আমার প্রিয় পোস্ট

ব্যস্ত শহর ঠাঁস বুনটের ভিরে আজো কিছু মানুষ স্বপ্ন খুজে ফিরে........

CIA এন্টি কম্যুনিজম মিশনঃবাংলাদেশে ধর্মিয় উগ্রতা বিস্তারে প্রথম বীজ (পর্ব-২)

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

শেয়ারঃ
0 3 0

সিকিম ও কাস্মিরের ভুখন্ড বড়দের বাট্টা হতে পারে কিন্তু রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ নয়- পর্ব ১


১৯৫১ সালে CIA বাংলাদেশে অর্থাৎ তৎকালীন পুর্ব পাকিস্তানে শুরু করে এক এন্টি কম্যুনিজম মিশন।রেডিও,স্থির চিত্র,চলচ্চিত্র,সংবাদ মাধ্যম,বই-পুস্তক,পোস্টার,কার্টুন কে ব্যবহার করে ধীরে ধীরে টার্গেট গ্রুপ (ছাত্র,শ্রমিক,আর্মড ফোর্স, সহ সমাজের নানা স্তরে বিভিন্ন ক্লাব সহ আমজনতা)এর মাঝে কম্যুনিজমের বিপক্ষে প্রচারনা করে এর বিপক্ষে আরেকটি কাউন্টার মতবাদ চালু করার পরিকল্পনা করা হয়।আর মুসলিম অধ্যুসিত এই অঞ্চলে ইসলামকে প্রোমোট করে সেটিকে কম্যুনিজমের প্রতিপক্ষ হিসাবে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।এ ক্ষেত্রে ইসলামি নানা গ্রুপ ধর্মিয় নেতাদেরকে নিয়োগ করা হয়।সে সাথে বিদ্যমান ,প্রয়োজনে নতুন কোন পলিটিক্যাল পার্টি গঠন করে অপারেশন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকে তাতে।



অপারেশনাল থিম হিসাবে কম্যুনিজম ইসলামের শত্রু,এন্টি গড হিসাবে ও বিভিন্ন দেশে কি কি নেগেটিভ প্রভাব পড়েছে সেগুলিকে হাইলাইট করে কম্যুনিজমকে ধ্বংস করার সে এক বিশাল নীলনক্সা।
আদর্শিক ভাবেই মুজিব ও তার দল ছিল রাশিয়া ও ভারত পন্থী।ফলে ভারত ও রাশিয়া বিরোধী একটা প্রচারনা গোপনে ভালো ভাবেই ছড়াচ্ছিল বাঙ্গালীদের মাঝে।আর ঐতিহাসিক ভাবেই বাংলাদেশের মানুষ ধর্মিয় ভাবে সহনশীল,কিন্তু নিজেদের আদর্শিক শত্রু কম্যুনিজমের ধংস আনার জন্য মার্কিনীরা এদেশে উগ্র ইসলামী চেতনার বীজ রাষ্ট্রের ভিতরে প্রথিত করার সকল ব্যবস্থা করে।একটি রাষ্ট্রে ভিতর কোন মতবাদ হুট করে ঢুকিয়ে দেয়া যায় না,জাতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে কিভাবে কোন ধারনাকে ছড়িয়ে দেয়া যায় তার সকল ব্যবস্থাই এই পরিকল্পনাতে ছিল।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম বাঙ্গালীর স্বাধিকার আন্দোলনের একটি চুড়ান্ত ধাপ,কিন্তু সেটির পার্শ্ব পটভুমিতে পাক-ভারত দ্বন্দ ছিল।আর সেই পার্শ্ব কারনে ভারত আমাদের সহায়তা করেছে।সে সাহায্যের মুল উদ্দেশ্যই ছিল পাকিস্তানকে দুর্বল করা।কিন্তু সেটি কি আমাদের জন্য মুখ্য ছিল?শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু।
১৯৭২ সালে কর্নেল তাহের শেখ মুজিবের কাছে একটি পদত্যাগ পত্র দেয়।সেটি আমার কাছে মনে হয় খুবই গুরুত্ব পুর্ণ।সেই পদত্যাগ পত্রে তাহের আক্ষেপ ও অভিযোগ করে ডিসেম্বরে মিত্র বাহিনীর গঠনের বিপক্ষে তার অবস্থান ব্যক্ত করেন।তার ধারনা মতে মুক্তিযোদ্ধারা যখন বিজয়ের সকল আয়োজন সমাপ্ত করে তখন এই চুক্তি আমাদের গৌরবকে মলিন করেছে।আমার ব্যক্তি গত মত এই অভিযোগ তার মত লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার ভিতরে সুপ্ত থাকাটা এক হিসাবে খুবই স্বাভাবিক।কারন এই মিত্র বাহিনী গঠনের ফলে সাড়ে ৮ মাসের প্রতিরোধ অনেকটাই আড়ালে পরে যায়,আর ভারতের কৃতিত্ব নানা মাধ্যমে প্রাধান্য পায়।যে মুক্তিযোদ্ধার কোলে তার সহযোগি যুদ্ধে শহীদ হয়েছে তাদের কাছে এটা মেনে না নেয়াটা প্রাকৃতিক ভাবেই স্বাভাবিক ও আবেগের বিষয়।কিন্তু জাতিসংঘে ভুট্টোর যে অপতৎপরতা ছিল,আর সেটি মোকাবাল করতে করতে রাশিয়ার উৎকন্ঠা বাড়তে থাকে।সেই পটভুমিতে এই যুদ্ধকে আরো দীর্ঘায়িত করাটা আমাদের মুল আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা লাভকে হুমকির দিকে ঠেলে দিচ্ছিল।তাই এই যুদ্ধের দ্রুত একটি পরিনতি টানা বাধ্যতামুলক ছিল।কিন্তু অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের আবেগের কাছে হয়ত এই বাস্তব সত্যটি ধরা দেয়নি।


ঢাকায় মার্কিন কনসু্লেটে CIA যে তার বার্তা পাঠায় সেটি পাবেনঃপিয়াল ভাইয়ের ব্লগ
CIA এর সকল ডিসক্লোজড ডকু পেতে:ক্লিক


এই ২ পর্বের মাঝে হয়ত অনেকেই মিল খুঁজে পাবেন না!আশা করি আগামী পর্বে অর্থাৎ শেষ পর্বে সমন্বয়টা পাবেন। আর বাংলাদেশের রাজনীতিতে,আমা্র আপনার মাঝে যে রাজনৈতিক চেতনা যা আজ অবিশ্বাস আর সম্পুর্ন বৈপরীত্যে ভরা,তার সাথে যোগ সুত্র স্থাপনের চেষ্টা করব।আশা করি সাথে থাকবেন।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: যারা আগের লেখাটি পড়েন নি তাদের অনুরোধ এই লেখার পুর্বে পর্ব -১ টা শেষ করে আসুন
২. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১০
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: অনেক অজানা তথ্য জানলাম। চলুক +++
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৩. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৯
বৃষ্টি বালক বলেছেন: খাইছে!! তাইলে জামাতী আর ইসলামি জাতিয়তা বাদ এর প্রোমোটার এরা!!!!!
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: রিপোর্ট পড়লে অবাক হবেন সংগ্রাম নামে পত্রিকা (ধারন বর্তমানের টাই) তখন মার্কীন অর্থায়নে এই মিশনে ব্যবহার করা হয়।

বাংলাদেশের ৭২ এর সংবিধানের সেকুল্যারিজম সহ যে মুলনীতির পরিবর্তন সেটি আর কিছুই নয়,এরই ধারাবাহিকতা মাত্র

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৫. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৭
'লেনিন' বলেছেন: আমার পরিচিত এক কট্টর জামাতমনস্ক সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের স্কুলটিচারকে নিয়মিত দেখতাম আমেরিকান এমব্যসিতে যেতে। তার মূল প্রচারনাও কট্টর মৌলবাদিতা। এবং তার পাঠদানের সময়কালে ৬০% সময় ব্যয় করতো বামধারার রাজনীতি, মহিলা নেতৃত্বের কুফল ইত্যাদি বিষয়ে ছাত্রদের ব্রেইন ওয়াশ করতে।

হোমরা-চোমরা পাবলিকেরও যেখানে আমেরিকান এমব্যাসিতে ঢোঁকার অনুমতি পেতে বেগ পেতে হয়, সেইখানে সেই স্কুল টিচার কি করে সদর দরজা খোলা পায় তা বেশ ভাবাতো।

সেই টিচার নিজ খরচে পুস্তিকা মুদ্রণ করে স্কুলের কচি ছেলেমেয়েদের কিনতে পরামর্শ দিতো। মূল বিষয়বস্তু ভারতীয় দালাল, হুমায়ুন আজাদ, তসলিমা, সঞ্জীব ইত্যাদি কলাম লেখক/বুদ্ধিজীবি কতোটা ভারতীয় রাজাকার। মুক্তিযুদ্ধ কতোটা ভারতের দরকার ছিলো ইত্যাদি।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যেমন মার্কীনিরা চায় নি,আর তাই স্বাধীন বাংলাদেশ যে উদ্দ্যেশ্যকে সামনে রেখে জন্ম নিয়েছিল সেটিকে ধারন করে সামনে এগিয়ে যাক সেটিও পরবর্তিতে চায় নি।
এদেশে যারা ইসলাম কে ব্যবহার করে রাজনীতিতে তারা কতটা সেটা ধর্মকে ভালোবেসে করে আর কতটা রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য করে সেটা আপনার কথায় যেমন স্পস্ট তেমনি আর দশটা ক্ষেত্রেও আজ দিবালোবের মত পরিস্কার

৬. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


"সিকিম ও কাস্মিরের ভুখন্ড বড়দের বাট্টা হতে পারে কিন্তু রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ নয়"

এটার জন্য ১০০ টা প্লাস
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: ধইন্যা

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ্ভাইডি অবাক হইবার যে কত কি আছে!ইতিহাসের মেলা চ্যাপ্টার অন্ধকারেই আছে।

৯. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৮
অ্যামাটার বলেছেন: সিরিজটার সাথে আছি। বিশেষত, ইতিহাস ভিত্তিক যে কোনও রচনাতেই পক্ষপাত থাকে, অ্যাবসট্রাক্ট কন্টেন্ট নিজে থেকে খুঁজে নিতে হয়, সে তূলনায় আপনার সিরিজটা ভাল হচ্ছে।

(পোষ্ট করার পূর্বে বানানগুলো একবার সংশোধন করে নিলে ভাল হয়, যেহেতু লেখাটা ডকুমেন্টারি টাইপ, বানান শুদ্ধ হওয়া বাঞ্ছনীয়)।

তাই তো কই, জামতিরা ক্যান আম্রিকার কাছে 'মডারেট'!!
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: :( ধন্যবাদ ভাই।আসলেই এই ব্যাপারে আমি মনে হয় একটু বেশি উদাসিন।যাক অনেক গুলি এডিট করে দিসি।


আর মন্তব্যের জন্য আবারো ধন্যবাদ

১০. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: তোমার লেখা পড়লে জানার ইচ্ছেটা বেড়ে যায়! মনে হয় আরো কিছু জানি!
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: :) শুনে ভালো লাগল

১১. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০
'লেনিন' বলেছেন: জেমস বন্ডের মুভির কাহিনী, সাদ্দাম, ওসামা, আফগান মুজাহিদ ইত্যাদি সবকিছুই সিআইএর একই প্রকল্পের অংশ।
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: জেমস বন্ডের কাহীনিটাও????

১২. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
আমি এবং আঁধার বলেছেন: ভাবতে মজা লাগে যে এদের পেছনে কি বিপুল অংশের বাঙালি মোহগ্রস্থের মত ঘুরছে। ইরাক যুদ্ধ, আফগানিস্তানে হামলা কোনো সময়েই জামাত কিন্তু সক্রিয়ভাবে কোনো প্রতিবাদ করেনাই। কারণটা এই পোস্ট পড়লেই স্পষ্ট হবে।

লেখককে ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য, চালিয়ে যান।
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: "ভাবতে মজা লাগে যে এদের পেছনে কি বিপুল অংশের বাঙালি মোহগ্রস্থের মত ঘুরছে। "


খুবই ভালো বলছেন।


ধন্যবাদ

১৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন: অনেক অজানা ...এই বিষয়ে আমরা সাধারন মানুষরা কতই না অন্ধকারে...চালিয়ে যান...পরের অংশের অপেক্ষায়++++
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫১
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন: অনেক অজানা জিনিস জানলাম ...এই বিষয়ে আমরা সাধারন মানুষরা কতই না অন্ধকারে...চালিয়ে যান...পরের অংশের অপেক্ষায়++++
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৪
দিগন্ত বলেছেন: সি-আই-এ এই কাজ সারা বিশ্বেই করেছে। আজকে যে ধর্মীয় উগ্রতা সারা পৃথিবীতে, তার একটা মূল কারণ ওই সময়ে আমেরিকার পলিসি।
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: হুম।আর এই পলিসি বাংলাদেশকে আজ কোথায় নিয়ে এসেছে সেটাই ভাবনার বিষয়।

১৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
'লেনিন' বলেছেন: @নাস্তিকের ধর্মকথা: আপনার কাছ থেকেও এই বিষয়ে গবেষণা আশা করছি।

লেখক বলেছেন: জেমস বন্ডের কাহীনিটাও????
----------------
একটু খেয়াল করে দেখবেন বিশেষ করে শন কোনারির সময়কার কাহিনীগুলোতে শত্রুপক্ষ কারা। এধরণের আরো নানান ভাবে রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করানো হয়েছে তাদের প্রোপাগান্ডাসমূহ।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: :) হাহাহাহাহাহা

১৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
সুবিদ্ বলেছেন: ভালো লাগলো......পরের পর্ব পেলে সবগুলো মিলিয়ে আরেকবার পড়তে হবে....
২১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
তানিয়া মুন বলেছেন: ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা ।
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও

২২. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩২
কার্ল মার্কস বলেছেন: জামাতিরা আমেরিকার খালতো ভাই। এই অক্করে পরিষ্কার। আপ্নেরা কেন যে আবিষ্কার করতে যান, হয়রান হন বুঝিনা। এই বিষয়ে তো জামাতিরা খুব গর্ব করে। এই যেমন দৈনিক সংগ্রাম এর সম্পাদক হযরত আবুল আসাদ লিখিত সায়মুম সিরিজ ( ইসলামী বিপ্লবী সিরিজ!) এ পইরা দেহেন কেমতে আমেরিকারে লইয়া ইসলাম কায়েম কইরা বেবাগতেরে তেনা কইরা লাইছে।
নারায়ে আমেরিকা, নারায়ে জামাতের ইসলাম:
০৫ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: নারায়ে আমেরিকা, নারায়ে জামাতের ইসলাম:

২৩. ২০ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৩
এম. মাসুদ আলম. বলেছেন: এদেশের মানুষ যে কত বোকা এবার বুঝুন। আমি অনেক দিন থেকে বলে আসছি, শেখ মুজিবকে হত্যা করে এদেশে করা লাভ না হলেও মার্কিনীদের লাভ হয়েছে। তারা এদেশকে তাদের তাঁবেদার রষ্ট্র বানাতে পেরেছে।
দেখুন

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫২৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ক্ষুদ্র গ্রহের ক্ষুদ্র এক মানব...কিন্তু বুকে নিয়ে বেঁচে আছি এক বিশাল স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই