আজকাল বাচ্চারা যে কি পরিমান অগ্রগামী তা ভাবতেই অবাক লাগে.....
তারা আজকাল যা বলে আর বুঝায় আমাদের আর কিছুই বলার থাকে না।
তেমন ই দুটো নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা সবার সাথে শেয়ার করলাম.........
যদি আপনাদের কিছু বলার থাকে দয়া করে বলবেন................
আমার ছোট্ট খালাতো বোন। বয়স তিন কি সাড়ে তিন হবে। আজকাল প্রযুক্তির কল্যাণে
সব কিছুই তাদের চিরচেনা যা কিনা ওই বয়সে আমরা কল্পনাও করিনি। অবশ্য এটাই হওয়া স্বাভাবিক। একবার তার খুব জ্বর।কিছুই খেতে চায় না। আমার খালা তাকে অনেক কিছুই খেতে বললো কিন্তু সে কিছুই খাবে না। তারপর তার বয়না সে মিষ্টি খাবে ভাগ্যিস বাসায় মিষ্টি ছিল।কিন্তু তাতেও সমস্যা শুধু মিষ্টি দিলে হবে না সাথে হ্যালো টাও মানে মোবাইলটাও দিতে হবে। তো তার খাওয়ানোর জন্য খালা সব দিল তারপরেও একটু কিছু যদি খায়।খালা তাকে বুঝিয়ে সব খাওয়ার জন্য বলে নিজের কাজের জন্য কিচেন এ যায়। বেশ কিছুক্ষন পরে এসে দেখে সে চুপচাপ বসে আছে। খালা ভাবলো তার মনে হয় জ্বর আরও বাড়ছে।খালুকে ফোন দেয়ার জন্য যখন ওর কাছে মোবাইলটা চাইলো তখন সে আরও চুপসে গেল। পরে ওকে জিজ্ঞাস করলো মোবাইল কই?? সে তোয়ালে দেখিয়ে দিল,আর খালা তোয়ালে থেকে মোবাইল বের করে দেখলো মোবাইলটা কেমন যেনো ভিজা ভিজা এবং বন্ধ। তখন তাকে জিজ্ঞাস করলে সে উত্তর দেয়-"মিষ্টির ঝোল লাগছে,য়দি তুমি আমায় বকা দাও তাই আমি সাবান দিয়ে ধুয়ে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখছি"
আমার এক বোনের বাসায় গিয়েছিলাম। আপার এক ছেলে ছিল সে ক্লাস টু তে পড়ে। সে আমাকে এটা দেখায়,ওটা দেখায়। আমিও দেখছিলাম এবং তার একটা বই নিয়ে দেখছিলাম।বই টা ছিল সাধারন জ্ঞানের বই। উল্টে পাল্টে দেখার সময় লক্ষ্য করলাম এর অনেক তথ্য ই আপডেট না। আর বইটা অনেক আগের সংস্করনের। আমি তখন আমার ভাগীনাকে বললাম... মামা তোমার বইটাতে তো অনেক ভুল। তুমি এটা পাল্টে নিও। সে আমায় বললো "মামা এটাতে ভুল থাকলে কিচ্ছু হবে না কারন এটাতো আসল জ্ঞান না এটাতো সাধারন জ্ঞান"
বলেন এরপর আর আমার কি বলার থাকে.........!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


