড় বড় রায়। বিচার বিভাগ পৃথকীকরন মামলার রায়টাও এমন করেই এসেছিল।(এই বিষয়টার বিস্তারিত কেউ জানালে উপকৃত হব)
@ জাষ্টিস ডিনাইড জাষ্টিস ডিলেইড----তাই সেই ১৯৭৭ সালে পাওয়া (ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস) এবং হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায়টা আলোর মুখ দেখতে দেয়া উচিত সকলের।
@ "ধর্মকে মৌল বিষয় ধরে রাজনীতি করা যাবে না" এতে বিএনপির কি কোন ক্ষতি হবে? ৭২ এর সংবিধানে ফিরে গেলে অষ্টম সংশোধনী রেখে আর লাভ কি? হয় দেশটাকে সেকুলার করেন নয় পুরা ধার্মিক করেন। ভিন্ন ভিন্ন মেন্টালিটির একটা জাতির পক্ষে উন্নতি করা বেশ কঠিন। বাংলাদেশের সঠিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট নিরুপন করা এখন সময়ের দাবী। দেশ স্পস্টত ৩ ভাগে বিভক্ত---সেকুলার, সেমি সেকুলার এবং রক্ষনশীল(ধার্মিক বা ফানডামেন্টালিষ্ট বা ধর্ম কেন্দ্রিক)।
৫ম সংশোধনী নিয়ে অনেকে পানি ঘোলা করছে দেখে এর অতীত কাহীনিটা জানাতে এই প্রয়াস।(যারা জানেন না কেবল তাদের জন্য)
১। ঢাকার ওয়াইজ ঘাট এলাকার মুন সিনেমা হল ও এর সম্পত্তি নিয়ে বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড এবং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদ আলম এই মামলটি করেন।
২। ১৯৭৭ রিটের নিষ্পত্তি শেষে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আবেদনকারীর পক্ষে রায় দেন প্রথম।
৩।কিন্তু ১৯৭৭ সালের সামরিক সরকার সপ্তম রেগুলেশনের মাধ্যমে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণা সংক্রান্ত সব সরকারি বিজ্ঞপ্তিকেই বৈধ বলে ঘোষণা করে এবং যারা এসব সম্পত্তি দখল করে আছে, তাদের এর আইনগত মালিক বলে ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের যাবতীয় রায়ের কার্যকারিতাও এই রেগুলেশনের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়।
৪।হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায় দেন। পরে তখনকার বিএনপি সরকার সেটার বিরুদ্ধে আপিল করেন এবং হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন।
৫।৪ জানুয়ারী ২০১০ এই আপিল প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ।২০০৫ সালের ৩১ আগস্ট থেকে স্থগিত হয়ে থাকা রায়টি আলোর মুখ দেখবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
বিস্তারিত পড়তে চাইলে সমকালের এই লিংকে---http://www.samakal.com.bd/details.php?news=13&action=main&option=single&news_id=38131&pub_no=208
ঢাকার ওয়াইজ ঘাট এলাকার মুন সিনেমা হল ও এর সম্পত্তি নিয়ে বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড এবং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদ আলমের ২০০০ সালের একটি রিট মামলায় হাইকোর্ট ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট এ ঐতিহাসিক রায় দেন। মুন সিনেমাকে ১৯৭২ সালে পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ ইতালিয়ান মার্বেল লিমিটেড মুন সিনেমার সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে সরকারের কাছে আবেদন করলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত সরকারি কর্তৃপক্ষ মুন সিনেমা হলের সম্পত্তিটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে আগে দেওয়া আদেশটি ১৯৭৫ সালে বাতিল করে। সরকারি ঘোষণা সত্ত্বেও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট মুন সিনেমার দখল না ছাড়লে ইতালিয়ান মার্বেলের পক্ষে মাকসুদ আলম হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। ১৯৭৭ রিটের নিষ্পত্তি শেষে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আবেদনকারীর পক্ষে রায় দেন। কিন্তু ১৯৭৭ সালের সামরিক সরকার সপ্তম রেগুলেশনের মাধ্যমে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণা সংক্রান্ত সব সরকারি বিজ্ঞপ্তিকেই বৈধ বলে ঘোষণা করে এবং যারা এসব সম্পত্তি দখল করে আছে, তাদের এর আইনগত মালিক বলে ঘোষণা করা হয়। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের যাবতীয় রায়ের কার্যকারিতাও এই রেগুলেশনের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়।
মুন সিনেমার মালিকপক্ষ পরে ১৯৯৪ সালে এই রেগুলেশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করলে আদালত পঞ্চম সংশোধনীর আওতায় সব সামরিক রেগুলেশনের বৈধতা আদালতের চ্যালেঞ্জের আওতাবহির্ভূত বিবেচনা করে আবেদনটি খারিজ করেন। এ পর্যায়ে পঞ্চম সংশোধনীর এ অংশটির এবং সপ্তম সামরিক রেগুলেশনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০০ সালে আবারও হাইকোর্টে রিট মামলা করা হয়।
হাইকোর্টের রায়ে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৮ প্যারা ও ৭৯ সালের সংবিধান সংশোধনীসহ (পঞ্চম সংশোধনী) সপ্তম রেগুলেশন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। আদালত মুন সিনেমা হলের ১১ ওয়াইজ ঘাটের সম্পত্তি আগামী দু'মাসের মধ্যে রিট মামলাকারীর কাছে হস্তান্তর করতে সরকার ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে আদেশ দেন।
সংবিধানের ১৮ প্যারায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রণীত সব ফরমান, আদেশ, সামরিক আইন, প্রবিধান, আদেশ এবং অন্যান্য সংশোধন সংযোজন-পরিবর্তনসহ যাবতীয় কার্যকলাপকে বৈধতা দেওয়া আছে এবং এসব কাজ সম্পর্কে কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো প্রশ্ন উত্থাপনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। হাইকোর্টের রায়ে তা বাতিল ঘোষণা করা হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



