আমার প্রিয় পোস্ট
- ভিডিও টা সম্পর্কে কেউ কিছু জানেন? - পিশানব
- এবার ক্লাস করুন সেরা ভার্সিটির সেরা লেকচারারদের - আলামিনস্টাইন
- আধ ঘন্টায় প্রেম, অতঃপর বিয়ে... - ড়ৎশড়
- ডিজিটাল ফটোগ্রাফি আর ক্যামেরা সম্পর্কিত কিছু টিপস - জিনিয়া আফরিন
- নিউ ভার্সন অফ পরবাসে পাকমন পেয়ার...উৎসর্গ: পাকি আর পাকিক্রিকেটপ্রেমীদের - অসময়ের আমি
- ধন্যবাদ......বাপকা বেটি.....ধন্যবাদ। - নন্দনপুরী
- আপনার কম্পিউটারকে ব্যবহার করুন Fax Machine হিসাবে। - কাজু
- পৃথিবীর সবচে' বড়, দামী এবং নজরকাড়া হীরের হার এই বাংলাদেশেই - আরিল
- ঢাবি ক্যাম্পাসে মাকসুদের কনসার্ট এবং মাকসুদের বক্তব্য - কানা-বাবা
- মেজর নাজমুল হক : অকৃতজ্ঞ জাতির এক অচ্ছ্যুৎ সেক্টর কমান্ডার - অমি রহমান পিয়াল
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- বাবরি মসজিদঃমানুষের প্রান যেখানে ধর্মকে টিকিয়ে রাখে!(লিবারহাম রিপোর্ট ও ঘটনা প্রবাহ) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- প্রপোগান্ডা, স্টপ জেনোসাইড ও জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- দ্বিতীয় বিপ্লব বা বাকশাল : শুনুন বঙ্গবন্ধূর মুখেই - অমি রহমান পিয়াল
- ২৫মার্চ কালো রাতঃ জগন্নাথ হলের গণহত্যা থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পাওয়া প্রতক্ষ্যদর্শী বিবরণ - রাহা
- আজ ২৫ মার্চ, চেতনাকে ঝালাই করে নিতে আবার পড়ুন - অমি রহমান পিয়াল
- কৌতুক সংগ্রহ সামগ্রী বিলকুল হঁসতে মানা - মাসুদ চৌধুরী
- বৃষ্টি বিলাসঃ বৃষ্টি দিনের গানের অনলাইন সংগ্রহ। (প্রথম কিস্তিঃ৬০ টি গানের ডাউনলোড লিংক) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- নিজামীর বাস মিস হয়ে গেছে...... পুনরায় হাহাপগে
- রোহান
- শেখ মুজিবের নির্বাচিত বক্তৃতা ও ধর্ম নিরপেক্ষতা - অমি রহমান পিয়াল
- শেষ পর্যন্ত বিএনপি আজ স্বীকার করলোঃ একটা ১৫ আগষ্ট করেছি আর একটা ১৫ আগষ্ট করবো। আসলেও তাই। - প্রিন্সেস ঢাকা
- হট অব দ্য কাম্পাস, এবার উলঙ্গ ছাত্রদল নেতা! - ডলুপূত্র
- অবাক ভালোবাসাঃ তুমি এত ভীতু ছিলে কেন? - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বাংলাদেশ জিন্দাবাদঃ ছবিও কথা বলে (ইস্থির ছলচিত্র) - বৃষ্টি বালক
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- তোমার চোখ এতো লাল কেন? - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- নারী ধর্ষণ করে এদেশে উত্তারাধিকার রেখে যাওয়ার নীতি নিয়েছিল পাক বাহিনী - সায়েমুজজ্জামান
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
রাজাকার কে জুতা নিক্ষেপ করুন
- এ. এস. এম. রাহাত খান
- CIA এন্টি কম্যুনিজম মিশনঃবাংলাদেশে ধর্মিয় উগ্রতা বিস্তারে প্রথম বীজ (পর্ব-২) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- IDM তথা Internet Download Manager Portable - ব্যবহার করুন ইন্সটলের ঝামেলা ছাড়াই যেকোন সময়, যেকোন পিসিতে - নাফিস ইফতেখার
- সিকিম ও কাস্মিরের ভুখন্ড বড়দের বাট্টা হতে পারে কিন্তু রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ নয়- পর্ব ১ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- গোলাম আযমের বিরূদ্ধে ডঃ আনিসুজ্জামান উত্থাপিত অভিযোগপত্র - স্বপ্ন নীল
- কোরাবানী কোনভাবেই নিষ্ঠুরতা নয়ঃদেখুন বিজ্ঞান,যুক্তিশাস্ত্র আর ধর্ম কি বলে - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সিমির জন্য আমাদের ভালোবাসার বাক্স ও ধানমন্ডির একটি পোস্টার - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বিচারপতি লতিফুর রহমান কিশোরকণ্ঠের লেখক সম্মেলনে পুরস্কার টুরস্কার দেন আজকাল... - চুম্বক
- ইতিহাস কথা বলে: ৭ই নভেম্বর, ৭৫ ও জেনারেল জিয়াউর রহমান বিষয়ক অজানা কিছু তথ্য - তাজা কলম
- রূপকথাকেও ছাড়িয়ে.......(রিপোস্ট, উৎসর্গ@দ্যা লিটল মাস্টার'স ১৭৫) - নাফিস ইফতেখার
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো
- বাবুনি সুপ্তি
- নির্মম কিছু ছবি ( দুর্বল চিত্তের মানুষদের প্রবেশ নিষেধ) - স্বপ্ন নীল
- বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল,করেছ দান... - এ. এস. এম. রাহাত খান
- কিছু প্রিয় ভিডিও , পুরো ডকুমেন্টারি আকারে দিতে পারলে ভালো লাগতো - রাগ ইমন
- দালাল বুদ্ধিজীবি বিষয়ক একটি উদ্দেশ্যমূলক পোস্টের জবাবে - অমি রহমান পিয়াল
- বাংলাদেশের বয়স ৩৯ আর দৈনিক সংগ্রামের বয়স ৩৫ !!!! - এ. এস. এম. রাহাত খান
- আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৩) - মাহমুদ সিএসই
- একটি ভ্রুনহত্যার গল্প এবং আমার নিজের প্রতি ঘৃণাবোধ...(কাল রাতে করা এই পোস্টটি সামুর বাগে খেয়ে ফেলায় আবার রিপোস্ট করতে হলো) - ড়ৎশড়
- 7 sisters:সেভেন সিস্টারস - এ. এস. এম. রাহাত খান
- দক্ষিন তালপট্টি :বাংলাদেশের দাবী ও আন্তর্জাতিক আইন - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ১৫ অগাস্ট EXCLUSIVE:হাতে লেখা লাশের অফিসিয়াল লিস্ট ও গেজট - এ. এস. এম. রাহাত খান
- পুরুষতান্ত্রিকতার ধ্বজভঙ্গ সমাজতত্ত্বঃ “নারীর ইজ্জতই তার প্রধান সম্বল” - মনির হাসান
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- কতোবার বৃষ্টি এলে...? - সুনীল সমুদ্র
- "একটি স্বল্প দৈর্ঘ্য সামাজিক ও পারিবারিক CRICKET ম্যাচ" এর প্রত্যাশায় - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বিদ্রোহ ১৯৭৭ এর টুকরো চিত্র ও BDR বিদ্রোহের পর ইতিহাস জিয়া ও হাসিনাকে কিভাবে মুল্যায়ন করবে? - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সবার জন্য নানারকম অপ্সরীয়ো স্পেশাল চা - অপ্সরা
- দুই ডজন জোকস (বিষয়বস্তু অবশ্যই বড়দের) - শতকত
- ভিডিও চিত্রে কবরের আজাবঃধর্ম ব্যবসার এ এক নিঃকৃষ্ট নমুনা (YOUtube link সহ) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- স্রোতের বিপরীতে একজন টাইপিস্টের জীবন সংগ্রাম - এ. এস. এম. রাহাত খান
- .......ধুয়ে যাবে যত আছে অভিমান,ধুয়ে যাবে সিঁদুরের টিপ....... - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ~~*~*~দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১ ও ২০০৮:জামাতের রঙ বদলের জ্বলন্ত প্রমান~~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- **~~~~বোরকার আড়ালে ব্যাশ্যাবৃত্তি!!~~~~** - এ. এস. এম. রাহাত খান
- পাগলের রাজনৈতিক প্রলাপ - ৪(বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলাম ধর্ম!!!) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ১৪ই ডিসেম্বর আমরা যা করেছিলাম [হয়তো আরেকটা ব্যর্থ উদ্যোগ] এবং একটা শুরু । - মনির হাসান
- ২৭'শে ডিসেম্বর এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির মানববন্ধন এবং আমরা .. - মনির হাসান
- হাসিনার সামনে ২টি পথঃযুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা,না হয় নিজেকে বিচারের সামনে দাঁড় করানো - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমিত
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা, ১৬ বছর পরও কি আপনার এই বক্তব্য অনুদিত হবে না? - অমি রহমান পিয়াল
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবার দায়িত্ব নিয়েছে ল্যাবএইড - মেসবাহ য়াযাদ
- মুক্তিযুদ্ধে বাবা হারানো এক মেয়ের কথা................... - সুলতানা শিরীন সাজি
- সত্যের মত একটি গল্প.... - লিপিকার
- তুমি জানবেনা কোনোদিন - অপ্সরা
- ছোট্ট বেলায় মা আমাকে হারিয়ে যাবার ভয়ে পায়ে নুপুর পরাতো - অপ্সরা
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- জল্লাদখানা বধ্যভুমিঃসাক্ষি বাংলার রক্তে ভেজা মাটি...ভুলবনা কিছুই আমরা(ফটোব্লগ) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- কনসার্ট ফর বাংলাদেশ (ডাউনলোড লিংক সহ) - ...অসমাপ্ত
- ফ্রী সফটওয়্যার দরকার আপনার ?? - নিঃসঙ্গ
- আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানির অনুপস্থিতি বিতর্কঃ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত বড় কোন সৈন্য দল নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে অপমান জনক পরাজয় বরন করে পাকিস্তান - এ. এস. এম. রাহাত খান
- তোর কাছে কি, সুখ চেয়েছি.........? - প্রতিফলন
- পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ৭১ এর গোপন দলিল: মন্ত্রী নিজামী, মুজাহিদ মুক্তিযুদ্ধ প্রতিহত করতে ততপর ছিলেন - লায়ওনো
- লিনাক্স ব্যবহার শুরুর আগে কিছু প্রস্তুতি - আশাবাদী!!
- ~*~~~*~~~লিঙ্গ পরিচয় ও সক্ষমতাই কি মানুষ হিসাবে আমাদের বাচার অধিকার দিয়েছে?~~*~~~*~~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ইহার নামই জামাত!!রাজনীতির জন্য যারা ইসলাম কে ব্যবহার করে,আবার ছুড়ে ফেলে!!! - এ. এস. এম. রাহাত খান
- কিছু দেশের গান - একলা একজন
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- ফেসবুক বাংলায় - নাসির খান
- চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদী থেকে তোলা পাক বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ `লোরাম' নিলামে বেঁচা হচ্ছে !!! - অণৃণ্য
- নবীনদের জন্য - নাদান
- রুবিকস কিউব (পর্ব ৪) : রুবিকস কিউবের সমাধান: লেয়ার বাই লেয়ার - গণিত পাগল
- পাগলের রাজনৈ্তিক প্রলাপ-৫ (প্রসঙ্গ *জামাতের ধর্ম ব্যবসা*) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- দৃষ্টি আকর্ষন:৭১ এর সকল অনলাইন দলিল একত্রীকরনের প্রচেষ্টা - আরিফুল হোসেন তুহিন
- রাশেদ খালীফা, ম্যাথমেটিকল মিরাকল অব কোরআন এবং কোরআন টেম্পারিং - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ১৬ (ফেরীঅলা --হেলাল হাফিজ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
ব্যস্ত শহর ঠাঁস বুনটের ভিরে আজো কিছু মানুষ স্বপ্ন খুজে ফিরে........

কোরাবানী কোনভাবেই নিষ্ঠুরতা নয়ঃদেখুন বিজ্ঞান,যুক্তিশাস্ত্র আর ধর্ম কি বলে
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩
কোরবানী একটি নিষ্ঠুরতা এমন অভিযোগ অনেকেই করে।এটা প্রানী হত্যা ছাড়া কিছু নয় এমনটাই তারা বলে বেড়ায়।
এর বিজ্ঞান ও ধর্ম ভিত্তিক মুল্যায়নটি তাই তুলে ধরলাম।
১)জ়ীব হত্যা মহা পাপ।এই যুক্তি যে ভেজেটেরিয়ানদের এবং একই যুক্তিতে যারা কোরবানীর বিপক্ষে তাদের কাছে প্রশ্ন,
পশু হত্যা না করলে মানুষ খাবে কি?(সম্ভ্যাব্য উত্তরঃউদ্ভিদ)
জবাবঃজগদীশ অনেক আগেই প্রমান করে গেছেন,উদ্ভিদের প্রান আছে!!তবে সেটাকি জীব হত্যা হবে না?
২)এর পরের কমন যে জবাব,ভেজেটেরিয়ানরা দেয়,সেটা হলোঃ প্রানী তার অনুভুতি প্রকাশ করতে পারে।পশু হত্যা/কোরবানীর সময় তাদের চোখে আর্তনাদ দেখা যায়,যা নির্মমতা!!উদ্ভিদ তা করতে পারে না।
জবাবঃউদ্ভিদ বিজ্ঞান এটাও প্রমান করেছে,প্রানীর ন্যায় উদ্ভিদেরো অনুভুতি প্রকট,কিন্তু তা সে প্রানীর মত বাহ্যিক ভাবে প্রকাশ করতে পারে না।এই যুক্তি যদি বাদ দেন তবে খেয়াল করুন,
ধরুন আপনার ২টি সন্তান একটি সুস্থ অপরটি প্রতিবন্ধি (মুক,বধির,অন্ধ)
কার প্রতি আপনার মমতা বেশি হবে?কাকে আপনি সবচেয়ে বেশি অনুগ্রহ করবেন?
খুব স্বাভাবিক ভাবেই যে প্রতিবন্ধি।কারন সে তার অনুভুতি প্রকাশ করতে পারে না।
তবে যারা এত জীব হত্যা জীব হত্যা করে তাদের তো হয় উদ্ভিদ ছেড়ে পশু খাওয়া উচিত,অথবা না খেয়ে মরে যাওয়া উচিত!
৩)এবার দেখুন ধর্ম কি বলে,ইসলামে পশু জবেহ ও কোরাবানীর কিছু নিয়ম আছে(যদিও তার অনেক গুলি পালন করা হয় না)
a)সুস্থ পশু হতে হবে।
b)একটির সামনে আরেকটিকে জবেহ করা যাবে না।
c)ধারাল অস্ত্র দিয়ে জবেহ করতে হবে।
d)সবচেয়ে গুতুত্ব পুর্ন হলো,সেটাকে বলি দেয়া যাবে না!!!
a,b,c এর পয়েন্ট গুলি দিয়ে সহজেই বুঝা যায় কেন তা করা হয়েছে।
d অনুসারে বলি না দিয়ে ইসলামিক ভাবে কেন জবেহ করাটা ভালো সেটা দেখুন,
যেকোন প্রানীর স্পাইনাল কর্ড কেটে ফেললে তার হৃদ ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় সাথে সাথে,ফলে বলি করা হলে পশুর দেহ থেকে রক্ত সম্পুর্ন বেড় হতে পারে না।আর রক্ত হচ্ছে জীবানু পরিবহনের সবচেয়ে ভালো মিডিয়া।কিন্তু জবেহ করলে সেই ব্যাপারটি হয় না। এখানে হৃদ ক্রিয়া চালু থাকে দেহের সকল রক্ত বেড় হওয়া পর্যন্ত।অবশিষ্ট যা থাকে তা ধৌত করার মাধ্যমে পরিস্কার হয়।
৪)আরেকটি বিষয় যুক্ত করা দরকার
প্রানীর দেহে ৮টি অ্যামাইনু এসিড আছে এক সাথে,যা উদ্ভিদে নাই।আর এর সব কটাই মানুষের বৃদ্ধির জন্য দরকারি।
আর আমাদের দাতের দিকে তাকালে দেখা যায়,আমাদের ছেদন দাত ও পেষন দাত ২টাই আছে।যদি আমাদের শুধু উদ্ভিদ খাওয়ার জন্য তৈরি করা হত তাহলে কেন ছেদন দাত?
ছাগলের,গরুর কি আছে?
আবাএ বাঘ ,নেকড়ের দিকে তাকান...তাদের কেবন ছেদন দাত আছে!!!পেষন নেই কেন?
উত্তর গুলি খুব সহজ
প্রকৃত পক্ষে বেচে থাকতে খাবার লাগবে,আর তার জন্য কোন না কোন ভাবে জীব হত্যা আপনাকে করতেই হবে।আর ধর্মের দিক থেকে স্রষ্টা মানুষ কে সেরা জীব করে,আর বাকিদের তৈরী করেছেন আমাদের সেবায়....
*****************************
উপরে একটি পয়েন্ট কে ভুল ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিলঃ
সংশোধনঃ
যে সকল প্রানী উদ্ভিদ ভোজি তাদের কোন ছেদন দাত নেই,কেবল পেষন আছে।কারন তাদের মাংস ছেড়ার দরকার পরে না।কিন্তু মানুষের ছেদন দাঁত আছে,যেমনটা আছে মাংসাশি অন্য প্রানী যেমন সিংহ ,নেকড়ে ইত্যাদির।
(ভুলটি ছিলঃআগে উল্লেখ করা হয়েছিল,মাংসাশি প্রানির পেষন দাত নেই)
Dental Anatomy of Rabbits
Dental Anatomy of Dogs
Dental Anatomy of Humans
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কোরাবানী কোনভাবেই নিষ্ঠুরতা নয়ঃদেখুন বিজ্ঞান, যুক্তিশাস্ত্র আর ধর্ম কি বলে ;
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বৃষ্টি বালক বলেছেন:
জটিল
সাহারা মরু'র পাড়ে বলেছেন:
বিশাল বুদ্ধিহীন পোস্ট। নিজের পুত্রকে পাথরে ফেলে গলায় ছুরি চালানোর সুপ্রাচীন বর্বরতাকে গ্লোরিফাই করার জন্য জনসমক্ষে নৃশংস কায়দায় ধরে বেঁধে হত্যা করাটা ধর্মীয় হতে পারে, সভ্য না।
লেখক বলেছেন: আমি আপনাকে বুদ্ধিহীন বলব না!!এটা আমাদের অপরাধ যে মুসল্মান হিসাবে আপনাকে সঠিক ম্যাসেজ আমরা দিতে পারিনি!!!
আপনি যদি তর্ক করেন,তবে আপনাকে আগে নিজের প্লাটফর্ম বেছে নিতে হবে!!যদি আস্তিক হন তবে আল্লার জন্য পুত্র বিসর্জনে বর্বরতা বলবেন না।আর নাস্তিক হলে আপনি কিভাবে মানবেন যে আল্লাহর হুকুম আসতে পারে?
বরং আপনি বলুন কোরাবানি নয় পশু হত্যার বিপক্ষে আপনি...তখন তর্ক করে লাভ হবে
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
এখন কেও ঘুষের টাকা দিয়ে কোরবানি করল কিনা,অথবা কেও প্রতিযোগিতা করল কিনা তার দোষ কোরবানি র না।কারন এর একটা করলেও সেই কোরবানি কবুল হবেনা।আল্লাহ বলেছেন তিনি বান্দার অন্তর দেখেন
জেসন বলেছেন:
জটিল পুষ্টাইছেন, ভাল লিখেছেন, অনেক প্লাসাইলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ....আসলে ব্লগে এটা নিয়ে অনেক লেখা দেখলাম,তাই ঈদের দিনে তর্কে নামতে হলো![]()
মরণজয়ী বলেছেন:
দারুন কিছু যুক্তি! তবে আর কিছু যুক্ত করার আছে বলে মনে হয়।কিন্তু কেউ যদি জেগে জেগে ঘুমায় তাহলে তাকে কি করে জাগাবেন...
লেখক বলেছেন: ঈদের দিন তর্ক করতে ভালো লাগছিল না।কিন্তু বাধ্য হলাম।তাই তাড়াতাড়ি মুল কিছু দিক তুলেছি।ধন্যবাদ
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
কোরবানির দৃশ্য টা যথেষ্ঠ অমানবিক
লেখক বলেছেন: ২ নম্বর ও ৩ এর b তে জবাব আছে।
এর পর এই কথা বলা অর্থ হীন!!আপনি প্যারালাইসড এক জন মানুষ যে মুখে শব্দ করে ও চেহারায় কষ্ট ফুটাতে পারে না,তাকে কি হত্যা করা অপেক্ষাকৃত কম পাপ ভাবেন?
সুমন সালেহী বলেছেন:
জাকির নাইকের যুক্তিগুলো হুবহু লিখলে আর একটু ভাল হত...তবু সময় উপযোগী পোস্ট...ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: ভাই যুক্তির কোন লেভেল নাই...যুক্তি তার স্ব-গুনেই সব সময় জয়ী হয়
লেখক বলেছেন: ভাই যুক্তির গায়ে কোন লেভেল নাই...যুক্তি তার স্ব-গুনেই সব সময় জয়ী হয়
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
সাদা কাগজ বলেছেন:
পিলাচ
সাহারা মরু'র পাড়ে বলেছেন:
আমার একটু কৌতুহল হচ্ছে... 'বলি করা' নামের শব্দদ্বয় ব্যাবহার করেছেন আপনি। কিভাবে বলি করে বলুন তো? আমার জানার ইচ্ছে।
আর জবেহ করার সাথে এর পার্থক্য কি?
(কোরান/হাদিসে কি লেখা আছে 'বলি করা যাবে না'? )
লেখক বলেছেন: বলি মানে মাথা ধর থেকে আলাদা করে ফেলা(শিরচ্ছেদ),কিন্তু জবেহ করার সময় তা করা হয় না।শুধু ভেইন টা কাটা হয়...কোরানে স্পস্ট বলে দেয়া আছে বলি হারাম।(খুব সম্বভতঃ সুরা নিসার প্রথমে দেখুন)
লেখক বলেছেন: দুক্ষিত।এটা সুরা মায়েদাতে ,নিসার পরের সুরা
টংকেশ্বরী বলেছেন:
নিজের পুত্রকে পাথরে ফেলে গলায় ছুরি চালানোর সুপ্রাচীন বর্বরতাকে গ্লোরিফাই করার জন্য জনসমক্ষে নৃশংস কায়দায় ধরে বেঁধে হত্যা করাটা ধর্মীয় হতে পারে, সভ্য না। একমত। ফালতু পোষ্ট।মাইনাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: jobab diyeche age...dhonnobad - er jonno
মাহমুদ৬৯ বলেছেন:
আপনার পোস্ট পড়ে অনেক কিছু জানলাম, ধন্যবাদ। বলি আর জবাই দুটোর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। বেঁচে থাকার জন্য আমাদের আমিষ প্রয়োজন, তাই আমরা পশু জবাই করি। কিন্তু ধর্মের
নামে পশু উৎসর্গ করার উৎসব কতোটা যুক্তিসঙ্গত? চাহিদা মেটানো আর ধর্মপালনকে এক করে ফেলবেননা। শুরুটা দেখুন কিভাবে হয়েছে, নিজ পুত্রকে জবাই করা হচ্ছে, এটা কোনো সুস্থ মানুষের কাজ? কেনো এই অহেতুক বলিদানের মাধ্যমে স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন !!!
লেখক বলেছেন: ১)বলি আর জবেহ এক না।সেটা স্পস্ট করে পোস্টে বলেছি।
২)পুত্রকে বলি করাটা যে কোন স্বাভাবিক ঘটনা না সেটা সয়ং আল্লাও বলেছেন।আর তাই তিনি আমাদের জন্য পুত্র বলির আদেশ দেন নি।আর নবীদের মানুষিকতা আর অনুগত্য সাধারন মানুষের মত না।
মাহমুদ৬৯ বলেছেন:
মাইনাস দেইনি প্লাস দিয়েছি কারণ যুক্তির আলোকে লেখা।
লেখক বলেছেন: আমি আপনার লেখাতেও কিছু দেইনি।কারন ব্যাপারটা আমাদের জানার গ্যাপের কারনে,ইচ্ছাকৃত নয়।ধন্যবাদ
বৃষ্টি বালক বলেছেন:
যারা পশু হত্যার বিপক্ষে তারা কি খাবেন সেটা জানাবেন কি?
লেখক বলেছেন: তাহলেই হইছe
সাহারা মরু'র পাড়ে বলেছেন:
বলি করা হচ্ছে 'শিরচ্ছেদ'। ঠিক আছে। তো শিরচ্ছেদ করলে কি সেই 'ভেইন' কাটা পড়ে না? শিরচ্ছেদ করলে রক্ত রয়ে যায় কিভাবে?
একটু বৈজ্ঞানিকভাবে বলবেন?
লেখক বলেছেন: স্পাইনাল কর্ড ছিন্ন হয়ে যায় বলির সময়,যা জবেহ করলে হয় না।মুল পার্থক্য এখানে।বলিতেও রক্ত বেড় হয় কিন্তু যেহুতু হৃদ যন্ত্র বন্ধ হয়ে যায় সেখানে তাই পাম্প হয় না।ফলে ভিতরে থেকে যাওয়া রক্তের পরিমান অনেক বেশি থাকে।আপনাকে একটা ব্যাপার বলি,জানিনা কতটা মানবেন।কিন্তু আমি সব কটাকে দেখাতে পারব,যে ইসলামে যে সকল কিছু হারাম করা হয়েছে তার সব গুলি মানুষের জন্য ক্ষতির।ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: Dhonnobad
মদন বলেছেন:
ভাল...
নাহিদ বলেছেন:
জানেন, আমাদের বাসায় একটা পাগল এসেছিল, সালাম করতে করতে বলতেছে , আজ নাকি ঈদ না।.......দিলাম একটা থাপ্পর, যা ভাগ...পড়াইতে আইছোস....লেখক বলেছেন: ভাই!!!
এটা কি কোন তীর্যক মন্তব্য কারো প্রতি?
ঘটনা সত্য হলে,কষ্ট পাব
লেখক বলেছেন: ঈদ মোবারাক
লেখক বলেছেন: ঈদ মোবারাক
ভালো-মানুষ বলেছেন:
অনেক অনেক আগের কথা, মানুষ তখন সবে বনে-জণ্ন্গল-গুহা ছেড়ে বসতি গড়তে শিখেছে, ভাব প্রকাশের জন্য কিছু ইশারা-ইংগিতকে সংহত করে নিয়েছে। কিন্তু প্রকৃতি বড় নির্মম - কখনো আকাশ এফোঁড়-ওফোঁড় করে বিদ্যুত চমকায় ঝড় আসে। কখনো দাবানল পুড়িয়ে দেয় বনানী, কখনোবা খরতাপে পুড়তে থাকে ধরণী, আবার কখনো রোগ-বালাই মহামারীর আকারে এসে উজার করে দেয় গোত্রের পর গোত্র। মানুষ ভীতি থেকে বাঁচতে আশ্রয় পেতে চায় মহাশক্তিশালী কোন 'শক্তির' কাছে। ধীরে ধীরে আবিষ্কার করে সূর্য-চন্দ্র-বৃক্ষ-পর্বত-সাপ-বাঘ-কুমীর প্রভৃতি শত শত দেব-দেবী। এ অনেকটা মনকলা খাওয়ার মতই - তারপরেও বিপদ কি যায়! আর মানুষ ভাবে প্রভূর মন ভরেনি - কল্পনা করে নিতে শুরু করে প্রভু বলি চান। শুরু হয় বলি দেয়া, ভোগ দেয়া। মানুষের চোখে সেটা সবচেয়ে আকর্ষনীয় সবচেয়ে দামী সেটাকেই মানুষ দেবতার কাম্য বলে ধরে নিত। চালু হয় নর-নারী বলির সংস্কৃতি। ধীরে ধীরে মানুষ সভ্য হতে থাকে, কমতে থাকে এই বলির সংস্কৃতির প্রভাব, বদল হতে থাকে বলির ধরন - মানুষের বদলে পশু-পাখী, কোথাওবা মানুষ একেবারেই উঠিয়ে দেয় বলির পাশবিকতা। যেখানেই রয়ে গেল এই ট্র্যাডিশান সেখানেই দেখা যাচ্ছে ধর্মের মোড়কে চলছে এই প্রাগৈতিহাসিক নিষ্ঠুরতার চর্চা।
কুরবানী এর থেকে আলাদা কিছু নয়।
লেখক বলেছেন: কাস্ট এওয়ে মুভিটা দেখেছেন?
আপনার কথা মত কাহীনি খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলা হয়েছে।
আপনার অথায় স্পস্ট আপনি নাস্তিক।তাই আমি এই পোস্টে আপনার আস্তিকতা নিয়ে কথা বলব না।আমাকে তাহলে বলুন কোরবানী নয় ব্যাপারটাকে পশু হত্যা বলে ভাবুন আর এবার বলুন পশু হত্যার বিকল্প কি?
(আর ধর্মের ব্যাপারে আপনার জ্ঞান খুব সীমিত রাগ করলেও বলতে বাধ্য হলাম)
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
আমি ডাক্তারী কথায় যাচ্ছি না।আমি চোখের সামনে দেখি গলা কাটা গরুটা কিভাবে মিনিট কয়েক কাতরায়,তার ফুসফুস কাটা গলা দিয়ে বাতাস নেবার চেষ্টা করে,ঘরঘর শব্দ হতে থাকে,বিভতস!!
লেখক বলেছেন: একই প্রশ্নঃ পশু হত্যার বিকল্প কি?
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
আর জাকির নায়েকের কথা মনে হল।
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন:
@ভালো-মানুষ, এটাতো দেখি মার্কসীয় দর্শনের প্রথম পাতার কপি পেষ্ট। তা কার্ল মার্কস কি তৃণ (ঘাস) ভোজী ছিলেন?
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
আপনি বলতে চাচ্ছেন দৃশ্যটি নির্মম নয়?কতগুলো মানুষ একটা পশুকে ধরে রেখেছে ,আর গলা কেটে ফেলা হচ্ছে,এই দৃশ্য সুন্দর লাগে?
লেখক বলেছেন: আমি নিজে কোরবানীতে কখন যাই না।ডাক্তার হবার কথাও কোন দিন ভাবিনি।২টার কারন একই![]()
তারমানে এই না আমি কোরবানী অপছন্দ করি
আমি কখন বললাম হত্যার দৃশ্যটা সুন্দর?আমার কাছে গাছ কাটা টাও অসুন্দর।
কিন্তু আপনি বাস্তবতা বাদ দিয়ে জিভাবে চলবেন?
আপনার তো বিকল্প পন্থা লাগবে।আমাকে বলুন জীব হত্যা ছাড়া কি পন্থা আছে খাদ্যের চাহিদা পুরনের?
লেখক বলেছেন: Today science tells us that even plants can feel pain. But the cry of the plant cannot be heard by the human being. This is due to the inability of the human ear to hear sounds that are not in the audible range i.e. 20 Hertz to 20,000 Hertz. Anything below and above this range cannot be heard by a human being. A dog can hear up to 40,000 Hertz. Thus there are silent dog whistles that have a frequency of more than 20,000 Hertz and less than 40,000 Hertz. These whistles are only heard by dogs and not by human beings. The dog recognizes the masters whistle and comes to the master. There was research done by a farmer in U.S.A. who invented an instrument which converted the cry of the plant so that it could be heard by human beings. He was able to realize immediately when the plant itself cried for water. Latest researches show that the plants can even feel happy and sad. It can also cry.
দুঃখবিলাস বলেছেন:
দেখুন রাহাত, এক: কোরবানীর কনসেপ্টটাই ইসলামে এসেছে, স্বপ্নে দেখে নিজের পুত্রকে মেরে ফেলার জবাই করার ইচ্ছা থেকে। এখনো স্বপ্ন পাওয়া ঔষধ পাওয়া যায়। আপনি সেই সব ঔষধ কিনেন না, কিন্তু অতি পুরাতন সেই স্বপ্নে দেখা কনসেপ্টে ধর্মের নামে পশু জবাই করেন।
দুই: ধরুন বাংলাদেশে বর্তমান সময়ে কোন মানুষ যদি এই একই ভাবে নিজের সন্তানকে স্বপ্ন উৎসাহিত হয়ে জবাই দেয়, আপনি তাকে কি বলবেন?
তিন: ৩d পয়েন্টের মাজেজাটা বুঝলাম না। কোরআন বা হাদিসের আলোকে কথাটা বললেন নাকি ব্যাখাটা কারো মনগড়া? যদি এই ব্যাখটা কারো মনগড়া না হয়, তবে কোরআন বা হাদিসের সূত্র উল্লেখ করবেন।
চার: আমাদের শরীরের জন্য আমিষ অনেক দরকার, প্রাণী হত্যা দরকার। তবে, সেটাকে ধর্মের ছায়াতলে আনার চেষ্টা করাটা কি ঠিক হলো? নিজের সাথে একজন কসাইয়ের খুব একটা পার্থক্য নজরে এলো না।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ১ও২ এর জবাবঃ
আজো অনেক মানুষ নিজেকে নবী বলে দাবী করে!!!তাই বলে আমরা কি আগের নবী দের অবিশ্বাস করব?কারন এখন ভন্ড নবী দেখা যাচ্ছে!!!![]()
এখন আল্লাহ কাওকে সপ্নে দেখালেন আর সে পুত্রকে জবেহ করতে গেলে তাকে পাগল ছাড়া কিছু বলব না।কারন আল্লাহ সেটা পরিস্কার করেছেন।উনি আমাদের জন্য সেই কঠিন পরীক্ষা কখন দিবেন না।
৩)না মন গড়া না।এটা চিকিতসা বিজ্ঞান বলেছে।ইসলাম পশু জবেহ করার উপায় নানা জায়গায় বলেছে।ভাই,কোরান হাদিস বিজ্ঞান গ্রন্থ না।কিন্তু তাতে যা আছে তা অবৈজ্ঞানিক না।বিজ্ঞান যা আমাদের প্রমান করে দেখাচ্ছে সেটা পরে আমরা মিলাতে পারছি শুধু।কোন পশুকে শিরচ্ছেদ করলে সেটা খাওয়া ইসলামে হারাম।আমি এখানে শুধু দেখালাম ,কেন সেটা হারাম করা হয়েছে
৪)এটা খুব আবেগী কথা!!!গরুর প্রান নিতে আপনার হাত কাপে,কিন্তু গাছের টা নিতে কাপে না!!!!কেন? ২টারি প্রান আছে,অনুভুতি আছে!!!!!!
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনাকে বলেনি যে মাংস আপনাকে খেতেই হবে!!!ইচ্ছা না হলে খাবেন না
The Qur’an, however permits a Muslim to have non-vegetarian food. The following Qur’anic verses are proof of this fact:
"O ye who believe! Fulfil (all) obligations. Lawful unto you (for food) are all four-footed animals with the exceptions named." [Al-Qur’an 5:1]
"And cattle Hehas created for you (men): from them Ye derive warmth, and numerous benefits, And of their (meat) ye eat."[Al-Qur’an 16:5]
"And in cattle (too) ye have an instructive example: From within their bodies We produce (milk) for you to drink; there are, in them, (besides), numerous (other) benefits for you; and of their (meat) ye eat."[Al-Qur’an 23:21]
আমাদের এই অপসন টা থাকা উচিত ছিলো।
গরুর যা দাম!
লেখক বলেছেন: আপনি ঈদে জামা না কিনে(সেই টাকায় কোরাবনি) যে ত্যাগ করলেন এটাই হলো মুল লক্ষ কোরবানির।আর আপনার সাধ্যে না হলে গরু না দিয়ে কম দামি কিছু দিন।আপনাকে তো প্রতিযোগিতা করতে বলেনি।আর একেবারে সামর্থ যাদের নেই তাদের জন্য সামর্থ বানদের কোরবানির ১/৩ অংশ তো বরাদ্ধ করেই দেয়া চাহে।
ধন্যবাদ
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আচ্ছা ভাই,আপনারা জবাই না করলে আমরা মাংস খাব কেমনে?আপনাদের যাদের কাছে ব্যাপারটা অমানবিক লাগে,তারা কি মাংস খাবেন না?জীবনে কোনদিন মাংস খান নাই?
রহস্য বলেছেন:
ভালো লিখেছেন।+++
ধরেন আপনার প্রানের প্রিয় প্রেমিকাকে কোন বন্ধুর কাছে কোরবানি করে দিলেন।
অনেক সওয়াব হবার কথা।
লেখক বলেছেন: এটা না জানার কারন!!!সবচেয়ে প্রিয় জিনিসটি কোরবানীর কথা আমাদের বলেন নি আল্লাহ ।নবী কে বলেছিলেন।আর তার পর সকল সাধারন মানুষের জন্য পশুকে সিম্বোলিক ভাবে কোরবানি করতে বলেছে।
লেখক বলেছেন: দুক্ষিত।এটা সুরা মায়েদাতে ,নিসার পরের সুরা
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
আমি হুমায়ন আহমেদ্দের নাটক দেখি হাসতে হাসতে গেলাম(বহু বছর পর উনি নিজে মনে হয় লিখেছেবর্তমানে যেভাবে কোরবাণী দেয়া হয় তাতে এটা নৃশংসতা না হলেও অপচয়।
যে মিথ / ঘটনাকে স্মরণ করে এ অনুষ্ঠান পালন করা হয় সেটা অবশ্যই নৃশংস। পাষন্ড না হলে কেউ তার নিজের সন্তানকে জবাই করতে যেতে পারে।
প্রিয় জিনিস যদি কোরবাণী দিতে বলা হয়, তাহলে গরু কিভাবে আমাদের প্রিয় জিনিস হয়?
লেখক বলেছেন:
উত্তর অনেক বার দিয়েছি।আর যাকে মিথ বলছেন,সেটা মন দিয়ে পড়েছেন?কাকে পাষন্ড বলছেন?মনে হয় ভালোবাসা কি সেটা এখন বুঝেন নি!!!!আশা রাখি কেও না কেও সেটা বুঝাবে![]()
লেখক বলেছেন: eid mubarak
আবূসামীহা বলেছেন:
জাতীয়তাবাদ আর সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে কোটি কোটি মানুষ কুরবানী তাদের লাগেনা। আর পশু কুরবানী - যা আবার মানুষের কাজে লাগে খাদ্য হিসেবে - তাদের কাছে নিষ্ঠুরতা মনে হয়। বড়ই আজিব!পোস্টদাতাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: EID MUBARAK
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ভালো-মানুষ বলেছেন:
বড় হুজুর বলেছেন: তবে প্রিয় জিনিস কোরবানি বলা হইলে তো খালি গরু-খাসি না অন্য কিছুও কোরবানি দেয়া যায়।ধরেন আপনার প্রানের প্রিয় প্রেমিকাকে কোন বন্ধুর কাছে কোরবানি করে দিলেন।
অনেক সওয়াব হবার কথা।
লেখক বলেছেন: জবাবটা তাইলে উনার উত্তরে যা দিসি তা থেইকাই দেখেন
ধন্যবাদ
ভালো-মানুষ বলেছেন:
ঐ জবাব ভূয়া। প্রিয় জিনিস দিতে না বললে মানুষ ত্যাগের মহিমা শিকবে কেমতে? পশু মরলেই কি বাঁচলেই কি! তাতে মানুষ ত্যাগ করা শিকে কেমতে?আপনে আগে জাইনা আসেন, আল্লায় কি কুরবানী দিতে কইছ।
লেখক বলেছেন:
আচ্ছা
দ্বীপবালক বলেছেন:
ভাল লিখেছেন @লেখক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ভালো-মানুষ বলেছেন:
ডিম্বাল নামক ড়াজকারটিকে পুন্দানি সহকারে কুরবানী দেওয়া হউক।
লেখক বলেছেন:
dhur eider din ei torko ar valo lagse na
েক আিম বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।এই বার কোরবানীর সময় আমি সবগুলো নিয়ম মেনেছি: ধারালো অস্ত্র ব্যবহার, একটির সামনে আর একটিকে জবেহ না দেয়া।
লেখক বলেছেন: oNEK DHONNOBAD.....eid mubarak
হোরাস্ বলেছেন:
আমি নিজেও মাংসাসি। জীবনের প্রয়োজনে আমি মাংস খাব। কিন্তু এটাও মানি যে আমি একটা নিষ্ঠুর কাজে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের প্রয়োজন তাই আমরা পশু হত্যা করবএই যুক্তি কোনোভাবেই পশু হত্যাকে অ-নিষ্ঠুর করে না।
লেখক বলেছেন: আপনার এই একটা প্রশ্নই আনেক কিছুর জবাব এনে দিবে আপনাকে!!!!!! ভাবুন ...
হোরাস্ বলেছেন:
আপনি তাহলে একমত যে পশু হত্যা করা একটা নিষ্ঠুর কাজ। তাহলে আপনার পোষ্টের মূল বক্তব্য'র সাথে সেটা স্ববিরোধি হয়ে গেল না!!!
লেখক বলেছেন: আমি লজ্জিত,আপনাকে আমি তাহলে বুঝাতে পারি নি!!!আমি বলেছিলাম,আপনার এই একটা প্রশ্নই আনেক কিছুর জবাব এনে দিবে আপনাকে!!!!!! ভাবুন ...
ভাই এক বার ভাবুন,আপনি আমি কিন্তু খাদ্যের জন্য জীবের প্রতি নির্ভরশিল।চাইলেও একদিন মানব জাতি জীব হত্যা না করে বাচতে পারবে না।এই যে প্রানী জগতে খাদ্য শৃংখল নামের ব্যাপারটি আছে,খাদ্য জাল...সেটি কিভাবে এল???এটা কি আমাদের সৃষ্টির পিছনে কত সুশৃঙ্গখল প্লেন ও ফর্মোলা আছে সেটায় ইঙ্গিত দেয় না?
ইসলামে কি বলেছে এবার মিলান,মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব,আর বাকি যত(প্রায় ৩০ লক্ষ) প্রজাতি আছে যাদের সৃষ্টি করা হয়েছে তাদের সেবায়....
লেখক বলেছেন: ![]()
ভালো-মানুষ বলেছেন:
পাখি হত্যা, হে বালক!
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমার পোস্টের ( Click This Link) কিছু অংশ বিশেষ তুলে দিচ্ছি......
......
কোরবানির তথাকথিত তাৎপর্যঃ
১। আল্লাহর সন্তুষ্টিকল্পে নিজের জানমালকে কোরবানি করতে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। এটাকে বলা হচ্ছে ত্যাগ-তিতিক্ষার শিক্ষা। আল্লাহ তা'আলা বান্দার প্রিয় বস্তু, মনের স্বচ্ছতা, আন্তরিকতা ও খোদাভীতি তথা তাকওয়ার চিহ্নস্বরূপ সম্পদের ব্যয়কে দেখতে ভালোবাসেন।
২। কোরবানির মাধ্যমে সমস্ত পশুত্বকেও কোরবানি করা হয়। মনের মধ্যকার যত কালো দিক আছে- তার অবসান ঘটে।
৩। কোরবানির গোশতের তিনভাগের দুইভাগ গরীবদের মাঝে বিলিয়ে দেয়ার মাঝে- গরীব- দুঃখীদের প্রতি মহান কর্তব্য পালিত হয়।
ভিন্ন ধরণের কিছু আলোচনা ও প্রশ্নঃ
১। ইতিহাসবিদ ও নৃতাত্বিক গণের আলোচনায় আমরা দেখি, প্রাচীণ আমলে মানুষ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে পশুবলী এমনকি নরবলী দিত। সবই তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী তাদের ঈশ্বর ও দেবতাদের উদ্দেশ্যে ঐ সব পশু বা নর বলী দিত বা উতসর্গ করতো। যেমন কোন সময় খরায় বা অন্য কোন কারণে ফলন না হলে- অধিক ফলনের আশায় জমিতে পশু/নর বলী করতো। বা বৃষ্টির আশায় বৃষ্টির দেবী বা দেবতার উদ্দেশ্যে বলী দিত।
ইসলামের কোরবানির সাথে তার সম্পর্ক বা পার্থক্য কি?
২। এই ২/৩ দিনে গোটা দুনিয়ায় একসাথে কতটি পশু মারা যায়? উৎসব হিসাবে লাখে লাখে পশু হত্যা, প্রথা হিসাবে কেমন?
৩। শুধু একধরণের বিশ্বাসের জায়গা থেকে যে ত্যাগ, তাতে ত্যাগের মহিমা আসলেই কতখানি থাকে?
৪। গরীবের যেখানে চাল/আটা কেনার পয়সা নেই, সেখানে তাদের গোশত দেয়া কি একধরণের মশকরা নয়?
৫। মনের পশুত্ব কোরবানি দেয়ার জন্য কি পশু কোরবানি আবশ্যক?
উৎসবের লক্ষে পশুহত্যা আর ভোজনের উদ্দেশ্যে পশুহত্যা কি এক?
ঈদুল আজহার এই পশুবলী নিয়ে কথা বললেই প্রশ্ন চলে আসে- "এই প্রথাটি নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা কি নিরামিষভোজী?" বা অনেকে নৈতিকতার প্রশ্নও তুলেন- "কোরবানীর মাংস-পোলাও-কোরমা-কালিয়া খেয়ে দেয়ে কোরবানী উৎসব বা প্রথাটি নিয়ে কথা বলে না-কি প্রগতিশীল সাজাটা কেমন?"
এ ব্যাপারে আমি আমার নিজের জবাবটি এখানে দিয়ে আলোচনা শেষ করছি। আমি যখন এই উৎসব বা প্রথাটি নিয়ে কথা বলি, তখন পশুহত্যা নিয়ে আমার আপত্তির কথা কখনো তুলিনা, দুনিয়া জুড়ে লাখে লাখে- কোটিতে কোটিতে পশু প্রকাশ্যভাবে হত্যা করে, সেই হত্যা-যজ্ঞকে কেন্দ্র করে একটি উৎসব বা প্রথা গড়ে উঠলে সেটিকে মধ্যযুগীয় বর্বর মনে না করার কারণ দেখিনা। এই প্রথাটির ব্যাপারে আমার এলার্জী আছে, কিন্তু আমার খাবারে মেনুতে গরু-ছাগল-মাছ এসব পশুর উপস্থিতিতে আমার কোনদিনই কোন এলার্জী ছিল না।
এক কালে ঈদের নামাজ পড়ে এসে বাবা ও বড় ভাইয়ের পাশে হুজুরের জবাই করা থেকে শুরু করে মাংস ছিলা, মাংস কাটা, ভাগ-বাটোয়ারা, চামড়া বিক্রি... ইতয়াদি সব ভালো উপভোগ করলেও (অবশ্য কয়েকবার ছাগল কিছু আগে কেনার কারণে ছাগলের প্রতি মায়া পড়ায় কষ্টও তৈরী হয়েছিল!)- আজ ঐধরণের নৃশংস কাজগুলো থেকে নিজেকে দূরেই রাখার চেষ্টা করি, তবে আগেও মাংস খাওয়ায় কোন সমস্যা দেখিনি- এখনও দেখিনা (মুটিয়ে যাওয়ার ভয়ে যা একটু কম খাওয়ার চেষ্টা বাদে!!)......
সবাইকে ধন্যবাদ ও
আবারো ঈদের শুভেচ্ছা।
=============>>>>>>>>>>
পোস্টের মন্তব্যের কিছু আলোচনাও সেই সাথে যুক্ত করছি........
এক্স ফাইলস্ বলেছেন: আল্লাহর নির্দেশে স্বপ্নযোগে হযরত ইব্রাহীম যে কুরবানী দিতে রাজী হলেন.... এটাকে কি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা বলবেন? যদি বলেন সেই ভালোবাসায় কি অন্ধত্ব দেখতে পান। মানে আমি যেটা বলতে চাই.... তবে কি ইসলাম ধর্মান্ধতা সমর্থন করে। অন্যভাবে বললে, আমি যদি একজনের প্রতি অন্ধ হই তবেই তাকে নিয়ে কোন জিজ্ঞাসা আমি মনে আনবোনা। কোন বিবাদে জড়াবোনা। এ বিষয়টিকে কিভাবে দেখেন?
লেখক বলেছেন:
শুধু ইসলাম নয়- প্রায় সব ধর্মই তো অন্ধতাকে সমর্থন করে। আজ যদি কোন মুসলিম বান্দা স্বপ্নে আদিষ্ট হন যে- তার সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় কোরবানী দিতে হবে- এবং সে অনুযায়ী সেই মুমিন বান্দা যদি তার বাচ্চাকে উৎসর্গ করতে যায় তবে কি ঘটবে? সবাই সেই বান্দাকে আটকানোর চেস্টা করবে, তাকে উন্মাদই বলবে। তাই নয় কি?
তবে, ইব্রাহীম বা আব্রাহামকে আমার সেরকম উন্মাদ মনে হয় না। এবং এই ইব্রাহীম কিন্তু ইসলামের আবিষ্কার নয়- এই ইব্রাহীম/আব্রাহামকে খৃস্টান-ইহুদী সহ আরব অঞ্চলের বিভিন্ন মিথেই যুগে যুগে স্মরণ করা হয়েছে। ইতিহাস/নৃতাত্তিক বিভিন্ন পাঠ থেকে এটুকু মনে হয় যে- কেবল উন্মাদ একজন মানুষকে লোকে যুগে যুগে এমন মনে রাখার কথা নয়। তাহলে কি হতে পারে? ঐ অঞ্চলে খরা-অনাবৃষ্টি প্রভৃতি প্রাকৃতিক কারণে কৃষিজ জীবন ব্যাপক ব্যহত হত এবং সেখানে দেবতা/ঈশ্বেরের উদ্দেশ্যে নরবলীর প্রথা চালু ছিল এমনটাও জানা যায়। এসব মিলিয়ে মনে হয়- এমনটা হতে পারে যে, এই আব্রাহাম/ইব্রাহীমই সম্ভবত নরবলীর মত একটা বর্বর প্রথাকে পশুবলী দিয়ে প্রতিস্থাপন করেন। এই কাজটিতে ইব্রাহীমের সাথে সাথে পুত্র ইসমাইলের ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য হওয়ার কথা। হতে পারে, এই নরবলীর প্রথা উচ্ছেদ কল্পে ইসমাইল তার প্রাণটাও প্রায় খোয়াতে বসেছিল।
এসব কিছুই লোকের লোকের মুখে মুখে বিবর্তিত হয়ে এমন একটা মিথে পরিণত হয়েছে। আর সেটিই ইসলাম এডোপ্ট করে নিয়েছে।
মাহিরাহি বলেছেন: ভাই, মানলাম মুসমানেরা খুবই খারাপ কাজ করে। কিন্তু আপনি যদি পরিসংখ্যান দেখেন তবে দেখা যাবে, শুধুমাত্র আমেরিকার খৃষ্টানেরাই বছরে যে মাংস খায়, সারা পৃথিবীর মুসলমানেরাও তার অর্ধেকও খায় কিনা আমার সন্দেহ আছে। তারা নিশ্চয় জ্যান্ত পশু খায় না কোন কোন ভাবে পশুগুলোকে হত্যা করতে হয়। এই ব্যপারে আমেরিকানদের নিষ্পৃহতার কারন কি। তারা এই আকামটি মেনে নিচ্ছে কেন?
লেখক বলেছেন:
পরিসংখ্যানটি তথ্যসূত্র সহকারে দেখতে পারলে মন্দ হতো না। যাহোক, ধরে নিলাম আপনার তথ্যটিই সঠিক। তো? মাংস খাওয়া নিয়ে কি আমি কোন কথা বলেছি? মানুষের যে ক্যালরির প্রয়োজন- তার একটা বড় অংশই সে প্রাণিজ প্রোটিন দিয়ে পূরণ করে- এটাই স্বাভাবিক। প্রাণিজ আমিষ খেতে গেলে সেই প্রাণিকে মারতে হবে এটাও স্বাভাবিক। আমি শুধু বলছি- একটা দিনে দুনিয়া জুড়ে একটা নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সব মানুষ এই প্রাণী মারায় লিপ্ত থাকে, সেটাই হলো একটা বিশেষ উৎসব ও প্রথা। প্রথা হিসাবে এটা কেমন? সারাবছরে কতখানি মাংস খায় সেটা যদি আমেরিকান-খৃস্টানদের চেয়ে হাজার গুণ হলেও সমস্যা নেই- কিন্তু মুসলমানেরা তার সারাবছরের খাওয়ার উদ্দেশ্যে পশুমারার কত অংশ একটি দিনেই মারে- সেই পরিসংখ্যানটি দেখুন। বাংলাদেশেই সারাবছরের জবাইকৃত গরু-ছাগলের ৪০ শতাংশের বেশী এই কোরবানীর এক দিনেই করে থাকে। তারচেয়েও ভয়ংকর বিষয় হলো- সারাবছরের বাকি সময় ধরে যে গরু ছাগল মারা হয়- সেগুলোর প্রায় ১০০ শতাংশই প্রকাশ্যে যত্র-তত্র হয় না- মানে নির্দিষ্ট স্থানে মাংস বিক্রেতারা বা কসাইরা এ কাজে লিপ্ত থাকে। অধিকাংশ সমর্থ পরিবারই সারাবছর নিজেরা একাজে লিপ্ত থাকে না; অথচ ঈদুল আজহার একদিনে একাজটি সকল সমর্থ মুসলিম পরিবার একাজে সরাসরি যুক্ত থাকে। আপনি দশটি গরু একাই খেলেও আপত্তি নেই যদি তা বছরের অন্য সময়ের মত মাংস বিক্রেতার কাছ থেকে কিনে আনেন- কিন্তু ঈদুল আজহার দিনে তো হয়না। মাংস কিনে আনলে হবে না- আপনাকে চারপেয়ে প্রাণী কিনতে হবে এবং কোরবানী দিতে হবে। বিষয়টি ভাবুন তো- চারদিকে রক্ত, মাংস কাটাকাটি- গোবর-লাদি, চামড়া এসবের ছড়াছড়ি ....... এসবের বীভৎসতা কি এতটুকু নাড়া দিবে না?
লেখক বলেছেন: দেখুন আপনি যদি নাস্তিকতা বাদে বিশ্বাসি হন,তবে এই পোস্টে আপনার সাথে আমার তর্ক কোরবানির তাতপর্য ও এটি যে সত্যই আল্লাহ কর্তিক নিদেশে হচ্ছে সেদিকে ধাবিত করব না।কারন যে আল্লাহ কে স্বীকার করে না,তার কাছে আল্লাহর নির্দেশের কথা বলা হাস্যকর(অন্য স্থানে আস্তিকতা,নাস্তিকতা নিয়ে কথা হবে)।বরং আমাদের তর্কের বিষয় এখানে হওয়া উচিত,পশু হত্যা করা ঠিক কি না অন্যায়।
আপনি স্বীকার করেছেন,খাবার প্রয়োজনে পশু হত্যা করতে আপনি রাজি।
কিন্তু উতসবের নামে উতসবের বিপক্ষে!!
এর একটা কারন হতে পারে,যে আপনার মতে এভাবে সারা বিশ্বে প্রচুর পশু হত্যা হচ্ছে,উতসব না হলে এত পশু হত্যা হত না।
অনেক আগের একটা প্রশ্নঃ
ছেলে বাবাকে প্রশ্ন করল বাবা ১ টাকা চুরি করা বেশি অপরাধ নাকি ১ কোটি টাকা চুরি করা বেশি অপরাধ?
জবাবটা আপনার কাছে কি জানি না।কিন্তু নীতিবান সবাই বলবে চুরি,চুরিই।তাই ২টাই সমান অপরাধ।
আমি কোন ভাবেই মানি না,যে পশু হত্যা অন্যায়(অবশ্যই,সেটা যদি বিনাকারনে ও অপচয় না হয়)।
***কোরাবনী বিনা কারনে নয়(কারন ব্যাপারটা আপেক্ষিক,সবার কাছে এক নয়)
***এখন আসুন এটা অপচয় কিনা,সেটা দেখি।
বাংলাদেশের কত জন মানুষের ভাগ্যে মাসে একবার মাংস জুটে?আপনি আমি মাংস প্রায় প্রতি বেলাতে দেখতে দেখতে বিরক্ত,কিন্তু এই শ্রেনীর শতকরা কত?
কোরাবানীর ১/৩ গরিব যারা কোরাবানী দিতে অক্ষম তাদের জন্য।এই শ্রেনী কে জিজ্ঞাস করুন,তারা বছরে কত দিন মাংস খায়?
ভাই,এই কোরাবানীর উসিলায় তারা সেটা খেতে পারে।এখন কেও গরিবের অংশ না দিলে সে অপরাধ তার নিজের।
আর এই সময় ভেজিটেবল সহ মাছের প্রতি ছাড় দেয়া হয়।
এখানে অপচয় হলো কিভাবে?
#########################
"৪। গরীবের যেখানে চাল/আটা কেনার পয়সা নেই, সেখানে তাদের গোশত দেয়া কি একধরণের মশকরা নয়?"
আপনার জানার অনেক মাঝে ফাক আছে!রোজার ঈদে ফেতরা দেয়া হয়,কোরবানীর ঈদে চামরার টাকাটাও গরীবের হক।
#########################
যে কোন উসবে ফুল একটি সাধারন উপকরন।ভাই,উতসবের নাম করে জীবে উপর এই নির্যাতন তখন খুব ভালো লাগে?
ভাই,উদ্ভিদের কষ্ট অনুভুতি নিয়ে কিছু জবাব দিয়েছি।সাথে এটা যুক্ত করি।উদ্ভিদের প্রান আছে এটাই মানুষ আপনার মত মানত না।এখন মানে।আর যার প্রান আছে তার কষ্ট নাই খুব মজার!!!!
উপরে দুই জায়গায় (আপনার কাছে একবার) উদ্ভিদের পেইন নিয়ে বলেছি তাই এখানে আর বললাম না।
(চলবে)
লেখক বলেছেন: "ইসালামের কোরাবানির সাথে ঐতিহাসিক পশু বলির পার্থক্য কোথায়?"
জবাবঃভাই মানুষ সুর্য্যের পুজা করে,তার কাছে সাহায্য চায়।তুলসি গাছের সামনে মাথা নত করে...
মুসলামান আল্লাহর উপাসনা করে সাহায্য চায়,উনার প্রতি মাথা নত করে।পার্থক্য কোথায়?
যদি এই পার্থক্য জানেন তবে আপনার জবাবটা জানার কথা।না জানলে আগেই বলেছি এই পোস্টে আপনার সাথে ইসলামে আল্লহর কন্সেপ্ট কি সেই বিতর্ক করে পোস্টের মুল উদ্দেশ্য থেকে বেড় হব না।বরং অন্য পোস্টে সে নি কথা বলতে রাজি
লেখক বলেছেন: নিজেই বলেছেন ছাগলের প্রতি মায়া জন্মাত আপনার।ধন্যবাদ।ভাই,সকল গৃহপালিত পশুই আদরের,মায়া জন্মানু স্বাভাবিক।কোরাবনির পশুকে কোরবানির আগে কিছুদিন পরিচর্যারও নিয়ম আছে,কিন্তু বাস্তবতা আমাদের সেটি করার সুযোগ দেয় না।তার পরেও ২/৩ দিনে একটা মায়া সবার তৈরি হয়।আর এই মায়া জন্মানু প্রিয় প্রানীকে আল্লাহর রাস্তার কোরবানি করার মাঝেই ত্যাগ।এর অপর নামই কোরাবানি
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
কোথায় পেলেন উদ্ভিদের প্রকট অনুভূতি আছে, শুধু বাহ্যিক প্রকাশ নেই??? এসব যে কোথ থেকে আমদানী করেন- বিজ্ঞানের নাম করে?
রেসপণ্ড করা অনুভূতি কি এক?
অনুভূতি বিষয়টির সাথে মস্তিষ্কের যোগ আছে, স্নায়ুতন্ত্রের যোগ আছে; এগুলো উদ্ভিদের আছে?
উদ্ভিদের প্রাণ আছে, সুখ-দুঃখ, কষ্ট-আনন্দের অনুভূতি? হাসালেন। ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া- মস্তিস্ক হীন বিভিন্ন প্রাণী যেমন এমিবা থেকে শুরু করে অনেক কিছুই পাবেন প্রাণ আছে, কিন্তু অনুভূতি নেই। আর- প্রাণ কিন্তু ঐ বুকের খাঁচার মধ্যকার আত্মায় থাকে না, প্রতিটি কোষই জীবিত একেকটা প্রাণ। মস্তিষ্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা ঐ সব কোষেরও কিন্তু অনুভূতি থাকে না।
বিজ্ঞান নিয়ে আরেকটু জানুন- পড়ুন, তারপরে পোস্টাইয়েন।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: Research scientists at Baylor Medical Center have proven that plants, including vegetables, feel pain when subjected to trauma such as being yanked out of the ground, peeled, cooked, and eaten. "Veggies and plants initiate a massive hormone and chemical barrage internally when they suffer any kind of injury," says professor Barry Lindzer. "This response is akin to the nerve response and endorphin release when an animal is injured.
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
রেসপণ্ড করা অনুভূতি কি এক======>>>> কোনকিছুতে রেসপণ্ড করা আর অনুভূতি কি এক
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
জনাব একটা রেফঃ দেবেন কি?মাংশাসী প্রাণীদের পেষণ দাঁত নেই সেটা কোথায় পেলেন?
নেকড়ের দাঁত
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদঃজবাবটা পোস্টেই দিয়েছি,সংশোধনিতে।সাথে রেফারেন্স সহ।আমাদের তর্কের লক্ষই এটা হওয়া উচিত,যে শেয়ার করার মাধ্যমে সঠিক তথ্য জানা।
ধন্যবাদ,শুভ ব্লগিং
লেখক বলেছেন: Lions have 30 teeth all together. Among them are:
* Four canine (fang tooth for biting) teeth are used to hold and puncture.
* Four carnassial (bladelike tooth for shearing flesh) teeth to cut through tough skin and meat.
The rest of the teeth are conical, and designed for cutting and tearing.
####from wiki####
ফজলে এলাহি বলেছেন:
সামহোয়্যারইনব্লগের ঈদ ব্যানার নিয়ে আপনার কি একটি পোষ্ট ছিল? যতদূর মনে পড়ে একটি কমেন্টও করেছিলাম।সেটা কি কুরবানী হয়ে গেছে? ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন।
যদি তাই হয়, তবে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, কি খেলা দেখালো সা.ই.। পূজোয় নানারঙ ব্যানার আর ঈদে বন্যার পানির মত ধূসর "বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ"!! সত্যিই অবাক হলাম, পরিবর্তন বুঝেছি বহু আগে থেকেই, কিন্তু এতটা অধঃপতন আশা করিনি।
লেখক বলেছেন: সেই পোস্ট টা সামায়িক ছিল।তাই ড্রাফট করে দিয়েছিলাম।আপনার আগ্রহে আবার ফিরিয়ে দিলাম![]()
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দিগন্ত বলেছেন:
আমার তিনটে বক্তব্য আছে -১) রক্তই সবথেকে বিষাক্ত - এরকম তথ্যের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কোথায়? জীবাণু সর্বত্রই থাকতে পারে - মাংসে, রক্তে বা চর্বিতে। শুধু তাই নয়, জীবাণু খেলে যে তা ক্ষতি করবে এমনও নয়। রক্তের সব জীবাণু (বিশেষত ভাইরাস) পাকস্থলীতে কোনো প্রভাব ফেলে না।
২) হৃদযন্ত্র চালু থাকলে রক্ত সবটা বেরোয় না, কিছু রক্ত জালিকার মধ্যে থাকতে বাধ্য। অন্যভাবে বললে, রক্ত কখনই সম্পূর্ণরূপে দেহ থেকে টেনে বের করা সম্ভব নয়। সুতরাং, কিছু রক্ত থেকেই যাবে।
৩) যদি আগে থেকে রক্তপরীক্ষা করে নিশ্চিত করে নেওয়া হয় যে প্রাণীর রক্তে কোন জীবাণু নেই, তাহলে নিশ্চয় জবাই করার দরকার নেই, কি বলেন?
লেখক বলেছেন:
আমি বলিনি জবেহ করলে সকল রক্ত বেড় হয়ে যায়।খেয়াল করুন বলেছি অবশিষ্ট ধৌত করার মাধ্যমে দূর হয়।
প্রকৃত পক্ষে হৃদ পিন্ডের কাজই হলো পাম্প করা,তাই এটি চালু থাকলে আর প্রবাহ পথে কাটা থাকলে সাভাবিক ভাবেই অধিক রক্ত বেড় হয়,যা বলিতে হয় না।
আর রক্ত যে জার্মে সবচেয়ে ভালো মিডিয়া তা যে কোন ডাক্তারকে জিজ্ঞাস করুন ,জানাবে।
রক্ত না খাওয়ার ব্যাপারে খুব কঠিন ভাবে বারন করা হয়।
"৩) যদি আগে থেকে রক্তপরীক্ষা করে নিশ্চিত করে নেওয়া হয় যে প্রাণীর রক্তে কোন জীবাণু নেই, তাহলে নিশ্চয় জবাই করার দরকার নেই, কি বলেন?"
আপনি নিজে বলুন তো,ইঞ্জেকশান দিয়েও তো হত্যা করা যায়।তবে পশু কে কেন পৃথিবির কোথাও সেভাবে হত্যা করে খাওয়া হয় না?
এর জবাব জানলে এমন প্রশ্ন করতেন না।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
@দিগন্ত, আমার ধৃষ্টতা ক্ষমা করবেন। আপনি আপনার পিতৃপুরুষের ধর্ম হতাশ হয়ে ত্যাগ করে নাস্তিক হয়ে আজ পরধর্মাচারের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছেন যেটাকে সাম্প্রদায়িকতা ছাড়া কিছুই মনে হচ্ছেনা। শুধু আপনি নন ব্লগে অনেক ছদ্ম নিক ধারী অমুসলিম আছেন যারা মানুষের ব্যক্তি ধর্মাচারের বিষয়ে অনর্থক তর্ক, প্রশ্ন তুলে সাম্প্রদায়িক বিষ বাষ্প ছড়ানোর চেষ্টা করে। হিন্দুদের অনেকেই মাংস খান না আবার যারা খান তারা গরুর মাংস এড়িয়ে চলেন। কুরবানি টা যেহেতু গো নিধন উৎসব আপনাদের চোখে, সেটা বিরুদ্ধে "পশু হত্যার" অভিযোগ তুলছেন আপনারা। পশ্চিমা দেশ গুলোর মত থ্যাঙ্কস গিভিং এর উপলক্ষ করে কোটি কোটি টার্কি হত্যা করলে হয়ত এভাবে তর্ক করতে আসতেন না। রক্ত শুধু জীবনুর আসল বাহকই নয়, জমাট বাধা রক্ত দ্রুত পচনেরও কারণ। আপনি তর্কের খাতিরে তর্ক করছেন। এত শত কোটি চাইনিজ সাপ ব্যাঙ্গ থেকে দুনিয়ার সকল প্রাণী খাচ্ছে, কোন দোষ হচ্ছেনা, সেখানে ধর্মের মোড়কে প্রাণী খাওয়াটা আপনাদের কাছে মধ্যযুগীয় বর্বতা হয়ে গেল। আপনি কি ধর্মকে বর্বতামুক্ত করার আন্দোলনে শরীক নন আশা করি। নাকি মধ্যযুগীয় ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ বশত এর সাথে প্রগতিশীল উপায়ে প্রাণী ভক্ষণের সহবাস টা মেনে নিতে পারছেন না। ঠিক এ কারণেই বাকি সব ব্লগার আজ কুরবানীর বিরুদ্ধে উচ্চ কন্ঠ।
দিগন্ত বলেছেন:
আমি ধর্মের মোড়কে প্রাণী খাওয়ার বিরোধী নই (আমি নিজে গরু সহ সব প্রাণী ভক্ষণ করি), যেকোনো কিছুর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেবার প্রচেষ্টার বিরোধী। আপনি যদি বলেন যে পশু জবাই করা হয় সম্পূর্ণ ধর্মীয় কারণে যার ব্যাখ্যা আপনার জানা নেই - আমার তাতে কোনো আপত্তি নেই। আপনি যদি তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিতে চান - তাহলে আমি প্রশ্ন করবই, কারণ বিজ্ঞানে সবারই সমান অধিকার, সবারই জানার দরকার।
লেখক বলেছেন: আপনি তাহলে অনেক কিছুই বুঝেন নি!!!কোরবানি সম্পুর্ব ভাবেই ধর্মিয় ব্যাপার ।আর এখানে বিজ্ঞান আনার অর্থ ধর্ম আমাদের যা বলেছে সেটা আমাদের অর্জিত জ্ঞানের সাথে মিলে কিনা সেটা বুঝাতে।
এক জন নাস্তিক মানুষকে মাংসাসি হতে যদি মানা করে,তাকে এটা বলা বৃথা যে আল্লাহ মাংস খাওয়া অনুমতি দিয়েছে।বরং সেই নাস্তিক কে তার জ্ঞান(বিজ্ঞান) দিয়েই বুঝানো উচিত যে তার ভাবনা ভুল।
কারন ইসলাম বিজ্ঞানের বাইরে না।
আর একটা কথা খুব পছন্দের আমার"ধর্ম ছড়া বিজ্ঞান পঙ্গু,আর বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ"
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
আপনি বিজ্ঞান মনষ্ক হয়ে যদি প্রাণী ভক্ষণকে বিজ্ঞান সম্মত মনে করেন (ধরে নিচ্ছি আপনি অবৈজ্ঞানিক, অযৌক্তিক কিছু করেন না), সেই প্রগতিশীল "প্রাণী ভক্ষণের" সাথে "ধর্ম" যোগ হবার অপরাধে "বিজ্ঞান সম্মত" কথাটি অকেজো হয়ে গেল? ধর্ম দেখি আপনার কাছে ভীষণ অস্পৃশ্য বিষয়, এতটাই অস্পৃশ্য যে ধর্মের হাত ধরার অপরাধে আপনি বিজ্ঞানকেই অকেজো ঘোষণা করছেন। তর্কের মূল যে ধর্ম বিদ্বেষ সেটা আর বুঝতে বাকি রাখলেন না।
লেখক বলেছেন: ![]()
দিগন্ত বলেছেন:
সেই প্রগতিশীল "প্রাণী ভক্ষণের" সাথে "ধর্ম" যোগ হবার অপরাধে "বিজ্ঞান সম্মত" কথাটি অকেজো হয়ে গেল?- লেখা পড়ে দেখুন, আমার সমস্যা কাটার পদ্ধতি নিয়ে।
একটা কথা প্রসঙ্গতঃ বলে রাখি, আপনার বিজ্ঞানমনস্কতা দেখে আমি আসলেই মুগ্ধ, সম্ভবতঃ সেজন্যই আপনি আমার প্রিয় একজন ব্লগার। এটা চালিয়ে যাবেন আশা রাখি।
১. রক্ত যেহেতু তরল কাজেই এটাকে প্রবাহিত করে বের করে দেয়াটাই পশুর শরীরের জীবাণুগুলোকে যতটুকু সম্ভব বের করে দেয়ার খুব (মে বি সবচেয়ে)ভালো একটা উপায় বলে মনে হচ্ছে
২. সবটুকু রক্ত পশুর দেহ থেকে বের করে নেয়াটা অসম্ভব, মাংস ধুলেই সেটা টের পাওয়া যায়
৩. প্রাণীর দেহে জীবাণু নেই -- এটা কি সম্ভব? প্রাণীর দেহে কৃমি আর ব্যাকটেরিয়া থাকবেই! ... জাপানে মাঝেমাঝে কাঁচা হ্যাম খাওয়া হয়, এবং ডাক্তাররা বলেন যে কাঁচা হ্যাম, কাঁচা মাছ -- এসবের কারণেই জাপানে স্টমাক ক্যান্সারের হার এত বেশী ...
ধন্যবাদ, ঈদের শুভেচ্ছা আপনার জন্য
লেখক বলেছেন: ভাই বলি আর জবেহ এর উদাহরন টি আনার উদ্দেশ্য অপেক্ষাকৃত কোনটি হাইজেনিক সেটা দেখানুর জন্য।
বাকি জবাব টুকু ভাই দিগন্তের মন্তব্যের উত্তরে দিয়েছি।
ধন্যবাদ।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
বলি আর জবেহ এর মধ্য আসলেই পার্থক্য আছেএটা সায়েন্টিস্টরাই বলছে
.....ঐ যে ব্যাখ্যাটা ওমনই
...
শরীরবৃত্তিয় যেকোন নির্দেশ আছে মস্তিষ্ক হতে
বলি দিলে মানে ধর থেকে মাথা একেবারে ফেলে দিলে মাথার সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়
হার্ট থেকে ঐ যে বিষাক্ত কিছু যা বের হোয়া দরকার সেটা আর নির্দেশ পায়না
জবেহ দিলে ...তার উল্টো ঘটে
এই ধরনের কিছূ একটা ////
লেখক বলেছেন: জি ভাই।আর হৃদপিন্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাম্পিং বন্ধ হওয়াতে রক্ত বেড় হওয়া বাধা গ্রস্থ হয়
দিগন্ত বলেছেন:
জীববিদ্যায় আমারও জ্ঞান সীমাবদ্ধ। আমার ধারণা পাস্তুরাইজেশন হল একমাত্র পদ্ধতি যা জীবাণু ধ্বংস করে। মাংসে রক্ত থাকলেও তা যদি পাস্তুরাইজ করা হয় তাহলে ব্যাকটেরিয়া মরে যেতে বাধ্য। রক্ত না থাকলেও সেটা সত্যি। যাহোক এসব নিয়ে ভাবনা না করলেও চলে। মনের সুখে মাংস খান। আমিও আজকে ভাল মাংস আর মাছ দিয়ে ভাত খাচ্ছি ...
লেখক বলেছেন:
নিয়ম যখন করা হয়,তখন আম জনতার কথা ভেবে করা হয়।সবার পক্ষে পাস্তুরাইজেশন করে মাংস খাওয়া সম্ভব না।তাই...

বিবর্তনবাদী বলেছেন:
অনেকের একটা ভ্রান্ত ধারনা দেখে অবাক হচ্ছি। রক্ত সব চাইতে বিষাক্ত এই ধারণাটা ১০০% ঠিক না। রক্ত জীবদেহের খাদ্য সরবরাহের পথ। আমাদের কোষে কোষে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান (Nutrient )রক্তের মাধ্যমে পৌছায়। বিধায় আমাদের রক্তে জীবকোষের জন্য পুষ্টিকর প্রায় সকল খাদ্য উপাদান পাওয়া যাবে। রক্ত তাই ব্যাক্টেরিয়ার জন্য খুবই ভাল একটা নিউট্রিয়েন্ট সোর্স। ল্যাবরেটরিতে জীবদেহের জন্য ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া culture (আবাদ) করার জন্য culture media তে রক্ত ব্যবহার করা হয়। Blood Agar এ সেই রক্ত দেওয়া হয়। বিভিন্ন Microbiology ল্যাবে তাই ভেড়া পালন করা হয়, মিডিয়াতে রক্তের সাপ্লাই দেবার জন্য।
এই রক্ত তথা ব্যাক্টেরিয়ার জন্য উৎকৃষ্ট নিউট্রিয়েন্ট যদি মাংসে থেকে যায় তবে, তা সেই ব্যাক্টেরিয়ার জন্য স্বর্গ। মাংসের ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া গুলোকে দুই গ্রুপে ফেলা যায়। এক, ব্যাক্টেরিয়াগুলোর কেউ কেউ মাংস পচায় (Saprophytic); দুই, কেউ কেউ আমাদের পেটের অসুখ (Pathogenic) করে। তাই জবাইয়ের মাধ্যমে পশুর দেহ থেকে যত বেশির রক্ত বের করে নেওয়া যায়, তত ভাল। আপনি মাংস যতই ফ্রিজে রাখুন না কেন, তাতে যদি আগে থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও ব্যাকটেরিয়ার নিউট্রিয়েন্ট থাকে, রিস্ক থেকেই যাবে।
আপাত দৃষ্টিতে আমাদের মনে হয় মাংস ফ্রিজে রাখা, ক্যানে বিক্রি করা এইগুলো অতি উৎকৃষ্ট পদ্ধতি। কিন্তু ফুড প্রোসেসিং এত সহজ না, অত্যন্ত ক্রিটিকাল একটা ব্যাপার। খাদ্যের পুষ্টিমান ঠিক রাখা, সেলফ লাইফ বৃদ্ধি করা সেই সাথে সেটাকে নিরাপদ রাখা এই তিনটি ব্যাপার একত্রে অর্জন খুবই কঠিন।
জাপানে পিএচডিরত জ্বীনের বাদশা ভাই, এইব্যাপারে আমাদের অনেক বেশি তথ্য সরবরাহ করতে পারবেন।
লেখক বলেছেন:
ভাই জবাব টা আপনার "১০০%" সংখ্যার মাঝেই আছে।রক্ত বিষাক্ত,কিন্তু হয়ত সেটা ১০০% না।ধারে কাছে।
রক্তের মাঝে জার্ম থাকে,থাকে নানা উপকারি অপকারি উপাদান।যতই উপকারি জীবানু থাকুক না কেন,এতে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান ই বেশি থাকে,আর তাই রক্ত বেড় করে তার পর পশুর মাংশ খাওয়া হয়।তা না হলে ইঞ্জেকশন দিয়ে পশু হত্যা করে খাওয়ার রেওয়াজ চালু হয়ে যেত![]()
এটা করা যাচ্ছে না কারন রক্ত কোন ভাবেই দেহের জন্য গ্রহনযোগ্য নয়।
আপনার তথ্য বহুল মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
যে কোন খাবার এমনকি ঔষুধকে ক্ষতিকারক জীবানু মুক্ত রাখা এককথায় অসম্ভব। আপনি চাইলেই কোন খাবার বা ঔষুধকে Autocleave বা harsh কোন Sterilization Treatment দিতে পারেন না। Cost ও একটা ফ্যাক্টর এই ক্ষেত্রে। পৃথিবীতে Microbiology এর অন্যতম বিশাল একটা গবেষণা ক্ষেত্র হচ্ছে এইগুলো। যতটা সম্ভব খাদ্যে, ঔষুধে জীবানুর পরিমান কম রাখা। বিধায় আমাদের কাছে খাদ্যে জীবানুর সংখ্যা হ্রাসের যতগুলো step available সবগুলো কাজে লাগাতে হবে।
লেখক বলেছেন: ভাই বলি আর জবেহ এর উদাহরন টি আনার উদ্দেশ্য অপেক্ষাকৃত কোনটি হাইজেনিক সেটা দেখানুর জন্য।
সবাই নিশ্চয় সেই উপায়টি বেছে নেবে যাতে অপেক্ষাকৃ বেশি জীবানু মুক্ত করা যায় খাবার,
আবারো ধন্যবাদ
চাণক্য বলেছেন:
এইযে তোমরা এত জ্ঞানের বুলি আউড়াইলে, ইহাতে কাহারো চিন্তাধারা পরিবর্তিত হইল কি?বালকেরা শুনিয়া রাখ, এইসব যুক্তি তর্কের ফলাফল বরাবরই শুন্য হইয়া থাকে। তোমাদের উভয় ধারার ব্যক্তিদের নিজ নিজ চেতনা এই সব আলোচনায় বৃদ্ধিই লাভ করে, কোন অংশেই হ্রাস পায় না।
আর একটি ব্যাপার খেয়াল করিয়াছ কি, এই সব আলোচনায় শুধুই পুরুষেরা যুক্তিতর্কে মাতিয়াছ। কোন নারী এই ফলাফল শুন্য খেলায় নামে নাই।
লেখক বলেছেন: কিছু মানুষ কে যদি এক হাতে চন্ত্র আর এক হাতে সুর্য্য এনে দিয়েও কিছু প্রমান কর,তবুও তারা বিশ্বাস করবে না![]()
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
আমি কখন মাইন্ড সেট করে তর্ক করি না।কারন তার ফলাফল কখন পজেটিভ হয় না।আমি আমার মত দিয়েছি,যারা বিরিধিতা করেছেন তারা খন্ডন করেছেন (আমি তখন ব্লগে ছিলাম না)।যাদের জবাব এখনো দেয়া হয় নি,আমি অবশ্যই তাদের জবাব দিব।উপরে মন্তব্য করতে গিয়ে এক বার বলা হয়েছে,এই পোস্ট খানা সময় নিয়ে করা হয় নি।হঠাত করা,তাই এর রেফারেন্স গুলি যুক্ত করতে পারিনি(হঠাত করার করান,গতকালকের ব্লগ পরিস্থিতি বাধ্য করে)আমি আপনাদের জবাব আর রেফারেন্স দেয়ার চেষ্টা করব।
যে কোন খুলা বিতর্কের উদ্দেশ্য জয় নয়,বরং সত্য আবিস্কার করা।
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ...শুভ ব্লগিং
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
ঈদের অনুষ্ঠান দেখতেছিলেখক বলেছেন: eid mubarak
পারভেজ রবিন বলেছেন:
কেউ মাছও খাইয়েন না। ওইটাও প্রানী।
লেখক বলেছেন: তাইলেতো এই জীব প্রেমিরা না খাইয়া মরব!!!
ভাই,নীতি যদি এমন হয় যে,ব্যাভিচার করা জায়েজ কিন্তু উতসব করে সার্বজনিন ভাবে ব্যাভিচার করা অন্যায়!!তাইলে আর কিছু করার নাই!![]()
ধন্যবাদ...
অপ্সরা বলেছেন:
বাব্বাহ তুমি তো মহা বুদ্ধিমান!! কি পড়ো তুমি ভাইয়া?
লেখক বলেছেন: দিদি
লজ্জা দিয়ো না![]()
আমি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ছি
অপ্সরা বলেছেন:
তোমার মত একটা ভাই পেয়ে গর্ব বোধ করছি।চানক্য অতি বুদ্ধিমান মুনী। বলেছেন,(আর একটি ব্যাপার খেয়াল করিয়াছ কি, এই সব আলোচনায় শুধুই পুরুষেরা যুক্তিতর্কে মাতিয়াছ। কোন নারী এই ফলাফল শুন্য খেলায় নামে নাই। )
আমিও কিন্তু এই ফলাফল শুন্য খেলায় মাতি নাই। শুধু ই দেখলাম একটি বুদ্ধিমান পরতুৎপন্নমতি ভাইকে।
অনেক ভালো থেকো ।
লেখক বলেছেন: ![]()
অ্যামাটার বলেছেন:
পোষ্টটা তথ্যবহুল,বিশেষকরে মিথস্ক্রিয়ায় কমেন্গুলোতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। +Click This Link এখানে আপনার এই পোষ্টের লিঙ্কটা ব্যাবহার করেছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
কোরাবানিতে পরিবেশ দুষন হয়,এই কারনে যারা কোরবানির বিপক্ষে তাদের জন্য মায়া হয়!!যে কোন ধর্মেই পরিচ্ছন্নতাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।ইসলামে পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ।তাই ইসলাম বলেনি আমাদের রাস্তা ঘাট নোংরা করে কোরবানি করতে।আমরা যা করছি সেটা আমাদের ব্যার্থতা।তার দায় ইসলামের উপর চাপানোর মানে হয় না।কারন যে ব্যাক্তির নোংরামির জন্য পথচারির কষ্ট হচ্ছে,তার দায় তাকেই বহন করতে হবে।সেটা পৃথিবিতেও আর আল্লাহর কাছেও
রাজর্ষী বলেছেন:
বনের নয় শুধু মনের পশুরে কর জবাই।
লেখক বলেছেন: ১০০% সত্য
কিন্তু ঘরের পশু মারা তে বাধা নাই,তা না হইলে খামু কি
লেখক বলেছেন: যুক্তিটা দিলে বুঝ যেত।তা না হলে অন্যায় হয়ে গেল যে ভ্রাতা
অনার্য তাপস বলেছেন:
লেখক বলেছেন : কিন্তু ঘরের পশু মারা তে বাধা নাই,তা না হইলে খামু কি !!?? এইটাই আসল কথা। খামু কী? তাইলে ধর্মেরে জড়ানো ভারো হইতাছে কি?
আশিক হাসান বলেছেন:
প্রথমত লেখককে কষে না মাইনাস না, কষে প্লাস । আর মডুদের কাছে বিনীত অনুরোধ রইল প্রতিবছর হজ্ব আর কোরবানীর সময় এক ধরনের বিশেষ শ্রেনীদের মাঝে মাতম উঠে ২টি ইস্যুতে১নম্বর ইস্যু
হজ্বের এই বিশাল অন্কের টাকা হজ্বে অপচয় না কইরা সেই টাকা দিয়া দিয়ে বাংলাদেশের কোন কোন ক্ষেত্রে দারিদ্র্য বিমোচিত করা যাইতো সে বিষয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা ( অথচ সারা বছর ফ্যাশন, কনসার্ট আর ফাস্টফুডে কতটাকা খরচ হয় সেটা দিয়া কি করা যাইতো সেইটার কোন খবর নাই )
২য় ইস্যু
কোরবানী আসলেই সেই বিশেষ শ্রেনীর আবার সেই পুরান কষ্ট বুকে চাড়া দিয়া উঠে । সারা বছর কোন কোন দেশে কি কারনে কয়টা প্রানী কোরবানী আর বলি হয় সেইটার হিসাব নাই । সব কষ্ট এই ঈদের কোরবানী রে নিয়া ।
এই পোস্ট রে শুধু কোরবানী ঈদের ২/৩ দিন আগে স্টিকি কইরা রাখলে মনে হয় ভাল কারন এই একই প্যাচাল নিয়ে আর ভাল লাগেনা ।
কারন লেখক যতই বোঝান না কেন যারা ঐ শ্রেনীর তারা যেমন এইটা বুঝে আসবেনা আর ঠিক তেমনি যারা এইটা নিয়া প্যাচাল বাড়ায় তাদের ও বোঝা উচিত আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়া আমরা এই কোরবানী করেই যাবো।
তবে এই কোরবানী যেন লোক দেখান না হয় ,এই করবানীর পশুর টাকা যেন ঘুষের না হয় । আর এই কোরবানীর অন্তর্নিহিত অর্থ যেন আমাদের মনে প্রবেশ করে সেই শিক্ষা নিয়া আমাদের সবসময় আলোচনা করা উচিত।
যা কইলাম ব্যক্তিগত মতামত । মাইন্ড খাইলে আমার কিছু করার নাই ।
সবশেষে আবারো লেখক কে কষে প্লাস ।
লেখক বলেছেন: ্ধন্যবাদ
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন:
জাকির নাইক্যার কপি পেস্ট... -
লেখক বলেছেন: যুক্তি কারো সম্পত্তি নাআপনি অন্য ১০ খানে এমনটা শুনতে পারেন।কিন্তু আপনার মানতে আপত্তি থাকলে খন্ডন করুন
কালীদাস বলেছেন:
খুবই দামী পোস্ট। মাংস খায় অথচ কোরবানি মানতে রাজি নয় এরকম কয়েকজন হয়ত এরপরও উলটা গানই গাবে, ব্যাপার না। পোস্টটা যুক্তির সমন্বয়ে করা, ভাল লাগলো।
সাম্যবাদী বলেছেন:
ফালতু যুক্তি। মাইনাস
লেখক বলেছেন: একটা যুক্তি ভুল ব্যাখ্যা করো জেঠা
পাহুন বলেছেন:
দিগন্ত বলেছেন: জীববিদ্যায় আমারও জ্ঞান সীমাবদ্ধ। আমার ধারণা পাস্তুরাইজেশন হল একমাত্র পদ্ধতি যা জীবাণু ধ্বংস করে।পুরাই ভুল।
স্টেরিলাইজেশন এর অন্য সব পদ্বতি থেকে এইটাতেই কম জীবানূ নষ্ট হয়।
একটা লেভেল পর্যন্ত।
আর যারা কুরবানী কি তা বুঝে না তাদেরকে কিভাবে বুঝাবেন?
পোষ্ট টা ভাল।
যুক্তি গুলা জাকির নায়েকের ভিডিও তে আছে তাই বলে তো এইগুলা ভূল হয়ে যায় নাই।
হাস্যকর কথা বার্তা। একদিকে আপনারা যুক্তির কথা বলবেন আরেকদিকে জাকির নায়েক যুক্তি দিলে তা মানবেন না এইটা কেমন কথা।
যুক্তি তো যুক্তিই
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
56
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুল পোস্টে সাইজ একটা ফেক্ট।তাই সব ডিটেইল বলা যায় না।কেয় প্রশ্ন করলে খন্ডন করলে তা পরিস্কার হয়।ঈদ মোবারক
_উল্লাস_ বলেছেন:
সাহারা মরু'র পাড়ে পালিয়ে গেলো নাকি? লুল!!
লেখক বলেছেন: ke?
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
নির্বিচারে পশু হত্যার উৎসব কোন ফর্মেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। জাকির নায়েকদের কাছ থেকে এই জিনিসটারই ব্যাখ্যা চাইতেছিলাম। কিন্তু তারা দুনিয়ার যত আজে বাজে কথা বইলা তাদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হাজির করে- কিন্তু এই প্রসঙ্গটা সযত্নে এড়াইয়া যায়। শুরু করে ভেজিটেরিয়ানদের নিয়া। "পশুহত্যা মহাপাপ" এইটার জবাব দেন মনের মাধুরি মিশাইয়া। জ্ঞানীর মত সকলকে জানিয়ে দেন- পশুহত্যা মহাপাপ- কিন্তু "গাছেরও তো প্রাণ আছে"। যেনবা আমরা কেউ এই তথ্যটি জানতাম না! চলে মানুষ ও বিভিন্ন পশু পাখির দাঁতের গঠনের পার্থক্যের সচিত্র প্রতিবেদন, যা দেইখ্যা এক নিমিষেই বুঝা যাইবো- আল্লাহ মানুষরে যে মাংস চিবানোর জন্যই পয়দা করছে সেইটা। তারপরে তারা শুরু করেন ইসলামে জবাই করার নিয়মের মধ্যকার যত বৈজ্ঞানিক ব্যাপার স্যাপার। .... এগুলো নিয়াই পেচাইতে থাকেন। পেচাইতে পেচাইতে একদম ছ্যাড়াবেড়া- আর ধার্মিক ব্যক্তিরা ভাবেন- আহা! এই না হইলে আমাগো ইসলাম!!
আমি ভাবি- যে আমি ছোটবেলা থেকে পশুর মাংস খেয়ে অভ্যস্ত, যে আমার পশু জবাই করা নিয়ে কোনই বাছবিচার নাই (তিন কোপ আর এক কোপে জবাই হয়েছে কি না সেটা নিয়া মাথাই ঘামাই না, একবার আদিবাসীদের মারা পশুর মাংসও খেয়েছিলাম যা নাকি খুচিয়ে খুচিয়ে মারা)- সেই আমারে এইসব কথা কইয়া কি লাভ? আমরা আজ কসাইখানা নামক একটা আলাদা জায়গা রাখছি- কিন্তু ধর্মের নামে একটা দিন দুনিয়ারে এইরকম কসাইখানা বানায় দেয়ার মানে কি হতে পারে- এইটাই বুঝতে পারি না এবং সেইটা কেউ বুঝাইতেও আসে না। একবার একজন অবশ্য বুঝাইতে আইসা কইছিল- অন্য ধর্মেও এইরকম নির্বিচার পশুহত্যা আছে- আমি কেবল ইসলামরে নিয়া লাগছি ক্যান। আজব একখান প্রশ্ন বটে! অন্য ধর্মরে দিয়া ইসলামরে রক্ষা করার চেস্টায় বেচারার যে ঈমানের পরীক্ষায় মুনকার-নাকির দুইটা বেশী প্রশ্ন করবো- সেদিকে খেয়াল নাই- আমারে জিগায়, আমি ইসলামের পেছনে লাগছি ক্যান! যাউকগা, জবাব চাইতে গিয়া দেখি লোকে আমার কাছেই জবাব চায়- এই টাইপের প্রশ্নের মেলা জবাব দিছি, তাই এইটারে পাত্তা দেওনের খুব বেশি কারণ দেখি না।
আরেকজন আইসা কইলো- আল্লাহ কোরবানী দিতে কইছে- নিজ হাতে তো পশু হত্যা করবার কয় নাই- আলাদা নির্দিষ্ট স্থানে বা কসাইখানায় সমস্ত পশুর কোরবানীর ব্যবস্থা হইলেই তো হয়। আমি খুব খুশী হই, হুম যান পারলে এই ব্যবস্থা চালু করেন - আর আপত্তি করুম না। রোযার ঈদেও মুসলমানরা পোলাও-মাংস খায়, ফলে ঐদিনও দেশে বেশী গরু ছাগল জবাই হয়, কই এই ঈদ নিয়া তো বর্বরতার অভিযোগ কেউ তুলি না। কসাইখানা থেকে দরকারে রোযার ঈদের তুলনায় দশগুন কইরা মাংস কিনেন, কিইনা নিজে খান- বিলি করেন, ছোয়াব হাসিল করেন, পরকালের খাসা খাস সব জিনিসগুলানের বুকিং দিয়া দ্যান- কোনই আপত্তি নাই; খালি দয়া কইরা দুনিয়াটারে একটু বাসযোগ্য রাখেন- খালি আমাগো নাস্তিকগো লাইগা না- আপনেগো নিজেগো লাইগাও।
হগ্গোলরে ঈদ মুবারক।
লেখক বলেছেন:
ভাই এই কথা আগে কইলে তো এত কেচাল হইত না!!!
আপনার কথা তে যা বুঝা গেল তাতে কোরবানীতে আপনার সমস্যা না!আসলে মানুষ ধর্মীয় নীতি থেকে বুচ্যুত হওয়াতে যা হচ্ছে সেখাএই আপনার সমসযা!!!
রাস্তা ঘাটে রক্ত ছড়িয়ে বিভতস অবস্থায় পশু হত্যা হচ্ছে।যা আমার কাছেও গ্রহন যোগ্য নয়।পবিত্রতা আর পরিচ্ছন্নতা সকল ধর্মের অঙ্গ।সেটি ভুলে যাই বলেই এই বিপত্তি।
আর রোযার ঈদের চেয়ে এখানে কোন ভাবেই মাংসের অপচয় হয় না।কোন একটি দ্রব্য অপেক্ষাকৃত বেশি ব্যবহার মানে কিন্তু অপচয় নয়,যদি সেটি করতে গিয়ে অন্য দ্রব্যের উপর চাপ কমে।ব্যাপারটা এর বেশি বিস্তারির বুঝাতে হবে বলে মনে করি না।
ভালো থাকুন
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পবিত্রতা-অপরিচ্ছন্নতার সমস্যার চেয়েও সবচেয়ে বড় আপত্তি- পশহত্যাকে কেন্দ্র করে একটা উৎসব পালন করা। মাংস খাওয়া আর সব বাড়িতে গরু-ছাগল নিয়ে এসে জবাই করে খাওয়ার মধ্যে একটা বড় রকমের পার্থক্য আছে- সেটাই আপনারা ধরতে পারছেন না, বা ধরার মতো মানসিকতা আপনাদের নেই। যত্র তত্র কোরবানী বিষয় না- কোরবানী নামক উৎসবটাতেই আপত্তি করি। এটা বর্বর যুগকেই মনে করিয়ে দেয় ....
লেখক বলেছেন: ও দাদা আপনি কি নব্বান্ন উতসব অথবা পৌষ পিঠার উতসবে গেসেন?বাঙ্গালী হলে এক বার হলেও যাবার কথা!শহুরে বাঙ্গালী হলেও এখন তো যাবার কথা!!!!!
![]()
উত্তরটা কি সবার সামনে দিবেন???? ![]()
ধ্রুব তারা বলেছেন:
দাঁত প্রসঙ্গের যুক্তিটা ড. জাকির নায়েক একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনি কি নব্বান্ন উতসব অথবা পৌষ পিঠার উতসবে গেসেন?বাঙ্গালী হলে এক বার হলেও যাবার কথা! শহুরে বাঙ্গালী হলেও এখন তো যাবার কথাহু গিয়েছি।
নব্বান্ন উৎসবঅথবা পৌষ পিঠার উৎসবের সাথে কি এই পশুহত্যার উৎসবের তুলনা দিচ্ছেন? হাস্যকর!
আপনি কালী পুজায় পাঠাবলী হয়তো দেখে থাকবেন। সেটার সাথে কোরবানীর তুলনা দিলে মানানসই হতো বেশী। নেপালের কোন কোন অঞ্চলে পাঁচবছর পরপর পশুবলীর উৎসব হয়- একই দিনে লাখ লাখ পশুহত্যা করা হয়। বর্তমানের এগুলোর সাথেই কোরবানী ঈদের তুলনা হতে পারে।
উত্তরটা কি সবার সামনে দিবেন????
বুঝলাম না।
লেখক বলেছেন: আপনি কোনটাকে হাস্যকর বলছেন??
প্রয়োজনে পশু হত্যা আপনি সমর্থন করেন কিন্তু উতসব করে করলে আপত্তি।
তেমনি প্রয়োজনে উদ্ভিদ হত্যা করা জায়েজ হলে উতসব করে উদ্ভিদ হত্যা করাটা জায়েজ কেমনে?
বুঝিয়ে বলবেন?
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে কালী পুজা আর কোরবানী নিয়ে আমি কেন বিতর্ক করব??আপনি নাস্তিক মানুষ,তাই ধর্ম সে যাই হোওক সেটা আপনার কাছে মুখ্য হবার কথা না।
এখানে মুখ্য বিষয় উতসব করে জীব হত্যা সঠিক কিনা।
শাওন বলেছেন:
পোস্ট ভালো লাগছে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লিবিব বলেছেন:
Rahat Bhai, Oshadharon ekta post. Thanks apnakey. ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++Tobey aro ekto information thakley Islam er naam shunlei jader goponanggo jola shuru korey tader jolunita komto. Ami ekta jinish bujhina, Jara ek line Al-Quran porenai tara ki korey Islamer against a kotha boley? Amra ja boli tara shudhu tar birodhita korey jay, Kono Nastik ke ami konodin dekhlamna tar kono din Al-Quran er reference diye ekta kotha bolechen!!! Jar against a bolben tar shomporkey kichu Gaan (knowledge) to thaka chai
লেখক বলেছেন: ami vi eikhane islam ডিফেন করার লাইগা কিছু করি নাই।জাস্ট এই কোরবানী কে আমি খারাপ ভাবিনা কেন সেটাই শেয়ার করলাম,আর যারা অযথা এটার বিপক্ষে তাদের কিছু জবাব দিলাম।
ধন্যবাদ
লিবিব বলেছেন:
আচ্ছা ভাই,আপনারা জবাই না করলে আমরা মাংস খাব কেমনে?আপনাদের যাদের কাছে ব্যাপারটা অমানবিক লাগে,তারা কি মাংস খাবেন না?জীবনে কোনদিন মাংস খান নাইKoshai jokhon goru katey tokhon ar amader so called antel der kosto lagena. Kurbani namey katlei kosto lagey( Karon Eikhane je Islam Achey?) Islam dhormo to oder kache allergy er moto, khali chulkay....
লিবিব বলেছেন:
Sacrifice is a part of Islam. You can't Ignore it, brother@Khan
লেখক বলেছেন: are vi ami islamre prompt korar uddese kiso kori nai....korbani or animal killing amar kase logical tai ei post.....dhonnobad
সেলিম৬২৫১ বলেছেন:
আরোও জানতে হলে ডাঃ আকির নায়েকের লেকচার সমগ্র ১,২ পড়ুন।
মাহমুদহাসান বলেছেন:
বাপরে! কত কথা। আমি শুধু এইটাই বলি যে, যদি আল্লাহ আজও মানুষকে পুত্র কোরবানী করার কথা বলতেন, তাহলে হয়তো মানুষ আর এই মানসিকতা দেখাতে পারত নাঃ ও, ক সাহেব দুই গরু কিনসে, তাইলে আমি তিন গরু কিনুম। তখন কেউ বলতো নাঃ ও, ক সাহেব তার এক ছেলে কোরবানী দিসে, তাইলে আমি আমার দুই ছেলে কোরবানী দিমু।আসলে উপায় নেই প্রাণী হত্যা না করে, ধর্ম হয়তো এটাকে মানুষের জন্য আদর্শিক করেছে, মানুষ প্রাণী হত্যার নির্মম কষ্ট দেখে যেন একবার নিজের মৃত্যুর কথা ভাবে। কিন্তু মানুষ এটাকে কী বানিয়ে ফেলেছে! যারা ধর্মীয় ভাবে কোরবানী দিচ্ছেন, তাঁরাও, আর যাঁরা শুধুই খাদ্যচক্রের খাতিরে প্রাণী হত্যা করছেন, তাঁরাও। কেউ ভাবে না যে এই নির্বোধ প্রাণী, যার পক্ষে জীবনে কোন পাপ করাই সম্ভব নয়, সে যদি মৃত্যুতে এই কষ্ট পায়, তাহলে চূড়ান্ত নষ্ট মানুষ কেমন কষ্ট পেয়ে মরবে? কোরবানীর দৃশ্য সহনীয় নয, সহনীয় নয় বলি দেয়ার বা অন্য কোন ভাবে প্রাণী হত্যার দৃশ্যও, যেমন সহনীয় নয় মানুষের মৃত্যুর দৃশ্যও। শুধু নিজের মৃত্যুর কথা ভেবেও মানুষ একটু পাপ করা কমাক, একটু সুস্থ হোক, একটু মানবিক হোক, এইটুকুই প্রত্যাশা করি।
ভালো যুক্তি দিয়েছেন অনেকেই, অনেক পরে পড়লাম, এইটাই দুঃখের কথা।
আত্মা দীপ্ বলেছেন:
মন্তব্য নং.৯২---নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: পবিত্রতা-অপরিচ্ছন্নতার সমস্যার চেয়েও সবচেয়ে বড় আপত্তি- পশহত্যাকে কেন্দ্র করে একটা উৎসব পালন করা।..........কোরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে মুসলমানরা পশু কোরবানি দেয়,শুধুমাত্র পশু জবাই করার জন্য এই ঈদ পালন করা হয় না।সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য পশু জবাই করা ফরজ।
উত্সবের যে কথাটি বললেন,তা হল মুসলমানরা যখন দল-মত নির্বিশেষে,ছোট-বড়,ধনী-দরিদ্র ভেদাভেদ ভুলে একসারিতে দাঁড়িয়ে তাকবীর পড়া,জামাত শেষে কোলাকুলি করা।পশু জাবাই করা এই উত্সবের একটি অনুষঙ মাত্র।মানুষের মনে যে মায়া,ভালবাসার যে আবেগ,হ্নদয়ের যে বন্ধন--এইসব কিছুই মুহুর্তের মধ্যে এক আল্লাহর নামে উত্সর্গ করার নিমিত্ত-ই হল কোরবানির উদ্দেশ্য।মানুষের মায়া,ভালবাসা,বন্ধন এর প্রতীক হিসেবে আল্লাহ হালাল পশু নির্বাচন করে দিয়েছেন।
প্রশ্ন করতে পারেন,উত্সর্গ তো অনেক ভাবেই করা যেত,একটি প্রাণী কেন?
-
--------মুসলমানরা এক আল্লাহ তে বিশ্বাস করে যিনি সৃষ্টি করেছেন সমগ্র বিশ্ব ব্রম্মান্ড এবং এর প্রাণীকূল।আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন প্রতিটি প্রাণ এবং সকল প্রাণকেই মনোনীত করেছেন মানুষের সেবার জন্য। তাই আল্লাহর নির্দেশিত নিয়মেই মুসলমানরা এই কাজটি করে।
আমার নিজস্ব ধারনা হল, একটি প্রাণ আরেকটি প্রাণের মাঝে যে আবেদন জাগায়,মায়ার যে বন্ধনে আবদ্ধ করে,ভালবাসার যে আকুতি গড়ে তোলে তা একটি প্রাণের সাথে একটি বস্তুর কখনোই সম্ভব নয়।অনুমিতভাবেই আমি বলতে পারি এই কারণেই কোরবানির জন্য পশুদের নির্ধারন করা হয়েছে।
সর্বশেষে সবাইকে বলতে চায়,প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রের যেমন একটি সংবিধান আছে তেমনি প্রাণীদের মাঝে একমাত্র স্বাধীন চেতনার অধিকারী মানুষের জন্য আল্লাহ নির্ধারন করে দিয়েছেন একটি অপরিবর্তনশীল সংবিধান যেটির নাম.............."কোরান"।
ধন্যবাদ সবাইকে,সুস্থ থাকুন।
স্বর্ণলতা বলেছেন:
নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমানকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন.. এখানে আপনার পোষ্টটা রেখেছি ।
শিব সত বলেছেন:
যদি ইব্রাহিমের ছুরার নিচে দুম্বা না পরে তার ছেলেই পরত তাহলে আজকের ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা কি তাদের প্রিয় পুত্র,কন্যা তাদের কুরবানি দিত?আরেকটা কথা,ইব্রাহিম কিন্তু তার পুত্রের অনুমতি চেয়ে নিয়েছিলেন।আপনারা কুরবানির সময় কি পশুর অনুসতি চান?আর চাইলেই কি সেটা সম্ভব? তাহলে কেন এই অন্ধ অনুকরন?
সপ্তাহখানেক অপেক্ষা করেন, টের পাইতে থাকবেন।
িদনবদল বলেছেন:
মরণজয়ী বলেছেন: দারুন কিছু যুক্তি! তবে আর কিছু যুক্ত করার আছে বলে মনে হয়।কিন্তু কেউ যদি জেগে জেগে ঘুমায় তাহলে তাকে কি করে জাগাবেন..
রিডার ওয়ান বলেছেন:
ঈদ মোবারক!
অনেকদিন ধরে এই পোস্টে কমেন্ট করব করব ভেবে আর করা হচ্ছিল না। আজ ঈদের দিনে ভাবলাম কমেন্টটা দিয়েই যাই!
এই পয়েন্ট গুলো আগে কোথায় যেন পড়েছি। আপনি মূলত পশু কোরবানীর কথা বলেছেন। এর সাথে আমি কিছু যোগ করতে চাই খাদ্যতালিকায় মাংসের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।
মাংসে ১১ ধরনের এমাইনো এসিড থাকে। এটা প্রোটিনের চাহিদা পূরন করে সম্পূর্ন ভাবে। আবার এনিমেল প্রোটিন সাধারন ভাবে শরীরে গ্রহন করা সহজ। আর যে কোন উদ্ভিজ্জ প্রোটিনে থাকে ১ বা ২ ধরনের এমাইনো এসিড। ফলে একটি সবজী থেকে সব প্রটিন পাওয়া সম্ভব না। এটা শরীরে গ্রহন করাও কঠিন। যে কোন পুষ্টিবিদকে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন। নেটেও আছে।
The fact is, meat is the most naturally occurring, well balanced and easily obtained and digested package of proteins, essential acids and source of iron and Vitamin B 12 that you can find. Somehow you must find and consume all of the things that meat provides so that your body can stay healthy. A meat based high protein diet is good for you. Even vegetarians are realizing they need meat in their diet.
লিংকে ক্লিক করে মাংসের পুষ্টিগুন সম্পর্কে জেনে নিন।
http://www.powerofmeat.com/
এখন ভেজিটেরিয়ানরা যেটা করে...
তারা একাধিক ডালের মিশ্রনে তাদের খাদ্যপ্রস্তুত করে। ফলে সম্ভাবনা থাকে মোটামুটি সঠিক পরিমান প্রোটিন পাওয়া যাবে। তারা কিন্তু ডিম এবং দুধ খায়! এইদুটিতে প্রচুর প্রোটিন আছে! তাদের কথা...ডিম ও দুধ খেলে পশু হত্যা হয় না। তাদের জন্য বলব...আপনি যদি ডিমটা না খেতেন তাহলে এটা থেকে সুন্দর একটা বাচ্চা ফুটে বের হত। আর দুধটা আসলে বাছুরের জন্য...আপনার জন্য নয়! এই কাজদুটিও কিন্তু নিষ্ঠুর!!
ভেজিটেরিয়ানদের ব্যপারে কিছু বলার নেই। এটা তাদের ফুড চয়েস। এর মানে এই না যে পশু হত্যাকে তারা সবাই খারাপ চোখে দেখে। এটা শুধুমাত্র তাদের পছন্দের পেছনে যুক্তি। বাস্তব সত্য নয়। মানুষ একসময় ভেজিটেরিয়ান ছিল। ভেজিটেবল খাওয়া ভাল। এখনও মানুষ খায়! ভেজিটেরিয়ানরা আমাদের পশু হত্যাকে খারাপ চোখে দেখলেও ওরাও এটাকে আমাদের ফুড চয়েস হিসেবেই নেয়।
আর নাস্তিকদের ব্যপারটা আপনি ইগনোর করতে পারেন। কারন তারা আসলে পশু হত্যার ব্যপারে কনসার্ন না। তাদের মূল লক্ষ্য ইসলাম বিদ্বেষ। এটা একধরনের দলাদলি, এর বেশি কিছু না! ইসলামে যদি কোরবানী বলে কিছু না থাকত, ভেজিটেরিয়ান হতে বলত, তাহলে তারা গরুর মাংসের মজাদার রেসিপি নিয়ে পোস্ট দিত!! মাংস খাওয়ার মত একটা বিষয় নিয়েও যে ধর্মীয় উন্মাদনা হতে পারে এটা তাদের না দেখলে বিশ্বাস হত না, মাথায় আসতই না!
আরকেটা বিষয়, আমি নিজেও জাবেহ করার সময় সামনে থাকি না। কারন এটা আমি সহ্য করতে পারি না। এটা আমার ব্যক্তিগত অনুভূতির কারনে। এর সাথে সামগ্রিক বাস্তবতার মিল নেই। সবার সহ্য শক্তি সমান হয় না। আমি মনে করি এটা কসাইদের কাজ, তাদেরই করা উচিৎ। যারা কবর দেয়ার কাজ করে তাদের মধ্যে আমি কোন অনুভূতিপ্রবনতা দেখি নি!
উন্নত বিশ্বে মাংস প্রসেস করা হয় স্লটারিং হাউসে। সেখানে গরু জবাই করা হয় না। গুলি করে, ইলেকট্রিক শক দিয়ে, অথবা মাথায় বাড়ি মেরে তারপরে মাংস কাটা হয়। অনেক সময় ছুড়ি দিয়ে স্ট্যব করে অথবা সরাসরি মেশিনে ঢুকিয়ে কাটা হয়। এই মাংস হালাল নয়। আমি জানি না উন্নত বিশ্বে কেন এই কাজটি করা হয়। এটা কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত নয়। শুধুমাত্র কোরবানীর সময় বা হালাল স্লটারিং হাউসে জবাই করে গরু প্রসেসিংয়ে দেয়া হয়। প্রসেসিং স্লটারিং হাউসে করাই ভাল।
আমাদের দেশেও স্লটারিং হাউস আছে দু'একটা। সেখানে জবাইয়ের পর মাংস প্রসেস করা হয়। হালাল মাংস হিসেবে বিশ্বে এর চাহিদা ব্যপক। আমাদের দেশে যে পরিমান মানুষ তাতে স্থায়ী স্লটারিং হাউস করা সম্ভব না! আর সারা বছর আসলে স্লটারিং হাউসের চাহিদা থাকে না। শুধুমাত্র একদিনের জন্য এত স্লটারিং হাউস করা সম্ভব না। অন্তত শহরগুলির জন্য চেষ্টা করা যেতে পারে, কারন তাতে মাংস পরিচ্ছন্ন ভাবে কাটা হবে। আর জবাইটা আসলে একটু ঢেকেঢুকে করা উচিৎ।
কোরবানীর সংস্কৃতি নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক আপসংস্কৃতি আছে। বাঙালী বলে কথা! এটা প্রয়োগের ভুল। এজন্য কোরবানীকে দোষারোপ করার কারন দেখি না।
কোরবানীর ঈদ: বাঙালীর আরেকটি উৎসব!
পোস্টে+
আবারও ঈদ মোবারক। ভাল থাকবেন।
রিডার ওয়ান বলেছেন:
আরেকটি ব্যপার অনেক নাস্তিকরা বলে থাকেন...
ধর্মের নামে একদিনে এতগুলো পশু "হত্যা" কতটা যুক্তি যুক্ত?
আমি নাস্তিকদের সমস্যাগুলি মাঝে মাঝে ধরতে পারিনা। পশু গুলো জবাই করে মাংস কি ফেলে দেয়?!
একদিনে জবাই করেন আর সারা বছর করেন, মাংস ত খাওয়া হইল, নাকি? যেসব গরীব মানুষ এই মাংসের ভাগ পাচ্ছে, কোরবানীর ব্যবস্থা না থাকলে বা ধর্ম না থাকলে কোন যুক্তিতে বা কোন ব্যক্ষায় ওরা মাংসগুলো খেতে পারত? তাদের সুষম প্রোটিনের চাহিদা কিভাবে পূরন হত?
যাই হোক নাস্তিকরা তাদের কথা বলেই যাবে!
উপরের ১০৮ মন্তব্যের সাথে যোগ...
কোরবানী করা হয় গৃহপালিত পশু। গৃহপালিত পশু উৎপাদন এবং বৃদ্ধি করা হয় ওই একটি কারনেই! সুতরাং কোরবানীকে সরাসরি পশু হত্যা না বলে প্রথমে মাংস খাওয়ার জন্য পশু উৎপাদন এবং পরবর্তীতে ভক্ষন। জবাইয়ের ঘটনাটি এই প্রক্রিয়ার মধ্যবর্তী একটি বিষয়। অনেকটা রান্নার মত !!
রিডার ওয়ান বলেছেন:
*সংশোধনকোরবানী করা হয় গৃহপালিত পশু। গৃহপালিত পশু উৎপাদন এবং বৃদ্ধি করা হয় ওই একটি কারনেই, সেটা হল ভক্ষন! সুতরাং কোরবানীকে সরাসরি পশু হত্যা না বলে প্রথমে মাংস খাওয়ার জন্য পশু উৎপাদন এবং পরবর্তীতে ভক্ষন করা বলা যেতে পারে। অর্থাৎ এই পশু গুলোর লাইফ পারপাজ হল মানুষের খাদ্যে পরিনত হওয়া! জবাইয়ের ঘটনাটি এই প্রক্রিয়ার মধ্যবর্তী একটি বিষয়। অনেকটা রান্নার মত !!
তাহসিব বলেছেন:
কোরবানি এক হিসাবে খারাপ না, যদিও আমি একে সমর্থন করি না।
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন:
হাঙর নদী গ্রেনেড একটি নৃসংশ উপন্যাস ও চলচিত্র এর প্রচার বন্ধ হোক ।
ক্রান্তিলগ্ন বলেছেন:
কথালেখক চাণক্যকে সামনে পাইলে খোপের সকল টাকা উজাড় করিয়া খাওয়াইতাম।
উড়াকতারাক বলেছেন:
ব্লগে আমার নতুন যাতায়াত তাই মন্তব্য দেরিতে করার কাড়নে ক্ষমা ছেয়ে নিচ্ছি।লেখকের কাছে ছট একটি প্রশ্ন, ছোটবেলায় বীরবলের কাহিনী কি পড়েছেন?
ঘটনাটা বলি, একদিন বীরবল কে বাদশা একবার জিজ্ঞেস করলেন “বলত মানুষের প্রিয় জিনিশ কি?” বীরবল বললেন মানুষের জীবন। তো বাদশা অমত হলেন। তিনি বীরবল কে নিয়ে চিরিয়াখানায় গেলেন এবং একটি বান্দর ওঁ তার বাচ্চা কে বিরাট গরতে ফেলে দিলেন। এরপর তিনি গরতে পানি দিতে বললেন।পানি বাড়ার সাথে সাথে ওই বান্দরটি তার বাচ্চা কে আর জরিয়ে ধরল আর উপরে উঠতে চাইলো। শে পানিতে থেকে বাচ্চাটাকে মাথার উপরে তুলে ধরল জাতে সে ছলে জেতে পারে।বাদশা বিজয়ের হাসি হাশ্লেন।গম্রামুখে বীরবল আর পানি দিতে বললেন।যখন পানি গলা পর্যন্ত উথল বান্দরটি তার বাচ্চাকে পানিতে ফেলে নিজে উপরে উঠার চেষ্টা করতে লাগলো।
নিজের জানি সবথেকে প্রিয়ও।
নবিজি নিজের জান থাকতে ক্যান যে পুলাদার জান লইতে গেলো...
সিস্টেম বলেছেন:
কোরবানি = পশু হত্যাঈদ = আনন্দ
সুতরাং, কোরবানির ঈদ = পশু হত্যার আনন্দ
ভুল বললাম কিচু?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















