নাস্তিকতার প্রচার বা প্রসার নয় বরং মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটানোই আলোচনার উদ্দেশ্য ঃkechal@hotmail.co.uk

তাদেরকে হত্যা কর যেখানে পাও সেখানেই : আল-কোরআন

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:১২

শেয়ার করুন:                   Facebook

আজকে অফিসে যাই নাই, তাই সারাদিন বসে বসে আল-কোরান রিভিসন দিচ্ছিলাম। কিছু কিছু আয়াত পড়ছিলাম আর কেমন কেমন লাগছিলো। চোখে শুধু '' রক্ত আর রক্ত'' ভেসে উঠছিলো।

যারা আল্লাহ তে বিশ্বাসী না তাদের কে কতল করার আহবান সম্বলিত আয়াতগুলো পড়ার পর ভাবলাম দেখি বর্তমানে পৃথিবীতে কতোজন অমুসলিম লোক আছে।

উইকীতে একটু গেলাম, দেখলাম এখনো দুনিয়াতে এখনো ৮০ ভাগের মতো লোক অমুসলিম আছে , স্বাভাবিক ভাবেই তারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে না।

আমি আল-কোরান থেকে আপনাদের জন্য ৪০ টির মতো আয়াত পরিবেশন করছি যেখানে খুব পরিষ্কার ভাষায় ঐ ৮০ ভাগ মানুষকে কতল করা কথা বলা হয়েছে।

নিচে দেখুন এরকম ৪০ টি আয়াত:

-আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে| বস্তুত: ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ| আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে| অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে| তাহলে তাদেরকে হত্যা কর| এই হল কাফেরদের শাস্তি| ২-১৯১

-আর তারা যদি বিরত থাকে, তাহলে আল্লাহ্ অত্যন্ত দয়ালু| ২-১৯২

-আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহ্র দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়| অত:পর যদি তারা নিবৃত হয়ে যায় তাহলে কারো প্রতি কোন জবরদস্তি নেই, কিন্তু যারা যালেম (তাদের ব্যাপারে আলাদা)| ২-১৯৩

-তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়| পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর| আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর| বস্তুত: আল্লাহ্ই জানেন, তোমরা জান না| ২-২১৬

-আল্লাহ্র পথে লড়াই কর এবং জেনে রাখ, নি:সন্দেহে আল্লাহ্ সবকিছু জানেন, সবকিছু শুনেন| ২-২৪৪

-অতএব যারা কাফের হয়েছে, তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেবো দুনিয়াতে এবং আখেরাতে-তাদের কোন সাহায্যকারী নেই| ৩-৫৬

-খুব শীঘ্রই আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করবো| কারণ, ওরা আল্লাহ্র সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করে যে সম্পর্কে কোন সনদ অবতীর্ণ করা হয়নি| আর ওদের ঠিকানা হলো দোযখের আগুন| বস্তুত: জালেমদের ঠিকানা অত্যন্ত নিকৃষ্ট| ৩-১৫১

-কাজেই আল্লাহ্র কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখেরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জেহাদ করাই কর্তব্য| বস্তুত: যারা আল্লাহ্র রাহে লড়াই করে এবং অত:পর মৃত্যুবরণ করে কিংবা বিজয় অর্জন করে, আমি তাদেরকে মহাপুর্ণ্য দান করব| ৪-৭৪

-তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও| অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহ্র পথে হিজরত করে চলে আসে| অত:পর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর| তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না| ৪-৮৯

-গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদের কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহ্র পথে জেহাদ করে,-সমান নয়| যারা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে, আল্লাহ্ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ্ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন| আল্লাহ্ মুজাহেদীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন| ৪-৯৫

-যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে| এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি| ৫-৩৩

-যখন নির্দেশ দান করেন ফেরেশতাদিগকে তোমাদের পরওয়ারদেগার যে, আমি সাথে রয়েছি তোমাদের, সুতরাং তোমরা মুসলমানদের চিত্তসমূহকে ধীরস্খির করে রাখ| আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব| কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাট জোড়ায় জোড়ায়| ৮-১২

-হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কাফেরদের সাথে মুখোমুখী হবে, তখন পশ্চাদপসরণ করবে না| ৮-১৫

-আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাক যতক্ষণ না ভ্রান্তি শেষ হয়ে যায়; এবং আল্লাহ্র সমস্ত হুকুম প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়| তারপর যদি তারা বিরত হয়ে যায়, তবে আল্লাহ্ তাদের কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন|৮-৩৯

-সুতরাং যদি কখনো তুমি তাদেরকে যুদ্ধে পেয়ে যাও, তবে তাদের এমন শাস্তি দাও, যেন তাদের উত্তরসূরিরা তাই দেখে পালিয়ে যায়; তাদেরও যেন শিক্ষা হয়| ৮-৫৭

-আর কাফেররা যেন একা যা মনে না করে যে, তারা বেঁচে গেছে; কখনও এরা আমাকে পরিশ্রান্ত করতে পারবে না|৮-৫৯

-আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার নিজের শক্তি সামর্থ্যরে মধ্যে থেকে এবং পালিত ঘোড়া থেকে, যেন প্রভাব পড়ে আল্লাহ্র শুত্রুদের উপর এবং তোমাদের শত্রুদের উপর আর তাদেরকে ছাড়া অন্যান্যদের উপর ও যাদেরকে তোমরা জান না; আল্লাহ্ তাদেরকে চেনেন| বস্তুত: যা কিছু তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহ্র রাহে, তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে পাবে এবং তোমাদের কোন হক অপূর্ণ থাকবে না ৮-৬০

-অত:পর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর| আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক| কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও| নিশ্চয় আল্লাহ্ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু| ৯-৫

-যুদ্ধ কর ওদের সাথে, আল্লাহ্ তোমাদের হস্তে তাদের শাস্তি দেবেন| তাদের লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের জয়ী করবেন এবং মুসলমানদের অন্তরসমূহ শান্ত করবেন| ৯-১৪

-যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে এবং আল্লাহ্র রাহে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহ্র কাছে আর তারাই সফলকাম| ৯-২০

-তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ্ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে| ৯-২৯

-ইহুদীরা বলে ওযাইর আল্লাহ্র পুত্র এবং নাসারারা বলে ‘মসীহ আল্লাহ্র পুত্র’| এ হচ্ছে তাদের মুখের কথা| এরা পূর্ববর্তী কাফেরদের মত কথা বলে| আল্লাহ্ এদের ধ্বংস করুন, এরা কোন উল্টা পথে চলে যাচ্ছে| ৯-৩০


-হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল, যখন আল্লাহ্র পথে বের হবার জন্যে তোমাদের বলা হয়, তখন মাটি জড়িয়ে ধর, তোমরা কি আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? অথচ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের উপকরণ অতি অল্প| ৯-৩৮

-যদি বের না হও, তবে আল্লাহ্ তোমাদের মর্মন্তুদ আযাব দেবেন এবং অপর জাতিকে তোমাদের স্খলাভিষিক্ত করবেন| তোমরা তাঁর কোন ক্ষতি করতে পারবে না, আর আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে শক্তিমান| ৯-৩৯

-তোমরা বের হয়ে পড় স্বল্প বা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে এবং জেহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে, এটি তোমাদের জন্যে অতি উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পার| ৯-৪১

-হে নবী, কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করুন এবং মুনাফেকদের সাথে তাদের সাথে কঠোরতা অবলম্বন করুন| তাদের ঠিকানা হল দোযখ এবং তাহল নিকৃষ্ট ঠিকানা|৯-৭৩

-কিন্তু রসূল এবং সেসব লোক যারা ঈমান এনেছে, তাঁর সাথে তারা যুদ্ধ করেছে নিজেদের জান ও মালের দ্বারা| তাদেরই জন্য নির্ধারিত রয়েছে কল্যাণসমূহ এবং তারাই মুক্তির লক্ষ্যে উপনীত হয়েছে| ৯-৮৮

- আল্লাহ্ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত| তারা যুদ্ধ করে আল্লাহ্র রাহে: অত:পর মারে ও মরে| তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল| আর আল্লাহ্র চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে| আর এ হল মহান সাফল্য| ৯-১১১

-হে ঈমানদারগণ, তোমাদের নিকটবর্তী কাফেরদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাও এবং তারা তোমাদের মধ্যে কঠোরতা অনুভব করুক্ আর জেনে রাখ, আল্লাহ্ মুত্তাকীদের সাথে রয়েছেন| ৯-১২৩

-বরং আমি তাদেরকে এবং তাদের বাপ-দাদাকে ভোগসম্বার দিয়েছিলাম, এমনকি তাদের আয়ুস্কালও দীর্ঘ হয়েছিল| তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে হন্সাস করে আনছি| এরপরও কি তারা বিজয়ী হবে? ২১-৪৪

-অতএব আপনি কাফেরদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের সাথে এর সাহায্যে কঠোর সংগ্রাম করুন| ২৫-৫২

-অত:পর যখন তোমরা কাফেরদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হও, তখন তাদের গর্দার মার, অবশেষে যখন তাদেরকে পূর্ণরূপে পরাভূত কর তখন তাদেরকে শক্ত করে বেধে ফেল| অত:পর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ কর, না হয় তাদের নিকট হতে মুক্তিপণ লও| তোমরা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে যে পর্যন্ত না শত্রুপক্ষ অস্ত্র সমর্পণ করবে! একথা শুনলে| আল্লাহ্ ইচ্ছা করলে তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিতে পারতেন| কিন্তু তিনি তোমাদের কতককে কতকের দ্বারা পরীক্ষা করতে চান| যারা আল্লাহ্র পথে শহীদ হয়, আল্লাহ্ কখনই তাদের কর্ম বিনষ্ট করবেন না| ৪৭-৪

-অতএব, তোমরা হীনবল হয়ো না এবং সন্ধির আহবান জানিও না, তোমরাই হবে প্রবল| আল্লাহ্ই তোমাদের সাথে আছেন| তিনি কখনও তোমাদের কর্ম হন্সাস করবেন না| ৪৭-৩৫

-অন্ধের জন্যে, খঞ্জের জন্যে ও রুগ্নের জন্যে কোন অপরাধ নাই এবং যে কেউ আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের অনুগত্য করবে তাকে তিনি জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত হয়| পক্ষান্তরে যে, ব্যক্তি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে, তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিবেন| ৪৮-১৭

-মুহাম্মদ আল্লাহ্র রসূল এবং তাঁর সহচরগণ কাফেরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল| আল্লাহ্র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি তাদেরকে রুকু ও সেজদারত দেখবেন| তাদের মুখমন্ডলে রয়েছে সেজদার চিহ্ন| তওরাতে তাদের অবস্খা এরূপ এবং ইঞ্জিলে তাদের অবস্খা যেমন একটি চারা গাছ যা থেকে নির্গত হয় কিশলয়, অত:পর তা শক্ত ও মজবুত হয় এবং কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে-চাষীকে আনন্দে অভিভুত করে-যাতে আল্লাহ্ তাদের দ্বারা কাফেরদের অন্তর্জবালা সৃষ্টি করেন| তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্খাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ্ তাদেরকে ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ওয়াদা দিয়েছেন| ৪৮-২৯

-আল্লাহ্ তাদেরকে ভালবাসেন, যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধভাবে লড়াই করে, যেন তারা সীসাগালানো প্রাচীর| ৬১-৪

-মুমিনগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বানিজ্যের সন্ধান দিব, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে? ৬১-১০

-তা এই যে, তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্খাপন করবে এবং আল্লাহ্র পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ও জীবনপণ করে জেহাদ করবে| এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা বোঝ| ৬১-১১

-তিনি তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন এবং এমন জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত এবং বসবাসের জান্নাতে উত্তম বাসগৃহে| এটা মহাসাফল্য| ৬১-১২

-হে নবী! কাফের ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জেহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন| তাদের ঠিকানা জাহান্নাম| সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্খান| ৬৬-৯

উপরের আয়াত থেকে আমরা যা পাই তা হলো ইসলামের নামে , ইসলাম প্রতিষ্টার নামে অমুসলিম মানুষদের কতল করা পুরোটাই কোরান কর্ত্বক আদেশিত।

 

 

  • ১০৫ টি মন্তব্য
  • ১১৭৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ১৮ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:১৩
comment by: নরাধম বলেছেন: পোস্ট কই?
২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:১৫
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: 'বিস্তারিত পড়ুন' ক্লিক করলে কিছুই আসেনা । কেন ?
৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:১৭
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: বাপরে, এটা আবার কোন bug?
৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৯
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: কিছু পড়া গেলনা, এটুকু বুঝি, বাগ-ফাগ বুঝিনা ।
৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩০
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: ক্যাচাল, আপনি নিজে ক্লিক করে দেখুন তো পড়তে পারছেন কিনা ।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩২

লেখক বলেছেন: না, আমি ও দেখতে পারছি না কিছু।

৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: আপনার পোস্টটা জলে গেল ?
৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৫
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: আমার কম্পিউটার জ্ঞান যা বলে , কোন না ভাবে সামোয়ার ভাইরাস এফেকটেড। তা নাহলে প্রথম পেইজে লেখা দেখা গেলেও
বিস্তারিত কিছুই আসতেছে না।
৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: ভাইরে মাইনাস পরে দে!

আগে আমার জিনিস খুইজ্জা লই। অনেক বড়ো লেখা ছিলো, ৪০ টা আয়াত সরটিং করা তো এতো সহজ না।
৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮
comment by: নরাধম বলেছেন: ক্যাচালভাই, আপনি কি সত্যিই কোরআন ভালমতে পড়েছেন? আপনার প্রশ্নগুলার উত্তর বেশিরভাগই কিন্তু অনেক আগে থেকেই কনভিনচিংলি সলভ্‌ড। আর কোরআনে কোন ভুল বা অসংগতি নেই। কোরআনের ভুল বা অসংগতি নিয়ে সবচাইতে পপুলার এবং এক্সটেননসিভ লেখা হচ্ছে ডঃ ক্যামপভেলের। উইকিপিডিয়ায় তাকে নিয়ে আর্টিকেল আছে। তাছাড়া উইকিপিডিয়ায় Miracles of Qur'an আর্টিকেলেও তার বই থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে অনেক। দেখতে পারেন। এই লোকটা অনেক বছর গবেষণা করে কোরানের অনেক ভুল বের করেছেন। তারপর তিনি এ বিষয়ে খুব পপুলার একটা বই লিখেছেন। নামটা মনে হয় Bible, Qur'an and Science. বইটাকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তো বইটা লেখার পর ২০০০ সালে শিকাগোতে তার সাথে ডঃ জাকির নায়েকের একটা বিতর্ক হয়। এখানে জাকির নায়েক ক্যাম্পভেলের প্রত্যেকটা প্রশ্নের খুব কনভিনসিং জবাব দেন। জবাবগুলো শুনলেই আপনি বুঝবেন যে কোরানে কোন ভুল নেই, অসংগতিও নেই। মরিচ বুকাইলির কথা আমি বলতেছিনা আর। অথবা টরন্টো ইউনিভার্সিটির কিথ মোরের কথা। ক্যাম্পভেলের সাথে জাকির নায়েকের আলোচনায় ক্যাম্পভেল পরিপূর্ণভাবে, beyond any reasonable doubt, পরাজিত হয়েছেন। ক্যাম্পভেলের প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর জাকির নায়েক অসাধারণ সুন্দর জবাব দিয়েছেন। কিন্তু জাকির নায়েকের ২২টা প্রশ্নের একটারও সঠিক জবাব ক্যাম্পভেল দিতে পারেননি। বিস্তারিত জানতে ইউটিউব দেখুন। জাকির নায়কে, ক্যাম্পভেল লিখে সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে। তাই আমার মনে হয় আপনি যারা আসলেই কোরানে ভাল অথরিটি আছে, অনেকদিন কোরাণ নিয়ে গবেষণা করেছেন এরকম কারো কাছে আপনার প্রশ্নগুলা জিগান। এখানে ব্লগে কারও সেরকম জানাশোনা নেই। ব্লগে জিগ্ঞেস করে কোন লাভ নেই।



আপনাকে ছোট করার কোন উদ্দেশ্য আমার নেই। আশা করি আমার কথায় মনে কষ্ট নিবেননা। অনেক ধন্যবাদ।
১০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮
comment by: পথহারা বলেছেন: ক্যাচাল

তুমি কুড়ানের সমালোচনা করো হের লৈগা........খোদার তরফথন কুদরত চলতাছে..................

সবাই জোরে কন আল্লাহুআকবার.............


০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: এতো সস্তা ব্যাপারে আল্লাহকে টেনে আনলেন?

আর যখন এগুলো ফিরে আসবে তখন কি হবে?@ পথাহারা

১১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪০
comment by: নরাধম বলেছেন: পথহারা, আপনার সাথে একমত না।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: আপনি মানুষ অনেক ভালো। অনেক ভালো।

১২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪১
comment by: পথহারা বলেছেন: হা হা.........বোলোগ ভরিয়া গেলো হোরিদাশ পালে.........কোম্মে যাই........
১৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪১
comment by: নরাধম বলেছেন: লেখক বলেছেন: এতো সস্তা ব্যাপারে আল্লাহকে টেনে আনলেন?

আর যখন এগুলো ফিরে আসবে তখন কি হবে?@ পথাহারা





সম্পূর্ণ একমত।
১৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৪
comment by: এস্কিমো বলেছেন: লেখা গেল কই?

এতো রক্তের কথা লেখছেন ...কম্পিউটার ডরাইছে :)
১৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৫
comment by: পথহারা বলেছেন: এতো রক্তের কথা লেখছেন ...কম্পিউটার ডরাইছে


বস সবই ভগবানের লিলা খেলা........
১৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: @নরাধম, আপনি দিতে পারেন কোনও লিংক? আগ্রহী পাঠকেরা উপকৃত হতে পারত ।
১৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭
comment by: নরাধম বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি মানুষ অনেক ভালো। অনেক ভালো।




ক্যাচাল, আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক। হাহাহা............।

তয় চুপি চুপি কানে কানে কয় আমি কিন্তু খারাপ মানুষ।
১৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৩
comment by: পথহারা বলেছেন: হা হা হি হি হু হু হা হা হি হি হু হু হা হা হি হি হু হু হা হা হি হি হু হু
১৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: লেখাটা কি নিয়ে আমি জানি। সূরা বাক্বারায়, যখন কাফিরদের সাথে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধ হচ্ছিল, সেই সময় নিয়ে। এই যুদ্ধটা মুসলিমদের নিজেকের আগ্রহে হয় নাই, এইটা তাদের উপর চাপায় দেয়া, তাদের দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, রাজ্যের অবিচার হচ্ছিল তাদের উপর। এমন একটা সময়ে যুদ্ধের ঘোষণা হলো, এরকম সম্মুখ যুদ্ধে অবশ্যই প্রতিপক্ষকে মারতে হবে। এটা যুদ্ধক্ষেত্র। 'তাদের (যুদ্ধক্ষেত্রে) যেখানে পাও সেখানেই হত্যা করো', ব্র্যাকেটের কথাটা আবশ্যক, যা আগে পরের কথা মিলিয়ে পড়লে বুঝা যায়, আয়াত নাজিলের কনটেক্স থেকে বুঝা যায়। এই আয়াতের ব্যাখ্যা ক্যাচালীয় স্টাইলে করলে সূরা মুমতাহিনার নিচের আয়াতের কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে না!

সূরা মুমতাহিনাহ ৮- ৯
আল্লাহ বারণ করেন না তোমাদিগকে, দ্বীনের কারণে তোমাদের বিরুদ্ধে যারা সংগ্রাম করে নাই, স্বদেশ থেকে বহিষ্কারও করে নাই, তাদের সাথে সদ্ব্যবহার ও সুবিচার করিতে - কেননা আল্লাহ ন্যায় বিচারকদের ভালোবাসেন । আল্লাহ শুধু তাদের সাথে বন্ধুত্ব কতে বারণ করেন, যারা দ্বীন লইয়া তোমাদের সাথে সংগ্রাম করিয়াছে, বহিষ্কার করিয়াছে স্বদেশ হইতে - বহিষ্কারে সাহায্য করিয়াছে - তাদের সাথে যারা বন্ধুত্ব প্রকাশ করে তারাই অত্যাচারী!


অনেককাল আগে একবার অন্য এক বেকুবের উত্তরে ব্লগে একজন নিচের রেফারেন্সগুলো রেখে গিয়েছিল, এই মুহূর্তে সেই ব্লগারকে শ্রদ্ধাভরে স্মরন করে রেফারেন্সগুলো কপি পেস্ট করছি!

সূরা বাকারাহ ১১
'পৃথিবীতে কলহ সৃষ্টি করিও না' - একথা ওদের বলা হইলে বলে, আমরাই তো আপোসের সংগঠক । সাবধান! ওরাই কলহকারী, কিন্তু ওরা বোঝে না!

"It is better to keep your mouth closed and let people think you are a fool than to open it and remove all doubt."
Mark Twain

সূরা মায়িদাহ ১৩
.. ও অন্তর করিয়াছি ওদের শক্ত, তারা শব্দগুলোর মূল অর্থ বিকৃত করে .. .. সুতরাং ওদের ক্ষমা কর ও উপেক্ষা কর, কারণ ইহা সদাচরণ ..
২০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: ক্যাচাল ভাই, ৩০ মিনিট পর ঘুমিয়ে পড়ব । আপনার পোস্ট আর পড়তে দিলেন না ।।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: আরে না, তেমন গুরুত্বপুর্ কিছু না, ঘুমান। মনে মেন গালি দেন আর ঘুমান। মেজাজ খারাপ!

২১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
comment by: পথহারা বলেছেন: আস্তবাতি,

কেমন আচো?
২২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৭
comment by: নরাধম বলেছেন: পথহারা, তোমার ইয়ে আইছে। তোমারে এখন পাই কে?
২৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৮
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি তো আগেই বলে দিলেন ক্যাচাল ভাই লিখাটা কি নিয়ে ।
সুতরাং আমি এখন ঘুমোতে পারি।
২৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৭
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: নরাধম,
অশ্লীল কথা আর ইঙ্গিত দেয়ার দায়ে তোমার কয়েকটা (অন্তত: দুইটা) পোস্ট কর্তৃপক্ষ ডিলিট করাসে, আরও শখ আছে? দুইটাতেই ইঙ্গিত আমারে দিসিলা, তোমার লজ্জা শরম কই রেখে আইসা ব্লগাও? তোমার মা যেন কখনও ব্লগে না আসে দোআ করি।
২৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১১
comment by: পথহারা বলেছেন: আস্তবাতি,

আমি কিন্তু কিচু কৈ নাই......। তোমারে ডিফেন্ড করতে গিয়া আমি রক্তে জরজরিতো........
২৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৩
comment by: gonder বলেছেন:

পতহারা কাইলকা তুমি আস্তরে নিয়া যে কমেন্ট গুলা করসিলা সেগুলা কি দিমু একানে।
২৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৬
comment by: নরাধম বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি, তোমাকে ধন্যবাদ। আমি মানুষ খারাপ সেটা আমি স্বীকার করি, তাই তো নিক নিছি "নরাধম"। তবে আমার কোন পোস্ট কতৃপক্ষ ডিলিট করেনি। আমি নিজেই করেছি বন্ধুমহলের অনুরোধে। তোমাকে নিয়ে পোস্ট ডিলিট করার জন্য বলেছিল গন্ডু, তাই ডিলিট মারছিলাম। আমার মায়ের জন্য দোয়া করছ তাই অনেক ধন্যবাদ।

আর আমার লজ্জা শরম নেই। গোলাম আজমকে তুমি মহান নেতা মনে করেও লজ্জাহীনভাবে যদি বাংলায় ব্লগাতে পার, বাংলাদেশী বলে দাবি করতে পার আমার লজ্জার কোন কারন আমি দেখিনা। জামাতি আদর্শের সবাই আমার শত্রু, আমার দেশের শত্রু। তাদের জন্য আমি আমার ভান্ডারের নিকৃষ্টতম ভাষা ব্যবহার করি আর এজন্য আমি লজ্জা তো দূরের কথা, আমি গর্বিত।
২৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৭
comment by: পথহারা বলেছেন: দেকাও.......খারাপ কিচু কৈ নাই.......যা জিগাইছো......জবাব দিচি........কৈছি...............মওদুদির কারনে ঘারডা তেরা হৈচে......আর কিচু নেগেটিভ কৈ নাই.........
২৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৮
comment by: gonder বলেছেন:

পথহারা বলেছেন: আস্তবাতি বিরিলিয়ান্ট মাইয়া..........তয় মওদুদির বৈ পৈরা ওর ঘারডা তেরা হৈয়া গেচে............

ওয়ামি পাল......ওর পিছে লাগছে........টেনশনে আচি......

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
comment by: ডোরাকাটা বলেছেন: শুধুই বিরিলিয়ান্ট?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২২
comment by: পথহারা বলেছেন: দেকতেও খারাপ না......

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২২
comment by: ডোরাকাটা বলেছেন: খারাপ না মানে? সিক্সি?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৪
comment by: পথহারা বলেছেন: হ

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮
comment by: `হাসান বলেছেন:
শেইকসি!! পতহারা কেমনে জানলো?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১২
comment by: পথহারা বলেছেন: পেরমিকের কাচে.........অলওয়েজ সেইকসি........

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৫
comment by: ডোরাকাটা বলেছেন: সিকার করেচো তাহলে? তুমি সন্দাবাত্তির পেরমিক?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৬
comment by: পথহারা বলেছেন: হ
৩০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৯
comment by: gonder বলেছেন:
০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৫
comment by: ডোরাকাটা বলেছেন: সিকার করেচো তাহলে? তুমি সন্দাবাত্তির পেরমিক?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:১৬
comment by: পথহারা বলেছেন: হ
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২৯

লেখক বলেছেন: বৃ বৃ বৃ

৩১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৯
comment by: নরাধম বলেছেন: পথহারার মত সুশীল ছেলে ধান্ধ্যাবাতির মত কাউকে "ইয়ে" করতে চাইলে সেটা ধান্ধ্যাবাতির সাত জনমের সৌভাগ্য। ইয়ে বলতে কোন অশ্লীল কিছু বুঝাইনি। নিজ দায়িত্বে বুঝে নেন।
৩২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৫
comment by: পান্জেরী বলেছেন: আ.আলাইকুম,
ক্যাচাল, আপনি যেই হউন, ইসলাম বা আল-কোরআন সম্পর্কে আপনার জ্ঞান খুবই কম। কোরআন থেকে হেদায়াত লাভের পরিবর্তে এর মধ্যে ভুল/অসঙ্গতি ধরার ধান্ধা থাকে আপনার মতো/সমমনা পাঠকদের।

মনে রাখবেন, কোরআনের কিছু আয়াত বিচ্ছিন্ন ভাবে পড়লে এরকম হবে। আপনি যে সমস্যার (রক্ত) কথা লিখেছেন এটি আপনার আবিষ্কৃত নতুন কোন সমস্যা না, এটি অনেক পূরোনো। এবং এর সমাধান আছে ও কিছু ব্লগার অলরেডি দিয়েছেন, যেমন: সন্ধাবাতি। এবং অনেক ভালো কনভিন্সিং উত্তর দিলেও আপনার মন ভরবেনা একথাও আমি জানি।

সংক্ষেপ কথা এইযে, কোরআনকে ভাল ভাবে বুঝে শুনে পড়ুন। একে জানার আগ্রহ থেকে পড়ুন।

আল্লাহ আমাদের সকলের মঙ্গল করুন। আমিন।
৩৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৯
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: সবাইকে ধন্যবাদ। অবশেষে পোস্ট খানি জায়গা মতো দিতে পেরেছি।
যদিও একজন বলেছিলেন আল্লাহ নাকি নজর রাখছেন আমার প্রতি।

''তুমি কুড়ানের সমালোচনা করো হের লৈগা........খোদার তরফথন কুদরত চলতাছে..................

সবাই জোরে কন আল্লাহুআকবার.............'''

যাই হোক, সবাই জোরে কন আল্লাহুআকবার.............'''।
৩৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৩
comment by: পথহারা বলেছেন: ক্যাচাল,

তোমার মাথায় কিচুর সরটেজ আচে......
৩৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৬
comment by: জেনারেল বলেছেন: আজকে পথুর আর পায় কে!!! খুশিতে গদ গদ !! :)
সে ধান্ধাবাতির পাইছে!!
তোরাজান হর্স রেডি রাইখো পথু, নইলে জমির স্যার আবার নানা হইয়া যাবে :)
৩৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৬
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: I am very sorry to say that পথহারা has been blocked in my pages as he does not have any logic to fight with me.
৩৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৮
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: আমার এখানে রাত ১টা ৫০ ঘড়িতে, যাই ভাত খেয়ে আসি।
৩৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫০
comment by: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: ক্যাচাল তুমারে ভুল কইরা - মাইনাস দিচি। আসলে তুমি একটা বিরাট উপকার করছ। জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ যে ফরজ অনেক চাগোল এটা জানে না।
এখন যদি কেও বলে যে সে মুস্লিম তাহলে তাকে কুরআন মেনে চলতে হবে। (তুমার মত লক জনের কথা আলাদা)
তুমার পোস্টের মাদ্ধ্যমে অনেক মুস্লিম কুরানে আশলেই যে এই আয়াত গুলা আছে জানতে পারবে।
আমি আল্লাহ র কাছে দোয়া করছি তুমার জ্য তুমি জাতে এমন পোস্ট আরো দিতে পার।
আমিন...।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু সেটাই বুঝাইতে চাইছি। If you are a Musolman, u must obey the Quran and must maintain the Jihad.

সারাদিনে এগুলো একসাথে করছি। অনেক কষ্ট করেছি রে ভাই!:)

৩৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫৮
comment by: নরাধম বলেছেন: ক্যাচাল, আমার মনে হয় পথহারারে ব্যান করার দরকার ছিলনা। আবার বলবেননা "আমার ব্লগে যারে ইচ্ছা ব্যান করব, তোমার কি?"। আমি সেটা জানি, just তোমাকে বন্ধু মনে করে বললাম।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৩

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, আপনার কথা মানলাম।আন-ব্লক করলাম। কিন্তু ঐ লোক কিন্তু একদম লজিক ছাড়া কথা বলে।

৪০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০১
comment by: ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: হাতি ঘোড়া গেল তল, ক্যাচাল কয় কত জল ।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৯

লেখক বলেছেন: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: ক্যাচাল তুমারে ভুল কইরা - মাইনাস দিচি। আসলে তুমি একটা বিরাট উপকার করছ। জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ যে ফরজ অনেক চাগোল এটা জানে না।
এখন যদি কেও বলে যে সে মুস্লিম তাহলে তাকে কুরআন মেনে চলতে হবে। (তুমার মত লক জনের কথা আলাদা)
তুমার পোস্টের মাদ্ধ্যমে অনেক মুস্লিম কুরানে আশলেই যে এই আয়াত গুলা আছে জানতে পারবে।

৪১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০২
comment by: জেনারেল বলেছেন: নরাধমের শেষ কথাটার লগে একমত।
৪২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৭
comment by: পথহারা বলেছেন: হি হি
৪৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৭
comment by: নরাধম বলেছেন: এই ষড়যন্ত্র আইসা গেছে। কেমন আছ তুমি? অনেক মিস করেছি তোমারে। এসেই ম্যাৎকার শুরু করলা?
৪৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৯
comment by: ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: গোলাম আজমকে মহান নেতা মনে করলে লজ্জাহীনভাবেই বাংলায় ব্লগাতে হবে । @নরাধম

কারণ ,ডাকসুর জিএস গোলাম আজম জিন্নাহর রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছিল ।
৪৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৫
comment by: নরাধম বলেছেন: হাহাহা...............ভাংগা রেকর্ড বাজানো শুরু করছে আবার। শওকত ওসমানের কথায় কই: "বেশ্যাও একসময় সতী থাকে।"


যৌনকর্মীরা নিজের প্রয়োজনেই করতে হয় যদিও।


৭১'এ কি করছে সেটা কওনা ক্যা?


৪৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৬
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি ।

ব্যাপারকি আজকাল কোরান ও মাইনাস খায় ! কেউ তো বলছে না আমার এই পোস্ট এর ভুল কোন কথা টা?
৪৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩২
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: কোন্‌ প্রেক্ষাপটে আয়াতগুলি আইছে তার চেয়ে জরুরী এগুলি অহন কারা কি উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবো।

এই আয়াতগুলি যদি জামাত, জেএমবি, আল-কায়েদা, Jemaah Islamiyah, হামাসগো অনুপ্রেরণার কারন হয়, তয় তাগো কি খুব দোষ দেয়া যায়। সবাই তো ক্যাচাল, নরাধম আর বাতি না।
৪৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪৪
comment by: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: ক্যাচাল "সুতরাং উপরের আয়াত থেকে আমরা যা পাই তা হলো ইসলামের নামে মানুষ কতল করা পুরোটাই কোরান কর্ত্বক আদেশিত।"
এই কথা টার সাথে একমত না।
তুমার উচিত ছিল শানে নুজুল পরা।
তুমার ব্যাক্তিগত আকাংক্ষা কিন্তু অন্য
তুমি বুঝাইতে চাইছ ইসলাম মানুশ মারার পারমিশন দিছে।
কিন্তু তুমার দেওয়া অনেক আয়াতেই কিন্তু এইটার বিরোধিতা করা আচে।
ধরতে গেলে প্রত্যেক টা আয়াতেই আল্লাহ এক্তা জিনিশ বুঝাইতে চেয়েছেন "আক্রান্ত না হলে আক্রমন কর না"।
তোমার পোস্টের লাস্টের দুই লাইন আমার কাছে আপত্তিকর।


০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, দেখি কেমনে কি করা যায় লাইন গুলোরে।

৪৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮
comment by: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: আর আমার মনে হয় তোমার পোস্টের লাস্টের দুই লাইন এর জন্য ই তুমি মাইনাস খাইতাছ
৫০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩
comment by: এস্কিমো বলেছেন: নয়া জামাতি ফতোয়া:

ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন:

ডাকসুর জিএস গোলাম আজম জিন্নাহর রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছিল ।

- ইতিহাসের জামাতিকরন! :)
৫১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯
comment by: নরাধম বলেছেন: এস্কিমো বলেছেন: নয়া জামাতি ফতোয়া:

ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন:

ডাকসুর জিএস গোলাম আজম জিন্নাহর রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছিল ।

- ইতিহাসের জামাতিকরন!
৫২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৩
comment by: কন্ঠস্বর চট্টগ্রাম বলেছেন: ক্যাচাল ভাই, আপনি কি মনে করেছেন কোরান একটা সাধারন পুস্তক(নাউযুবিল্লাহ)।এটি যেমন সাধারন পুস্তক নয়, তেমনি এটি সাধারন পুস্তক এর মতো পড়লে কিছুই বুঝবেন না।কোরান বুঝার জন্য কিছু নিয়ম-কানুন মানতে হয়।যে গুলো মেনে আপনাকে কোরান পড়তে হবে, নতুবা কোরানের আয়াতের অর্থ বিপরীত বা ভিন্ন হয়ে যায়।যা আপনি করেছেন। এ জন্য প্রথমে আয়াতের শানে-নুযুল পড়তে হয়। এর পর আয়াতের ব্যাখ্যা এবং এ আয়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আয়াত ও তার ব্যাখ্যা।
তাই অনুগ্রহ আপনি যে আয়াতগুলো দিয়েছেন, সে সব আয়াতের শানে-নুযুল, ব্যাখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আয়াতের ব্যাখ্যা গুলো ভাল করে পড়েন, তখন আপনি নিজেই আয়াতগুলোর সঠিক অর্থ বুঝতে পারবেন।
৫৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৫
comment by: বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: ভাষার ব্যাপারে প্রথম প্রতিবাদী ছিলেন
প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম
উনি অরাজনৈতিক সংগঠন তমুদ্দুনে মজলীস এর সদস্য ছিলেন

হায়! কালের করাল গ্রাসে আজকের বাংগালী জাতি ভুলতে বসেছি তা।

হয়তো এখন আমাকেও শুনতে হবে "ইতিহাসের জামাতিকরন"


৫৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪৩
comment by: ফারজানা১৬ বলেছেন:
মূর্খ আর কাকে বলে!!

খন্ডিত আয়াত, ভুল অনুবাদ এবং ভুল ব্যাখ্যা,
এইসব করেই কি আপনি আর আপনার চামচারা মনে করেছেন ইসলামের কবর দিয়ে দিবেন???!
এত ইসলাম বিদ্বেষ কেন আপনার?
পেইড হিটার এর মত আপনিও পেইড- রাইটার নাকি??
৫৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪৫
comment by: ফারজানা১৬ বলেছেন: আপনার এই ফালতু/থার্ডক্লাস পোষ্ট সেইভ করে রাখলাম।
এ মাসে আমার এক্সাম শেষ হোক, প্রতিটা লাইনের উত্তর পাবেন।
উত্তর টা দিব, আপনার মত মূর্খকে জানানোর জন্যে না, যাতে করে সাধারন মানুষ ইসলামকে নিয়ে কনফিউজড হয়ে না যায় সেজন্যে।
৫৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯
comment by: ফারজানা১৬ বলেছেন: আর পাঞ্জেরী, আপনাকে বলছি।
রাজাকার নিক চেইঞ্জ করে এসে এখানে কোরানের ব্যাখ্যা দিয়ে কোরানকে আরো বিতর্কিত করে তুলবেন না।
একটা স্বাধীন দেশে দাঁড়িয়ে রাজাকার বলতে আপনার লজ্জা করা উচিত।
রাজাকারদের কবর স্বাধীনতার পতাকা উড়ার সাথে সাথেই হয়ে গিয়েছে।

আপনি আপনারাই যত বিতর্কের মূল।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: +

৫৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১৭
comment by: মুনিয়া বলেছেন:
ব্লগের একটা ব্যাপার খুব বাজে লাগে। মূল বিষয় বাদ দিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণের দিকে ব্লগারদের উৎসাহ। যেমন সন্ধ্যাবাতিকে নিয়ে আজেবাজে কথা দেখলাম।
আর রাজাকার নিয়ে এত লাফালাফি, এত গালাগালির মানেটাও বুঝি না। রাজাকারদের গালি দেওয়ার নামে ব্লগটা নোংরা করে ফেলে সুস্থ রুচির পাঠকদের এন্ট্রান্স বন্ধ করছেন সবাই।
রাজাকারদের বিরুদ্ধে মামলা করে আইন অনুযায়ী তাদের বিচার করা উচিত। ব্লগটা নোংরা করা কেন শুধু শুধু?

@ফারজানা, আপনার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম। অবশ্যই এই ধরনের পোস্ট আমাদের বিশ্বাস টলাতে পারে না। কিন্তু কেউ এ নিয়ে স্টাডি করে উত্তর দিলে পড়তে ভাল লাগে।

@ক্যাচাল, একটা কথা। আমার মনে হয় আপনি যদি বিতর্ক তোলা উদ্দেশ্যে কোরান স্টাডি না করে জানার জন্য করেন তাহলে অনেক বেশি লাভবান হবেন।
৫৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ সকা